ঢাকা রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

বাংলাদেশের মেঘলা তেলেগু সিনেমার নায়িকা

এ এইচ মুরাদ

প্রকাশ : ০৬ এপ্রিল ২০১৮, ১০:০৪ পিএম
ছবি- তেলেগু সিনেমার শুটিংয়ে মেঘলা

বলিউডের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দাপটে এগিয়ে যাচ্ছে তেলেগু ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি। আকাশ সংস্কৃতি ও অনলাইনের কল্যাণে এদেশের মানুষের কাছে তেলেগু সিনেমা বেশ পরিচিত। এবার একটি তেলেগু সিনেমায় প্রধান নায়িকা চরিত্রে অভিনয় করলেন বাংলাদেশের মেয়ে মেঘলা মুক্তা। মেঘলা ঢাকাই সিনেমার এ প্রজন্মের নায়িকা। মডেলিংয়ের মাধ্যমে শোবিজে নাম লেখান তিনি। প্রথমবারের মতো ভিনদেশি সিনেমায় কাজ করতে পেরে দারুণ আনন্দিত এই নায়িকা। সম্প্রতি দেশে ফিরে আরটিভি অনলাইনের মুখোমুখি হয়েছেন মেঘলা। এ সময় তেলেগু সিনেমায় যুক্ত হওয়াসহ শুটিংয়ের নানা অভিজ্ঞতার কথা জানান। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক এ এইচ মুরাদ।

তেলেগু সিনেমায় নাম লেখালেন। প্রথমেই সিনেমাটি সম্পর্কে জানতে চাই?

জীবনের প্রথম এমন বড় আয়োজনের কোনো সিনেমায় কাজ করলাম। ভীষণ ভালো লাগছে। আপনি জানেন আমি বেশ কয়েকবছর ধরেই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করছি। আমার অভিনীত নতুন সিনেমার নাম ‘সাকালাকালাভাল্লাবুডু’ এটি তেলেগু ভাষা। ‘সাকালাকালাভাল্লাবুডু’র ইংরেজি অর্থ হলো অল-রাউন্ডার। পরিচালনায় শিভা গণেশ। আমার বিপরীতে আছেন তানিস্ক রেড্ডি। আর আমার বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছেন সেখানকার গুণী অভিনেতা সুমান টেলওয়ার। সিনেমাটি সিমহা ফিল্মস অ্যান্ড ইউভান টুরিং টকিসের ব্যানারে মুক্তি পাবে।

‘সাকালাকালাভাল্লাবুডু’ সিনেমার সঙ্গে কীভাবে যুক্ত হলেন?

গত ডিসেম্বরে আমি ১ দিনের জন্য ভারতে যাই একটি অডিশনে অংশ নেয়ার জন্য। তারপর জানুয়ারির ১ তারিখে তারা আমাকে সিনেমাটির জন্য চূড়ান্ত করেন। জানুয়ারির ৪ তারিখে আমি হায়দারাবাদ যাই। সেখানেই আমার সিনেমার শুটিং হয়। গেলো তিন মাস ধরে সিনেমাটির কাজ করছি। গান থেকে শুরু করে সবকিছু শেষ।

পুরো সিনেমার শুটিং শেষ করে দেশে এসেছি। এখন শুধু মুক্তির অপেক্ষা। আমি সামনে আবারও ভারতে যাব এই সিনেমার অডিও প্রকাশনা অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার জন্য।

সিনেমাটিতে কাজ করতে গিয়ে ভাষা নিয়ে কোনো সমস্যা হয়েছে কি?

ভাষার বিষয়টি নিয়ে আমি প্রথমে কিছুটা ভয় পেয়েছিলাম। কারণ আপনি জানেন তেলেগু ভাষাটা আমাদের জন্য বেশ কঠিন। তবে বেঙ্গালোরে আমাদের অডিশন হয়। অডিশনটা মূলত হিন্দি ভাষায় হয়ে থাকে। আর তারা অভিনয় এবং নাচের কতটা পারদর্শী এই বিষয়টির দিকে গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। পরে তো আমাকে তারা চূড়ান্ত করলেন।

তারপর...

আমাকে যখন তারা চূড়ান্ত করে, তারপর ভাষার বিষয়টি নিয়ে জানতে চাই। তখন তারা বলেন, তেলেগু সিনেমায় অনেক বাইরের নায়িকা কাজ করেন। যারা কাজ করেন অনেকেই তেলেগু ভাষা জানেন না। আমি অবশ্য বেসিক তেলেগু ভাষার উপরে ১৫দিনের একটি কর্মশালায় অংশ নিয়েছিলাম। এছাড়াও শুটিংয়ের আগেরদিন পরিচালক আমাকে স্ক্রিপ্ট শোনাতেন। আর আমি সেটি বাংলাতে লিখে নিতাম। তারপর পরিচালককে শোনাতাম। এভাবে প্রতিদিন রাত দেড়টা-দুটা বেজে যেত। আর এই ভাষা শেখার ব্যাপারে সহকারী পরিচালক সামান্তার কাছে থেকে অনেক সহযোগিতা পেয়েছি। বেশিরভাগ সময় দেখা যেত ভোর ৫টায় কলটাইম। সবমিলে দুই তিন ঘণ্টা ঘুমানোর সুযোগ পেতাম। কারণ ওদের ৫টা মানে রাইট ৫টাতেই সেটে উপস্থিত থাকতে হবে। তারা সময়ের ব্যাপারে ভীষণ সিনসিয়ার। এমন হতো যে স্ক্রিপ্ট পড়তে পড়তে ঘুমিয়ে যেতাম আবার সকালেও একইভাবে চর্চা করে শুটিং সেটে যেতাম।

সিনেমার গল্পটি সম্পর্কে জানতে চাই?

এটি রোমান্টিক অ্যাকশন-কমেডি মুভি বলতে পারেন। আমি একজন পুলিশ অফিসারের মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছি। সেখানে ভিলেন আমাকে পছন্দ করেন। একটা পর্যায়ে আমাকে কিডন্যাপ করা হয়। অন্যদিকে নায়ক আমাকে উদ্ধার করেন। পুরো মুভিটি চোর-পুলিশ খেলার মতো বলতে পারেন। প্রতিটা মুহূর্তে এক ধরনের উত্তেজনা থাকবে।

তেলেগু সিনেমায় প্রথম অভিনয় সহকর্মীদের কাছে কেমন সহযোগিতা পেয়েছেন?

প্রতিটি মানুষ খুবই ভালো। পরিচালক, হিরোসহ ইউনিটের সবার কাছ থেকে সহযোগিতা পেয়েছি। আমি ওদের ওখানে নতুন। তাদের পক্ষ থেকে আন্তরিকতার কোনো অভাব ছিল না। এছাড়াও স্থানীয় গণমাধ্যমেও আমাকে নিয়ে প্রচুর কাভারেজ হয়েছে। একটা নিউজের শিরোনাম ছিল ‘ঢাকা টু টলিউড (তেলেগু ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি)। এছাড়াও অনেক চ্যানেলে সাক্ষাৎকার নিয়েছে। নতুন জায়গাতে কাজ করলেও সেটি আমার কাছে অচেনা মনে হয়নি।

এম/পি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দীপিকার ভালো বন্ধু কে?
মেয়েটি দীপিকা পাড়ুকোনের মতই প্রতিভাবান। ভারতের প্রথম দশ জন নারী গল্ফারের মধ্যে তার নাম আছে। বলা যায় দীপিকার ভালো ভক্ত এবং একই সঙ্গে বন্ধু। নাম আনিশা পাড়ুকোন। দীপিকা পাডুকোনের ছোট বোন। প্রায়ই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দীপিকার সঙ্গে ছবি দেখে ভক্তদের মাঝে কৌতূহল জাগে, আলোচনা হয়। মাঝে মাঝে সংবাদের শিরোনামও হন তিনি। তবে সব সময় দীপিকার বোন হিসেবে নয়। নিজের গুণের জন্যই তিনি শিরোনামে আসেন। এই তরুণী একজন পেশাদার গল্ফার। তিনি রাজ্য স্তরে বাস্কেটবল ও জাতীয় স্তরে ক্রিকেটও খেলেন। মাত্র দশ বছর বয়স থেকে খেলাধূলাকেই পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন আনিশা। এছাড়া একটি সংস্থার অধীনে দিদি দীপিকার সঙ্গে মানসিক অবসাদগ্রস্ততায় ভোগা রোগীদের নিয়ে কাজ করেন তিনি। তিনি মনে করেন, সবটাই সম্ভব হয়েছে বাবা প্রকাশ পাড়ুকোন, মা উজ্জ্বলা পাড়ুকোন ও দিদি দীপিকা পাডুকোনের জন্য।   জিএ/পি
দীপিকার ভালো বন্ধু কে?
কাদের খান সুস্থ, থেমেছে মৃত্যুর গুজব
কানাডার হাসপাতালে কাদের খান সুস্থ আছেন৷ অভিনেতার ছেলে সরফরাজ খান বাবার মৃত্যুর গুজব থামিয়েছেন৷ সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে রোববার রাতে সরফরাজ খান বলেন, ‘সব মিথ্যা৷ গুজব৷ আমার বাবা হাসপাতালে আছেন। এখন সাড়া দিচ্ছেন এবং আগের চেয়ে অনেক ভালো আছেন৷ তাকে স্পেশাল ভেন্টিলেশন থেকে রেগুলার ভেন্টিলেটরে স্থানান্তরিত করা হয়েছে৷ রোববার বর্ষীয়ান অভিনেতা কাদের খানের মৃত্যুর গুজব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। যেহেতু তিনি গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ছিলেন সুতরাং ভক্তরা ভুয়া তথ্যকে সহজে বিশ্বাস করেছিলেন। অনেকেই শোক প্রকাশ করে পোস্ট করেন। তবে গণমাধ্যমকে দেওয়া বার্তায় সরফরাজ খান সব ধোঁয়াশা পরিষ্কার করেন।  কাদের খানের অসুস্থতার পর থেকে তাকে নিয়ে শুভাকাঙ্ক্ষীরা চিন্তিত ছিলেন। গত শুক্রবার টুইট করে কিংবদন্তি অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন লেখেন, ‘কাদের খান...এক অনবদ্য প্রতিভা…হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি…তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি৷’ বেশ কয়েকবছর আগে অভিনয় জগত থেকে ছুটি নিয়েছেন কাদের খান৷ বার্ধক্যের সময়টা ছেলে সরফরাজ ও ছেলের বউ সহিস্তার সঙ্গে কানাডায় পার করছিলেন তিনি৷ এর আগেও ২০১৭ সালে একবার অসুস্থ হয়ে পড়েন কাদের খান। সে সময় থেকে অন্যের সাহায্য-সহযোগিতা নিয়ে চলাফেরা করতেন তিনি। এরই মধ্যে আবার অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। কাদের খান ১৯৭০ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৪৫০টিরও বেশি হিন্দি এবং উর্দু সিনেমায় অভিনয় করেছেন। ২৫০টিরও অধিক ভারতীয় সিনেমার সংলাপ লিখেছেন তিনি। অভিনেতা, কমেডিয়ান ও সংলাপ রচয়িতা হিসেবে অর্জন করেছেন উল্লেখযোগ্য কয়েকটি পুরস্কার।   জিএ/পি
কাদের খান সুস্থ, থেমেছে মৃত্যুর গুজব
থার্টি ফার্স্ট নাইটে আরটিভিতে গাইবেন অনুপম-তাহসান
ইংরেজি নতুন বছরের আগমন উদযাপন করতে আরটিভির বিশেষ আয়োজন ‘ক্লাব এশিয়া মনের মানুষ’ অনুষ্ঠানে গান গাইবেন পশ্চিম বাংলার জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী অনুপম রায়। একই অনুষ্ঠানে গান গাইবেন দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী তাহসান খান। আজ ৩১ ডিসেম্বর, সোমবার রাত ১১টা ২৫ মিনিটে অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করবে আরটিভি। গানে-গানে নতুন বছরের প্রথম প্রহর মাতিয়ে তোলার জন্য পশ্চিম বাংলার জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী অনুপম রায় এবং তার ব্যান্ড 'দ্যা অনুপম রায় ব্যান্ড' ঢাকায় আসছেন। অনুষ্ঠানটিতে অনুপম রায়ের সঙ্গে মঞ্চে থাকবেন এপার বাংলার জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী তাহসান খান। থার্টি ফার্স্ট রাতে অনুপম রায়ের সঙ্গে অনুষ্ঠান এবং মঞ্চ ভাগাভাগির বিষয়ে তাহসান জানান, আমি ১০টির মতো গানে অংশ নেবো। যেহেতু সরাসরি অনুষ্ঠান, জনপ্রিয় গানের পাশাপাশি অনুরোধের গানও থাকতে পারে। অনুপম রায়ও একই সংখ্যক গান করবেন বলেও জানান তিনি। সরাসরি সম্প্রচারিত অনুষ্ঠান হওয়ায় দর্শকদের মতামত ও অনুরোধের সুযোগও থাকবে বলে জানান তাহসান। অন্যদিকে আরটিভির পক্ষ থেকে জানানো হয়, পুরো অনুষ্ঠানটি সাজানো হয়েছে বেশ কিছু চমক দিয়ে। অনুপম রায় এন্ড ব্যান্ড ও তাহসান খান দুই বাংলায় সমান ভাবে জনপ্রিয়। প্রত্যাশা করা যাচ্ছে অনুষ্ঠানটি ব্যাপক দর্শক জনপ্রিয়তা পাবে।   আরএস/জিএ/এসআর  
থার্টি ফার্স্ট নাইটে আরটিভিতে গাইবেন অনুপম-তাহসান
পদ্মাবতের পর রণবীরকে বিয়ের কথা ভাবি: দীপিকা পাড়ুকোন
ইতালির লেক কোমোতে নভেম্বরে রনবীর সিংয়ের সঙ্গে মাত্র ৪৫ জন শুভাকাঙ্ক্ষী নিয়ে গিঁট বেঁধেছিলেন দীপিকা পাড়ুকোন। এক সঙ্গে পথ চলার এই সিদ্ধান্ত কবে নিয়েছিলেন, ইন্ডিয়ার একটি ম্যাগাজিনকে এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, পদ্মাবত মুক্তি পাওয়ার পর পরিপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দীপিকা পাড়ুকোন ও রণবীর সিং ২০১৮ সালের ১৪ ও ১৫ নভেম্বর ইতালির লেক কোমোর ডেল বাল্বিনেলো ভিলায় বিয়ের কাজ সম্পন্ন করেন। চুপিসারে বিয়ের কাজ শেষ হয়।  নব দম্পতি বিয়ের ছবি সহজলভ্যভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করতে চাননি। এজন্য অনেক বিষয় ভক্তদের অজানা থেকে যায়। তবে চলচ্চিত্র শিল্পের দুই বৃহত্তম তারকা লেক কমোর সুদৃশ্য স্থানে যখন বিয়ের কাজ সম্পন্ন করেন, ভক্তদের কৌতূহল আরও বেড়ে যায়। যদিও দুজনের প্রেম বিষয়ে ভক্তরা টুকিটাকি জানতেন, তবে কবে বিয়ে করবেন কারা কারা সে অনুষ্ঠানে থাকবে, এই বিষয়টি একদম অজানা ছিল। দীপিকা অবশ্য সব ধোঁয়াশা মুক্ত করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমি পদ্মাবতের পরে তাকে (রণবীর) বিয়ে করার কথা ভাবতাম। আমরা জানতাম যে এটি ঘটতে যাচ্ছে, এটি ছিল সময়ের ব্যাপার। যখন চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায় তখনই মনে হয় সময়টি এসে গেছে।' দীপিকা পাড়ুকোন অভিনীত পদ্মাবত মুক্তি পায় এ বছরের জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে। অর্থাৎ সেই সময়েই তিনি ৬ বছর ধরে ঝুলে থাকা প্রেমের শেষ পরিণতির কথা ভাবেন। অবশেষে নভেম্বরে ডেটিং জীবনের পরিসমাপ্তি ঘটান দীপিকা-রণবীর।   জিএ/এসআর  
পদ্মাবতের পর রণবীরকে বিয়ের কথা ভাবি: দীপিকা পাড়ুকোন
মাকে নিয়ে ভোট দিলেন নায়ক শাকিব
নির্বাচনের আমেজ থেকে বাদ যাননি নায়ক শাকিব খান। আজ (রোববার) বিকেলে মা রেজেয়া বেগমকে সঙ্গে নিয়ে ভোট দিতে যান তিনি। বিকেল পৌনে চারটার দিকে শাকিব ভোট কেন্দ্রে যান। শাকিব খান ঢাকা-১৭ আসনের (গুলশান, বনানী, ক্যান্ট. ভাষানটেক এলাকা) ভোটার। বিকেলে রিকশায় চড়ে তার মাকে নিয়ে গুলশানের মডেল স্কুলের ভোট কেন্দ্রে যান তিনি। ভোট প্রদান শেষ করে হাসিমুখে বেরিয়ে আসেন তিনি। জানা গেছে, শাকিব এবং তার মা বিকেলে ভোট দিতে গেলেও শাকিবের বাবা ভোট দিয়েছেন দুপুরের আগেই। রিকশা চড়ে ভোট দেয়া প্রসঙ্গে বাংলা সিনেমায় এই সুপারস্টার বলেন, আমি মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। ছোটবেলা থেকে রিকশা, বাইক এসব চড়ে বড় হয়েছি। বাসার পাশেই ভোট কেন্দ্র। সেজন্য মাকে নিয়ে রিকশায় চড়ে ভোট কেন্দ্রে এলাম।   তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ। অত্যন্ত সুষ্ঠুভাবে ভোট প্রদান হচ্ছে। আমি প্রথমে মনে করেছিলাম কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি কম থাকবে। কিন্তু গিয়ে দেখলাম ভিন্ন চিত্র। নারী-পুরুষ আলাদাভাবে সারিবদ্ধভাবে লাইনে ভোট দিতে যাচ্ছে। আরও একটা জিনিস ভালো লেগেছে, ভোট কেন্দ্রে গিয়ে আমার অনেক পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হয়েছে, আলাপ হয়েছে। এখন ফলাফলের জন্য অপেক্ষা। শাকিব খানের আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়েছেন চিত্রনায়ক ফারুক। ধানের শীষ প্রতীকে তার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন আন্দালিব রহমান পার্থ। দুপুরের পরেই ওই আসনের বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোট জালিয়াতির অভিযোগ এনে পার্থ নির্বাচন বর্জন করেন। ডি/জেএইচ
মাকে নিয়ে ভোট দিলেন নায়ক শাকিব
আরও পড়ুন
কোনও নায়িকার সঙ্গে আমার সমস্যা নেই: বাপ্পি চৌধুরী
কথাটি সময়ই বলে দেবে: বুবলী
প্রভাসের নায়িকা রাকুল
আশার আলো দেখাচ্ছে এপ্রিল