
তারকাদের ঘিরে ভক্তদের পাগলামীর শেষ নেই। প্রিয় তারকাকে একনজর সামনে থেকে দেখার লোভ সামলানো বড় দায়। আর তাইতো ছোট পর্দার রাজপুত্র সজলকে দেখতে ঢাকায় ছুটে এসেছেন কলকাতার যুবক শুভদ্বীপ রয়।
সজলের ভাষ্য, একজন অভিনেতার জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি তার ভক্ত-অনুরাগীদের ভালোবাসা। এ ভালোবাসা, আবেগ-অনুভূতির কাছে বাকি সব তুচ্ছ।
তিনি বলেন, জীবন সুন্দর এবং এই সুন্দর বলার পেছনে অনেক দামি কিছুর প্রাপ্তির প্রয়োজন পড়ে না। প্রাপ্তি যেমনই হোক, যখন সেটা ভালোলাগার-ভালোবাসার, তার সঙ্গে অন্য কিছুর তুলনা চলে না।

কাঁটাতারের সীমান্ত অতিক্রম ঢাকায় আসা সেই ভক্ত প্রসঙ্গে সজল জানান, শুভদ্বীপ রয়। কলকাতায় থাকেন। পাঁচ-ছয় বছর আগে কমেন্টবক্সে তার কিছু কমেন্ট পড়ি। তারপর সোশ্যাল মিডিয়ায় তার কিছু টেক্সট পড়ে বুঝতে পেরেছিলাম, মানুষটা আমাদের নাটক দেখে। আমার কাজগুলো পছন্দ করে। সেই সূত্র ধরেই তার সঙ্গে কথপোকথন হয়।
তিনি যোগ করেন, প্রথম যে নাটকটির কথা বলেছিল, সেই নাটকের নাম ‘কুজবরণ কন্যা’। তার লেখার হাত ভীষণ ভালো। যখনই পড়তাম, তখনই মনে হতো একজন মানুষ এত মনোযোগ দিয়ে নাটক দেখেন, চরিত্রগুলো বিশ্লেষণ করেন! কোথায় কতটুকু ভালো হয়েছে, খারাপ হয়েছে বিস্তারিত লিখতেন। এমনকি কিছু ভালো না লাগলে সেটাও লিখতেন।
সজল আরও জানান, এই মানুষটি হঠাৎ করে বলল যে, আমার সঙ্গে দেখা করতে সে বাংলাদেশে আসবে। শুনে খুব খুশি হয়েছিলাম। কিন্তু বিশ্বাস হয়নি। তবে যা বিশ্বাস করতে পারিনি সেটাই সে সত্যি করে দেখালো। হুট করেই চলে আসল বাংলাদেশে। আমরা বাংলাদেশিরা এমনিতেই অনেক অতিথিপরায়ণ। মেহমান পছন্দ করি। সেখানে যে মানুষটি আমাকে পছন্দ করেণ, আমার কাজ পছন্দ করেন তারা আমার কাছে অন্যরকম ভীষণ ভালোবাসার, অনেক সম্মানের। এই মানুষটির সঙ্গে ছয় বছর কথা বলার পর তার সঙ্গে প্রথম দেখা। এই সময়টুকু আমার আজীবন মনে থকবে। খুব মনে থাকবে।




