ঢাকা শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩

সানজারী দেশের নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ: মিলা

বিনোদন ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন

প্রকাশ : ০৫ মে ২০১৯, ১০:০১ পিএম

জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী মিলা ২০১৭ সালের মে মাসে পারিবারিকভাবে বৈমানিক পারভেজ সানজারির সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের পর গানে হয়ে পড়েন অনিয়মিত। জড়িয়ে যান সংসার জীবনে। কিন্তু সেই সংসারে অশান্তির আগুনে জ্বলেছেন তিনি। সম্প্রতি স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির অমানবিক নির্যাতনের কারণে ন্যায়বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলনও করেন এই কণ্ঠশিল্পী। এছাড়া কদিন ধরেই স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির নানা নির্যাতন নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন তিনি। ৪ মে তিনি আরও একটি স্ট্যাটাস দেন। স্ট্যাটাসটি আরটিভি অনলাইনের পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো।

‘বাংলাদেশের প্রিন্ট ও ইলেকট্রোনিক মিডিয়া’র সন্মানিত সদস্যবৃন্দ, সঙ্গীতাঙ্গনের সদস্য, সঙ্গীতপ্রেমী বন্ধুদের উদ্দেশ্যে আমার কিছু কথা

একজন ব্যক্তি যখন নিজেকে আইনের ঊর্ধ্বে ভেবে সীমাহীন বেপরোয়া হয়ে ওঠে, যখন তাকেই অনৈতিকভাবে আশকারা দিতে থাকে কিছু মহল, তখন নিশ্চয়ই বিবেকবান যে কেউ প্রতিবাদী হবেই। প্রতিটি সমাজেই একটি নির্দিষ্ট নিয়মনীতি আছে। আধুনিকতা মানুষকে শুধু অগ্রসরমান হতেই শেখায় না, আধুনিকতা মানুষকে শিষ্টাচার হতেও সাহায্য করে। ইংরেজিতে ‘ফ্যামিলি ভেল্যুজ’ বলে একটা শব্দ আছে যার বাংলা অর্থ দাঁড়ায় পারিবারিক মূল্যবোধ। আমাদের সমাজে পারিবারিক মূল্যবোধ বিরাজমান বলেই আমরা একটি নির্দিষ্ট প্রথার ভেতর বসবাস করি। আর একারণেই সমাজ অজস্র মন্দ বিষয় থেকে মুক্ত থাকে।

প্রতিটি বিবাহিত দম্পতির ক্ষেত্রে একে-অপরের প্রতি বিশ্বস্ত হওয়া একান্তই আবশ্যক। এটা না থাকলে পারিবারিক মূল্যবোধ ভেঙে পড়বে। ধ্বংস হয়ে যাবে সমাজ। আর এর ফলে আক্রান্ত হবে গোটা রাষ্ট্র ব্যবস্থা। বিয়ে মানেই হচ্ছে একটি এমন অঙ্গীকার যা আজীবন স্বামী-স্ত্রী রক্ষা করেন, যেকোনো কিছুর বিনিময়ে। আমাদের মতো পুরুষ শাসিত সমাজে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে দাম্পত্য বোঝাপড়া এবং সুখ বজায় রাখার ক্ষেত্রে পুরুষ বা স্বামীর ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। কোনো কারণে যদি ওই স্বামীই হয়ে ওঠে দূরাচারী, সে যদি নিজের স্ত্রীর মর্যাদাকে তুচ্ছজ্ঞান করে ক্রমাগতভাবে প্রিয়তমা স্ত্রীকেই প্রবঞ্চিত করতে থাকে; যদি স্ত্রীর অজ্ঞাতে জড়াতে থাকে একের-পর-এক পরকীয়ায়, তাহলে ওই দম্পতির, বিশেষ করে স্ত্রীর মানসিক অবস্থাটা কেমন হয়, সেটা আপনারা সবাই জানেন ও বোঝেন। আমাদের এই দেশে প্রতিনিয়ত স্বামীদের এ ধরনের অন্যায় আচরণের শিকার হচ্ছেন নারীরা। এসিডে ঝলসে দেয়া হচ্ছে প্রবঞ্চিতা স্ত্রীদের– নারীদের। সভ্যতার এই সময়ে এসে এমন জঘন্য পরিস্থিতির কষ্ট শুধু ভুক্তভোগীরাই উপলব্ধি করতে সক্ষম হবেন।

আপনারা জানেন, আমি এসএম পারভেজ সানজারী ওরফে লেলিনকে ২০১৭ সালে বিয়ে করি। কিন্তু আমি হতবাক হয়ে লক্ষ্য করি, সানজারী বিয়ের পর থেকেই কেমন যেন অচেনা আচরণ করতে থাকে। সে প্রায়ই বিভিন্ন লোকের সাথে লুকিয়ে-লুকিয়ে ফোনে কথা বলতো। আমি জানতে চাইলে সে শুধু মারমুখীই হতো না বরং নিয়মিতভাবেই আমার ওপর চালাতো অবর্ণনীয় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন।

সানজারী বাংলাদেশ বিমান বাহিনী থেকে স্বেচ্ছায় অবসর নেয়ার পর ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স নামের একটি বেসরকারি বিমান সংস্থায় পাইলট হিসেবে কর্মরত আছে। এই সুযোগে সে নিয়মিতভাবেই এয়ারলাইন্সের নারী স্টাফ এমনকি বিমানবালাদের শয্যাসঙ্গিনী হতে বাধ্য করতো কিংবা ওদের সাথে প্রেমের ভান করে শয্যাসঙ্গিনী করতো, যা এখনও থেমে যায়নি। সানজারীর নষ্ট লালসা থেকে ইউএস বাংলা’র কোনও নারী সদস্যই রেহাই পাননি। আমার কাছেই এধরনের অজস্র প্রমাণ আছে, যা প্রবঞ্চিত-প্রতারিতরাই বিভিন্ন সময়ে পাঠিয়েছেন।

এখানেই শেষ নয়। সানজারী মিডিয়ার অনেক অভিনেত্রী ও কণ্ঠশিল্পীদেরও মিথ্যে প্রেমের ফাঁদে ফেলে নষ্ট করেছে, এখনও করছে। আবার এমন কিছু বিতর্কিত অভিনেত্রীও আছে, যারা টাকা কিংবা অন্য কিছুর লোভে ইচ্ছে করেই সানজারী’র সাথে সম্পর্ক গড়েছে, দৈহিক মেলামেশাও করেছে, এখনও করছে। আমি জানি না, ওইসব অভিনেত্রীদের স্বামীরা ঠিক কোন পর্যায়ের নির্লজ্জ– নাকি ওনারা অসহায় সেটাও জানি না। তা না হলে, নিজের স্ত্রীকে অন্য পুরুষের সাথে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ার কথা এমনকি ওই পুরুষের শয্যাসঙ্গিনী হওয়ার ঘটনা জানার পরও ওরা কেন নিশ্চুপ আছেন আমি বুঝি না। কখনও-কখনও আমার এমনটাও সন্দেহ হয়, ওইসব স্বামী নামধারী কুলাঙ্গারগুলো হয়তো ওদের অভিনেত্রী স্ত্রীদের বাণিজ্যিক পণ্য হিসেবেই ব্যবহার করছেন। হয়তো আমার অনুমান ভুল নয়।

সানজারীর সব অপকর্ম, এমনকি দেশের নিরাপত্তার জন্যে হুমকিস্বরূপ নানা কার্যকলাপ ফাঁস হয়ে যাওয়ার ভয়ে সে আমার সম্পর্কে নানা বানোয়াট কথাবার্তা বলে মিডিয়াকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা করছে। সে বলে বেড়াচ্ছে আমি নাকি তাকে তার বাবা-মাকে ত্যাগ করার শর্ত দিয়েছি। কি জঘন্য মিথ্যাচার! আমার কাছে প্রমাণ আছে সানজারীর মায়ের সাথে আমার খুব ভালো সম্পর্ক ছিল এবং তিনি বহুবার আমায় বলেছেন ওনার ছেলে নষ্ট হয়ে গেছে। কোনও পর্যায়ে গেলে একজন মা তার নিজের সন্তান সম্পর্কে এমন কথা বলতে বাধ্য হন, সেটা বিবেচনার ভার আপনাদের হাতেই ছেড়ে দিচ্ছি।

সানজারী আমার ও আমার পরিবারের সদস্যদের সম্পর্কে ক্রমাগত কুৎসা রটাচ্ছে এবং আমার পরিবারের ভাবমূর্তি নষ্টের অপচেষ্টা চালাচ্ছে; যা দেশের প্রচলিত আইনেই শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আমি বিশ্বাস করি দেশের বিবেক সম্পন্ন সাংবাদিক বন্ধুরা এসব মিথ্যাচারে কান দেবেন না।

এসএম পারভেজ সানজারী ওরফে লেলিন-এর অর্থ লিপ্সা সম্পর্কে আমি আগেই বলেছি। তার নৈতিক চরিত্র সম্পর্কেও অনেক কথাই আগে বলেছি। যদিও আমার কাছে বলার মতো আরও অজস্র প্রমাণ আছে। কিন্তু এই মুহূর্তে আমি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়ের প্রতি আপনাদের সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাচ্ছি। একজন ক্যাপ্টেন ও বিমান বাহিনীর সাবেক অফিসার হওয়ার সুবাদে সানজারীর বিমানবন্দরের অতি স্পর্শকাতর এলাকাসহ সেনানিবাস এলাকায় অবাধ বিচরণ আছে। সে কিছু সেনা অফিসারের স্ত্রীর সাথেও অনৈতিক কার্যকলাপ করেছে বলে ভুক্তভোগীদের কেউ কেউ আমাকে জানিয়েছেন। এমন একজন ব্যক্তি কেবলমাত্র সেনানিবাসগুলোয় বসবাসরত পরিবারগুলোর জন্যেই ক্ষতিকর নয় বরং এমন অর্থলোভী নৈতিকতা বিবর্জিত ব্যক্তিকে দিয়ে যেকোনো ধরনের ভয়ঙ্কর কাজ করানোও অসম্ভব নয়। সে এমনকি রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তাসহ খোদ ভিভিআইপিদের জন্যেও যেকোনো সময় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। এ বিষয়টি এরই মাঝে আমি সংশ্লিষ্টদের অবগত করেছি। এখন এটা আর কেবলমাত্র আমার ব্যক্তিগত ইস্যু নয়– বরং নিঃসন্দেহে এটি এখন জাতীয় নিরাপত্তার সাথে সম্পৃক্ত বিষয়।

আমার নিজের জীবনের ওপর হুমকি আছে। সানজারী নিজেই মোবাইল ফোনে ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়ে আমায় হুঁশিয়ার করেছে সে তার নিজের অস্ত্র দিয়ে যখন-তখন আমায় হত্যা করবে। একথাটা সে আমার সাবেক সেনা অফিসার বাবাকেও জানাতে দ্বিধা করেনি।

এতো কিছুর পরও আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, অন্যায় হুমকির কাছে মাথা নত করবো না। যে কোনও পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্যে আমি সম্পূর্ণ প্রস্তুত। পাশাপাশি আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আবারও সঙ্গীতের প্রতি মনোযোগী হবো। খুব শিগগিরই আপনারা আপনাদের প্রিয় মিলা’র নতুন গান শুনবেন। আমার পথচলায় আমি ঠিক যেভাবে আপনাদের সহযোগিতা এবং ভালোবাসা পেয়েছি, তা আগামীদিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে, এটা আমার দৃঢ় বিশ্বাস। আপনারা সবাই ভালো থাকবেন। আমার ও আমার পরিবারের জন্যে দোয়া করবেন। আপনাদের সবার প্রতি পবিত্র রমজানের আগাম শুভেচ্ছে।’

এম/পি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ইউটিউব ক্রিয়েটর হিসেবে আরটিভির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হলেন ওয়াসিম সিতার
ছোট পর্দার পরিচালক ও অভিনেতা  ওয়াসিম সিতার ইউটিউব ক্রিয়েটর হিসেবে আরটিভির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার বিকেলে ওয়াসিমের সঙ্গে আরটিভির পক্ষ থেকে চুক্তিপত্র করেন চ্যানেলটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আশিক রহমান। রাজধানীর কারওয়ান বাজারে আরটিভির প্রধান কার্যালয়ে চুক্তিপত্র স্বাক্ষরের সময় উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠান বিভাগের প্রধান দেওয়ান শামসুর রকিব ও অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।  এ ব্যাপারে ওয়াসিম সিতার আরটিভি অনলাইনকে বলেন, আমার চ্যানেল 'ককটেল এন্টারটেইনমেন্ট' ইউটিউব চ্যানেলটি আরটিভি ডিজিটালের তত্ত্বাবধানে থাকবে। ইতোমধ্যে এর মাধ্যমে আমি বেশকিছু কন্টেন্ট দর্শকদের উপহার দিয়েছি। এখন থেকে নিয়মিত দর্শকদের ওয়েবসিরিজ ও শটফিল্ম উপহার দেব। এছাড়া তরুণদের নিয়েও কাজ করব। বিশেষ করে যারা মেধাবী শিল্পী কিন্তু কোনো প্লাটফর্ম খুঁজে পাচ্ছেন না তাদের সুযোগ দেব। আমার পক্ষ থেকে জুনাইদ ইরফান তত্ত্বাবধানে থাকবেন।  ধন্যবাদ আরটিভিকে আমাকে সুযোগ দেওয়ার জন্য। ওয়াসিম সিতার বেশকিছু টেলিভিশন নাটক পরিচালনা করেছেন। তার উল্লেখযোগ্য নাটকের মধ্যে আছে সেলফিবাজ, দ্য ডেসটিনেশন ওয়েডিং, রোলিং ইন দ্য ডে, আনমেরিড, আই অ্যাম স্যরি ইত্যাদি। অভিনয়েও বেশ পাকাপোক্ত অবস্থান তার। সবশেষ বাংলা চলচ্চিত্র 'ন ডড়াই'তে লিয়াকত চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মন জয় করেছেন। জিএ 
ইউটিউব ক্রিয়েটর হিসেবে আরটিভির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হলেন ওয়াসিম সিতার
নতুন বছর নিয়ে কী ভাবছেন তারকারা
রাত পোহালেই নতুন বছরের আগমন। বিদায় ২০১৯। স্বাগত ২০২০ সাল। পুরোনো বছরকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছর নিয়ে কী ভাবছেন তারকা। ভক্তদের এ নিয়ে জানার কৌতূহল তো থেকেই যায়। আরটিভি অনলাইন পাঠকদের জন্য তেমনি কয়েকজন জনপ্রিয় তারকার পরিকল্পনার কথা জানাচ্ছে। চলুন পাঠক জেনে নেয়া যাক আপনার প্রিয় তারকার ভাবনা।        আব্দুন নূর সজল গেল বছর কম কাজ করেছি। সব পছন্দনীয় কাজ ছিল। ১২ বছর পর মিউজিক ভিডিওতে কাজ করেছি। এটা ভালো লাগার। বঙ্গবন্ধু বিপিএল টুর্নামেন্টকে ঘিরে ঢাকা প্লাটুনের থিম সং করেছি। এছাড়া জীন মুভিতে কাজ করেছি। ফেব্রুয়ারির কোনও এক সময় মুক্তি পাবে ছবিটি। বছরের শেষে বিগ বাজেটের একটা ওয়েব সিরিজে কাজ করেছি। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বেশ ভালো ছিলাম।  ভক্তদের জন্য বলবো নতুন বছরে কম কাজ করব। বাছাই করে কাজ করব। আসলে বছরের সংখ্যাটা বড় কথা না কাজ, চিন্তাভাবনাটাই আসল।   ব্যক্তিগত জীবন ও বিয়ে নিয়ে তিনি বলেন, জীবনের সঙ্গে এখনও কেউ জড়ায়নি। হুট করে কিছু করব না। কিছু ঘটলে সবাইকে জানিয়ে ঘটাবো। সাদিকা পারভিন পপি গতকাল ফিল্ম ক্লাবের নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছি। ৩৯০ ভোটের মধ্যে প্রায় ৩৫০ পেয়েছি। গেল বছর ফিল্ম-অভিনয় নিয়ে ভালোই কেটেছে। নতুন বছরের ভাবনা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিকে নিয়ে। হলের সংখ্যা কমে গেছে। এছাড়া অনেক ছবি চলছে না কোন্দল ও নোংরা পলিটিক্সের কারণে। গণ্ডগোল না করে চলচ্চিত্র কীভাবে বাঁচবে এদিকে সবাই খেয়াল করব। কাজ নিয়ে তিনি বলেন, ভালো কাজ আসবে, ভালো কাজ করব। আমি আমার ক্যারিয়ারে কম টাকার কাজ ও নিম্ন কাজ করিনি। আশা করি সুস্থ ও সুন্দর বছর পার করব।   সাজু খাদেম গত বছর ২০১৯ সালের মতো কাটল, নতুন বছর ২০২০ সালের মতো কাটবে। ২০১৯ সালে অনেক কাজ করেছি। ২০২০ সালে কিছু চমক নিয়ে আসব। ভক্তদের অপেক্ষা করতে বলবো। আসলে বছর কাউন্ট করে তো কিছু হয় না। আমার মনে হয় প্রতিটা দিন মুহূর্ত গুরুত্বপূর্ণ সেটা যদি আমি কাজে লাগাতে পারি তাহলে দর্শকরা আমাকে আরও ভালোবাসবেন। আর দর্শকরা সময়টা কাজে লাগালে জীবন সমৃদ্ধির দিকে যাবে। সাঈদ বাবু ২০১৯ সালে আমার জন্য সুখের ছিল। নাটক করেছি বেশ কিছু।  ‘ন ডরাই’ সিনেমা ছিল আমার চমক। এই সিনেমায় অনেক পরিশ্রম করেছি। ২০২০ সালে আরও ভালো কাজ উপহার দেবো। ইতোমধ্যে কয়েকটা সিনেমার প্রস্তাব পেয়েছি। সপ্তাহ খানেকের মধ্যে বসবো। তারপর ফলাফল জানাবো। আশা করছি ভক্তরা সুখবর পাবেন। জিএ/এম   
নতুন বছর নিয়ে কী ভাবছেন তারকারা
সৃজিতকে বিয়ের কারণ জানালেন মিথিলা
২০১৯ সালের সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা কলকাতার সৃজিত ও ঢাকার মিথিলার বিয়ে। তাদের বিয়ে নিয়ে গণমাধ্যমে তুমুল আলোচনা হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়াও সরব ছিল। বিয়ের পর সুইজারল্যান্ডে হানিমুন সেরেছেন তারা। এবার সৃজিতকে বিয়ের দুটি কারণ জানালেন মিথিলা। ইনস্টাগ্রামে দুজনের ছবি পোস্ট করে এই এক হওয়া প্রসঙ্গে মিথিলা লিখেছেন, প্রথম কারণ আমরা দুজনই একই রকম পাগলাটে। দ্বিতীয় কারণ হিসেবে লেখেন, আমরা অলস হয়েও সব সময় ব্যস্ত। গেল ৬ ডিসেম্বর কলকাতায় রেজিস্ট্রি বিয়ে করেন সৃজিত-মিথিলা। তাদের পরিচয় গায়ক অর্ণবের একটি মিউজিক ভিডিওতে কাজের মাধ্যমে। সেখানে থেকেই বন্ধুত্ব তারপর প্রেম।   এম
সৃজিতকে বিয়ের কারণ জানালেন মিথিলা
নতুন ছবি ‘সিগন্যাল’
নতুন ছবি ‘সিগন্যাল’র মহরত অনুষ্ঠিত হলো। ৩০ ডিসেম্বর এফডিসির জহির রায়হান কালার ল্যাবে সায়মন তারিক পরিচালিত ছবিটির ঘোষণা দেয়া হয়। এতে প্রথমবারের মতো জুটি বাঁধলেন চিত্রনায়িকা তানিন সুবাহ ও চিত্রনায়ক আসিফ ইমরোজ। মহরতে উপস্থিত ছিলেন- পরিচালক সমিতির মহাসচিব বদিউল আলম খোকন, নির্মাতা মুশফিকুর রহমান, নির্মাতা ছটকু আহমেদ, হেলেনা জাহাঙ্গীর, বড় দা মিঠু, তারিক আনাম খান, গাজী মাজারুল ইসলাম, মুনিরা মিঠুসহ চলচ্চিত্রের অনেকেই। এ সময় গুনী নির্মাতা ছটকু আহমেদ বলেন, আমাদের চলচ্চিত্র এখন একটা খারাপ সময় যাচ্ছে। তবে আমার বিশ্বাস আমরা সবাই মিলে কাজ করলে আবার চলচ্চিত্র ঘুরে দাঁড়াবে। তানিন সুবহা বলেন, চমৎকার একটি গল্প নিয়ে ছবিটি নির্মিত হতে যাচ্ছে। এমন চরিত্রে প্রথম অভিনয় করব। আমার জন্য একটু কষ্টের হবে। তবুও গল্পের প্রয়োজনে এটা আমি করব। নতুন বছরের শুরুতে অর্থাৎ জানুয়ারি মাসে ছবিটির শুটিং শুরু হবে জানান পরিচালক। এম
নতুন ছবি ‘সিগন্যাল’
কাজলের মন ভেঙেছে
বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কাজল। নতুন ছবি তানাজি নিয়ে আসছে ১০ জানুয়ারি দর্শকের সামনে হাজির হচ্ছেন তিনি। সঙ্গে আছেন স্বামী অজয় দেবগণ ও সাইফ আলী খান। এরই মধ্যে মন ভেঙেছে কাজলের। কারণ হিসেবে সাইফকেই দায়ী করলেন তিনি। ধোকাবাজ বলে বসলেন কাজল। টুইটারে যত রাগ প্রকাশ করলেন। কাজল লিখেছেন, তুমি আমার সঙ্গে 'ওমকারা'র সময়ও ধোকাবাজি করেছিলে। আবার করলে। আশা করবো তুমি আমার এই পোস্ট সুইজারল্যান্ড থেকে পড়বে। ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, সাইফের ছবির প্রোমোশনে না আসাই কাজলের রাগের কারণ। ছবির প্রোমোশন না করে সাইফ গিয়েছেন সুইজারল্যান্ডে তৈমুর ও কারিনার সঙ্গে ছুটি কাটাতে। মাথা গরমের কারণেই নাকি কাজল এমন পোস্ট করেছেন। বিষয়টি বন্ধুত্বেরও। তা নিমিষেই ঠিক হয়ে যাবে। তানাজি ছবিতে মারাটা যোদ্ধা হয়েছেন অজয়। কাজল তার স্ত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করছেন। আর ভিলেনের চরিত্রে দেখা যাবে সাইফকে। এম
কাজলের মন ভেঙেছে
আরও পড়ুন
ইউটিউব ক্রিয়েটর হিসেবে আরটিভির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হলেন মালা
সবশেষ কবে গোসল করেছি মনে নেই: লেডি গাগা
রোববারের খেলার আয়োজনে যা থাকছে
মিলানে সাংবাদিক রিমন ও দুলালকে ফুলেল শুভেচ্ছা