ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

স্পাইডার ম্যানের ৩ ‘নিষিদ্ধ’ ভিলেন

বিনোদন ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৭ নভেম্বর ২০২৫, ০১:০০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

‘স্পাইডার ম্যান’ মার্ভেলের সবচেয়ে জনপ্রিয় সুপারহিরোদের একজন। সনি থেকে শুরু করে এমসিইউর যৌথ প্রযোজনায়, তিনি ইতিমধ্যে গ্রিন গবলিন, ডক অক, স্যান্ডম্যান, ভেনম, ইলেকট্রো, ভালচার, লিজার্ড ও মিস্টেরিও- এমন বহু আইকনিক ভিলেনের মুখোমুখি হয়েছেন। ভবিষ্যতেও আরও অনেক খলনায়ককে বড় পর্দায় দেখা যেতে পারে। তবে স্পাইডার ম্যানের ইতিহাসে এমন কিছু ভিলেনও আছেন, যাদের গল্প এতটাই অন্ধকার, নির্মম বা বিকৃত যে এমসিউর পরিবার-বান্ধব টোনে তাদের দেখানো প্রায় অসম্ভব। খবর কমিকবুকের।

চলুন দেখে নেই নরক থেকে আগত দানবীয় চরিত্র থেকে শুরু করে বিকৃত দেহভক্ষণকারী ভিলেন, যাদের এমসিইউতে দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।

৩) কাইন্ড্রেড

কমিকসে বেশ নতুন হলেও কাইন্ড্রেড দ্রুতই ‘স্পাইডার ম্যান’র অন্যতম জটিল ভিলেনে পরিণত হয়। দীর্ঘ সময় ধরে তার পরিচয় ছিল রহস্যময়। প্রথমে মনে করা হয়েছিল এটি হ্যারি ওসবোর্ন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সত্যিকারের পরিচয় ছিল এক চমকপ্রদ হলেও কিছুটা হতাশাজনক মোড়।

কাইন্ড্রেড মূলত নরক থেকে ফিরে এসেছিল স্পাইডার ম্যান ও নরমান ওসবোর্নের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে। পুরো গল্পজুড়ে সিন-ইটারের দৌরাত্ম্য, নরমানের ‘পাপমোচন’, এবং অদ্ভুত মোড় ঘুরে গল্প এগোয়।

সমস্যা হলো- এমসিইউর পারিবারিক টোনে নরক থেকে আগত এক দানবীয় ভিলেনকে কেন্দ্র করে এত ভারী গল্প বলা কঠিন। মেফিস্টো থাকলেও, কাইন্ড্রেডের লোর এত বিশাল যে এমসিইউর সিনেমায় তা বাস্তবায়ন করা কার্যত অসম্ভব।

২) ফ্রিক

এ ভিলেন এমসিইউর জন্য অন্য মাত্রায় ‘অতি অন্ধকার’। ফ্রিক মূলত একজন নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি, যে কার্ট কনার্সের ল্যাব থেকে মাদক খুঁজতে গিয়ে ভুল করে ‘অ্যানিমাল স্টেম সেল’ ইনজেক্ট করে। নেশাগ্রস্তের শরীরে ইনজেকশন নেওয়া-এটিই এমসিইউর জন্য যথেষ্ট অস্বস্তিকর।

তারপর শুরু হয় প্রকৃত দুঃস্বপ্ন। স্টেম সেল তার শরীরকে বিকৃত করে চামড়াহীন দানবে পরিণত করে। সে মারা যায়, আবার ফিরে আসে-প্রতিবার আরও বেশি বিকৃত ও শক্তিশালী হয়ে। ডিসির ডুমসডের মতো, মৃত্যুর পর আবার বেঁচে ওঠাই তার ক্ষমতা। সে সবসময় আরও নেশার খোঁজে থাকে।

এ ধরনের বডি-হরর এমসিইউর স্পাইডার ম্যান মুভিতে কখনোই মানাবে না।

১) দ্য থাউজেন্ড

‘স্পাইডার ম্যান’র অন্যতম বিকৃত ও অবজ্ঞাত ভিলেন ‘দ্য থাউজেন্ড’। কার্ল কিং নামের এক বুলির গল্প এটি, যে পিটারের স্পাইডার-বাইটের মুহূর্তটি দেখেছিল। সমান ক্ষমতা পাওয়ার আশায় সে রেডিওঅ্যাকটিভ মাকড়সাটিকে গিলে ফেলে।

আরও পড়ুন

ফলাফল ভয়াবহ। স্পাইডার ম্যানের মতো ক্ষমতা পাওয়া তো দূরের কথা- সে পরিণত হয় হাজারো মাকড়সার এক হাইভে। সে মানুষের শরীরের ভেতর ঢুকে তাদের খেয়ে ফেলে এবং তাদের ত্বক পরে ঘুরে বেড়ায়। নিজের বান্ধবী থেকে শুরু করে বাবা-মা, অপরিচিত মানুষ সবাই তার শিকার। বহু বছর ধরে সে পিটারকে ছায়ার মতো অনুসরণ করে প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য।

এরকম দেহভক্ষণকারী, ত্বক-পরা ভিলেন এমসিইউতে আনা তো দূরের কথা, একটি আর-রেটেড হরর মুভিতেও এমন ভয়ঙ্কর চরিত্র রাখা সাহসের ব্যাপার।

আরটিভি/কেআই

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘ক্ষমতার বাইরে থেকেও মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়ার প্রমাণ এই জনসমুদ্র’
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজা বুধবার বিকেল ৩টার দিকে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এদিন জানাজায় অংশ নিতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখো মানুষ জড়ো হলে পুরো এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। ভোর থেকেই সর্বস্তরের মানুষ মানিক মিয়া এভিনিউ এলাকায় উপস্থিত হতে শুরু করেন। দীর্ঘ সময় ধরে সেখানে মানুষের ঢল নামে, যা এক অভূতপূর্ব দৃশ্যের জন্ম দেয়। অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব জানাজায় অংশ নেওয়া মানুষের কয়েকটি ছবি নিজের ফেসবুক পেজে শেয়ার করেন।  ছবিগুলোর ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ক্ষমতার বাইরে গিয়েও যে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়-এই জনসমুদ্র তার প্রমাণ। মহান আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতের উঁচু মাকাম তথা জান্নাতুল ফেরদাউস দান করে। আমিন। আরও পড়ুন ‘১৭ বছর যে অত্যাচার সহ্য করেছেন আল্লাহ তাকে সম্মানিত করবেনই’ উল্লেখ্য, বুধবার ২টা ৫৮ মিনিটে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আবদুল মালেকের ইমামতিতে জানাজার নামাজ সম্পন্ন হয়। লাখ-লাখ মানুষের এই জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস, দেশের প্রায় সকল রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা, বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিও উপস্থিত ছিলেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ শোক জানানোর পাশাপাশি শোকার্ত পরিবারকে সহমর্মিতা জানাতে ঢাকায় ছুটে আসেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, পাকিস্তানের স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিক, শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভিজিতা হেরাথ, নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দা শর্মা, ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিয়নপো ডি এন ধুংগেল এবং মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি ড. মোহাম্মদ মুইজ্জুর বিশেষ দূত ও দেশটির উচ্চশিক্ষা, শ্রম ও দক্ষতা উন্নয়নবিষয়ক মন্ত্রী ড. আলী হায়দার আহমেদ। দক্ষিণ এশিয়ার নেতাদের উপস্থিতিই বলে দেয়, খালেদা জিয়া শুধু বিএনপিরই নেত্রী নন, এই জাতি-রাষ্ট্রেরই নেতা। জানাজা শেষে খালেদা জিয়ার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় জিয়া উদ্যানে। সেখানে স্বামী জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে তাকে সমাহিত করা হয়। এরপর তোপধ্বনির মাধ্যমে গান স্যালুট প্রদর্শন করে জানানো হয় সম্মাননা। সরকার, তিন বাহিনীর প্রধানরাও শ্রদ্ধা জানান তাকে। আরটিভি/কেআই
‘ক্ষমতার বাইরে থেকেও মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়ার প্রমাণ এই জনসমুদ্র’
কান্নায় ভেঙে পড়লেন অভিনেত্রী, ঘটনা কী
শোবিজের ঝলমলে আলো আর ক্যামেরার ফ্ল্যাশে ঘেরা জীবন হলেও বর্তমানে মানসিকভাবে কঠিন সময় পার করছেন কিম কার্দাশিয়ান। কোনো সিনেমার চিত্রনাট্য বা ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন নয়-আইন বিষয়ে পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়াই তাকে ভেঙে দিয়েছে মানসিকভাবে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের সেই ব্যর্থতার অভিজ্ঞতা স্মরণ করে আবারও আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন এই মার্কিন তারকা। জানা গেছে, আইন বিষয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন কিম। পরীক্ষা দেওয়ার আগেই কিছুটা দুশ্চিন্তায় ছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ফল প্রকাশের পর সেই আশঙ্কাই সত্যি হয়-উত্তীর্ণ হতে পারেননি কিম। গত ৭ নভেম্বর পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর থেকেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন তিনি। বছর শেষের এক সাক্ষাৎকারে সেই তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে কিম জানান, পরীক্ষা শেষ করার পরই তার মনে হয়েছিল ফল ভালো হবে না। কিম বলেন, পরীক্ষা দেওয়ার পরই মনে হচ্ছিল কিছু একটা খারাপ হতে যাচ্ছে। প্রশ্নগুলোর উত্তর যেভাবে গুছিয়ে দিতে চেয়েছিলাম, তা পারিনি। তবুও মনে একটু আশা ছিল-হয়তো কোনো মিরাকল হবে। কিন্তু বিকেলে ফল প্রকাশের পর বুঝলাম, আমার ভয়টাই সত্যি হয়েছে। আরও পড়ুন ‘১৭ বছর যে অত্যাচার সহ্য করেছেন আল্লাহ তাকে সম্মানিত করবেনই’ সাক্ষাৎকারে কথাগুলো বলতে বলতে আবারও চোখের জল ফেলতে দেখা যায় কিমকে। তবে এই কঠিন সময়ে তার পাশে শক্তভাবে দাঁড়িয়েছেন মা ক্রিস জেনার। মেয়ের পরিশ্রমের কথা তুলে ধরে ক্রিস বলেন, কিম এই পরীক্ষার জন্য অনেক কষ্ট করেছেন। কিন্তু একই সঙ্গে টিভি শো-এর ব্যস্ত কাজ এবং আইনের জটিল পড়াশোনা সামলানো সহজ ছিল না। আরটিভি/কেআই
কান্নায় ভেঙে পড়লেন অভিনেত্রী, ঘটনা কী
‘১৭ বছর যে অত্যাচার সহ্য করেছেন আল্লাহ তাকে সম্মানিত করবেনই’
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টায় রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।  বেগম জিয়ার জানাজা সম্পন্ন হওয়ার পর এক আবেগঘন পোস্টে দিয়েছেন অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ। পোস্টে তার লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সের ছবি শেয়ার করে অভিনেতা লিখেছেন, ১৭ বছর! ১৭টা বছর যে মানুষটা একা নিরবে নিভৃতে অত্যাচার সহ্য করে গেছেন আল্লাহ তাকে সম্মানিত করবেনই! আর আল্লাহ যখন কাউকে সম্মানিত করেন হিসাব ছাড়া করেন! এত মানুষ! এত অগণিত মানুষ! এরপর তিনি যোগ করেন, কয়জন সৌভাগ্যবান হয় এত সুন্দর জানাজার! পৃথিবীতে এমনভাবে বাঁচেন যাতে আপনার মৃত্যু আপনাকে হাজার বছর বাঁচিয়ে রাখে। আল্লাহ আপনাকে জান্নাতবাসী করুক। এদিকে জানাজার আগে খালেদা জিয়ার ছেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান পরিবারের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন এবং মায়ের জন্য দোয়া প্রার্থনা করেন। তার কাছে কেউ কোনো ঋণ পেলে যোগাযোগ করতে বলেন। এছাড়া খালেদা জিয়ার আচরণে কেউ কোনো কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা করে দেওয়ার আবেদন জানান তারেক রহমান। আরও পড়ুন জেলে যাওয়ার আগে বেবী নাজনীনকে যা বলেছিলেন খালেদা জিয়া  অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, উপদেষ্টাবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিসহ সর্বস্তরের লাখ লাখ মানুষ বেগম জিয়ার জানাজায় অংশ নেন।  আরটিভি/কেআই
‘১৭ বছর যে অত্যাচার সহ্য করেছেন আল্লাহ তাকে সম্মানিত করবেনই’
একদিন আমরা হারিয়ে যাবো: আরশ খান 
বর্তমান সময়ে ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা আরশ খান। গত অল্প কয়েক বছরের মধ্যে দর্শকদের অনেক নাটক উপহার দিয়েছেন তিনি। অভিনয়ের জন্য প্রশংসাও লাভ করেছেন। একের পর এক নাটকে বৈচিত্র্যময় চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন এই তারকা।  অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিকমাধ্যমে বেশ সরব অভিনেতা। সাম্প্রতিক ইস্যুতে নিজের মতামত প্রকাশ করেন। সেই ধারাবাহিকতায় তিনি তার ফেসবুক পোস্টে শৈশব ও বর্তমানের তুলনা করেছেন। আরশ লিখেন, ছোট বেলা থেকে চিনি জানি এমন সকল মানুষ গুলো একজন একজন করে চলে যাচ্ছে। সব জায়গা গুলো আধুনিকীকরণের দৌড়ে পাল্টে যাচ্ছে।  আরও পড়ুন ‘শুধু তার সুন্দর হাসিটির জন্য জীবনের প্রথম ভোট বিএনপিকে দিয়েছিলাম’ তিনি আরও বলেন, বদলাচ্ছে নোট, বদলাচ্ছে বাহন, বদলাচ্ছে খাবার, বদলাচ্ছে স্বপ্ন। এর একটাই অর্থ আমি এবং আমার জেনারেশন সবাই কিছু দিনের মধ্যে বার্ধক্যে পা রাখবে। এরপর একদিন আমরা হারিয়ে যাবো। ব্যস্ত এই নগরজীবনে যান্ত্রিকতার আড়ালে মানুষ যে নিজেকে সময় দিতে ভুলে যাচ্ছে, সেটিও মনে করিয়ে দিয়েছেন আরশ। শেষে লিখেছেন, জীবন কে বোঝ অতিথি, জীবনকে চেনো জীবনকে সময় দেয়াটা জরুরী এই সত্যটা মানো। আরটিভি/এএ 
একদিন আমরা হারিয়ে যাবো: আরশ খান 
‘শুধু তার সুন্দর হাসিটির জন্য জীবনের প্রথম ভোট বিএনপিকে দিয়েছিলাম’
বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মারা গেছেন। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার প্রয়াণ ঘটে।  আপসহীন এই নেত্রীর বিদায়ে সারাদেশে যেমন শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সামাজিক মাধ্যমে আবেগঘন বার্তা দিয়ে এই নেত্রীকে স্মরণ করছেন।  বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোকের ছায়া মোটা দাগে পড়েছে দেশের সংস্কৃতি অঙ্গনে। শিল্পীদের সোশ্যাল হ্যান্ডেল ভারি হয়েছে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসনকে হারানোর বেদনায়।  জনপ্রিয় অভিনেতা নাসির উদ্দিন খানকেও ছুঁয়েছে শোক। তা প্রকাশের পাশাপাশি এ অভিনেতা সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন জীবনের প্রথম ভোট দেওয়ার গল্প। জানিয়েছেন, খালেদা জিয়ার মিষ্টি হাসির জন্য জীবনের প্রথম ভোট তিনি দিয়েছিলেন বিএনপির প্রতীক ধানের শীষে। নিজের ফেসবুকে আজ মঙ্গলবার নিজের ফেসবুকে নাসির উদ্দিন লিখেছেন, আমি রাজনীতি অপছন্দ করা একজন অতি সাধারণ ভোটার, তবে রাজনীতি সচেতন। এরপর লেখেন, ২০২৪ এ ভোট দিতে যাইনি, ‘৮৪০’ এর শুটিংয়ে দেশের বাইরে ছিলাম। ২০১৮ তে ভোট কেন্দ্রে যেতে ইচ্ছে হয়নি। ২০১৪ সালের ভোট দেওয়ার পেছনে গল্প বলেন নাসির। তার কথায়, ২০১৪ তে ভোট কেন্দ্রে গিয়েছিলাম ভোট দিতে নয়, কেন্দ্র পরিদর্শনে। সম্পূর্ণ অপরিচিত একজন প্রার্থীকে মার্কা সুন্দর দেখে ভোট দিয়েছিলাম। আমার ধারণা আমাদের কেন্দ্র থেকে তিনি যদি একটি ভোটও পেয়ে থাকেন, তাহলে সেটি আমার। এর আগের নির্বাচন গুলোতে আওয়ামিলীগ-বিএনপিকে মিলিয়ে-ঝুলিয়ে দিয়েছি। এরপর অভিনেতা বলেন জীবনের প্রথম ভোটের গল্প। নাসির লেখেন, তবে জীবনের প্রথম ভোটটি দিয়েছিলাম ১৯৯১ সালে, বিএনপিকে, তার একমাত্র কারণ বেগম খালেদা জিয়া; শুধু তার সুন্দর হাসিটির জন্যে। সবশেষে এ অভিনেতা লিখেছেন, বিদায় হে সাবেক প্রধানমন্ত্রী, আপনার রুহের মাগফিরাত কামনা করি। খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন জটিলতাসহ নানা রোগে ভুগছিলেন। চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যের লন্ডনে যান খালেদা জিয়া। চিকিৎসা শেষে ৬ মে তিনি দেশে ফেরেন। সে সময় স্বাস্থ্যের কিছুটা উন্নতিও দেখা গিয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘদিনের শারীরিক জটিলতা এবং মানসিক ধকলের কারণে তিনি অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন। গত ২৩ নভেম্বর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে পুনরায় এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানে এক মাসের বেশি সময় চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ ভোরে তিনি চিকিৎসায় সাড়া দেওয়া বন্ধ করে দেন এবং চিরবিদায় নেন। বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে নেতৃত্ব দেওয়া খালেদা জিয়া ‘দেশনেত্রী’ হিসেবে জনগণের কাছে সমাদৃত ছিলেন। সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তার অটল ভূমিকার কারণে তাকে ‘আপসহীন’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। আরটিভি/এএ 
‘শুধু তার সুন্দর হাসিটির জন্য জীবনের প্রথম ভোট বিএনপিকে দিয়েছিলাম’
আরও পড়ুন
এবার ফাঁস হলো সিনেমাটির ‘এইচডি’ ট্রেলার, ঘটনা কী
এবার বিপদে স্পাইডার ম্যান, যা জানা গেল
স্পাইডার ম্যানের শুটিং সেটে ‘স্যাডি সিঙ্ক’-এর লুক ফাঁস! 
স্পাইডার ম্যানের নতুন সিনেমায় অভিনয় নিয়ে যা বললেন কার্স্টেন ডানস্ট