
সৃজনশীল সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, শিল্পী ও কলাকুশলীদের সম্মান জানাতে সপ্তমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘সানসিল্ক-আরটিভি স্টার অ্যাওয়ার্ড-২০১৭’। এবছর আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন প্রখ্যাত সঙ্গীতকার আলম খান।
বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র থেকে আগামী ২৬ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৫টায় অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করবে দেশের জনপ্রিয় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আরটিভি। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে প্রদান করা হবে ‘সানসিল্ক-আরটিভি স্টার অ্যাওয়ার্ড- ২০১৭’।
বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের বরেণ্য সঙ্গীত পরিচালক আলম খান ১৯৭০ সালে আবদুল জব্বার খানের ‘কাঁচ কাটা হীরে’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রের সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।
অসংখ্য কালজয়ী গানের এই সুরকার এ পর্যন্ত প্রায় তিনশ সিনেমার সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন। সুর করা গানের সংখ্যা প্রায় দুই হাজারের ওপরে। তার লেখা শ্রোতাপ্রিয় গানও অসংখ্য।
এই সঙ্গীত যাদুকরের উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে রয়েছে- এক চোর যায় চলে, তুমি আছ সবি আছে, চাঁদের সাথে আমি দেব না, তুমি তো এখন আমারই কথা ভাবছো, ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে, চুমকি চলেছে একা পথে, সবার জীবনে প্রেম আসে, তেল গেলে ফুরাইয়া, ভালোবেসে গেলাম শুধু, কী জাদু করিলা, তোমরা কাউকে বোলো না, আমি একদিন তোমায় না দেখিলে, বুকে আছে মন, কারে বলে ভালোবাসা, তোরা দেখ দেখ রে চাহিয়া, জীবনের গল্প আছে বাকি অল্প, চক্ষু দিয়া দেখতাছিলাম, তুমি ছিলে মেঘে ঢাকা চাঁদ, এখানে দুজনে নিরজনে, মনে বড় আশা ছিল, কাল তো ছিলাম ভালো, আমি তোমার বধূ প্রভৃতি।
আলম খান একাধিকবার পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। যার মধ্যে রয়েছে- বড় ভাল লোক ছিল (১৯৮২), তিন কন্যা (১৯৮৫), সারেন্ডার (১৯৮৭), দিনকাল (১৯৯২), বাঘের থাবা (১৯৯৯), এবাদত (২০০৯), কি যাদু করিলা (২০১০)।
পপসম্রাট আজম খান তার ছোট ভাই। স্ত্রীর নাম গুলবানু খান। দুই ছেলে আরমান খান, আদনান খান ও এক কন্যা আনিকা খানকে নিয়ে তার সংসার।
পিআর/এম/এমকে




