ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

‘সেই রাতের কথা ভুলে যেতে চাই’

মোস্তফা ইমরান রাজু, মালয়েশিয়া প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৭ ডিসেম্বর ২০১৭, ০৫:২৭ পিএম
ছবি- অনন্য মামুন

দেশীয় সংস্কৃতিকে বিদেশের মাটিতে ছড়িয়ে দেয়ার নামে যারা আদম ব্যবসা করেন তারা দেশের শত্রু, তাদের কারণেই প্রবাসে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মালয়েশিয়ার প্রবাসী বাংলাদেশীরা।

সম্প্রতি মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে ‘বাংলাদেশ নাইটস’ নামের একটি অনুষ্ঠানের পর আদম পাচারের অভিযোগে চলচ্চিত্র পরিচালক অনন্য মামুনকে আটকের খবরে এ ক্ষোভ প্রকাশ করেন প্রবাসীরা।

সাধারণ প্রবাসীরা বলছেন, একজন চিত্রপরিচালককে সমাজের আট দশজন থেকে আলাদা চোখে দেখি আমরা। আর সেই চিত্রপরিচালক যদি আদম ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত হন তখন তা দেশ ও জাতির জন্য সত্যিই লজ্জার। এ ধরনের ঘটনার জন্যই বিমানবন্দরে সাধারণ বাংলাদেশীদের সন্দেহের চোখে দেখা হয় বলে মন্তব্য করেন তারা।

পরিচালক অনন্য মামুনকে যে বাসা থেকে আটক করা হয়েছে তার নিচ তলায় থাকা প্রবাসী বাংলাদেশী সাইফুল ইসলাম বলেন, সেই রাতের কথা আমরা ভুলে যেতে চাই। মধ্যরাতে চিৎকার চেঁচামেচিতে আমরা বাইরে বের হয়ে আসি। তার কয়েক ঘন্টা পর উপর থেকে দেখি পুলিশের তিনটি গাড়িতে করে লোক ধরে নিয়ে যাচ্ছে। তবে আইনি ঝামেলায় পড়ার ভয়ে কাছে যাইনি। গেলো চার বছরে এই কন্ডোমিনিয়ামে কোনোদিন পুলিশ ঢুকতে দেখিনি। এটা আমাদের জন্য লজ্জার।

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশীদের সবচেয়ে বড় মার্কেট কোতারায়া বাংলাদেশ বিজনেজ কমিউনিটির সভাপতি রাশেদ বাদল এ প্রসঙ্গে বলেন, সংস্কৃতির মাধ্যমে দু’দেশের অভ্যন্তরীণ সম্পর্ক বৃদ্ধি পায় সেজন্য সবসময় আমরা এ ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজকদের স্বাগত জানাই। কিন্তু অনুষ্ঠানের আড়ালে যখন মানবপাচারের মতো ঘৃণ্য কাজ হয় তখন তা সত্যিই লজ্জার। চিত্রপরিচালক অনন্য মামুনের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তার সঠিক তদন্তপূর্বক বিচারও দাবি করেন এ কমিউনিটি নেতা।

শরিয়তপুরের মালয়েশিয়া প্রবাসী ব্যবসায়ী কাজী সালাউদ্দিন বলেন, সম্প্রতি দু’দেশের সরকারি পর্যায়ে চুক্তির মাধ্যমে জনশক্তি রপ্তানি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে অবৈধভাবে মানবপাচারের অভিযোগ মোটেও ভালো চোখে দেখবে না এ দেশের প্রশাসন। এর প্রভাব পড়বে সাধারণ পর্যটক ও মালয়েশিয়া প্রবাসী বাংলাদেশীদের উপর।

অনেকটা একই সুরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মালয়েশিয়া আওয়ামীলীগের আহ্বায়ক রেজাউল করিম রেজা। এ ধরনের কার্যক্রমে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। ভবিষ্যতে যাতে কেউ প্রবাসীদের বিনোদন দেয়ার নামে মানবপাচারের মতো জঘন্য কাজে লিপ্ত না হয় সেজন্য এই চক্রকে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবি করেন রেজা।

এদিকে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মালয়েশিয়া প্রবাসীদের মাঝে যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে তা ছড়িয়ে পড়েছে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে। সর্বস্তরের প্রবাসীরা এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা যেনো না ঘটে সেজন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

এ প্রসঙ্গে আওয়ামী অনলাইন বোটের কেন্দ্রীয় সদস্য শাহ আলম হাওলাদার বলেন, গুটি কয়েক মানুষের অপকর্মের ফল বইতে হয় লাখো প্রবাসীর। এ ধরনের গর্হিত কাজের জন্য সত্যিকার অর্থে যারা ভ্রমনের উদ্দেশ্যে মালয়েশিয়ায় আসেন বা যারা বিভিন্ন সময়ে দেশ থেকে আসা যাওয়া করেন বিমানবন্দওে তারাও প্রশাসনের হয়রানির শিকার হন। বাংলাদেশীদের প্রতি খারাপ ধারণার সৃষ্টি হয়।

এছাড়া বাংলাদেশী নাইটে ফুড স্পন্সর থাকা রসনা বিলাসের স্বত্ত্বাধিকারী ও বাংলাদেশ কমিউনিটি প্রেসক্লাব মালয়েশিয়ার সভাপতি এস এম রহমান পারভেজ এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, বিনোদনপ্রেমী বাংলাদেশীদের আনন্দদেয়ার পরিকল্পনা নিয়ে অনন্য মামুন এসেছিলেন। কিন্তু তার আড়ালে যে মানবপাচারের উদ্দেশ্য ছিলো তা আমরা বুঝতে পারিনি। একজন চিত্রপরিচালকের এ ধরনের কাজে সত্যিই হতাশ হয়েছি। এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে মালয়েশিয়া কমিউনিটি টেলিভিশন উজারের পরিচালক জুনায়েদ আহমেদও।

এদিকে অনুষ্ঠান সফল হলেও বিতর্ক রয়েছে এর টিকিট বিক্রির কৌশল নিয়েও। অনুষ্ঠানের পরদিন তারকাদের সঙ্গে ডিনারের কথা বলে একই টিকিটি এক’শ রিঙ্গিতের জায়গায় দুই’শ রিঙ্গিতে বিক্রি করা হলেও রাতের খাবার দেয়া হয়নি এবং রাতের খাবারের জায়গায় কোনো তারকারও দেখা মেলেনি। এ নিয়ে সাধারণ প্রবাসীর মাঝেও রয়েছে ক্ষোভ।

উল্লেখ্য গেলো ২৩ ডিসেম্বর সঙ্গীতশিল্পী আসিফ আকবর, আঁখি আলমগীর, শখ, ইমন, নিরব, কবির তিথি, মিষ্টি জান্নাত, আইরিন সুলতানাসহ এক ঝাঁক শিল্পী নিয়ে কুয়ালালামপুরে ‘সিনেমেটিক বাংলাদেশী নাইট’ নামে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করেন পরিচালক অনন্য মামুন। অনুষ্ঠানের পরদিনই মানবপারের অভিযোগে আটক হন তিনি। বর্তমানে অনন্য মামুন পুলিশ হেফাজতে আছেন।

এম/পিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
নজর কেড়েছেন শাহরুখ কন্যা
বলিউড কিং শাহরুখ খানের মেয়ে বলে জন্ম সূত্রেই বনে গেছেন তারকা। তাই যে কোনো পার্টি-অনুষ্ঠানে মধ্যমণি হয়ে উঠেন শাহরুখ কন্যা সুহানা খান। তার প্রতি মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। সুহানার বয়স এখনো ১৮ পার হয়নি। বলিউডের সিনেমাতেও অভিনয় করেননি। তবে শাহরুখ খানের সঙ্গে মাঝে মাঝে কিছু অনুষ্ঠানে দেখা যায় তাকে। এবার এক আত্মীয়ের বাড়িতে অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে নজর কেড়েছেন সুহানা। আকর্ষণীয় সাজে বিয়ের অনুষ্ঠানে দেখা গেছে শাহরুখ কন্যার মোহনীয় রূপ। সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ হবার পর রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে। ওই বিয়ের অনুষ্ঠান ছিল দিল্লিতে। সুহানাকে দেখে বোঝার উপায় ছিল না যে তার বয়স মাত্র ১৭। সোনালি লেহেঙ্গায় বেশ লাবণ্যময়ী লাগছিল সুহানাকে। সেই ছবি দেখে অনেকেই প্রশংসা করেছেন। এছাড়া কিছুদিন আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল সুহানার গোসলের ছবি। সুহানা নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবিটি প্রকাশ করেছিলেন। এরপর সেই ছবি নিয়ে নানারকম খবর প্রকাশ হয়েছে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে। বলিউডের সিনেমায় অভিনয় না করলেও মঞ্চনাটকে অভিনয় করেন সুহানা। মুম্বাইয়ের একটি নাটকের দলের সঙ্গে যুক্ত আছেন সুহানা। ‘সিন্ডারেলা’ নাটকের অভিনয় করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি। নাটকের ভিডিও দেখে কেউ কেউ সুহানাকে সিনেমায় অভিনয়ের প্রস্তাব দেয় বলে জানা গেছে। তবে শাহরুখ চান না তার মেয়ে এখনই সিনেমায় আসুক। পিআর/এসএস
নজর কেড়েছেন শাহরুখ কন্যা
পাঁচ মাস পরেই নাবিলার বিয়ে
শোবিজের জনপ্রিয় উপস্থাপিকা ও ‘আয়নাবাজি’খ্যাত অভিনেত্রী মাসুমা রহমান নাবিলা বিয়ে করতে যাচ্ছেন। তার বরের নাম জোবাইদুল হক। পেশায় একজন ব্যাংকার। দুই পরিবারের মধ্যে বিয়ের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে। আগামী এপ্রিলের ২৬ তারিখ হবে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা এমনটাই জানালেন নাবিলা। নাবিলা বলেন, ‘আমাদের দু’জনার পরিচয় প্রায় ১৮ বছরের। বলতে পারেন আমরা দুজনেই দু’জনার প্রথম প্রেম। আমরা যখন জেদ্দায় থাকতাম, ওদের পরিবারও সেখানে থাকত। দুজনে একই স্কুলে পড়তাম। তখন থেকে তার প্রতি ভালো লাগা তৈরি হয়। তবে কল্পনাও করিনি এতদিন পর আমাদের সেই প্রেমের সফল পরিণতি হবে। সবার কাছে দোয়া চাই।’ বাবার চাকরি সূত্রে নাবিলার জন্ম ও বেড়ে ওঠা সৌদি আরবে। তার কৈশোর কেটেছে জেদ্দা শহরে। এসএসসি পাসের পর জেদ্দা থেকে নাবিলা স্থায়ীভাবে ঢাকায় চলে আসেন। অন্যদিকে নাবিলার হবু বর জোবাইদুল হকের কৈশোরও কেটেছে জেদ্দায়, তার বাবার চাকরি করতেন সেখানে। এখন তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি ব্যাংকে কর্মরত আছেন। ২০০৬ সালে বাংলাভিশনের এবং ক্লাসের বাইরে নামে একটি স্কুল ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানের উপস্থাপনার মাধ্যমে শোবিজে নাবিলার পথচলা শুরু হয়। এরপর তিনি এনটিভির লাইভ কুইজ অনুষ্ঠান ‘জানার আছে বলার আছে’ এবং বাংলাভিশনে ‘মিউজিক টুগেদার’। এছাড়া আরটিভিতে প্রচারিত ‘এক্সট্রা ইনিংস’ পরবর্তী সময়ে ‘ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড লাকি লাইন’ ও এশিয়ান টিভির ‘স্টার ডান্স’সহ অসংখ্য অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেছেন। এম/সি
পাঁচ মাস পরেই নাবিলার বিয়ে
দীপিকার পাশে দাঁড়ালেন দাউদ ইব্রাহিম!
অবশেষে ছাড়পত্র পেয়েছে দীপিকা পাড়ুকোন অভিনীত বলিউডের তুমুল আলোচিত সিনেমা ‘পদ্মাবতী’। তবে সিনেমাটির নাম বদলে ফেলতে হয়েছে। গত শনিবার সিনেমাটিকে সেন্সর ছাড়পত্র দিয়েছে ভারতীয় চলচ্চিত্র সেন্সরবোর্ড। তবে সিনেমাটির নাম পরিবর্তন করে ‘পদ্মাবত’ রাখা হয়েছে। এই সিনেমাটির ছাড়পত্র পাওয়ার পেছনে নাকি বলিউডের মাফিয়া ডন দাউদ ইব্রাহিমের হাত রয়েছে। মূলত ডনের চাপেই সিনেমাটিকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। ভারতীয় গণমাধ্যম ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এ প্রকাশিত একটি খবরে এই তথ্য জানা গেছে। তবে সেন্সরবোর্ড থেকে ছাড়পত্র দেয়ার সঙ্গে কিছু দৃশ্য পরিবর্তন করারও পরামর্শ দেয়া হয়েছে। পরিচালক সেই দৃশ্যগুলো পরিবর্তনগুলো করতে সম্মত হয়েছেন। এদিকে আন্দোলনরত কার্ণি সেনা অভিযোগ করেছে, দাউদ ইব্রাহিমের চাপে ছবিটিকে সেন্সর ছাড়পত্র দিয়েছে বোর্ড। এই সিনেমার মুক্তি দেশের জন্য মঙ্গলজনক হবে না। তাই রাজস্থানের যে হলেই এই ছবিটি  চলবে, তা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়া হবে বলে হুমকি দিয়েছেন কার্ণি সেনার প্রেসিডেন্ট সুখদেব সিং গোগামেড়ি। মূলত এই কার্ণি সেনার চাপেই ‘পদ্মাবতী’র মুক্তি পেছানো হয়। পরিচালক সঞ্জয় লীলা বানশালীর শুটিং সেটে গিয়েও হামলা করা হয়। পরবর্তীতে ছবিটিকে ঘিরে ভারতজুড়ে শুরু হয় অস্থিরতা। একাধিক রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রীরা ছবিটিকে নিয়ে মন্তব্য করেন। পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতায় ছবিটির প্রিমিয়ার করার জন্য আমন্ত্রণ জানান। একইসঙ্গে সিনেমা সংশ্লিষ্ট অনেকেই ছবিটিকে মুক্তি দেয়ার জন্য সুপারিশ করেন। নানা বিতর্কের পর এবার প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পথে আরেক ধাপ এগিয়ে গেলো ছবিটি। পিআর/এম
দীপিকার পাশে দাঁড়ালেন দাউদ ইব্রাহিম!
কিন্তু শাকিব তুমি কী করছো?
তারকা দম্পতি শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের সংসার এখন ভাঙনের পথে। এরইমধ্যে অপু বিশ্বাসকে ডিভোর্স লেটার পাঠিয়েছেন শাকিব খান। তবে বিষয়টি মানতেই পারছেন না এক সময়ের নাম্বার ওয়ান নায়ক ওমর সানী। শাকিব-অপুকে উদ্দেশ্য করে এক দীর্ঘ ফেসবুক স্ট্যাটাস লিখেছেন তিনি। আরটিভি অনলাইনের পাঠকদের জন্য ওমর সানীর স্ট্যাটাসটি নিচে তুলে ধরা হলো। ওমর সানী লিখেছেন, শাকিব খানের শুরুটা হয়েছিল আমার আর মৌসুমীর হাত ধরে, সোহান সাহেবের (পরিচালক সোহানুর রহমান সোহান) ছবিতে আমার শ্যালিকা ইরিনের নায়ক হয়ে। তাকে (শাকিব) আমি ছোট ভাইয়ের মতো স্নেহ করি, আদর করি। আমি চাই শাকিব সুন্দর একটি সংসার করুক, স্ত্রী-সন্তান নিয়ে। তার ফুটফুটে একটি বাচ্চা আছে, যার নাম জয়। কত সুন্দর তার মুখ, তাকে দেখলে মনে হয় এত মায়াবী শিশু আর হয়না। শাকিবের একজন স্ত্রী আছে, সেও সিনেমার নায়িকা। কিন্তু শাকিব তুমি কি করছো? এত সুন্দর একটি সংসার এভাবে নষ্ট করে দিচ্ছ? তুমি কি চাও জয় তার বাবার আদর না পাক? অপু তার স্বামীর সোহাগ বঞ্চিত হোক? আমি ও মৌসুমী ক্যারিয়ারের শীর্ষ সময়ে বিয়ে করেছিলাম, পবিত্র বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলাম। আমরা কি নিজেদের ভালোবাসার কথা দেশবাসীকে, ভক্তদের জানাইনি? আমাদের ভক্তরা তা সাদরে গ্রহণ করেছে। আমাদের ভালোবেসেছে, আজো বাসছে। মৌসুমী আজো দেশের প্রধান নায়িকা। আমাদের দুই সন্তান এতদিন পরেও তাদের বাবা-মায়ের আদর, শাসন, স্নেহ পাচ্ছে। আমি চাই তুমি ও তোমার স্ত্রী তোমাদের দায়িত্ব পালন করবে জয়ের প্রতি। অপুর প্রতি আমার উপদেশ, তুমি স্বামী-সংসারে মন দাও। মেয়েদের বড় অলংকার তার স্বামী, স্বামীর অহংকার তার স্ত্রী। এ অলংকার, এ অহংকার রক্ষা করতে হবে তোমাদেরকেই। ক্যারিয়ারের চেয়েও অনেকসময় বড় হয় সংসার, ভালোবাসা থাকলে, বিশ্বাস থাকলে, পরিশ্রম করলে সব একসুতোয় গেঁথে যাবে। যে মালা কারো কানকথায় ছিঁড়বে না। আমি চাই তুমি সংসার করে যাও একজন আদর্শ স্ত্রীর মতো। তোমরা দুজনেই আমাদের প্রিয়, স্নেহভাজন। তোমাদের মঙ্গলের জন্যই আমি বলছি, তোমরা সব ভুলে গিয়ে এক হয়ে যাও। জয়ের দিকে চেয়ে, তোমাদের ভক্ত দর্শকের দিকে চেয়ে। জয়ের জয় হোক, ভালোবাসার জয় হোক। এম/পিআর
কিন্তু শাকিব তুমি কী করছো?
দিশার খোলামেলা ছবি তুললেন কে?
হালের ক্রেজ দিশা পাটানি খুব একটা বেশি সিনেমায় কাজ না করলেও অল্প সময়েই এসেছেন আলোচনায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার ফলোয়ারের সংখ্যা কম নয়। ইনস্টাগ্রামে মাঝে মাঝেই নিজের ছবি শেয়ার করেন দিশা। সেখানেই নিজের আপডেট ভক্তদের মাঝে শেয়ার করেন তিনি। ভালো লাগার মুহূর্তের ছবি পোস্ট করে আনন্দ পান দিশা। গেলো শনিবার তেমনই একটি ছবি পোস্ট করেছেন দিশা। বছরের শেষ কয়েকটা দিন ছুটির মেজাজে থাকতে চেয়েছেন তিনি। ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা ছবিতে দেখা যাচ্ছে সমুদ্র সৈকতে বালির উপর সাদা বিকিনি পরা অবস্থায় বসে আছেন নায়িকা। একাকি সমুদ্রের নীল জল ও বিশালতা মুগ্ধ হয়ে দেখছেন। তবে লোকেশন নিয়ে সরাসরি কিছু না জানালেও, ধারণা করা হচ্ছে ছবিটি শ্রীলঙ্কার কোনো সমুদ্রসৈকতের ধারে। ভারতীয় গণমাধ্যমে কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, দিন কয়েক আগেই টাইগার শ্রফের সঙ্গে বিমানবন্দরে দেখা গিয়েছিল তাকে। দিশা জানিয়েছিলেন, বর্ষবরণ করতে শ্রীলঙ্কায় ছুটি কাটাতে যাচ্ছেন তিনি। এদিকে বলিউডে গুঞ্জন আছে টাইগার ও দিশার মধ্যে অনেকদিন ধরেই প্রেমের সম্পর্ক চলছে। আর তাইতো নিন্দুকেরা বলছেন তাহলে কি সমুদ্রের তীরে বসে দিশার এমন খোলামেলা ছবি টাইগারেরই তোলা? তবে বিষয়টি নিয়ে টাইগার-দিশার কেউই কোনো মন্তব্য করেননি। এম/পি
দিশার খোলামেলা ছবি তুললেন কে?
আরও পড়ুন
মালয়েশিয়া পুলিশকে দেয়া মামুনের তথ্য মিথ্যা : লাইভ টেকনোলোজিস
মানবপাচার: আজীবন নিষিদ্ধ অনন্য মামুন
অনন্য মামুনের সদস্যপদ স্থগিত, নিষিদ্ধ হতে পারেন
মালয়েশিয়ায় আটক বাংলাদেশের চলচ্চিত্র পরিচালক!