
শুরুটা এহতেশামের ‘চাঁদনী’ সিনেমার মাধ্যমে। এরপর স্নিগ্ধ অভিনয় ও মিষ্টি হাসিতে ঢাকাই সিনেমায় গড়ে নেন নিজের পাকা অবস্থান। নব্বই দশকের অন্যতম সেই জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শাবনাজের আজ জন্মদিন। যদিও বিশেষ কোনো আয়োজন নেই, তবে শাবনাজ জানালেন, জন্মদিনে আর কোনো উচ্ছ্বাস অনুভব করি না, তবে মা-বাবার অনুপস্থিতিতে দিনটি কিছুটা বিষণ্ণ হয়ে পড়ে। তবে পরিবারসহ ঘরোয়া পরিবেশে এদিনটিকে উদযাপন করি।
নিজের জন্মদিন সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে তিনি আরও বলেন, যতটা অল্পে উদযাপন করা যায়, ঠিক ততটুকুই করি। তবে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি, দর্শকরা এখনও আমাকে মনে রেখেছেন।
১৯৯১ সালে ‘চাঁদনী’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে পা রাখার পর থেকেই শাবনাজের খ্যাতি আকাশছোঁয়া হয়ে ওঠে। তার পুতুলের মতো মুখ, ডাগর ডাগর চোখ এবং মিষ্টি হাসি, এককথায় এক নতুন চিত্রপটে রূপ নেন। পরবর্তীতে নাঈমের বিপরীতে একের পর এক হিট সিনেমা উপহার দেন- ‘জিদ’, ‘লাভ’, ‘সোনিয়া’, ‘অনুতপ্ত’। এই জুটি তখন এতটাই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল যে, তাদের সিনেমা মানেই ছিল দর্শকের হৃদয় জয়। তাদের সম্পর্কের মাধুর্য, সেই সাথে জুটি হিসেবে তাদের অভিনয়, আজও দর্শকদের মুখে মুখে ফেরে।

১৯৯৪ সালে বিয়ের পর শাবনাজ এবং নাঈম এক সুখী দম্পতি হয়ে ওঠেন, তাদের সংসারে আসে দুটি মিষ্টি সন্তান- নামিরা নাঈম ও মাহদিয়া নাঈম।
শাবনাজের অভিনয় জীবনের সবচেয়ে বড় শিখরে পৌঁছানোর কাহিনি ১৯৯৬ সালে ‘নির্মম’ সিনেমার মাধ্যমে শুরু হয়। আলমগীর পরিচালিত এই সিনেমার জন্য তিনি পেয়েছিলেন তার একমাত্র জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, যা তার ক্যারিয়ারের অন্যতম সবচেয়ে বড় অর্জন হিসেবে চিহ্নিত।
তবে, শাবনাজের অভিনীত সিনেমাগুলোর মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ‘মায়ের অধিকার’, ‘আঞ্জুমান’ এবং ‘আশা ভালোবাসা’ - সালমান শাহ’র সঙ্গে তার অভিনীত এই সিনেমাগুলো এখনো দর্শকদের হৃদয়ে গেঁথে আছে। বিশেষ করে ‘মায়ের অধিকার’, যা সালমান-শাবনাজের জুটির অন্যতম সেরা সিনেমা হিসেবে আলোচিত।
আরটিভি/কেআই




