ঢাকা শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

‘আমার পেছনে কোনো গডফাদার ছিল না’

এ এইচ মুরাদ

প্রকাশ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ০৯:২৩ পিএম

পুরো নাম ইয়ামিন হক ববি। এ গ্ল্যামারাস চিত্রনায়িকা ঢালিউডে ববি নামেই পরিচিত। তার অভিনীত ও প্রযোজিত ছবি 'বিজলি' এখন মুক্তির অপেক্ষায়। দেহরক্ষী খ্যাত এ নায়িকা চলচ্চিত্র ও ব্যক্তিগত জীবনের নানা কথা বলেছেন আরটিভি অনলাইনের সঙ্গে। চলচ্চিত্রের সংকট-সম্ভাবনা নিয়েও সোজাসাপ্টা কথা বলেছেন তিনি। জানিয়েছেন বিয়ে, সংসার, ব্যক্তিজীবন ও রূপালি পর্দায় উঠে আসার নেপথ্যের গল্প। ববির এ দীর্ঘ সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন এ এইচ মুরাদ। দুই পর্বের এই সাক্ষাৎকারটির প্রথম কিস্তি গতকাল প্রকাশের পর আজ মঙ্গলবার প্রকাশ হলো দ্বিতীয় ও শেষ কিস্তি।

জাজ মাল্টিমিডিয়া প্রযোজিত ছবির নায়িকা হলেন

‘বেপরোয়া’ ছবিটিতে অনেক আগেই চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলাম। কিন্তু চলচ্চিত্র শিল্পে অস্থিরতা ও ‘বিজলি’ চলচ্চিত্রের কাজের জন্য দেরি হয়ে গেল। কারণ ওই ছবির প্রযোজক হওয়ার জন্য আমাকে এ সংক্রান্ত সবকিছুতেই অনেক সময় দিতে হয়েছে। বিজলি ‘ভিএফএক্স’ নির্ভর ছবি হওয়াতে ছবির এডিটিং বাংলাদেশ ও ভারত মিলিয়ে করতে হয়েছে। এ ছবির পরিচালক ইফতেখার চৌধুরী আমেরিকার নাগরিক। সেখানকার প্রোডাকশন হাউজ থেকেও কিছু অংশের সম্পাদনার কাজ করিয়ে এনেছেন তিনি। দর্শকের কাছে অনুরোধ, সবাই ‘বিজলি’ ছবিটি দেখবেন। এ ধরনের ছবি বেশি বেশি নির্মিত হলে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পের জন্যই সুফল বয়ে আনবে বলে মনে করি।

‘খোঁজ দ্য সার্চ’ থেকে ‘ওয়ান ওয়ে’ তৃপ্তি-অতৃপ্তি

‘খোঁজ-দ্য সার্চ’ ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্রে পথচলা শুরু হয়েছিল। এরপর প্রায় দেড় থেকে দু'বছর চলচ্চিত্রে কাজ করিনি। সবচেয়ে বড় স্ট্রাগল করতে হয়েছে ফ্যামিলির সঙ্গেই। কোনোভাবেই তারা চাইছিলেন না যে, আমি সিনেমায় কাজ করি। সে জায়গা থেকে বেরিয়ে আসতে ভীষণ কষ্ট করতে হয়েছে। তারপর ‘দেহরক্ষী’ থেকে আবারো বড় পর্দায় ফেরা। আমি ভাগ্যবতী, ওই ছবিটি সুপারহিট হয়। পরে 'ফুল অ্যান্ড ফাইনাল' ও 'রাজত্ব' ছবি দু'টিতে দর্শকরা আমাকে গ্রহণ করেছেন। আমার পেছনে কোনো গডফাদার ছিল না। স্ক্রিন টেস্ট দিয়েই চলচ্চিত্রে কাজের সুযোগ করে নিতে হয়েছে। দর্শকদের ভালোবাসায় আজ ববি হতে পেরেছি।

অভিনয় নিয়ে ভাবনা

টাকার জন্য চলচ্চিত্রে আসিনি। এসেছি দর্শকের ভালোবাসা অর্জনের জন্য। এমন কিছু ছবিতে কাজ করতে চাই যেন মৃত্যুর পরেও মানুষ মনে রাখেন।

সামাজিক কোনো কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ততা

আমি সবসময় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করি। ইন্ডাস্ট্রিতে অনেকেই আছেন, যারা মানুষকে সাহায্য করে ফেসবুকে প্রচার করে থাকেন। আর এ জিনিসটা সবসময় এড়িয়ে যাই আমি। অনেক বন্ধুই বলে, তুমি মানুষের জন্য এত কিছু করো কিন্তু গোপনে কেন? তোমার দেখাদেখি আরো অনেকেই হয়তো দেখানোর জন্য হলেও মানুষের পাশে দাঁড়াবে। আগ্রহী হয়ে উঠবে। কিন্তু এই লোক দেখানোর বিষয়টি নিয়ে আমি সন্দিহান! আমি মনে করি, মানুষকে সাহায্য করলে সেটা আড়ালেই করা উচিত।

দর্শকের অভিযোগ আছে আপনি সিনেমা কম করেন

এই অভিযোগটা প্রায়ই আমাকে শুনতে হয়। একই ধরনের ছবিতে বারবার কাজ করতে ভালো লাগে না। সেজন্য আমি ভালো প্রোডাকশনের ব্যানারে কাজ করার দিকে গুরুত্ব দেই। আমাকে বলা হত, 'তুমি এত সিনেমার কাজ ছেড়ে দিচ্ছ পরে তোমাকে আর কেউ কাজই দেবে না।' সত্যি বলতে, আমি ভালো কাজের কাঙাল। সামনে যে সিনেমার অফার আসবে তাই করতে হবে, এমন নীতিতে আমি বিশ্বাসী না।

এক্ষেত্রে দর্শক তো বঞ্চিত হচ্ছে

ইন্ডাস্ট্রিতে একটা শিল্পী দাঁড়ানোর পর থেকেই সে সারা জীবনের জন্য শিল্পী। অথচ আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে এক দুই বছরের একটা গ্যাপ মানেই ধরে নেওয়া হয় সে হারিয়ে যাচ্ছে। হলিউড কিংবা বলিউডের দিকে তাকালে দেখবেন দুই বা পাঁচ বছরের ব্যবধানে কোনো ছবি আসলে সবাই ধরে নেন ভালো কিছু আসছে। আপনারা এই বিষয়গুলো নিয়ে লিখছেন না কেন? আপনারা এই ম্যাসেজটা দর্শকদের দিন। আমরা আজ এত দূর এসেও যেন ২০০ বছর পিছিয়ে আছি। আমি নিজে বিজলি করতে গিয়ে দেখেছি, ২০ দিনের মধ্যে সিনেমা হয়ে যায় না। ভালো কাজের জন্য অনেক সময় দিতে হয়। এখন দর্শকের টেস্ট পরিবর্তন হয়েছে। আগের সেই দিন আর নেই। একটা সময় ছিল যখন শুধু বাংলাদেশ টেলিভিশন আর সিনেমা হল ছিল। বর্তমানে বিনোদনের অনেক মাধ্যম হয়েছে। এখন আর ভালো কাজ ছাড়া দর্শকদের হলমুখি করা সম্ভব না। মানুষ মোবাইলে বসেই সিনেমা দেখতে পারছেন। ভালো সিনেমা না হলে তারা কেন প্রেক্ষাগৃহে গরমের মধ্যে সিনেমা দেখতে যাবেন।

ঢালিউডের সঙ্গে তো হলিউড, বলিউডের পার্থক্য রয়েছে। সংস্কৃতিও আলাদা

হ্যাঁ, তা ঠিক আছে। কিন্তু সিনেমা মুক্তির পর ওদের সঙ্গেই তুলনা করা হয়। ওখানকার শিল্পীদের সঙ্গে আমাদের তুলনা করা হয়। আমি নিজেও হলে গিয়ে সিনেমা দেখি। বোরখা পড়ে হলে যাই। দর্শকের সঙ্গে লুকিয়ে সিনেমা দেখার আনন্দ অন্যরকম। লুকিয়ে তাদের প্রতিক্রিয়া দেখতে খুব ভালো লাগে। তখন অনেক কাজ করতে ইচ্ছে করে।

বিয়ে নিয়ে গুঞ্জন শোনা যায়

হাহাহা (হাসি)। বিয়ে করলে তো জানতেন। না, এখনো সেরকম কিছু হয়নি। কোনো কিছু লুকিয়ে করি না। আমি ‘স্ট্রেট ফরওয়ার্ড’ মানুষ। বিয়ে করলে সবাইকে জানিয়েই করবো। কোন মানুষটাকে নিজের জন্য ঠিক মনে হবে তা সময়ই বলে দিবে। যদিও বাবা-মা সবসময় বিয়ের কথা বলতে থাকেন। বাবা ২০০৬ সাল থেকে খুব অসুস্থ। নিয়মিত তার চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যেতে হয়। বাবাকে অনেক বেশি সময় দেই। তবুও স্বার্থপরের মতো বলবো, সিনেমা হলে যখন নিজের সিনেমা দেখি দর্শকের প্রশংসা ও আপনাদের (সাংবাদিক) সঙ্গে কাটানো সময়গুলো আমার জীবনের সেরা মুহূর্ত।

এম/পিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
নজর কেড়েছেন শাহরুখ কন্যা
বলিউড কিং শাহরুখ খানের মেয়ে বলে জন্ম সূত্রেই বনে গেছেন তারকা। তাই যে কোনো পার্টি-অনুষ্ঠানে মধ্যমণি হয়ে উঠেন শাহরুখ কন্যা সুহানা খান। তার প্রতি মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। সুহানার বয়স এখনো ১৮ পার হয়নি। বলিউডের সিনেমাতেও অভিনয় করেননি। তবে শাহরুখ খানের সঙ্গে মাঝে মাঝে কিছু অনুষ্ঠানে দেখা যায় তাকে। এবার এক আত্মীয়ের বাড়িতে অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে নজর কেড়েছেন সুহানা। আকর্ষণীয় সাজে বিয়ের অনুষ্ঠানে দেখা গেছে শাহরুখ কন্যার মোহনীয় রূপ। সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ হবার পর রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে। ওই বিয়ের অনুষ্ঠান ছিল দিল্লিতে। সুহানাকে দেখে বোঝার উপায় ছিল না যে তার বয়স মাত্র ১৭। সোনালি লেহেঙ্গায় বেশ লাবণ্যময়ী লাগছিল সুহানাকে। সেই ছবি দেখে অনেকেই প্রশংসা করেছেন। এছাড়া কিছুদিন আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল সুহানার গোসলের ছবি। সুহানা নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবিটি প্রকাশ করেছিলেন। এরপর সেই ছবি নিয়ে নানারকম খবর প্রকাশ হয়েছে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে। বলিউডের সিনেমায় অভিনয় না করলেও মঞ্চনাটকে অভিনয় করেন সুহানা। মুম্বাইয়ের একটি নাটকের দলের সঙ্গে যুক্ত আছেন সুহানা। ‘সিন্ডারেলা’ নাটকের অভিনয় করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি। নাটকের ভিডিও দেখে কেউ কেউ সুহানাকে সিনেমায় অভিনয়ের প্রস্তাব দেয় বলে জানা গেছে। তবে শাহরুখ চান না তার মেয়ে এখনই সিনেমায় আসুক। পিআর/এসএস
নজর কেড়েছেন শাহরুখ কন্যা
পাঁচ মাস পরেই নাবিলার বিয়ে
শোবিজের জনপ্রিয় উপস্থাপিকা ও ‘আয়নাবাজি’খ্যাত অভিনেত্রী মাসুমা রহমান নাবিলা বিয়ে করতে যাচ্ছেন। তার বরের নাম জোবাইদুল হক। পেশায় একজন ব্যাংকার। দুই পরিবারের মধ্যে বিয়ের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে। আগামী এপ্রিলের ২৬ তারিখ হবে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা এমনটাই জানালেন নাবিলা। নাবিলা বলেন, ‘আমাদের দু’জনার পরিচয় প্রায় ১৮ বছরের। বলতে পারেন আমরা দুজনেই দু’জনার প্রথম প্রেম। আমরা যখন জেদ্দায় থাকতাম, ওদের পরিবারও সেখানে থাকত। দুজনে একই স্কুলে পড়তাম। তখন থেকে তার প্রতি ভালো লাগা তৈরি হয়। তবে কল্পনাও করিনি এতদিন পর আমাদের সেই প্রেমের সফল পরিণতি হবে। সবার কাছে দোয়া চাই।’ বাবার চাকরি সূত্রে নাবিলার জন্ম ও বেড়ে ওঠা সৌদি আরবে। তার কৈশোর কেটেছে জেদ্দা শহরে। এসএসসি পাসের পর জেদ্দা থেকে নাবিলা স্থায়ীভাবে ঢাকায় চলে আসেন। অন্যদিকে নাবিলার হবু বর জোবাইদুল হকের কৈশোরও কেটেছে জেদ্দায়, তার বাবার চাকরি করতেন সেখানে। এখন তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি ব্যাংকে কর্মরত আছেন। ২০০৬ সালে বাংলাভিশনের এবং ক্লাসের বাইরে নামে একটি স্কুল ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানের উপস্থাপনার মাধ্যমে শোবিজে নাবিলার পথচলা শুরু হয়। এরপর তিনি এনটিভির লাইভ কুইজ অনুষ্ঠান ‘জানার আছে বলার আছে’ এবং বাংলাভিশনে ‘মিউজিক টুগেদার’। এছাড়া আরটিভিতে প্রচারিত ‘এক্সট্রা ইনিংস’ পরবর্তী সময়ে ‘ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড লাকি লাইন’ ও এশিয়ান টিভির ‘স্টার ডান্স’সহ অসংখ্য অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেছেন। এম/সি
পাঁচ মাস পরেই নাবিলার বিয়ে
দীপিকার পাশে দাঁড়ালেন দাউদ ইব্রাহিম!
অবশেষে ছাড়পত্র পেয়েছে দীপিকা পাড়ুকোন অভিনীত বলিউডের তুমুল আলোচিত সিনেমা ‘পদ্মাবতী’। তবে সিনেমাটির নাম বদলে ফেলতে হয়েছে। গত শনিবার সিনেমাটিকে সেন্সর ছাড়পত্র দিয়েছে ভারতীয় চলচ্চিত্র সেন্সরবোর্ড। তবে সিনেমাটির নাম পরিবর্তন করে ‘পদ্মাবত’ রাখা হয়েছে। এই সিনেমাটির ছাড়পত্র পাওয়ার পেছনে নাকি বলিউডের মাফিয়া ডন দাউদ ইব্রাহিমের হাত রয়েছে। মূলত ডনের চাপেই সিনেমাটিকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। ভারতীয় গণমাধ্যম ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এ প্রকাশিত একটি খবরে এই তথ্য জানা গেছে। তবে সেন্সরবোর্ড থেকে ছাড়পত্র দেয়ার সঙ্গে কিছু দৃশ্য পরিবর্তন করারও পরামর্শ দেয়া হয়েছে। পরিচালক সেই দৃশ্যগুলো পরিবর্তনগুলো করতে সম্মত হয়েছেন। এদিকে আন্দোলনরত কার্ণি সেনা অভিযোগ করেছে, দাউদ ইব্রাহিমের চাপে ছবিটিকে সেন্সর ছাড়পত্র দিয়েছে বোর্ড। এই সিনেমার মুক্তি দেশের জন্য মঙ্গলজনক হবে না। তাই রাজস্থানের যে হলেই এই ছবিটি  চলবে, তা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়া হবে বলে হুমকি দিয়েছেন কার্ণি সেনার প্রেসিডেন্ট সুখদেব সিং গোগামেড়ি। মূলত এই কার্ণি সেনার চাপেই ‘পদ্মাবতী’র মুক্তি পেছানো হয়। পরিচালক সঞ্জয় লীলা বানশালীর শুটিং সেটে গিয়েও হামলা করা হয়। পরবর্তীতে ছবিটিকে ঘিরে ভারতজুড়ে শুরু হয় অস্থিরতা। একাধিক রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রীরা ছবিটিকে নিয়ে মন্তব্য করেন। পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতায় ছবিটির প্রিমিয়ার করার জন্য আমন্ত্রণ জানান। একইসঙ্গে সিনেমা সংশ্লিষ্ট অনেকেই ছবিটিকে মুক্তি দেয়ার জন্য সুপারিশ করেন। নানা বিতর্কের পর এবার প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পথে আরেক ধাপ এগিয়ে গেলো ছবিটি। পিআর/এম
দীপিকার পাশে দাঁড়ালেন দাউদ ইব্রাহিম!
কিন্তু শাকিব তুমি কী করছো?
তারকা দম্পতি শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের সংসার এখন ভাঙনের পথে। এরইমধ্যে অপু বিশ্বাসকে ডিভোর্স লেটার পাঠিয়েছেন শাকিব খান। তবে বিষয়টি মানতেই পারছেন না এক সময়ের নাম্বার ওয়ান নায়ক ওমর সানী। শাকিব-অপুকে উদ্দেশ্য করে এক দীর্ঘ ফেসবুক স্ট্যাটাস লিখেছেন তিনি। আরটিভি অনলাইনের পাঠকদের জন্য ওমর সানীর স্ট্যাটাসটি নিচে তুলে ধরা হলো। ওমর সানী লিখেছেন, শাকিব খানের শুরুটা হয়েছিল আমার আর মৌসুমীর হাত ধরে, সোহান সাহেবের (পরিচালক সোহানুর রহমান সোহান) ছবিতে আমার শ্যালিকা ইরিনের নায়ক হয়ে। তাকে (শাকিব) আমি ছোট ভাইয়ের মতো স্নেহ করি, আদর করি। আমি চাই শাকিব সুন্দর একটি সংসার করুক, স্ত্রী-সন্তান নিয়ে। তার ফুটফুটে একটি বাচ্চা আছে, যার নাম জয়। কত সুন্দর তার মুখ, তাকে দেখলে মনে হয় এত মায়াবী শিশু আর হয়না। শাকিবের একজন স্ত্রী আছে, সেও সিনেমার নায়িকা। কিন্তু শাকিব তুমি কি করছো? এত সুন্দর একটি সংসার এভাবে নষ্ট করে দিচ্ছ? তুমি কি চাও জয় তার বাবার আদর না পাক? অপু তার স্বামীর সোহাগ বঞ্চিত হোক? আমি ও মৌসুমী ক্যারিয়ারের শীর্ষ সময়ে বিয়ে করেছিলাম, পবিত্র বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলাম। আমরা কি নিজেদের ভালোবাসার কথা দেশবাসীকে, ভক্তদের জানাইনি? আমাদের ভক্তরা তা সাদরে গ্রহণ করেছে। আমাদের ভালোবেসেছে, আজো বাসছে। মৌসুমী আজো দেশের প্রধান নায়িকা। আমাদের দুই সন্তান এতদিন পরেও তাদের বাবা-মায়ের আদর, শাসন, স্নেহ পাচ্ছে। আমি চাই তুমি ও তোমার স্ত্রী তোমাদের দায়িত্ব পালন করবে জয়ের প্রতি। অপুর প্রতি আমার উপদেশ, তুমি স্বামী-সংসারে মন দাও। মেয়েদের বড় অলংকার তার স্বামী, স্বামীর অহংকার তার স্ত্রী। এ অলংকার, এ অহংকার রক্ষা করতে হবে তোমাদেরকেই। ক্যারিয়ারের চেয়েও অনেকসময় বড় হয় সংসার, ভালোবাসা থাকলে, বিশ্বাস থাকলে, পরিশ্রম করলে সব একসুতোয় গেঁথে যাবে। যে মালা কারো কানকথায় ছিঁড়বে না। আমি চাই তুমি সংসার করে যাও একজন আদর্শ স্ত্রীর মতো। তোমরা দুজনেই আমাদের প্রিয়, স্নেহভাজন। তোমাদের মঙ্গলের জন্যই আমি বলছি, তোমরা সব ভুলে গিয়ে এক হয়ে যাও। জয়ের দিকে চেয়ে, তোমাদের ভক্ত দর্শকের দিকে চেয়ে। জয়ের জয় হোক, ভালোবাসার জয় হোক। এম/পিআর
কিন্তু শাকিব তুমি কী করছো?
দিশার খোলামেলা ছবি তুললেন কে?
হালের ক্রেজ দিশা পাটানি খুব একটা বেশি সিনেমায় কাজ না করলেও অল্প সময়েই এসেছেন আলোচনায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার ফলোয়ারের সংখ্যা কম নয়। ইনস্টাগ্রামে মাঝে মাঝেই নিজের ছবি শেয়ার করেন দিশা। সেখানেই নিজের আপডেট ভক্তদের মাঝে শেয়ার করেন তিনি। ভালো লাগার মুহূর্তের ছবি পোস্ট করে আনন্দ পান দিশা। গেলো শনিবার তেমনই একটি ছবি পোস্ট করেছেন দিশা। বছরের শেষ কয়েকটা দিন ছুটির মেজাজে থাকতে চেয়েছেন তিনি। ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা ছবিতে দেখা যাচ্ছে সমুদ্র সৈকতে বালির উপর সাদা বিকিনি পরা অবস্থায় বসে আছেন নায়িকা। একাকি সমুদ্রের নীল জল ও বিশালতা মুগ্ধ হয়ে দেখছেন। তবে লোকেশন নিয়ে সরাসরি কিছু না জানালেও, ধারণা করা হচ্ছে ছবিটি শ্রীলঙ্কার কোনো সমুদ্রসৈকতের ধারে। ভারতীয় গণমাধ্যমে কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, দিন কয়েক আগেই টাইগার শ্রফের সঙ্গে বিমানবন্দরে দেখা গিয়েছিল তাকে। দিশা জানিয়েছিলেন, বর্ষবরণ করতে শ্রীলঙ্কায় ছুটি কাটাতে যাচ্ছেন তিনি। এদিকে বলিউডে গুঞ্জন আছে টাইগার ও দিশার মধ্যে অনেকদিন ধরেই প্রেমের সম্পর্ক চলছে। আর তাইতো নিন্দুকেরা বলছেন তাহলে কি সমুদ্রের তীরে বসে দিশার এমন খোলামেলা ছবি টাইগারেরই তোলা? তবে বিষয়টি নিয়ে টাইগার-দিশার কেউই কোনো মন্তব্য করেননি। এম/পি
দিশার খোলামেলা ছবি তুললেন কে?
আরও পড়ুন
বড় ধামাকার আভাস দিলেন ববি
ববির পার্টি সং
নোলকের জন্য ঢাকা ছাড়ছেন ববি
শাকিবের ৫০ লাখ, ববির কত