ঢাকা সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩

সেরা উপস্থাপকের পুরস্কার পেলেন তানিয়া আফরিন

বিনোদন ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২:১৩ পিএম

সাউথ এশিয়ান বিজনেস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০২২-এর সেরা উপস্থাপকের পুরস্কার পেলেন তানিয়া আফরিন। গত ২২ সেপ্টেম্বর রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে জমকালো এক অনুষ্ঠানে তার হাতে এ পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। তানিয়া আফরিন বর্তমানে দীপ্ত টিভিতে উপস্থাপক হিসেবে কর্মরত।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানতে চাইলে তানিয়া আফরিন বলেন, আমি আমার কাজের মূল্যায়ন হিসেবে সাউথ এশিয়ান বিজনেস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেয়েছি। এ জন্য আমি ভীষণভাবে গর্বিত এবং আনন্দিত। এই পুরস্কার পাওয়ায় উপস্থাপক হিসেবে আমার ওপর দায়িত্ব আরও বহুগুণ বেড়ে গেল। ভবিষ্যতে আরও নতুন নতুন কাজ উপহার দিতে চাই দর্শকদের।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘপথ পাড়ি দিয়ে আমি আজকের অবস্থানে এসে পৌঁছেছি। এই কঠিন পথ অতিক্রম করার জন্য আমার পরিবারের সাপোর্ট সবসময় পেয়েছি। পরিবার সবসময় পাশে থেকে আমার আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে। যখনই কোনো সমস্যার সম্মুখীন হয়েছি, আমার পরিবার আমার পাশে থেকে আমাকে সামনে এগিয়ে যেতে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।

স্পষ্ট উচ্চারণ আর সাবলীল ভঙ্গিমা দিয়ে বর্তমানে লাইম লাইটে উঠে এসেছেন তানিয়া আফরিন। পেয়েছেন জনপ্রিয়তা আর স্বীকৃতি। একটু একটু করে নিজেকে গড়েই শুরু করেন ক্যারিয়ার। এই পথচলা সম্পর্কে তিনি বলেন, মাস্টার্স শেষ করে মিডিয়ায় কাজ করার জন্য আমি নিজেকে গড়তে শুরু করি। তবে শুরুর দিকে আমার এই পথচলা ভীষণ কঠিন ও প্রতিবন্ধকতার ছিল। আমার পথচলা শুরু করি দেশের স্বনামধন্য আবৃত্তি সংগঠন বৈকুণ্ঠে যোগদান করে। আমার সব জটিল সমস্যাগুলো সমাধানে অনেক সাহায্য করেছেন আমার গুরু শিমুল মোস্তফা। কবিতার প্রতি অগাধ ভালোলাগা আমাকে আকৃষ্ট করত। বৈকুণ্ঠে আবৃত্তি করার সেই সময়গুলো আমার কাছে অনেক আনন্দের ছিল।

আবৃত্তিচর্চার মাধ্যমেই উপস্থাপক হিসেবে নিজেকে তৈরি করেছেন জানিয়ে তানিয়া আফরিন বললেন, বৈকুণ্ঠে থাকাকালে মঞ্চে শিমুল ভাইয়ের নির্দেশনায় কয়েকটি কাব্যনাট্যের সঙ্গে কাজ করার সৌভাগ্য হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতাগুলো আর সেই দিনগুলো আমার জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় দিন। বৈকুণ্ঠে থাকাকালে আমি যে কাজগুলো করেছিলাম সেগুলোর মধ্যে রয়েছে- আলো সাগরের পদাবলি, জিয়ন্তকাল, পাঁজরে দাঁড়ের শব্দ প্রভৃতি। তারপর ধীরে ধীরে আমার এগিয়ে চলা।

তিনি বলেন, আমার পরিবারের কেউই মিডিয়ার সঙ্গে জড়িত না এবং মিডিয়ায় কেউই আমার পরিচিত ছিল না। তাই আমাকে অনেক সংগ্রাম আর যুদ্ধ করে ধৈর্য ধরে গুটি গুটি পায়ে এগিয়ে চলতে হয়েছে। এই সংগ্রামে আমার পরিবারের সাপোর্ট পেয়েছি বলেই যতোই কঠিন দিন এসেছে আমি হাল ছেড়ে দেইনি।

আবৃত্তি থেকে উপস্থাপনায় এলেন কী করে? জানতে চাইলে তানিয়া আফরীন বলেন, আবৃত্তি চর্চার মাঝেই একদিন আমি চ্যানেল আইয়ের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ফিমসের অনুষ্ঠান বিভাগে যোগদান করি। এরপর ২০১৭ সালে আমি দীপ্ত টিভিতে ভয়েজ আর্টিস্ট হিসেবে কাজ করার সুযোগ পাই। পাশাপাশি আমি সেখান থেকে বিজয় টিভিতে অনুষ্ঠান ও সংবাদ উপস্থাপক হিসেবে কাজ শুরু করি। বিজয় টিভিতে দুই বছর কাজ করার সময় সেখানকার অনুষ্ঠান বিভাগের প্রধান আনোয়ার শাহী ভাই আমাকে উপস্থাপক হিসেবে কাজ করার জন্য বিশেষ ভাবে সহযোগিতা করেন। ২০১৮ সালে গাজী টিভিতে কাজ করার সুযোগ পেলাম। এখানে ২০২০ সাল পর্যন্ত কাজ করে আমি আবারও দীপ্ত টিভিতে উপস্থাপক হিসেবে কাজ শুরু করি।

সৃজনশীল কাজে স্বীকৃতি মানুষের পথচলায় এনে দেয় গতি। এরই মধ্যে কাজের স্বীকৃতি হিসেবে তানিয়া আফরীন পেয়েছেন একাধিক পুরস্কার। জানতে চাইলে তিনি বলেন, নারীর সফলতা অনুষ্ঠানে উপস্থাপনা করে আমাকে সেরা উপস্থাপক হিসেবে পুরস্কৃত করা হয় দেশের স্বনামধন্য সাঁকো টেলিফিল্ম থেকে। আমার জীবনে এই পুরস্কারটি অনেক বেশি গর্বের। কারণ, আমি আমাদের দেশের কিংবদন্তি গায়িকা রুনা লায়লা ম্যামের হাত থেকে পুরস্কারটি গ্রহণ করেছিলাম; যা আমার জীবনে স্মরণীয় হয়ে থাকবে আজীবন। পাশাপাশি দীপ্ত টিভিতে কাজ করার সুবাদে আমাকে সেরা উপস্থাপক হিসেবে পুরস্কৃত করে দেশের বহুল পরিচিত সংগঠন বন্ধন কালচারাল ফোরাম ।

বর্তমানে তানিয়া আফরিন দীপ্ত টিভিতে উপস্থাপক হিসেবে কাজ করার প্লাটফর্ম মিডিয়া ও সাউন্ড প্রিন্টার নামে দুটি প্রতিষ্ঠানে ভয়েজ আর্টিস্ট হিসেবে নিয়মিত কণ্ঠ দিচ্ছেন।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বছরের শেষ ভিডিওবার্তায় যা বললেন বুবলী
বিদায়ের ক্রান্তিলগ্নে ২০২২ সাল। কিছু মুহূর্ত পরেই শুরু হবে নতুন বছর। ইতোমধ্যে নতুন বছরকে বরণের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। তবে নতুন বছর শুরুর আগেই সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ভিডিওবার্তা দিয়েছেন সময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী। নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক ভিডিওবার্তায় বুবলী বলেন, সকলকে নতুন বছরের অনেক অনেক শুভেচ্ছা। হ্যাপি নিউ ইয়ার। ২০২২ শেষ, ২০২৩ সাল আসছে। ২০২৩ সাল যেন সবার জীবনে বয়ে আনে শান্তি এবং ভালোবাসা। এছাড়াও সকলের সুস্থতা কামনা করেন বুবলী। এমনকি পরিবারকে সময় দিতে সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
বছরের শেষ ভিডিওবার্তায় যা বললেন বুবলী
সালতামামি ২০২২ / প্রেক্ষাগৃহে দর্শক টেনেছে যেসব সিনেমা
করোনা মহামারির প্রকোপ কাটিয়ে বিদায়ী বছরে এসে ঘুরে দাঁড়িয়েছে ঢালিউড। ‘পরাণ’, ‘হাওয়া’র মতো সিনেমার সাফল্যে জোয়ার ওঠে বাংলা সিনেমায়। একের পর এক প্রশংসনীয় সিনেমার কারণে হলমুখী হয়েছেন দর্শকরা। চলুন এক নজরে জেনে নেওয়া যাক ২০২২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত আলোচিত কিছু সিনেমা প্রসঙ্গে- হাওয়া : মেজবাউর রহমান সুমন পরিচালিত প্রথম সিনেমা ‘হাওয়া’। মুক্তির আগে থেকেই গানে গানে আলোচিত ছিলো সিনেমাটি। বিশেষ করে ‘সাদা সাদা কালা কালা’ গানে মেতেছিলেন শ্রোতারা। মুক্তির পর প্রেক্ষাগৃহগুলোতে হাউজফুল গেছে সিনেমাটি। পাশাপাশি বিক্রি হয়েছে অগ্রিম টিকিটও। সুস্থধারার বাংলা চলচ্চিত্রের দর্শকদের মাঝে সিনেমা হলে যাওয়ার আগ্রহের যে জোয়ার তৈরি হয়েছে, সেটি ‘হাওয়া’ আরও এগিয়ে নিয়েছে বলে মনে করছেন দেশের সিনেমাবোদ্ধা ও অভিজ্ঞরা। তারকাবহুল এ সিনেমায় অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী, নাজিফা তুষি, শরিফুল রাজ, সুমন আনোয়ার, নাসির উদ্দিন খান, সোহেল মণ্ডল, রিজভী রিজু, মাহমুদ হাসান ও বাবলু বোস। অপারেশন সুন্দরবন : এক সময় সুন্দরবন ছিলো ডাকাতদের একতরফা দাপট। তাদের নির্যাতনে সবসময় তটস্থ থাকত জেলেরা। অপহরণ, মুক্তিপণ দিতে না পারলে হত্যা- সবই নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। সুন্দরবনকে দস্যুমক্ত করার জন্য র‌্যাবের দুঃসাহসিক অভিযানের ঘটনা নিয়েই নির্মিত হয়েছে ‘অপারেশন সুন্দরবন’। র‌্যাব ওয়েলফেয়ার কো-অপারেটিভ সোসাইটির প্রযোজনায় সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন দীপংকর দীপন। ভিন্ন ধারার এই সিনেমা দর্শক দারুণভাবে গ্রহণ করেছে। এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন রিয়াজ আহমেদ, সিয়াম আহমেদ, নুসরাত ফারিয়া, জিয়াউল রোশান, মনোজ প্রামাণিক, দর্শনা বণিক, তাসকিন আহমেদ, রাইসুল ইসলাম আসাদসহ অনেকে। শান : সত্য ঘটনা অবলম্বনে পুলিশি অ্যাকশন থ্রিলার গল্পের ‘শান’ সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছে গত ৩মে। এম রাহিমের পরিচালনায় এতে মূখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছেন সিয়াম আহমেদ। তার সঙ্গী হয়েছেন পূজা চেরি। ঈদুল ফিতরে দেশের সব বড় বড় হলে সিনেমাটি মুক্তি পায়। এমনকি দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আমেরিকায় ‘শান’ দেখতে দর্শকদের উপস্থিতি ছিলো চোখে পড়ার মতো। এছাড়াও মালয়েশিয়া, ফ্রান্স ও অস্ট্রেলিয়াতে সিনেমাটি মুক্তি দেওয়া হয়। দামাল : গত ২৮ অক্টোবর সারাদেশে মুক্তি পায় রায়হান রাফীর সিনেমা ‘দামাল’। মুক্তির পর থেকেই আলোচনার শীর্ষে ছিল সিনেমাটি। মূলত, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময়ে গঠিত স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলকে কেন্দ্র করে সিনেমাটি নির্মাণ করা হয়েছে। এতে অভিনয় করেছেন বিদ্যা সিনহা মিম, সিয়াম আহমেদ, শরিফুল রাজ, সুমিত সেনগুপ্ত, রাশেদ অপু, সাঈদ বাবু, শাহনাজ সুমি প্রমুখ। গলুই : গত ৩ এপ্রিল মুক্তি পেয়েছে ঢাকাই কিং শাকিব খান অভিনীত সিনেমা ‘গলুই’। মুক্তির প্রথম দিন থেকেই দর্শকদের আগ্রহের তালিকায় ছিল সিনেমাটি। ‘গলুই’-তে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন অনুষঙ্গ তুলে ধরা হয়েছে। সেই সঙ্গে একটি সহজ-সরল প্রেম কাহিনিও রয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের অনুদানে নির্মিত সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন এস এ হক অলিক এবং প্রযোজনা করছেন খোরশেদ আলম খসরু। এই সিনেমায় শাকিব খানের সঙ্গে প্রথমবারের মতো জুটি বাঁধেন নতুন প্রজন্মের নায়িকা পূজা চেরি। এছাড়াও বিভিন্ন চরিত্রে ছিলেন আজিজুল হাকিম, ফজলুর রহমান বাবু, সুচরিতা, আলী রাজ, ঝুনা চৌধুরী, সমু চৌধুরী, পুষ্পসহ আরও অনেকেই।
প্রেক্ষাগৃহে দর্শক টেনেছে যেসব সিনেমা
পরীকে কটাক্ষকারীদের এক হাত নিলেন সুবহা
ঢালিউডের তারকা দম্পতি রাজ-পরীর সংসার ভাঙার ইঙ্গিতে তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া। নেটিজেনদের কেউ কেউ নায়িকাকে এমন সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার অনুরোধ জানিয়েছেন, আবার কেউ কেউ কটাক্ষ করতেও চুল পরিমাণ ছাড় দেননি। যারা পরীকে কটাক্ষ করছেন এবার তাদের এক হাত নিলেন নবাগত চিত্রনায়িকা হুমায়রা সুবহা। ফেসবুকে পরীমণিকে ট্যাগ করে সুবহা লিখেছেন, আল্লাহ স্পষ্ট ভাষায় কোরআনে লিখেছেন বিয়ে এবং তালাকের কথা। এ জন্য সুরা তালাকও নাজিল করেছেন। তাই একজন মানুষ হয়ে আর একজন মানুষের বিচ্ছেদ বা তালাকের কথা শুনে মজা নেওয়ার কিছু নেই। নিজের পরিবারের দিকে তাকিয়ে দেখুন, কারও না কারও বিচ্ছেদ বা তালাক হয়েছে। হাদিসের প্রসঙ্গ টেনে তিনি লেখেন, যে অন্যের পিছনে গীবত করে, সে তার মৃত ভাইয়ের গোশত খাওয়ার মতো পাপ করে থাকে। নায়িকা আরও যোগ করেন, যার যার পাপ-পুণ্যের হিসাব তার তার কাছে। আল্লাহ আপনাদেরকে অধিকার দেয়নি কে দোজখে যাবে, আর কে কে বেহেশতে যাবে? সেটার বিচার করার একমাত্র বিচারক আল্লাহ। তিনি কাকে কখন কীভাবে মাফ করে দেবেন একমাত্র তিনিই জানেন, আপনারা না। আল্লাহ এই পরনিন্দা পরচর্চাকারীদের যেন হেদায়েত দান করেন আর বোঝার তৌফিক দান করে, আমিন।
পরীকে কটাক্ষকারীদের এক হাত নিলেন সুবহা
কলকাতা থেকে ছুটে এলেন ভক্ত, আপ্লুত সজল (ভিডিও)
তারকাদের ঘিরে ভক্তদের পাগলামীর শেষ নেই। প্রিয় তারকাকে একনজর সামনে থেকে দেখার লোভ সামলানো বড় দায়। আর তাইতো ছোট পর্দার রাজপুত্র সজলকে দেখতে ঢাকায় ছুটে এসেছেন কলকাতার যুবক শুভদ্বীপ রয়। সজলের ভাষ্য, একজন অভিনেতার জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি তার ভক্ত-অনুরাগীদের ভালোবাসা। এ ভালোবাসা, আবেগ-অনুভূতির কাছে বাকি সব তুচ্ছ। তিনি বলেন, জীবন সুন্দর এবং এই সুন্দর বলার পেছনে অনেক দামি কিছুর প্রাপ্তির প্রয়োজন পড়ে না। প্রাপ্তি যেমনই হোক, যখন সেটা ভালোলাগার-ভালোবাসার, তার সঙ্গে অন্য কিছুর তুলনা চলে না। কাঁটাতারের সীমান্ত অতিক্রম ঢাকায় আসা সেই ভক্ত প্রসঙ্গে সজল জানান, শুভদ্বীপ রয়। কলকাতায় থাকেন। পাঁচ-ছয় বছর আগে কমেন্টবক্সে তার কিছু কমেন্ট পড়ি। তারপর সোশ্যাল মিডিয়ায় তার কিছু টেক্সট পড়ে বুঝতে পেরেছিলাম, মানুষটা আমাদের নাটক দেখে। আমার কাজগুলো পছন্দ করে। সেই সূত্র ধরেই তার সঙ্গে কথপোকথন হয়। তিনি যোগ করেন, প্রথম যে নাটকটির কথা বলেছিল, সেই নাটকের নাম ‘কুজবরণ কন্যা’। তার লেখার হাত ভীষণ ভালো। যখনই পড়তাম, তখনই মনে হতো একজন মানুষ এত মনোযোগ দিয়ে নাটক দেখেন, চরিত্রগুলো বিশ্লেষণ করেন! কোথায় কতটুকু ভালো হয়েছে, খারাপ হয়েছে বিস্তারিত লিখতেন। এমনকি কিছু ভালো না লাগলে সেটাও লিখতেন। সজল আরও জানান, এই মানুষটি হঠাৎ করে বলল যে, আমার সঙ্গে দেখা করতে সে বাংলাদেশে আসবে। শুনে খুব খুশি হয়েছিলাম। কিন্তু বিশ্বাস হয়নি। তবে যা বিশ্বাস করতে পারিনি সেটাই সে সত্যি করে দেখালো। হুট করেই চলে আসল বাংলাদেশে। আমরা বাংলাদেশিরা এমনিতেই অনেক অতিথিপরায়ণ। মেহমান পছন্দ করি। সেখানে যে মানুষটি আমাকে পছন্দ করেণ, আমার কাজ পছন্দ করেন তারা আমার কাছে অন্যরকম ভীষণ ভালোবাসার, অনেক সম্মানের। এই মানুষটির সঙ্গে ছয় বছর কথা বলার পর তার সঙ্গে প্রথম দেখা। এই সময়টুকু আমার আজীবন মনে থকবে। খুব মনে থাকবে।
কলকাতা থেকে ছুটে এলেন ভক্ত, আপ্লুত সজল (ভিডিও)
রাজ-পরীর ঝগড়ার কারণ জানালেন বাবা
বছরের শেষদিনে চিত্রনায়িকা পরীমণির সংসার ভাঙার ইঙ্গিতপূর্ণ স্ট্যাটাসের পর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে তাদের দাম্পত্য। পরী লিখেছেন, আমি আজ রাজকে আমার জীবন থেকে ছুটি দিয়ে দিলাম এবং নিজেকেও মুক্ত করলাম একটা অসুস্থ সম্পর্ক থেকে। জীবনে সুস্থ হয়ে বেঁচে থাকার থেকে জরুরি আর কিছুই নেই। আরও পড়ুন: রাজকে আমার জীবন থেকে ছুটি দিলাম : পরীমণি নায়িকার ভাষ্য, কিছুদিন ধরেই তাদের (রাজ-পরী) মধ্যে সমস্যা হচ্ছিল। কিন্তু সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে তারা একসঙ্গে থাকার চেষ্টা করেছেন। আরও পড়ুন: রাজ-পরীর সংসারে ভাঙন! পরী বলেন, তার (শরীফুল রাজ) আচার-আচরণ এমন যে, একসঙ্গে থাকার পরিস্থিতি নেই। তাই বাধ্য হয়ে বাসা ছেড়ে আলাদা হয়ে গেলাম। তবে এখনও আমাদের বিচ্ছেদ হয়নি। শিগগিরই বিচ্ছেদের চিঠি পাঠিয়ে দেব। এদিকে রাজ-পরীর দাম্পত্য কলহের কারণ জানিয়ে রাজের বাবা মুসলিম মিয়া গণমাধ্যমকে জানান, শুটিং শেষ করে বাসায় ফিরতে রাজের কিছুটা দেরি হয়। এ বিষয়টি নিয়ে তাদের মধ্যে সামান্য ঝগড়া হয়। পরী অভিমান করে থাকলেও তাদের বিচ্ছেদ হওয়ার সম্ভবনা নেই। আমরা সবাই একসঙ্গে আছি। আশা করি তাদের দুজনের সম্পর্ক সুন্দর থাকবে। আরও পড়ুন: পরীকে কটাক্ষকারীদের এক হাত নিলেন সুবহা
রাজ-পরীর ঝগড়ার কারণ জানালেন বাবা