
রণবীর কাপুর অভিনীত ‘অ্যানিমেল’ মুক্তি পায় গত ১ ডিসেম্বর। মুক্তির পর থেকেই সিনেমাটি প্রশংসা কুড়ানোর পাশাপাশি অভিনয়ে দর্শকদের নজর কেড়েছেন রণবীরও। রীতিমতো বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে সিনেমাটি। এ দিকে প্রেক্ষাগৃহে ‘অ্যানিমেল’ দেখতে গিয়ে হল থেকে কাঁদতে কাঁদতে বেরিয়ে যান এক ছাত্রী।
‘অ্যানিমেল’র বাণিজ্যিক সাফল্য যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, তেমনই সিনেমাটিকে ঘিরে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে নানান বিতর্ক। উগ্র পুরুষ, নারীবিদ্বেষ, হিংসা এই সবই রয়েছে এই সিনেমায়।
এবার রণবীরের ‘অ্যানিমেল’ দেখে রীতিমতো ভয় পেয়ে সিনেমা হলেই কান্নাকাটি শুরু করেন সাংসদ-কন্যা। শুধু তাই নয়, কাঁদতে কাঁদতে হল থেকেই বেরিয়ে যান তিনি। এরপরই সংসদে চিৎকার করতে থাকেন সাংসদ মা রঞ্জিত রঞ্জন।
জানা গেছে, বন্ধুদের সঙ্গে হলে ‘অ্যানিমেল’ দেখতে যান ছত্তীসগঢ়ের কংগ্রেস সাংসদ রঞ্জিতের মেয়ে। তবে সিনেমাটি দেখতে গেলেও পুরোটা দেখা হয়নি তার। বরং এমন প্রভাব পড়ে যে হাউহাউ করে কাঁদতে কাঁদতে হল থেকে বেরিয়ে পড়েন সাংসদ-কন্যা।

বিষয়টি নিয়ে চুপ করে থাকতে না পেরে ক্ষোভ উগড়ে দেন সাংসদ রঞ্জিত রঞ্জন। রীতিমতো সংসদে তোলপাড় ফেলে দেন ‘অ্যানিমেল’ সিনেমাটি নিয়ে। সংসদে দাঁড়িয়ে সন্দীপ রেড্ডি নির্মিত সিনেমাটিকে রীতিমতো ছি ছি করেন। তিনি বলেন, জঘন্য গল্প। আমার মেয়েটাকে কাঁদিয়ে ছেড়েছে সিনেমাটা।
রঞ্জিত আরও বলেন, সমাজের প্রতিচ্ছবি সিনেমা। ছোট থেকে সিনেমা দেখেই বড় হই আমরা। সিনেমা দেখে নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা প্রভাবিত হয়। ‘কবীর সিং’ থেকে শুরু করে ‘পুষ্পা’, এখন আবার ‘অ্যানিমেল’।
আমার মেয়ে দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। বান্ধবীদের সঙ্গে ‘অ্যানিম্যাল’ দেখতে গিয়েছিল প্রেক্ষাগৃহে। কেঁদে বেরিয়ে এসেছে হল থেকে। পুরো সিনেমা দেখে শেষ করতে পারেনি ভয়ে। এই ধরনের সিনেমা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের উপর শুধু খারাপ প্রভাবই ফেলতে পারে। পাশাপাশি কী ভাবে সেন্সর বোর্ড এমন একটা সিনেমার ছাড়পত্র দিল সে নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন রঞ্জিত।
সূত্র : আনন্দবাজার




