ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

শাওন আমার বাবার একমাত্র উত্তরাধিকার না: নুহাশ হুমায়ূন

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ১৮ এপ্রিল ২০১৮, ০৫:৩১ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

‘শাওন আমার বাবার ‘ইনটেলেকচুয়াল প্রপার্টির’ (গল্প, উপন্যাস, তার সৃষ্ট যেকোনো কিছু ) একমাত্র উত্তরাধিকার না। তাই আমাদের চার ভাইবোনের অনুমতি ছাড়া। শুধুমাত্র শাওনের অনুমতি নিয়ে, হুমায়ূন আহমেদের সৃষ্টি নিয়ে কাজ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।’ এমনটাই জানালেন হুমায়ূন আহমেদের ছেলে নুহাশ হুমায়ূন।

হুমায়ূন পুত্র আরও বলেন, ‘মুহাম্মদ জাফর ইকবাল আমাদের চাচা এবং আমাদের প্রিয়জন। কিন্তু তিনি আমাদের কোনো মুখপাত্র অথবা অভিবাবক না এবং হুমায়ূন আহমেদের ‘ইনটেলেকচুয়াল প্রপার্টির রাইট’ নিয়ে আমাদের চার ভাইবোনের হয়ে তিনি কিছু বলার অধিকার রাখেন না।’

গতকাল নিজের ফেসবুকে লেখা এক স্ট্যাটাসে নুহাস হুমায়ূন এই বিষয়ে দীর্ঘ কথা বলেন। হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস ‘দেবী’ অবলম্বনে সম্প্রতি জয়া আহসানের প্রযোজনায় নির্মিত হয়েছে সিনেমা। এই ছবিটি নির্মাণ করতে গিয়ে হুমায়ূন পরিবারের অনুমতি নেয়া হয়নি বলে কিছুদিন আগে অভিযোগ করেছিলেন হুমায়ূন কন্যা শীলা আহমেদ।

এবার এই বিষয়ে মুখ খুললেন হুমায়ূন পুত্র নুহাশ। তিনি বলেন, ‘এটা কিন্তু কোনো আর্জি না বা অনুরোধ না- ভালোভাবে ‘ইনটেলেকচুয়াল প্রপার্টি’ আইন পড়ে দেখলেই বিষয়টি বোঝা যাবে।’

নুহাশ হুমায়ূনের ফেসবুক স্ট্যাটাসটি আরটিভি অনলাইন পাঠকের জন্য প্রকাশ করা হলো।

‘আমি নিশ্চিত অনেকেই ‘দেবী’ মুক্তির জন্য খুব আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছেন। মানুষের আগ্রহের কারণ, এই সিনেমাটি নির্মাণের জন্য ক্যামেরার সামনে আর পেছনে খুব মেধাবী কিছু মানুষ কাজ করেছেন। কিন্তু এটাও অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই যে ‘দেবী’ নিয়ে মানুষের আগ্রহের বড় এবং অন্যতম আরেকটা কারণ, এর চরিত্রগুলো, গল্প আর এর সাথে জড়ানো কিংবদন্তি মানুষটির নাম।’

‘অনেকেই হয়তো জানেন ‘দেবী’ নির্মাণ হয়েছে আমার বাবা হুমায়ূন আহমেদের লেখা উপন্যাস থেকে আর এখানে ‘মিসির আলী’ চরিত্রটি আছে। ‘মিসির আলী’- হুমায়ূন আহমেদের সৃষ্টি করা এমন একটা চরিত্র, যাকে আমরা সবাই ভালোবাসি। কিন্তু যা অনেকেই জানেন না তা হলো, এই সিনেমাটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে আমার এবং আমার তিন বোনের (নোভা আহমেদ, শীলা আহমেদ, বিপাশা আহমেদ) অনুমতি ছাড়াই।’

--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : কোনো সিনেমায় এখনও সাইন করিনি: বাঁধন
--------------------------------------------------------

‘হুমায়ূন আহমেদের সমস্ত সৃষ্টি এখন তার উত্তরাধিকারদের স্বত্বাধিকারে। আমাদের চার ভাইবোনের অনুমতি ছাড়া যে এই সিনেমাটি মুক্তি দেয়ার কাজ চলছিলো, সেটা সম্পূর্ণ আইন বহির্ভূত ছিল। যখন এই সিনেমার প্রযোজক জয়া আহসান এই বিষয়ে জানলেন, তিনি সাথে সাথেই আমার পরিবারের সাথে যোগাযোগ করলেন এবং আমাদের চারজনের অনুমতি নেয়ার জন্য আইনগত সব ব্যাবস্থা নিলেন। তিনি এই সিনেমার মার্কেটিং’সহ বাকি কাজ বন্ধ রাখলেন আমাদের চার ভাইবোনের চুক্তিপত্রে সাইন হওয়া পর্যন্ত।’

‘নিয়ম অনুযায়ী আমাদের অনুমতি ছাড়া ‘দেবী’ সিনেমার কোনো কাজই শুরু হতে পারে না। তারপরও হয়েছে। কিন্তু যখন জয়া আহসান আমাদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করলেন এবং আমাদেরকে তার দিকের ব্যাখ্যা দিলেন, তখন আমাদের মনে হয়েছে -এটা তার দিক থেকে একটা অনিচ্ছাকৃত ভুল ছিল। আর তিনি যে এটা সংশোধন করতে চাচ্ছেন এটা একটা দায়িত্বশীল আচরণের বহিঃপ্রকাশ। কিন্তু বেশিরভাগ নির্মাতারা (যারা আমার বাবার সৃষ্টি নিয়ে কাজ করেছেন/করতে যাচ্ছেন) এতটা দায়িত্বশীল আচরণের পরিচয় দেননি অথবা দিচ্ছেন না, তাই আমি কিছু জিনিস স্পষ্ট ভাবে ব্যাখ্যা করতে চাই- যেন এই জাতীয় ভুল বারবার না হয়।’

‘অনেক নির্মাতাই আমাদেরকে জানিয়েছেন, তারা আমার বাবার স্ত্রী-মেহের আফরোজ শাওনকে এককালীন কিছু টাকা দিয়ে অনুমতি নিয়েছেন এবং নাটক নির্মাণ করেছেন। শাওন আমার বাবার ‘ইনটেলেকচুয়াল প্রপার্টির’ (গল্প, উপন্যাস, তার সৃষ্ট যেকোনো কিছু ) একমাত্র উত্তরাধিকার না। তাই আমাদের চার ভাইবোনের অনুমতি ছাড়া, শুধুমাত্র শাওনের অনুমতি নিয়ে, হুমায়ূন আহমেদের সৃষ্টি নিয়ে কাজ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।’

‘কিছু নির্মাতার অজুহাত হলো, ‘আপনাদের কে পাওয়া কঠিন’– আসলেই কি তাই? সিনেমা নির্মাণ করা একটা কঠিন কাজ হতে পারে। কিন্তু ঢাকা শহরে কোনো মানুষের সাথে যোগাযোগের উপায় বের করা বেশ সহজ। আমার ফেইসবুক পেইজটা পর্যন্ত ভ্যারিফাইড। তাহলে আর কত সহজ উপায়ে আমার বা আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে চান?’

‘আরেকটা সাধারণ ভুল ধারনা হলো- আমাদের চাচা মুহাম্মদ জাফর ইকবালের অনুমতি নেয়া আর আমাদের চার ভাইবোনের অনুমতি নেয়া একই কথা। আমার মনে হয় এটা খুব স্পষ্ট করা দরকার। মুহাম্মদ জাফর ইকবাল আমাদের চাচা এবং আমাদের প্রিয়জন। কিন্তু তিনি আমাদের কোনো মুখপাত্র অথবা অভিবাবক না এবং হুমায়ূন আহমেদের ‘ইনটেলেকচুয়াল প্রপার্টির রাইট’ নিয়ে আমাদের চার ভাইবোনের হয়ে তিনি কিছু বলার অধিকার রাখেন না।’

‘আশা করি, আমার এই লেখাটি কিছু সাধারণ ভুল ধারনা দূর করবে, আর যেই সব নির্মাতারা আমার বাবার সাহিত্য নিয়ে কাজ করতে চান, তারাও নির্মাণের আগে প্রয়োজনীয় আইনগত ধাপগুলো ভাল করে জেনে নিবেন। এটা হতে পারে মিসির আলী, হিমু অথবা আমার বাবার অন্য যেকোনো অনবদ্য সৃষ্টি – সেটা যাই হোক, এইসবই এখন অমূল্য সম্পদ আর তার উত্তরাধিকার হিসেবে আমাদের দায়িত্ব খেয়াল রাখা এইসব যেন সঠিক আর মেধাবী নির্মাতার হাতে পরে।’

‘আমার মনে হয়, মাঝে মাঝে ‘না’ বলতে পারাটাও এখন আমাদের জন্য খুব জরুরি। আমি নিশ্চিত হুমায়ূন আহমেদের ভক্তরা তার কাহিনি নিয়ে তৈরি হাতে গোনা কয়েকটা অসাধারণ কাজই পছন্দ করবে, একশোটা মাঝারি মানের কাজের চেয়ে। আর আসলেই কি প্রত্যেকটা সাহিত্যকর্মকে সিনেমা অথবা নাটক বানানোর প্রয়োজন আছে? আমার বাবাতো এমনই আমাদের বুকের মধ্যে বেঁচে থাকবেন তার সৃষ্টির জন্য- তার কাহিনি নিয়ে নাটক বা সিনেমা নির্মাণ তো তার অবস্থান পরিবর্তন করছে না আমাদের কাছে।’

‘জয়া আহসানের জন্য শুভকামনা থাকল। আর আশা করছি অন্য নির্মাতারাও এটাকে সঠিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখবেন, কীভাবে সবার জন্য সম্মানজনকভাবে আমার বাবার ইনটেলেকচুয়াল প্রপার্টি নিয়ে কাজ করা যায় । এটা কিন্তু কোন আর্জি না বা অনুরোধ না- ভালভাবে ‘ইনটেলেকচুয়াল প্রপার্টি’ আইন পড়ে দেখলেই বিষয়টি বোঝা যাবে।’

আরও পড়ুন :

পিআর/এম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দীপিকার ভালো বন্ধু কে?
মেয়েটি দীপিকা পাড়ুকোনের মতই প্রতিভাবান। ভারতের প্রথম দশ জন নারী গল্ফারের মধ্যে তার নাম আছে। বলা যায় দীপিকার ভালো ভক্ত এবং একই সঙ্গে বন্ধু। নাম আনিশা পাড়ুকোন। দীপিকা পাডুকোনের ছোট বোন। প্রায়ই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দীপিকার সঙ্গে ছবি দেখে ভক্তদের মাঝে কৌতূহল জাগে, আলোচনা হয়। মাঝে মাঝে সংবাদের শিরোনামও হন তিনি। তবে সব সময় দীপিকার বোন হিসেবে নয়। নিজের গুণের জন্যই তিনি শিরোনামে আসেন। এই তরুণী একজন পেশাদার গল্ফার। তিনি রাজ্য স্তরে বাস্কেটবল ও জাতীয় স্তরে ক্রিকেটও খেলেন। মাত্র দশ বছর বয়স থেকে খেলাধূলাকেই পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন আনিশা। এছাড়া একটি সংস্থার অধীনে দিদি দীপিকার সঙ্গে মানসিক অবসাদগ্রস্ততায় ভোগা রোগীদের নিয়ে কাজ করেন তিনি। তিনি মনে করেন, সবটাই সম্ভব হয়েছে বাবা প্রকাশ পাড়ুকোন, মা উজ্জ্বলা পাড়ুকোন ও দিদি দীপিকা পাডুকোনের জন্য।   জিএ/পি
দীপিকার ভালো বন্ধু কে?
কাদের খান সুস্থ, থেমেছে মৃত্যুর গুজব
কানাডার হাসপাতালে কাদের খান সুস্থ আছেন৷ অভিনেতার ছেলে সরফরাজ খান বাবার মৃত্যুর গুজব থামিয়েছেন৷ সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে রোববার রাতে সরফরাজ খান বলেন, ‘সব মিথ্যা৷ গুজব৷ আমার বাবা হাসপাতালে আছেন। এখন সাড়া দিচ্ছেন এবং আগের চেয়ে অনেক ভালো আছেন৷ তাকে স্পেশাল ভেন্টিলেশন থেকে রেগুলার ভেন্টিলেটরে স্থানান্তরিত করা হয়েছে৷ রোববার বর্ষীয়ান অভিনেতা কাদের খানের মৃত্যুর গুজব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। যেহেতু তিনি গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ছিলেন সুতরাং ভক্তরা ভুয়া তথ্যকে সহজে বিশ্বাস করেছিলেন। অনেকেই শোক প্রকাশ করে পোস্ট করেন। তবে গণমাধ্যমকে দেওয়া বার্তায় সরফরাজ খান সব ধোঁয়াশা পরিষ্কার করেন।  কাদের খানের অসুস্থতার পর থেকে তাকে নিয়ে শুভাকাঙ্ক্ষীরা চিন্তিত ছিলেন। গত শুক্রবার টুইট করে কিংবদন্তি অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন লেখেন, ‘কাদের খান...এক অনবদ্য প্রতিভা…হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি…তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি৷’ বেশ কয়েকবছর আগে অভিনয় জগত থেকে ছুটি নিয়েছেন কাদের খান৷ বার্ধক্যের সময়টা ছেলে সরফরাজ ও ছেলের বউ সহিস্তার সঙ্গে কানাডায় পার করছিলেন তিনি৷ এর আগেও ২০১৭ সালে একবার অসুস্থ হয়ে পড়েন কাদের খান। সে সময় থেকে অন্যের সাহায্য-সহযোগিতা নিয়ে চলাফেরা করতেন তিনি। এরই মধ্যে আবার অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। কাদের খান ১৯৭০ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৪৫০টিরও বেশি হিন্দি এবং উর্দু সিনেমায় অভিনয় করেছেন। ২৫০টিরও অধিক ভারতীয় সিনেমার সংলাপ লিখেছেন তিনি। অভিনেতা, কমেডিয়ান ও সংলাপ রচয়িতা হিসেবে অর্জন করেছেন উল্লেখযোগ্য কয়েকটি পুরস্কার।   জিএ/পি
কাদের খান সুস্থ, থেমেছে মৃত্যুর গুজব
থার্টি ফার্স্ট নাইটে আরটিভিতে গাইবেন অনুপম-তাহসান
ইংরেজি নতুন বছরের আগমন উদযাপন করতে আরটিভির বিশেষ আয়োজন ‘ক্লাব এশিয়া মনের মানুষ’ অনুষ্ঠানে গান গাইবেন পশ্চিম বাংলার জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী অনুপম রায়। একই অনুষ্ঠানে গান গাইবেন দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী তাহসান খান। আজ ৩১ ডিসেম্বর, সোমবার রাত ১১টা ২৫ মিনিটে অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করবে আরটিভি। গানে-গানে নতুন বছরের প্রথম প্রহর মাতিয়ে তোলার জন্য পশ্চিম বাংলার জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী অনুপম রায় এবং তার ব্যান্ড 'দ্যা অনুপম রায় ব্যান্ড' ঢাকায় আসছেন। অনুষ্ঠানটিতে অনুপম রায়ের সঙ্গে মঞ্চে থাকবেন এপার বাংলার জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী তাহসান খান। থার্টি ফার্স্ট রাতে অনুপম রায়ের সঙ্গে অনুষ্ঠান এবং মঞ্চ ভাগাভাগির বিষয়ে তাহসান জানান, আমি ১০টির মতো গানে অংশ নেবো। যেহেতু সরাসরি অনুষ্ঠান, জনপ্রিয় গানের পাশাপাশি অনুরোধের গানও থাকতে পারে। অনুপম রায়ও একই সংখ্যক গান করবেন বলেও জানান তিনি। সরাসরি সম্প্রচারিত অনুষ্ঠান হওয়ায় দর্শকদের মতামত ও অনুরোধের সুযোগও থাকবে বলে জানান তাহসান। অন্যদিকে আরটিভির পক্ষ থেকে জানানো হয়, পুরো অনুষ্ঠানটি সাজানো হয়েছে বেশ কিছু চমক দিয়ে। অনুপম রায় এন্ড ব্যান্ড ও তাহসান খান দুই বাংলায় সমান ভাবে জনপ্রিয়। প্রত্যাশা করা যাচ্ছে অনুষ্ঠানটি ব্যাপক দর্শক জনপ্রিয়তা পাবে।   আরএস/জিএ/এসআর  
থার্টি ফার্স্ট নাইটে আরটিভিতে গাইবেন অনুপম-তাহসান
পদ্মাবতের পর রণবীরকে বিয়ের কথা ভাবি: দীপিকা পাড়ুকোন
ইতালির লেক কোমোতে নভেম্বরে রনবীর সিংয়ের সঙ্গে মাত্র ৪৫ জন শুভাকাঙ্ক্ষী নিয়ে গিঁট বেঁধেছিলেন দীপিকা পাড়ুকোন। এক সঙ্গে পথ চলার এই সিদ্ধান্ত কবে নিয়েছিলেন, ইন্ডিয়ার একটি ম্যাগাজিনকে এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, পদ্মাবত মুক্তি পাওয়ার পর পরিপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দীপিকা পাড়ুকোন ও রণবীর সিং ২০১৮ সালের ১৪ ও ১৫ নভেম্বর ইতালির লেক কোমোর ডেল বাল্বিনেলো ভিলায় বিয়ের কাজ সম্পন্ন করেন। চুপিসারে বিয়ের কাজ শেষ হয়।  নব দম্পতি বিয়ের ছবি সহজলভ্যভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করতে চাননি। এজন্য অনেক বিষয় ভক্তদের অজানা থেকে যায়। তবে চলচ্চিত্র শিল্পের দুই বৃহত্তম তারকা লেক কমোর সুদৃশ্য স্থানে যখন বিয়ের কাজ সম্পন্ন করেন, ভক্তদের কৌতূহল আরও বেড়ে যায়। যদিও দুজনের প্রেম বিষয়ে ভক্তরা টুকিটাকি জানতেন, তবে কবে বিয়ে করবেন কারা কারা সে অনুষ্ঠানে থাকবে, এই বিষয়টি একদম অজানা ছিল। দীপিকা অবশ্য সব ধোঁয়াশা মুক্ত করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমি পদ্মাবতের পরে তাকে (রণবীর) বিয়ে করার কথা ভাবতাম। আমরা জানতাম যে এটি ঘটতে যাচ্ছে, এটি ছিল সময়ের ব্যাপার। যখন চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায় তখনই মনে হয় সময়টি এসে গেছে।' দীপিকা পাড়ুকোন অভিনীত পদ্মাবত মুক্তি পায় এ বছরের জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে। অর্থাৎ সেই সময়েই তিনি ৬ বছর ধরে ঝুলে থাকা প্রেমের শেষ পরিণতির কথা ভাবেন। অবশেষে নভেম্বরে ডেটিং জীবনের পরিসমাপ্তি ঘটান দীপিকা-রণবীর।   জিএ/এসআর  
পদ্মাবতের পর রণবীরকে বিয়ের কথা ভাবি: দীপিকা পাড়ুকোন
মাকে নিয়ে ভোট দিলেন নায়ক শাকিব
নির্বাচনের আমেজ থেকে বাদ যাননি নায়ক শাকিব খান। আজ (রোববার) বিকেলে মা রেজেয়া বেগমকে সঙ্গে নিয়ে ভোট দিতে যান তিনি। বিকেল পৌনে চারটার দিকে শাকিব ভোট কেন্দ্রে যান। শাকিব খান ঢাকা-১৭ আসনের (গুলশান, বনানী, ক্যান্ট. ভাষানটেক এলাকা) ভোটার। বিকেলে রিকশায় চড়ে তার মাকে নিয়ে গুলশানের মডেল স্কুলের ভোট কেন্দ্রে যান তিনি। ভোট প্রদান শেষ করে হাসিমুখে বেরিয়ে আসেন তিনি। জানা গেছে, শাকিব এবং তার মা বিকেলে ভোট দিতে গেলেও শাকিবের বাবা ভোট দিয়েছেন দুপুরের আগেই। রিকশা চড়ে ভোট দেয়া প্রসঙ্গে বাংলা সিনেমায় এই সুপারস্টার বলেন, আমি মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। ছোটবেলা থেকে রিকশা, বাইক এসব চড়ে বড় হয়েছি। বাসার পাশেই ভোট কেন্দ্র। সেজন্য মাকে নিয়ে রিকশায় চড়ে ভোট কেন্দ্রে এলাম।   তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ। অত্যন্ত সুষ্ঠুভাবে ভোট প্রদান হচ্ছে। আমি প্রথমে মনে করেছিলাম কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি কম থাকবে। কিন্তু গিয়ে দেখলাম ভিন্ন চিত্র। নারী-পুরুষ আলাদাভাবে সারিবদ্ধভাবে লাইনে ভোট দিতে যাচ্ছে। আরও একটা জিনিস ভালো লেগেছে, ভোট কেন্দ্রে গিয়ে আমার অনেক পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হয়েছে, আলাপ হয়েছে। এখন ফলাফলের জন্য অপেক্ষা। শাকিব খানের আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়েছেন চিত্রনায়ক ফারুক। ধানের শীষ প্রতীকে তার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন আন্দালিব রহমান পার্থ। দুপুরের পরেই ওই আসনের বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোট জালিয়াতির অভিযোগ এনে পার্থ নির্বাচন বর্জন করেন। ডি/জেএইচ
মাকে নিয়ে ভোট দিলেন নায়ক শাকিব
আরও পড়ুন
হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিন আজ
পুকুর ঘাটে বসে এই গান লিখেছিলেন হুমায়ূন: শাওন
‘দেবী’ সিনেমার হল তালিকা
‘ঘেটুপুত্র কমলা’ সিনেমার শুটিং সেটে হুমায়ূন আহমেদ