ঢাকা সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

বাবাজি আমার যৌবন-শোবার ঘর নিয়ে দিবাস্বপ্ন দেখবেন না: কঙ্গনা রানওয়াত

বিনোদন ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ আগস্ট ২০২৬, ০১:২৭ পিএম
বাবা রামদেব ও কঙ্গনা রানওয়াত। ছবি: সংগৃহীত

বলিউড অভিনেত্রী ও বিজেপির সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানওয়াতকে নিয়ে মন্তব্য করে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন যোগগুরু ও ব্যবসায়ী বাবা রামদেব। এবার তাকে কড়া ভাষায় পাল্টা জবাব দিয়েছেন কঙ্গনা। নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে রামদেবকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, আমার যৌবন বা শোবার ঘর নিয়ে দিবাস্বপ্ন দেখবেন না।

সম্প্রতি ‘জেন-জি’ প্রজন্মকে ‘গাটার জেনারেশন’ বা ‘নর্দমা প্রজন্ম’ বলে মন্তব্য করেন কঙ্গনা। তার এই মন্তব্য নিয়ে কথা বলতে গিয়ে কঙ্গনাকে সমালোচনা করেন বাবা রামদেব। টিভি৯কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, শুধু কেউ তার যোগচর্চার প্রশংসা করলেই তার কথিত পাপকাজ বা ভুল ঢেকে রাখা হবে না।

রামদেবের মন্তব্যের জবাবে ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে কঙ্গনা লেখেন, বাবাজি, আমার যৌবন বা শোবার ঘর নিয়ে দিবাস্বপ্ন দেখবেন না। গুঞ্জন বা গসিপের ওপর ভিত্তি করে যে কেউ কেবল অনুমানই করতে পারে।

কঙ্গনা আরও দাবি করেন, মিথ্যা বা প্রতারণামূলক চিকিৎসা কার্যক্রমের জন্য সুপ্রিম কোর্ট তাকে কখনো ভর্ৎসনা করেনি। একই সঙ্গে রামদেবকে তার চরিত্র নিয়ে জ্ঞান না দেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। কঙ্গনার ভাষায়, আপনার চেয়ে তো আমার চরিত্র অনেক ভালো। এখানে কোনো প্রতারণা ধরা পড়েনি।

মূলত, কঙ্গনার ‘জেন-জি’ মন্তব্য নিয়েই বিতর্কের সূত্রপাত। এ বিষয়ে রামদেব বলেন, কোনো দেশের তরুণ প্রজন্মকে ‘গাটার’ বলা ঠিক নয়। কঙ্গনার রাজনৈতিক দল বিজেপির সদস্যদেরও বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সাক্ষাৎকারে কঙ্গনার যোগাভ্যাসের প্রতি আগ্রহ এবং নিজেকে সনাতনী হিসেবে পরিচয় দেওয়ার বিষয়টিও রামদেবকে মনে করিয়ে দেওয়া হয়। জবাবে তিনি বলেন, কেউ তার যোগের প্রশংসা করলেই তার পাপকাজ ঢেকে রাখবেন না।

আরও পড়ুন

এদিকে রাজনীতির পাশাপাশি অভিনয়েও ব্যস্ত সময় পার করছেন কঙ্গনা। তার সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘ভারত ভাগ্য বিধাতা’। ২০০৮ সালের মুম্বাই হামলার সময় কামা হাসপাতালের সাহসী নার্স ও কর্মীদের ভূমিকা নিয়ে নির্মিত হয়েছে সিনেমাটি। এতে ৪০০ মানুষের জীবন রক্ষার গল্প তুলে ধরা হয়েছে। জি-ফাইভে মুক্তি পেয়েছে ছবিটি। এছাড়া আরও দুটি সিনেমার কাজও রয়েছে কঙ্গনার হাতে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আরটিভিতে আজ যা দেখবেন 
সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩। একনজরে জেনে নিন আরটিভির আজকের আয়োজন—
আরটিভিতে আজ যা দেখবেন 
স্তন ক্যানসার ধরা পড়ার পর ‘১৫ মিনিটে’ বিয়ে করেন হিনা খান
দীর্ঘ ১৩-১৪ বছরের প্রেমের সম্পর্ক থাকলেও আগে থেকে বিয়ের কোনো পরিকল্পনা ছিল না অভিনেত্রী হিনা খানের। কিন্তু স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার পর জীবনের অনিশ্চয়তা থেকেই হঠাৎ এই সিদ্ধান্ত নেন তিনি, যাতে সম্মতি দেন প্রেমিক রকি জয়সওয়ালও। শেষ পর্যন্ত ১৫ মিনিটেরও কম সময়ে সম্পন্ন হয় তাদের বিয়ে। সম্প্রতি টেনিস তারকা সানিয়া মির্জার নতুন অনুষ্ঠানে নিজের বিয়ের গল্প শুনিয়েছেন হিনা। ২০২৫ সালের ৪ জুন মুম্বাইয়ে নিজেদের বাড়ির ছাদে ঘরোয়া আয়োজনে বিয়ে করেন এই জুটি। তখন তৃতীয় পর্যায়ের স্তন ক্যানসারের চিকিৎসা চলছিল অভিনেত্রীর। বিয়ে বিষয়ে হিনা বলেন, এটি ছিল একেবারেই হঠাৎ নেওয়া সিদ্ধান্ত। আমরা বিষয়টি পরিকল্পনা করিনি। আমার মনে হয় না, আমরা বিয়ের জন্য প্রস্তুত ছিলাম। আমরা অনেক দিন ধরে একসঙ্গে আছি, ১০ বছরেরও বেশি। এখন মনে হয় ১৩-১৪ বছর হয়ে গেছে। বিয়ের সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, শারীরিকভাবে আমি যে পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলাম, তখন তাকে বলেছিলাম, হয় তুমি জীবনে এগিয়ে যাও, নিজের পছন্দমতো কাউকে বিয়ে করো, নয়তো আমাকে বিয়ে করো। কারণ আগামীকাল কী হবে, তা আমি জানি না। অনুষ্ঠানে সানিয়া মির্জা জানতে চান, তাদের বিয়ে কি সত্যিই মাত্র ১৫ মিনিটে সম্পন্ন হয়েছিল? উত্তরে হিনা বলেন, আসলে তারও কম সময়ে। হিনা জানান, শারীরিক অসুস্থতা ও ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তাই তাকে দ্রুত বিয়ের সিদ্ধান্ত নিতে উৎসাহিত করেছিল। তার ভাষায়, আমি জানি না কী হতে যাচ্ছে। সত্যি বলতে, এই অনিশ্চয়তা সবার জীবনেই আছে। তাই আমি বলেছিলাম, চলো বিয়েটা করে ফেলি। সে বলেছিল, ঠিক আছে। তার কখনো কোনো আপত্তি ছিল না। ‘ইয়ে রিশতা কেয়া কেহলাতা হ্যায়’ ধারাবাহিকের সেটে প্রথম পরিচয় হয় হিনা খান ও রকি জয়সওয়ালের। ধারাবাহিকে অক্ষরার চরিত্রে অভিনয় করতেন হিনা। অন্যদিকে রকি যুক্ত ছিলেন প্রযোজনা বিভাগের সঙ্গে। কাজের সূত্রে পরিচয় থেকে বন্ধুত্ব, পরে সেই সম্পর্ক প্রেমে রূপ নেয়। ২০১৭ সালে নিজেদের সম্পর্কের কথা প্রকাশ্যে আনেন তারা। এরপর থেকে স্তন ক্যানসারের সঙ্গে হিনার লড়াইসহ নানা সময়ে একে অপরের পাশে থেকেছেন এই জুটি। দীর্ঘ ১৩ বছরের বেশি সময় প্রেমের সম্পর্কে থাকার পর ২০২৫ সালের জুনে বিয়ে করেন তারা। বিয়ের ছবি প্রকাশ করে ইনস্টাগ্রামে হিনা লিখেছিলেন, দুটি ভিন্ন জগৎ থেকে এসে আমরা ভালোবাসার একটি নিজস্ব পৃথিবী গড়ে তুলেছি।  আমাদের ভিন্নতাগুলো মুছে গেছে, হৃদয় এক হয়েছে। এমন এক বন্ধন তৈরি হয়েছে, যা বহু জীবন ধরে টিকে থাকবে। আজ ভালোবাসা ও আইনের বন্ধনে আমাদের মিলন চিরস্থায়ী হলো। স্বামী-স্ত্রী হিসেবে আপনাদের আশীর্বাদ ও শুভকামনা চাই। আরটিভি/এসআর
স্তন ক্যানসার ধরা পড়ার পর ‘১৫ মিনিটে’ বিয়ে করেন হিনা খান
আরটিভিতে আজ যা দেখবেন 
রোববার, ১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩। একনজরে জেনে নিন আরটিভির আজকের আয়োজন—
আরটিভিতে আজ যা দেখবেন 
গায়ক অন্তুর বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের প্রমাণ পায়নি পুলিশ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী ও গায়ক আবু জাহিদ ওরফে অন্তুর বিরুদ্ধে ইডেন মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী ও মডেল জান্নাতুন তাজরি অরাকে শ্লীলতাহানি ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগের প্রমাণ পায়নি পুলিশ।  প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা ও বিয়ের চাপ সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই এই সাজানো মামলা দায়ের করা হয়েছিল বলে পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে। সম্প্রতি, আবু জাহিদ অন্তুকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে পুলিশ।  এদিকে, মিথ্যা মামলা দায়ের করায় জান্নাতুন তাজরি অরার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থার জন্য আদালতের কাছে আবেদন জানিয়েছে তদন্ত কর্মকর্তা। মামলার নথি অনুযায়ী, আবু জাহিদ ওরফে অন্তু পেশায় একজন গায়ক, মডেল ও গিটার প্রশিক্ষক। বাদী জান্নাতুন তাজরি অরা ইডেন মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী। ২০২৫ সালে টিএসসিতে গিটার শেখার সূত্রে তাদের পরিচয়। একপর্যায়ে উভয়ের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরবর্তীতে তাদের বিচ্ছেদ হয়।  এজাহারে অভিযোগ করা হয়, গত ২ মে বিকেলে পণ্যের ফটোশুটের কথা বলে গুলশানের একটি ফ্ল্যাটে ডেকে নিয়ে তাকে যৌন নিপীড়ন ও শারীরিকভাবে আঘাত করা হয়। পরে ৩১ মে জান্নাতুন তাজরি অরা বাদী হয়ে গুলশান থানায় ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০’-এর ১০ ধারায় (যৌন পীড়ন) একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত করেন গুলশান থানার সাব-ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) কে. এম. রাশিদুর রহমান। তদন্তে উঠে এসেছে, জান্নাতুন তাজরি অরা জাহিদ অন্তুকে প্রেমের প্রস্তাব দিলে তিনি রাজি হননি। এরপর দুজনের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। পরে হঠাৎ একদিন অন্তুর গুলশানের বাসার স্টুডিওতে পণ্যের ফটোশুটের প্রস্তাব দিলে অরা রাজি হন। ২ মে সকালে সেখানে গিয়ে অন্তুকে পাননি তিনি। একই দিন বিকেলে দুজনের দেখা হয়।  পরে বাসার অফিসরুমে গিয়ে বসেন তারা। কিছুক্ষণ পর মোবাইল ফোন চার্জে রেখে বাসার নিচে যান অন্তু। এ সময় অন্তুর ফোনে কল এলে অরা ফোন রিসিভ করে নিজেকে তার স্ত্রী বলে দাবি করেন। বিষয়টি জানতে পেরে কেন এমন মিথ্যাচার করেছেন, তা অরার কাছে জানতে চান অন্তু। ঘটনাস্থলে মামলার সাক্ষীরাও উপস্থিত ছিলেন। এ ঘটনায় জান্নাতুন তাজরি অরা চরম লজ্জিত ও অপমানিত বোধ করেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এই ঘটনার জের ধরেই অন্তুর বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি ও নির্যাতনের অভিযোগ এনে মামলা করা হয়। তদন্তকালে বাদী জান্নাতুন অরা কোনো সাক্ষ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি বলেও চূড়ান্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বিবাদী ও বাদীর মোবাইল ফোনের কল ডিটেইলস রেকর্ড (সিডিআর), ভবনের সিসিটিভি ফুটেজ এবং নিরপেক্ষ সাক্ষীদের বক্তব্য সংগ্রহ করে পুলিশ। কিন্তু অভিযোগের পক্ষে কোনো সাক্ষ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে বাদীর শারীরিক পরীক্ষা করানো হলে চিকিৎসকের প্রতিবেদনে কোনো আঘাত বা নিপীড়নের আলামত পাওয়া যায়নি বলে চূড়ান্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। অভিযুক্তকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা ও বিয়ের চাপ সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই এই সাজানো মামলা দায়ের করা হয়েছিল বলে উল্লেখ করা হয় চূড়ান্ত প্রতিবেদনে। গত ৩১ জুলাই পুলিশ আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে আবু জাহিদ অন্তুকে মামলার দায় থেকে অব্যাহতির আবেদন জানায়। একই সঙ্গে মিথ্যা মামলা দায়েরের অপরাধে বাদী জান্নাতুন তাজরি অরার বিরুদ্ধে ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০’-এর ১৭ ধারায় প্রসিকিউশন দাখিলের জন্য বিজ্ঞ আদালতের অনুমতি প্রার্থনা করেছে পুলিশ। এ বিষয়ে জাহিদ অন্তু জানান, মিথ্যা মামলার কারণে সামাজিকভাবে তার সম্মানের ক্ষতি হয়েছে। পাশাপাশি ব্যবসায়িকভাবেও চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তিনি। এখন তদন্তের মাধ্যমে প্রমাণ হচ্ছে যে তিনি নির্দোষ। কিন্তু তাঁর যে ক্ষতিটা হয়ে গেল, কোনো কিছু ভালোভাবে যাচাই-বাছাই না করেই তাকে যেভাবে গ্রেফতার করা হলো, সেই ক্ষতির দায় কে নেবে? তদন্ত কর্মকর্তা কে. এম. রাশিদুর রহমান বলেন, তিনি তদন্ত করে অভিযোগের বিষয়ে কোনো প্রমাণ পাননি। চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছেন, এখন পরবর্তী সিদ্ধান্ত আদালতের। আরটিভি নিউজ/এসআর  
গায়ক অন্তুর বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের প্রমাণ পায়নি পুলিশ
ব্রেন টিউমার জয় করে ৯ মাস পর শুটিংয়ে ফিরলেন তানিয়া বৃষ্টি
দীর্ঘ অসুস্থতা ও কঠিন চিকিৎসা প্রক্রিয়া পেরিয়ে আবারও অভিনয়ে ফিরেছেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি। ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত হয়ে প্রায় ৯ মাস শুটিং থেকে দূরে থাকার পর সম্প্রতি ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছেন তিনি। তার এই প্রত্যাবর্তনে স্বস্তি ফিরেছে ভক্ত ও সহকর্মীদের মধ্যে।
ব্রেন টিউমার জয় করে ৯ মাস পর শুটিংয়ে ফিরলেন তানিয়া বৃষ্টি