ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

আকাশপথে দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন যেসব বিশ্বনেতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ মে ২০২৪, ০১:৪০ পিএম

হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় সদ্য প্রাণ হারিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে বেশ কয়েকজন বিশ্বনেতা আকাশপথে দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। বিশ্বনেতাদের এমন মৃত্যু দুর্ঘটনা হলেও জনগণের মধ্যে অধিকাংশ সময় এসব মৃত্যুকে ঘিরে নানা জল্পনা আর ষড়যন্ত্রতত্ত্বের খবর ছড়ায়।

বিভিন্ন সময় আকাশপথে দুর্ঘটনায় নিহত এমন কিছু বিশ্বনেতা সম্পর্কে যা জানা যায়।

ইব্রাহিম রাইসি
২০২১ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে ইরানের অষ্টম প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতায় বসেছিলেন ইব্রাহিম রাইসি। মাত্র তিন বছরে নিজের শক্ত অবস্থান জানান দিয়েছিলেন আন্তর্জাতিক মহলে। এক হেলিকপ্টার দুর্ঘটনা কেড়ে নিল তার প্রাণ। রোববার (১৯ মে) রাইসি একটি বাঁধ উদ্বোধন করতে আজারবাইজান সীমান্তবর্তী এলাকায় গিয়েছিলেন। সেখান থেকে তিনটি হেলিকপ্টারের বহর নিয়ে পূর্ব আজারবাইজান প্রদেশের রাজধানী তাবরিজে ফিরছিলেন। ফেরার পথে পূর্ব আজারবাইজানের জোলফা এলাকার কাছে প্রেসিডেন্টকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়। এতে হেলিকপ্টারে থাকা প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির আব্দোল্লাহিয়ানসহ সকল আরোহী নিহত হন। এখন পর্যন্ত দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ঘন মেঘ, কুয়াশা ও জলীয় বাষ্পের কারণেই হয়তো এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

লেচ কাকজিনস্কি
২০১০ সালে উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় নিহত হন পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট লেচ কাকজিনস্কি। রাশিয়ার স্মোলেনস্কের কাছে ওই দুর্ঘটনায় প্রেসিডেন্ট ও সঙ্গে থাকা অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় পোলিশ কর্মকর্তারা নিহত হন।

ইব্রাহিম নাসির
২০০৮ সালে মালদ্বীপের দ্বিতীয় প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম নাসির হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় নিহত হন। মালদ্বীপের একটি জনবসতিহীন দ্বীপে ব্যক্তিগত সফরে যাওয়ার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

হাফিজ আল-আসাদ
২০০০ সালে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট হাফিজ আল-আসাদ উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় নিহত হন। দেশটির দামেস্কের কাছে দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি। এই দুর্ঘটনার কারণ নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। কারণ হিসেবে বলা হয়েছিল আসাদের হার্ট অ্যাটাকের কারণে উড়োজাহাজ জরুরি অবতরণ করাতে চাইলে বিধ্বস্ত হয়। তবে অনেকে দাবি করেন, এটি ষড়যন্ত্র ছিল।

র‍্যামন ম্যাগসেসে
১৯৫৭ সালে ফিলিপাইনের সপ্তম প্রেসিডেন্ট র‍্যামন ম্যাগসেসে উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় নিহত হন। দেশটির সেবু শহরের মাউন্ট মানুংগালে পার্বত্য এলাকায় দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি। ম্যাগসেসে তাঁর শক্তিশালী কমিউনিস্ট বিরোধী নীতি এবং গণতন্ত্রের প্রতি চেতনার জন্য সুপরিচিত ছিলেন।

জুভেনাল হাব্যারিমানা ও সাইপ্রিয়েন এনটারিয়ামিরা
১৯৯৪ সালে রুয়ান্ডার প্রেসিডেন্ট এবং বুরুন্ডির প্রেসিডেন্ট সাইপ্রিয়েন এনটারিয়ামিরা উড়োজাহাজ বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহত হন। তারা দুজনে একই উড়োজাহাজে ছিলেন। উড়োজাহাজাটি রুয়ান্ডার কিগালিতে অবতরণ করার সময় গুলিবিদ্ধ হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই রুয়ান্ডা গণহত্যার সূত্রপাত বলে মনে করেন অনেকে।

সামোরা ম্যাচেল
১৯৮৬ সালে মোজাম্বিক-দক্ষিণ আফ্রিকা সীমান্তের কাছে একটি উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় মোজাম্বিকের প্রেসিডেন্ট নিহত হন। বিধ্বস্তের নেপথ্যে দক্ষিণ আফ্রিকার জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

লিওন এমবা
১৯৬৭ সালে গ্যাবনের প্রথম প্রেসিডেন্ট লিওন এমবা উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় মারা যান। গ্যাবন উপকূলে দুর্ঘটনার শিকার হয় উড়োজাহাজটি।

মুহাম্মদ জিয়াউল হক
১৯৮৮ সালে ১৭ আগস্ট এক বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হন পাকিস্তানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ জিয়াউল হক। সে সময়ে বিমানটিতে ছিলেন ৩০ জন আরোহী। এর মাঝে ছিলেন পাকিস্তানে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্নল্ড রাফায়েল, পাকিস্তানে মার্কিন আর্মি মিশনের প্রধান, এবং পাকিস্তানের কয়েকজন সেনা কর্মকর্তা। দুর্ঘটনায় বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব নিহত হওয়ার কারণে গুজব রটে যে তা পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ছিল।

সঞ্জয় গান্ধী
ভারতের এককালের জাঁদরেল প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর কনিষ্ঠ পুত্র সঞ্জয় গান্ধী নিজেও ছিলেন শক্তিশালী এক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। সে সময়ে ভারতের বেশকিছু নীতির পেছনে তার প্রভাব ছিল। ১৯৮০ সালের ২৩ জুন দিল্লীর সফদরজং এয়ারপোর্ট থেকে উড্ডয়ন করে তাকে বহনকারী একটি বিমান। এর কিছু সময় পরই তা বিধস্ত হয় এবং নিহত হন সঞ্জয়।

বিপিন রাওয়াত
২০২১ সালের ৮ ডিসেম্বর ভারতের সুলুরে এক মিলিটারি হেলিকপ্টারে ওঠেন দেশটির সেনাপ্রধান বিপিন রাওয়াত, গন্তব্য ওয়েলিংটং টাউনের ডিফেন্স সার্ভিসেজ স্টাফ কলেজ। একই হেলিকপ্টারে ছিলেন জেনারেল রাওয়াতের স্ত্রী, আরও সাতজন সেনা কর্মকর্তা, এবং পাঁচজন ক্রু। উড্ডয়নের পর হঠাৎ বৈরি আবহাওয়া দেখা দেয়। তামিল নাড়ুর এক পাহাড়ি এলাকায় বিধ্বস্ত হয় হেলিকপ্টারটি।

ডাগ হ্যামারশল্ড
জাতিসংঘ প্রধান এবং সুপরিচিত সুইডিশ কূটনীতিবিদ ডাগ হ্যামারশল্ড ১৯৬১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর এক যাত্রীবাহী বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হন। ট্রান্সএয়ার সুইডেনের ওই বিমানটি ব্যবহার করছিল জাতিসংঘ, তা বিশ্বস্ত হয় জাম্বিয়ায়। এই দুর্ঘটনায় নিহত হন জাতিসংঘের তৎকালীন প্রধানসহ ১৬ জন। সে সময়ে কঙ্গোয় যুদ্ধ সংক্রান্ত আলোচনায় যোগ দিতে আফ্রিকা গিয়েছিলেন হ্যামারশল্ড। পরবর্তীতে এক অনুসন্ধানে জানা যায়, খুব কম উচ্চতায় ওড়ার কারণে দুর্ঘটনায় পড়ে বিমানটি।

সূত্র: ফার্স্ট পোস্ট, পলিটিকো

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দক্ষিণ কোরিয়ার অভিশংসিত প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি
দক্ষিণ কোরিয়ার অভিশংসিত প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) দেশটির সিউল ওয়েস্টার্ন ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। উচ্চ-পদস্থ কর্মকর্তাদের দুর্নীতি তদন্তের দায়িত্বে থাকা দ্য করাপশন ইনভেস্টিগেশন অফিস ফর দ্য হাই-র‌্যাঙ্কিং অফিশিয়ালস (সিআইও) নিশ্চিত করেছে, সামরিক আইন জারিকে কেন্দ্র করে তদন্তকারীদের অনুরোধে প্রেসিডেন্ট ইউনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে সিউল ওয়েস্টার্ন ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট।   স্থানীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, দক্ষিণ কোরিয়ার সাংবিধানিক ইতিহাসে এই প্রথম কোনো প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হলো।   প্রসঙ্গত, ৩ ডিসেম্বর দেশে সামরিক আইন জারি করেছিলেন ইউন। কিন্তু জনগণ এর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানালে সামরিক আইন জারির ছয় ঘণ্টার মাথায় তা প্রত্যাহার করে নিতে বাধ্য হয়েছিলেন তিনি। এর জেরে ১৪ ডিসেম্বর পার্লামেন্টে তিনি অভিশংসিত হন। তাকে বরখাস্ত করা হয়।
দক্ষিণ কোরিয়ার অভিশংসিত প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি
ভারতীয় ভিসা বন্ধে ভ্রমণ খাতে বিরূপ প্রভাব 
বাংলাদেশিদের জন্য ভারতীয় ভিসা বন্ধের জেরে যশোরের বেনাপোল ইমিগ্রেশন দিয়ে দুই দেশের মধ্যে একেবারে কমেছে পাসপোর্টধারী যাত্রীর চলাচল। এর বিরূপ প্রভাব পড়েছে উভয় দেশের ভ্রমণ খাতে। বাংলাদেশের ক্ষতির পাশাপাশি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ব্যবসা-বাণিজ্য ও পর্যটন শিল্পে অচলাবস্থা নেমে এসেছে।   সংশিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) বেনাপোল-পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন ব্যবহার করে ভারতে গেছেন ১৪৭১ জন পাসপোর্টধারী যাত্রী। এর মধ্যে বাংলাদেশি ছিলেন ১ হাজার ১৯৪ জন, ভারতীয় ২৭৪, জাপানের ২ ও একজন নেপালের পাসপোর্টধারী ছিলেন। এছাড়া খুলনা-কলকাতা রুটে ‘বন্ধন’ রেলে যাত্রীসেবা এখনও বন্ধ থাকায় নিরাপদ যাতায়াতে বেড়েছে ভোগান্তি। তবে জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ভিসা সীমিত ও দু’দেশের মধ্যে রেলপথে যাত্রী সেবা বন্ধ করে দেয় ভারত।   সূত্রমতে, যশোরের বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে ভারতে যাওয়া বাংলাদেশিদের একটি বড় অংশ যান চিকিৎসা ও দর্শনীয় স্থান ভ্রমণে। অন্যদিকে, যেসব ভারতীয় নাগরিক বাংলাদেশে আসেন, তাদের একটি বড় অংশ আসেন কম খরচে মেডিকেল শিক্ষার জন্য। বর্তমানে দেশের ১০৮টি মেডিকেল কলেজে ১০ হাজারের বেশি বিদেশি অধ্যয়নরত, যাদের বেশিরভাগ ভারতীয়। এছাড়া ট্যুরিস্ট ও ওয়ার্ক ভিসায় দেশে প্রায় ১০ লাখের মতো ভারতীয় চাকরি করছেন।  বাংলাদেশ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরলেও নানান অজুহাত দেখিয়ে এখনও স্বাভাবিক ভিসা প্রদান ও রেল পথে বেনাপোল-পেট্রাপোল হয়ে যাত্রী সেবা বন্ধ রেখেছে ভারত সরকার। এতে একদিকে ভিসা না পেয়ে যাত্রী যাতায়াত যেমন কমে এসেছে, তেমনি স্বাভাবিক সময়ে বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর ব্যবহার করে দুদেশের মধ্যে ৮ থেকে ১০ হাজার পাসপোর্টধারী যাতায়াত করলেও এখন তা কমে দেড় হাজারের ঘরে নেমেছে।  সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে বেনাপোল আমদানি-রফতানি সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জানান, ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষেত্রে দুই দেশেই ক্ষতির শিকার হচ্ছে। কেবল বেনাপোল রুটে ভ্রমণ খাতে ভিসা ফি বাবদ বাংলাদেশিদের কাছ থেকে বছরে প্রায় ২০০ কোটি টাকা আয় করে থাকে ভারতীয় দূতাবাস। তবে এখনও ‘বন্ধন’ রেল পরিষেবা বন্ধ থাকায় এ পথে যাতায়াতকারী পাসপোর্টধারীদের ভোগান্তি বেড়েছে।  বিষয়টি নিশ্চিত করে বেনাপোল স্থলবন্দর প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের ইনচার্জ আব্দুল হাফিজ জানিয়েছেন, ভিসা স্বাভাবিক না থাকায় যাত্রী একেবারে কমে এসেছে। আরটিভি/কেএইচ
ভারতীয় ভিসা বন্ধে ভ্রমণ খাতে বিরূপ প্রভাব 
হাসপাতালে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। স্থানীয় সময় রোববার (২৯ ডিসেম্বর) তার প্রস্টেট অপসারণের অস্ত্রপচার হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার অস্ত্রপচার সফল হয়েছে এবং তিনি ভালো আছেন। এক বিবৃতিতে ইসরায়েলের হাদাসাহ মেডিক্যাল সেন্টার জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর জ্ঞান ফিরেছে, তিনি ভালো আছেন। শনিবার নেতানিয়াহুর কার্যালয় এক ঘোষণায় জানিয়েছে যে, তিনি মূত্রনালীর সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছেন। গত মার্চে নেতানিয়াহুর হার্নিয়ার অস্ত্রপচার হয়েছিল। এর আগে, গত ২৩ ডিসেম্বর দুর্নীতি মামলায় নিজের বক্তব্য পেশ করতে আদালতে হাজির হয়েছিলেন নেতানিয়াহু। ইসরায়েলের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব পালন অবস্থায় ফৌজদারি অপরাধের মুখোমুখি হয়েছেন। তবে নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করছেন তিনি। এদিকে গাজায় গত ২৪ ঘণ্টায় দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বর হামলায় আরও ৩০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এতে করে গত বছরের অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৫ হাজার ৫১৪ জনে পৌঁছেছে বলে রোববার অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। চলমান এই হামলায় আরও অন্তত এক লাখ ৮ হাজার ১৮৯ জন ব্যক্তি আহত হয়েছেন। গাজা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত আগ্রাসনে ৩০ জন নিহত এবং আরও ৯৯ জন আহত হয়েছেন।   আরটিভি/এস
হাসপাতালে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু
ইসরায়েলি বর্বর হামলায় আরও ৩০ ফিলিস্তিনি নিহত
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বর হামলায় আরও ৩০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। বার্তাসংস্থা আনাদোলু এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত আগ্রাসনে ৩০ জন নিহত এবং আরও ৯৯ জন আহত হয়েছেন। অনেক মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় আটকা পড়ে আছেন। গত ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন হামলার পর থেকে গাজা উপত্যকায় অবিরাম বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। ইসরায়েলের হামলায় এখন পর্যন্ত ৪৫ হাজার ৫০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন অন্তত এক লাখ ৮ হাজার ১৮৯ জন। এ ছাড়া দখলদারদের হামলায় হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। ইসরায়েলি আগ্রাসনে প্রায় ২০ লাখেরও বেশি বাসিন্দা তাদের বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। উল্লেখ্য, ইসরায়েল ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছে। আরটিভি/আরএ
ইসরায়েলি বর্বর হামলায় আরও ৩০ ফিলিস্তিনি নিহত
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার মারা গেছেন
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ১০০ বছর। স্থানীয় সময় রোববার (২৯ ডিসেম্বর) জিমি কার্টার সেন্টার এক বিবৃতি এই তথ্য জানিয়েছে। খবর এনবিসি নিউজের। যুক্তরাষ্ট্রের ৩৯তম প্রেসিডেন্ট ছিলেন কার্টার। কার্টার এক মেয়াদে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তিনি গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে জর্জিয়ায় নিজ শহর প্লেইনসে জীবনের শেষ সময়ের সেবাযত্নে ছিলেন। এনবিসি নিউজের তথ্যমতে, জিমি কার্টারই প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট যিনি তার ১০০তম জন্মদিনে পৌঁছেছিলেন।  যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশিদিন বাঁচা প্রেসিডেন্ট কার্টার। ২০০২ সালে মানবাধিকার নিয়ে কাজ করার জন্য শান্তিতে নোবেল পেয়েছিলেন তিনি। কার্টারের যাত্রা শুরু হয়েছিল জর্জিয়ার প্লেইন্সের ছোট্ট শহরে। তিনি সেখানে ১ অক্টোবর, ১৯২৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন। যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীতে একজন অফিসার হিসেবে তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরের পারমাণবিক সাবমেরিন বহরের উন্নয়নে সহায়তা করেছিলেন। নৌবাহিনীতে একজন অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পরকার্টার পারিবারিক চিনাবাদাম চাষের ব্যবসা চালানোর জন্য ১৯৫৩ সালে তার নিজ শহরে ফিরে আসেন। তিনি ১৯৬০-এর দশকে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন, ১৯৭১ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত রাজ্যের ৭৬তম গভর্নর হওয়ার আগে জর্জিয়ার বিধায়ক হিসাবে দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৬ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কার্টার, একজন ডেমোক্র্যাট, রিপাবলিকান ক্ষমতাসীন জেরাল্ড ফোর্ডের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন, যিনি ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির পরিপ্রেক্ষিতে রিচার্ড নিক্সন পদত্যাগ করার পরে রাষ্ট্রপতির পদে অভিষিক্ত হন। কার্টার ফোর্ডকে পরাজিত করে প্রেসিডেন্ট হন। আরটিভি/একে
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার মারা গেছেন
আরও পড়ুন
ট্রাম্পের প্রত্যাবর্তনে নেতানিয়াহু-ম্যাক্রোঁসহ বিশ্বনেতাদের অভিনন্দন
কমলা নাকি ট্রাম্প, কে এগিয়ে বিশ্বনেতাদের সমর্থনে
বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
বিশ্বনেতাদের শুভেচ্ছায় সিক্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা