ঢাকা শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

বিজয় দিবসের যত আয়োজন

বিনোদন ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৬ ডিসেম্বর ২০২২, ০৩:১৪ এএম

মহান বিজয় দিবস শুক্রবার (১৬ ডিসেম্বর)। বিজয় দিবসকে কেন্দ্র করে পুরো ডিসেম্বরজুড়ে চলে আয়োজন। এই অনুষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে গান, নাটক, আবৃত্তিসহ নানাধর্মী আয়োজন। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক সংগঠন সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে সচেতন করাই তাদের মূল লক্ষ্য।

রাজধানীজুড়ে যেসব আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে সেগুলো তুলে ধরা হলো-

ছায়ানট
করোনাকালীন দু’বছর কোনো আয়োজন বড় করে না হলেও এবার খুব ঘটা করে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান করছে ছায়ানট। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে হবে এই অনুষ্ঠান। শুক্রবার (১৬ ডিসেম্বর) বিকাল পৌনে ৪টায় শুরু হবে এই আয়োজন।

এই আয়োজন নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে ছায়ানটের সাধারণ সম্পাদক লাইসা আহমেদ লিসা বলেছিলেন, ভেদাভেদ দূরে ঠেলে, জাতীয় পতাকার লাল-সবুজে দেহ ও মন রাঙিয়ে, সর্বান্তকরণে সকলকে ষোল আনা বাঙালি হয়ে উঠবার ব্রত গ্রহণের উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছে ছায়ানট।

সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট
সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট রাজধানীর নয়টি মঞ্চে ‘বিজয় উৎসব ২০২২ আয়োজন করেছে। প্রতিপাদ্য ‘স্পর্ধায় তাড়াব ধেয়ে আসা কালো’।

ঢাকার কেন্দ্রী শহীদ মিনারে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ১৩ থেকে ১৬ ডিসেম্বর, ধানমণ্ডির রবীন্দ্র সরোবর মঞ্চে ১৪ থেকে ১৬ ডিসেম্বর, রায়ের বাজার বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে ১৪ থেকে ১৬ ডিসেম্বর, মিরপুর ৬ নম্বর মুকুল ফৌজ মাঠে ১৫ থেকে ১৬ ডিসেম্বর, দনিয়া মাসুদ মঞ্চে ১৪ থেকে ১৬ ডিসেম্বর, পুরান ঢাকার ভিক্টোরিয়া পার্কে ১৯ থেকে ২০ ডিসেম্বর, মতিঝিল টিঅ্যান্ডটি কলোনি মাঠে ১৬ ডিসেম্বর, উত্তরা বঙ্গবন্ধু মুক্তমঞ্চে ১৫ ডিসেম্বর এবং পূর্বাচল জয় বাংলা স্কয়ারে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় উৎসবের অনুষ্ঠান চলবে।

১৫০টির বেশি সংগঠনের সাড়ে ৩ হাজারের বেশি শিল্পী এবারের বিজয় উৎসবে অংশ নেবেন। এছাড়া সাংস্কৃতিক জোটের সহযোগিতায় বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদ ১৫ ও ১৬ ডিসেম্বর কলকাতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশন, ১৭ ডিসেম্বর বেনাপোল ও যশোর এবং ২৩ ডিসেম্বর ঢাকার গুলশানে বিচারপতি সাহাবুদ্দিন পার্কে বিজয় উৎসব উপলক্ষে অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে।

সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক আহ্কাম উল্লাহ্ বলেন, একাত্তরের ঘাতক-দালাল, পঁচাত্তরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকারী, ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতার হত্যাকারী এবং ২১ অগাস্ট শেখ হাসিনার উপর গ্রেনেড হামলাকারী- একই বাংলাদেশবিরোধী অপশক্তি। তাদের সাথে কোনো আপস করা চলবে না।”

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে শুরু হয়েছে আট দিনব্যাপী বিজয় উৎসব। আগারগাঁওয়ে গত ৯ ডিসেম্বর শুরু হওয়া এই উৎসব শেষ হবে শুক্রবার (১৬ ডিসেম্বর) বিজয় দিবসে। বিজয় দিবসে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তন এবং মিরপুরের জল্লাদখানা বধ্যভূমি স্মৃতিপীঠে অনুষ্ঠিত হবে উৎসবের অনুষ্ঠানমালা।

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে সকাল ১০টায় জাতীয় সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হবে। জাদুঘর মিলনায়তন এবং মিরপুরের জল্লাদখানা বধ্যভূমি স্মৃতিপীঠে দিনব্যাপী চলবে সাংস্কৃতিক আয়োজন।

জাদুঘর মিলনায়তনে ‘শিশু-কিশোর আনন্দানুষ্ঠান’ শীর্ষক আয়োজনে অংশ নেবে সোসাইটি ফর দি ওয়েলফেয়ার অব অটিস্টিক চিলড্রেন, কল্পরেখা, এসওএস শিশুপল্লী, বধ্যভূমির সন্তানদল, খেলাঘর, ইউসেপ বাংলাদেশ ও হাজারীবাগ গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা। সন্ধ্যা ৬টায় বাউল গান পরিবেশন করবেন কুষ্টিয়ার লালন আখড়া ‘আরশীনগর’।

বিকাল ৪টায় মিরপুরের জল্লাদখানা বধ্যভূমি স্মৃতিপীঠে স্মৃতিচারণ করবেন জল্লাদখানায় শহিদের সন্তানেরা। এরপর সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশ নেবে চারুলতা একাডেমি,স্বপ্নবীণা শিল্পকলা বিদ্যালয়, ঢাকা সিটি স্কুল, বধ্যভূমির সন্তানদল, যুব বান্ধব কেন্দ্র, মিথস্ক্রিয়া আবৃত্তি পরিসর, সংগীত সমাজ কল্যাণপুর, সৌখিন একাডেমি, পঞ্চায়েত শিল্প-সংস্কৃতি কেন্দ্র ও থিয়েটার গেরিলা।

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি গবেষক মফিদুল হক বলেন, “বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের যে আদর্শের মধ্য দিয়ে জন্ম নিয়েছিল, পঁচাত্তের পর সেই ইতিহাসকে বিকৃত করার নানা রকম চেষ্টা হয়েছে৷ তবে সেই ইতিহাসকে মুছে ফেলা সম্ভব হয়নি। নতুন প্রজন্মকে ইতিহাস সচেতন হতে হবে।”

মহিলা সমিতি মঞ্চে

এবারও বিজয় দিবসে মঞ্চস্থ হবে নাট্যদল ‘থিয়েটার’ প্রযোজিত আলোচিত নাটক ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’। নাটক সরণির মহিলা সমিতির নীলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তনে বিজয় দিবসে নাটকটির বিশেষ প্রদর্শনী হবে। সৈয়দ শামসুল হকের লেখা নাটকটির নির্দেশনা দিয়েছেন আবদুল্লাহ আল-মামুন। পরবর্তীতে নাটকটির নবরূপায়ণ করেছেন সুদীপ চক্রবর্তী।

থিয়েটার এর পরিচালক (সাংগঠনিক) রামেন্দু মজুমদার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমরা চেষ্টা করি প্রতি বছরই বিজয় দিবসে এই নাটকটির প্রদর্শনী করতে। এবারও বিজয় দিবসে নাটকটির মঞ্চায়ন হবে। সবাইকে আমন্ত্রণ জানাই।”

বিজয় দিবসের সন্ধ্যায় ম্যাড থেটারের তৃতীয় প্রযোজনা ‘অ্যানা ফ্রাঙ্ক’ নাটকটি জাতীয় নাট্যশালার স্টুডিও থিয়েটার মিলনায়তনে মঞ্চস্থ হবে। অ্যানা ফ্রাঙ্কের ডায়েরী থেকে নাট্যরূপ দিয়েছেন আসাদুল ইসলাম এবং নির্দেশনা দিয়েছেন কাজী আনিসুল হক বরুণ। ‘অ্যানা ফ্রাঙ্ক’ নাটকটি আর্য মেঘদূতের একক অভিনয়।

গ্যালারি চিত্রক

শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের শতাধিক শিল্পকর্ম নিয়ে ঢাকার চিত্রক গ্যালারিতে চলছে বিশেষ প্রদর্শনী ‘সংগ্রাম’। ১৯৩৯ থেকে ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত প্রায় চার দশকে তার আঁকা শিল্পকর্ম নিয়ে এ প্রদর্শনী। ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলা এ প্রদর্শনী প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

চিত্রকের নির্বাহী পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান বলেন, শিল্পাচার্যের ১০০টিরও অধিক শিল্পকর্ম, অঙ্কন সামগ্রী ও প্রাসঙ্গিক নথিপত্র রয়েছে প্রদর্শনীতে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সংগ্রাম বিষয়ে জয়নুলের আঁকা উল্লেখযোগ্য কিছু চিত্রকর্ম প্রথমবারের মত এ প্রদর্শনীতে প্রদর্শিত হচ্ছে। দুর্ভিক্ষ চিত্রমালা, মনপুরা ‘৭০, প্যালেস্টাইনি মুক্তি, সংগ্রামসহ সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের দৈনন্দিন জীবনের মানবিক সংগ্রাম উঠে এসেছে জয়নুলের এই সব শিল্পকর্মে।”


বাংলা একাডেমি

বাংলা একাডেমিতে শুরু হয়েছে ‘বিজয় মেলা ২০২২’। বৃহস্পতিবার (১৫ ডিসেম্বর) মেলার উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। ১৫-১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিন দিন চলবে এই মেলা। বাংলা একাডেমির নজরুল মঞ্চ প্রাঙ্গণে সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত মেলা সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বছরের শেষ ভিডিওবার্তায় যা বললেন বুবলী
বিদায়ের ক্রান্তিলগ্নে ২০২২ সাল। কিছু মুহূর্ত পরেই শুরু হবে নতুন বছর। ইতোমধ্যে নতুন বছরকে বরণের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। তবে নতুন বছর শুরুর আগেই সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ভিডিওবার্তা দিয়েছেন সময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী। নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক ভিডিওবার্তায় বুবলী বলেন, সকলকে নতুন বছরের অনেক অনেক শুভেচ্ছা। হ্যাপি নিউ ইয়ার। ২০২২ শেষ, ২০২৩ সাল আসছে। ২০২৩ সাল যেন সবার জীবনে বয়ে আনে শান্তি এবং ভালোবাসা। এছাড়াও সকলের সুস্থতা কামনা করেন বুবলী। এমনকি পরিবারকে সময় দিতে সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
বছরের শেষ ভিডিওবার্তায় যা বললেন বুবলী
সালতামামি ২০২২ / প্রেক্ষাগৃহে দর্শক টেনেছে যেসব সিনেমা
করোনা মহামারির প্রকোপ কাটিয়ে বিদায়ী বছরে এসে ঘুরে দাঁড়িয়েছে ঢালিউড। ‘পরাণ’, ‘হাওয়া’র মতো সিনেমার সাফল্যে জোয়ার ওঠে বাংলা সিনেমায়। একের পর এক প্রশংসনীয় সিনেমার কারণে হলমুখী হয়েছেন দর্শকরা। চলুন এক নজরে জেনে নেওয়া যাক ২০২২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত আলোচিত কিছু সিনেমা প্রসঙ্গে- হাওয়া : মেজবাউর রহমান সুমন পরিচালিত প্রথম সিনেমা ‘হাওয়া’। মুক্তির আগে থেকেই গানে গানে আলোচিত ছিলো সিনেমাটি। বিশেষ করে ‘সাদা সাদা কালা কালা’ গানে মেতেছিলেন শ্রোতারা। মুক্তির পর প্রেক্ষাগৃহগুলোতে হাউজফুল গেছে সিনেমাটি। পাশাপাশি বিক্রি হয়েছে অগ্রিম টিকিটও। সুস্থধারার বাংলা চলচ্চিত্রের দর্শকদের মাঝে সিনেমা হলে যাওয়ার আগ্রহের যে জোয়ার তৈরি হয়েছে, সেটি ‘হাওয়া’ আরও এগিয়ে নিয়েছে বলে মনে করছেন দেশের সিনেমাবোদ্ধা ও অভিজ্ঞরা। তারকাবহুল এ সিনেমায় অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী, নাজিফা তুষি, শরিফুল রাজ, সুমন আনোয়ার, নাসির উদ্দিন খান, সোহেল মণ্ডল, রিজভী রিজু, মাহমুদ হাসান ও বাবলু বোস। অপারেশন সুন্দরবন : এক সময় সুন্দরবন ছিলো ডাকাতদের একতরফা দাপট। তাদের নির্যাতনে সবসময় তটস্থ থাকত জেলেরা। অপহরণ, মুক্তিপণ দিতে না পারলে হত্যা- সবই নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। সুন্দরবনকে দস্যুমক্ত করার জন্য র‌্যাবের দুঃসাহসিক অভিযানের ঘটনা নিয়েই নির্মিত হয়েছে ‘অপারেশন সুন্দরবন’। র‌্যাব ওয়েলফেয়ার কো-অপারেটিভ সোসাইটির প্রযোজনায় সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন দীপংকর দীপন। ভিন্ন ধারার এই সিনেমা দর্শক দারুণভাবে গ্রহণ করেছে। এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন রিয়াজ আহমেদ, সিয়াম আহমেদ, নুসরাত ফারিয়া, জিয়াউল রোশান, মনোজ প্রামাণিক, দর্শনা বণিক, তাসকিন আহমেদ, রাইসুল ইসলাম আসাদসহ অনেকে। শান : সত্য ঘটনা অবলম্বনে পুলিশি অ্যাকশন থ্রিলার গল্পের ‘শান’ সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছে গত ৩মে। এম রাহিমের পরিচালনায় এতে মূখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছেন সিয়াম আহমেদ। তার সঙ্গী হয়েছেন পূজা চেরি। ঈদুল ফিতরে দেশের সব বড় বড় হলে সিনেমাটি মুক্তি পায়। এমনকি দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আমেরিকায় ‘শান’ দেখতে দর্শকদের উপস্থিতি ছিলো চোখে পড়ার মতো। এছাড়াও মালয়েশিয়া, ফ্রান্স ও অস্ট্রেলিয়াতে সিনেমাটি মুক্তি দেওয়া হয়। দামাল : গত ২৮ অক্টোবর সারাদেশে মুক্তি পায় রায়হান রাফীর সিনেমা ‘দামাল’। মুক্তির পর থেকেই আলোচনার শীর্ষে ছিল সিনেমাটি। মূলত, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময়ে গঠিত স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলকে কেন্দ্র করে সিনেমাটি নির্মাণ করা হয়েছে। এতে অভিনয় করেছেন বিদ্যা সিনহা মিম, সিয়াম আহমেদ, শরিফুল রাজ, সুমিত সেনগুপ্ত, রাশেদ অপু, সাঈদ বাবু, শাহনাজ সুমি প্রমুখ। গলুই : গত ৩ এপ্রিল মুক্তি পেয়েছে ঢাকাই কিং শাকিব খান অভিনীত সিনেমা ‘গলুই’। মুক্তির প্রথম দিন থেকেই দর্শকদের আগ্রহের তালিকায় ছিল সিনেমাটি। ‘গলুই’-তে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন অনুষঙ্গ তুলে ধরা হয়েছে। সেই সঙ্গে একটি সহজ-সরল প্রেম কাহিনিও রয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের অনুদানে নির্মিত সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন এস এ হক অলিক এবং প্রযোজনা করছেন খোরশেদ আলম খসরু। এই সিনেমায় শাকিব খানের সঙ্গে প্রথমবারের মতো জুটি বাঁধেন নতুন প্রজন্মের নায়িকা পূজা চেরি। এছাড়াও বিভিন্ন চরিত্রে ছিলেন আজিজুল হাকিম, ফজলুর রহমান বাবু, সুচরিতা, আলী রাজ, ঝুনা চৌধুরী, সমু চৌধুরী, পুষ্পসহ আরও অনেকেই।
প্রেক্ষাগৃহে দর্শক টেনেছে যেসব সিনেমা
পরীকে কটাক্ষকারীদের এক হাত নিলেন সুবহা
ঢালিউডের তারকা দম্পতি রাজ-পরীর সংসার ভাঙার ইঙ্গিতে তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া। নেটিজেনদের কেউ কেউ নায়িকাকে এমন সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার অনুরোধ জানিয়েছেন, আবার কেউ কেউ কটাক্ষ করতেও চুল পরিমাণ ছাড় দেননি। যারা পরীকে কটাক্ষ করছেন এবার তাদের এক হাত নিলেন নবাগত চিত্রনায়িকা হুমায়রা সুবহা। ফেসবুকে পরীমণিকে ট্যাগ করে সুবহা লিখেছেন, আল্লাহ স্পষ্ট ভাষায় কোরআনে লিখেছেন বিয়ে এবং তালাকের কথা। এ জন্য সুরা তালাকও নাজিল করেছেন। তাই একজন মানুষ হয়ে আর একজন মানুষের বিচ্ছেদ বা তালাকের কথা শুনে মজা নেওয়ার কিছু নেই। নিজের পরিবারের দিকে তাকিয়ে দেখুন, কারও না কারও বিচ্ছেদ বা তালাক হয়েছে। হাদিসের প্রসঙ্গ টেনে তিনি লেখেন, যে অন্যের পিছনে গীবত করে, সে তার মৃত ভাইয়ের গোশত খাওয়ার মতো পাপ করে থাকে। নায়িকা আরও যোগ করেন, যার যার পাপ-পুণ্যের হিসাব তার তার কাছে। আল্লাহ আপনাদেরকে অধিকার দেয়নি কে দোজখে যাবে, আর কে কে বেহেশতে যাবে? সেটার বিচার করার একমাত্র বিচারক আল্লাহ। তিনি কাকে কখন কীভাবে মাফ করে দেবেন একমাত্র তিনিই জানেন, আপনারা না। আল্লাহ এই পরনিন্দা পরচর্চাকারীদের যেন হেদায়েত দান করেন আর বোঝার তৌফিক দান করে, আমিন।
পরীকে কটাক্ষকারীদের এক হাত নিলেন সুবহা
কলকাতা থেকে ছুটে এলেন ভক্ত, আপ্লুত সজল (ভিডিও)
তারকাদের ঘিরে ভক্তদের পাগলামীর শেষ নেই। প্রিয় তারকাকে একনজর সামনে থেকে দেখার লোভ সামলানো বড় দায়। আর তাইতো ছোট পর্দার রাজপুত্র সজলকে দেখতে ঢাকায় ছুটে এসেছেন কলকাতার যুবক শুভদ্বীপ রয়। সজলের ভাষ্য, একজন অভিনেতার জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি তার ভক্ত-অনুরাগীদের ভালোবাসা। এ ভালোবাসা, আবেগ-অনুভূতির কাছে বাকি সব তুচ্ছ। তিনি বলেন, জীবন সুন্দর এবং এই সুন্দর বলার পেছনে অনেক দামি কিছুর প্রাপ্তির প্রয়োজন পড়ে না। প্রাপ্তি যেমনই হোক, যখন সেটা ভালোলাগার-ভালোবাসার, তার সঙ্গে অন্য কিছুর তুলনা চলে না। কাঁটাতারের সীমান্ত অতিক্রম ঢাকায় আসা সেই ভক্ত প্রসঙ্গে সজল জানান, শুভদ্বীপ রয়। কলকাতায় থাকেন। পাঁচ-ছয় বছর আগে কমেন্টবক্সে তার কিছু কমেন্ট পড়ি। তারপর সোশ্যাল মিডিয়ায় তার কিছু টেক্সট পড়ে বুঝতে পেরেছিলাম, মানুষটা আমাদের নাটক দেখে। আমার কাজগুলো পছন্দ করে। সেই সূত্র ধরেই তার সঙ্গে কথপোকথন হয়। তিনি যোগ করেন, প্রথম যে নাটকটির কথা বলেছিল, সেই নাটকের নাম ‘কুজবরণ কন্যা’। তার লেখার হাত ভীষণ ভালো। যখনই পড়তাম, তখনই মনে হতো একজন মানুষ এত মনোযোগ দিয়ে নাটক দেখেন, চরিত্রগুলো বিশ্লেষণ করেন! কোথায় কতটুকু ভালো হয়েছে, খারাপ হয়েছে বিস্তারিত লিখতেন। এমনকি কিছু ভালো না লাগলে সেটাও লিখতেন। সজল আরও জানান, এই মানুষটি হঠাৎ করে বলল যে, আমার সঙ্গে দেখা করতে সে বাংলাদেশে আসবে। শুনে খুব খুশি হয়েছিলাম। কিন্তু বিশ্বাস হয়নি। তবে যা বিশ্বাস করতে পারিনি সেটাই সে সত্যি করে দেখালো। হুট করেই চলে আসল বাংলাদেশে। আমরা বাংলাদেশিরা এমনিতেই অনেক অতিথিপরায়ণ। মেহমান পছন্দ করি। সেখানে যে মানুষটি আমাকে পছন্দ করেণ, আমার কাজ পছন্দ করেন তারা আমার কাছে অন্যরকম ভীষণ ভালোবাসার, অনেক সম্মানের। এই মানুষটির সঙ্গে ছয় বছর কথা বলার পর তার সঙ্গে প্রথম দেখা। এই সময়টুকু আমার আজীবন মনে থকবে। খুব মনে থাকবে।
কলকাতা থেকে ছুটে এলেন ভক্ত, আপ্লুত সজল (ভিডিও)
রাজ-পরীর ঝগড়ার কারণ জানালেন বাবা
বছরের শেষদিনে চিত্রনায়িকা পরীমণির সংসার ভাঙার ইঙ্গিতপূর্ণ স্ট্যাটাসের পর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে তাদের দাম্পত্য। পরী লিখেছেন, আমি আজ রাজকে আমার জীবন থেকে ছুটি দিয়ে দিলাম এবং নিজেকেও মুক্ত করলাম একটা অসুস্থ সম্পর্ক থেকে। জীবনে সুস্থ হয়ে বেঁচে থাকার থেকে জরুরি আর কিছুই নেই। আরও পড়ুন: রাজকে আমার জীবন থেকে ছুটি দিলাম : পরীমণি নায়িকার ভাষ্য, কিছুদিন ধরেই তাদের (রাজ-পরী) মধ্যে সমস্যা হচ্ছিল। কিন্তু সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে তারা একসঙ্গে থাকার চেষ্টা করেছেন। আরও পড়ুন: রাজ-পরীর সংসারে ভাঙন! পরী বলেন, তার (শরীফুল রাজ) আচার-আচরণ এমন যে, একসঙ্গে থাকার পরিস্থিতি নেই। তাই বাধ্য হয়ে বাসা ছেড়ে আলাদা হয়ে গেলাম। তবে এখনও আমাদের বিচ্ছেদ হয়নি। শিগগিরই বিচ্ছেদের চিঠি পাঠিয়ে দেব। এদিকে রাজ-পরীর দাম্পত্য কলহের কারণ জানিয়ে রাজের বাবা মুসলিম মিয়া গণমাধ্যমকে জানান, শুটিং শেষ করে বাসায় ফিরতে রাজের কিছুটা দেরি হয়। এ বিষয়টি নিয়ে তাদের মধ্যে সামান্য ঝগড়া হয়। পরী অভিমান করে থাকলেও তাদের বিচ্ছেদ হওয়ার সম্ভবনা নেই। আমরা সবাই একসঙ্গে আছি। আশা করি তাদের দুজনের সম্পর্ক সুন্দর থাকবে। আরও পড়ুন: পরীকে কটাক্ষকারীদের এক হাত নিলেন সুবহা
রাজ-পরীর ঝগড়ার কারণ জানালেন বাবা
আরও পড়ুন
‘বোধ’ সম্মাননা পেলেন ছোঁয়া-আতিফ
আরটিভিতে আজ যা দেখবেন
কী খুঁজছেন শ্রাবণ্য?
মেট্রোরেল উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যা থাকছে