
সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় নায়ক সাইমন সাদিক। সম্প্রতি সিলেটে ‘নদীর বুকে চাঁদ’ ছবির শুটিং শেষ করেছেন। তার বিপরীতে রয়েছেন পরী মণি। ছবিটি পরিচালনা করেছেন শওকত। এছাড়াও কাজ করছেন মোস্তাফিজুর রহমান মানিক পরিচালিত জান্নাত, শাহীন সুমন পরিচালিত মাতালসহ আরো বেশ কিছু ছবির। আসছে ২০ অক্টোবর এ নায়কের ‘খাস জমিন’ মুক্তি পেতে যাচ্ছে। তার সঙ্গে জুটি হয়েছেন বিপাশা কবির।
এ ব্যাপারে সাইমন আরটিভি অনলাইনকে বলেন, ছবিতে ভূমি কর্মকর্তার চরিত্রে অভিনয় করেছি। ভূমি দস্যুদের হাত থেকে ভূমিহীন মানুষদের কাছে সরকারি জমি তুলে দেয়াই আমার লক্ষ্য থাকে। আর সেখানেই পরিচয় হয় ওই গ্রামের সহজ সরল মেয়ে বিপাশার সঙ্গে।
তিনি আরো বলেন, এ ছবিতে যাত্রাপালার একজন মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছে বিপাশা। ভালো পরিবারের মেয়ে হওয়ার সত্বেও জটিলতায় ওই পথে পা বাড়াতে হয় তাকে। ঘটনার এক পর্যায়ে আমার ও বিপাশার মধ্যে প্রেম হয়। এরপর গল্পটি নতুন দিকে মোড় নেয়। আশা করছি দর্শকদের ছবিটি ভালো লাগবে।
মাতাল ছবি নিয়ে সাইমন বলেন, এই ছবিটি নির্মাণ করছেন খ্যাতিমান নির্মাতা শাহীন সুমন। তার ঝুলিতে অনেক হিট সুপার হিট ছবি রয়েছে। খুব ভালোভাবেই এগিয়ে যাচ্ছে শুটিং। ছবিতে আমার সঙ্গে জুটি হয়েছে অধরা খান। নতুন হলেও সে খুব ভালো অভিনয় করছে। সবমিলে ভালো কিছুই হবে আমার বিশ্বাস।
সাইমন সাদিকের হিট ছবি 'পোড়ামন'-এ নায়িকা মাহিয়া মাহি ছিলেন এ নায়কের বিপরীতে। এরপর আর একসঙ্গে জুটি হিসেবে দেখা যায়নি তাদের। এবার মোস্তাফিজুর রহমান মানিক তার জান্নাত ছবিতে জুটি করেছেন সাইমন-মাহিকে। শুরু থেকেই ছবিটি নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা।
জান্নাত প্রসঙ্গে সাইমন বলেন, গল্পটি সমসাময়িক। আর নির্মাণও বেশ ভালো হয়েছে। আমার দ্বিতীয় ছবির নায়িকা ছিল মাহি। এতদিন পরে আবারো একসঙ্গে কাজ করছি। ছবির নির্মাতা, দর্শকদের মধ্যে ছবিটি নিয়ে যে প্রত্যাশা রয়েছে, ঠিক তেমনি আমি নিজেও আশাবাদী।

এদিকে সম্প্রতি সাইমন সাদিকের একটি স্ট্যাটাস নিয়ে বেশ আলোচনা তৈরি হয়েছে। ফেসবুকে তিনি জানান, 'পোড়ামন টু' ছবি নির্মাণের যখন খবর শুনে জাজ মাল্টিমিডিয়ায় গিয়েছিলাম। কিন্তু কোনো সাড়া পাননি।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে এ নায়ক বলেন, আমি কোনো প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানে কাজের জন্য যাই না। পোড়ামন বলেই গিয়েছিলাম। এ ছবির প্রতি আমার ইমোশনটা একেবারেই আলাদা। সেটা ৬ মাস আগের কথা। তাদের দিক থেকে কোনো সাড়া পাইনি। নতুন যেই কাজটি করুক তার জন্য শুভ কামনা।
এম




