ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

মৌসুমীরা হারে শেষ হয়ে যায় না

সজল অনিরুদ্ধ, আরটিভি অনলাইন

প্রকাশ : ২৬ অক্টোবর ২০১৯, ০৬:৩০ পিএম
নির্বাচনের রাতে ভোট গণনা পর্যবেক্ষণ করছেন মৌসুমী

মৌসুমীরা হারে কিন্তু শেষ হয়ে যায় না। কেন শেষ হয়ে যায় না? কারণ মৌসুমীর মতো দৃঢ়প্রত্যয়ী মানুষেরা স্রোতের প্রতিকূলে লড়াই করে হেরে গেলেও অনাগত ভবিষ্যতের জন্য পদচিহ্ন রেখে যায়।

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে প্রায় শতাধিক ভোটের ব্যবধানে খল অভিনেতা মিশা সওদাগরের কাছে হেরে গেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মৌসুমী। পরিসংখ্যান হয়তো চিরদিন একথাই বলবে। কিন্তু ভবিষ্যৎ প্রজন্ম হয়তো কোনোদিন জানবে না এই ছোট্ট নির্বাচনটিতে কতোটা স্রোতের প্রতিকূলে সাঁতার কাটতে হয়েছিল মৌসুমীকে। এজন্য একটু ফ্লাসব্যাক করতেই হচ্ছে।

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই শোনা গিয়েছিল বিশাল এক তারকাসমৃদ্ধ প্যানেল নিয়ে দাঁড়াবেন প্রিয়দর্শীনি এই নায়িকা। কিন্তু মনোনয়ন জমা দেয়ার আগের দিন থেকেই কোনও এক অদৃশ্য কারণে অন্য প্রার্থীরা সরে দাঁড়ান। যে কারণে গেল তিন অক্টোবর শুধুমাত্র স্বামী ওমর সানীকে নিয়েই বিএফডিসির নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ে গিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিতে হয় মৌসুমীকে।

---------------------------------------------------------------
আরো পড়ুন: চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে জয়-পরাজয়ের ফ্যাক্টর
---------------------------------------------------------------

মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে এসে অনেকটা হতাশা নিয়েই মৌসুমী সাংবাদিকদের বলেন, ‘যারা আমাকে সভাপতি করে প্যানেল তৈরিতে পরামর্শ, সাহস দিয়েছিলেন তারা সরে গেছেন। নির্বাচনে আমার সঙ্গে কেউ নেই।’

শুধু অন্যদেরকেই নয়, মৌসুমীকেও বড় বড় জায়গা থেকে সরে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। কিন্তু অসহায় শিল্পীদের ভোটাধিকার কেড়ে নেয়ার প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে মৌসুমী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন। শুরু হয় মৌসুমীর একা একা নির্বাচনী পথচলা।

তবে সময় যতো গড়িয়েছে, একা মৌসুমীকেই ভয় পেতে শুরু করেছে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা। গেল ১৪ অক্টোবর প্রিয় এফডিসিতেই লাঞ্চনার শিকার হন তিনি। জানা যায়, সেদিন নির্বাচনী প্রচারণার জন্য তিনি এফডিসিতে গেলে মিশা-জায়েদ প্যানেলের সমর্থক বলে পরিচিত ড্যানি রাজ তাকে অপমান করেন। এতে হতবাক মৌসুমী ঘটনাস্থলেই কেঁদে ফেলেন। পরে অবশ্য ড্যানি রাজ তার কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা চান।

তবে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা ও বিনোদন সাংবাদিকদের মাধ্যমে আভাস পাওয়া যাচ্ছিল, ২৫ অক্টোবরের নির্বাচনে একছত্র আধিপত্য নিয়েই জয়লাভ করবে মিশা-জায়েদ প্যানেল। এর কারণ হিসেবে বিগত কমিটির পক্ষে-বিপক্ষে দুই ধরনের কথাই উঠে এসেছে। মিশার পক্ষের লোকজনের ভাষ্য, গেল দুই বছরে শিল্পী সমিতির জন্য অনেকগুলো ইতিবাচক কাজ করেছে এই প্যানেল। সেইসঙ্গে অবহেলিত শিল্লীদের জন্য ফাণ্ড তৈরি করেছে তারা। কিন্তু বিপক্ষ দলের ভাষ্য, এই দুই বছরে মিশা-জায়েদ শিল্প সমিতিতে একক আধিপত্য বিস্তার স্থাপন করেছেন। তারা সমিতির অন্য সদস্যদের তেমন পাত্তা দেননি।

তাদের এই অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে নির্বাচনের দিন। চিত্রনায়িকা পপি গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘ভোট দিতে এসেছি। আমরা একটি দালাল, দুর্নীতি ও রাজনীতিমুক্ত এফডিসি চাই।’ নিজের এই বক্তব্যের সপক্ষে পপি বলেন, ‘বেশ কিছুদিন ধরে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি ঘিরে দালালি, রাজনীতি আর দুর্নীতি দেখে আসছি। এটা আমাদের শিল্পীদের জন্য চরম অসম্মানের।’ পপি বিদায়ী কমিটির নির্বাচিত সদস্য ছিলেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, তাদের দুর্নীতির সঙ্গে জড়াতে পারিনি বলে আমাদের মিটিংয়ে ডাকা হতো না।’ আমরা স্বাধীন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি চাই, যেখানে কোনও শিল্পীর দুস্থ তকমা থাকবে না। বিদায়ী কমিটি এই শিল্পী সমিতির অনেক সদস্যকে দুঃস্থ শিল্পী বানিয়েছে। সেটা আমরা চাই না।

পপির মতো মৌসুমী ভক্তরাও চেয়েছিলেন শিল্পী সমিতিতে নতুন একজন সভাপতি হোক। কিন্তু সেটা হয়নি। নির্বাচনে মৌসুমীর ভরাডুবি হয়েছে বলেই বলা যায়। এ ভরাডুবির ময়নাতদন্ত হলে হয়তো অনেক তথ্যই বেরিয়ে আসবে। কিন্তু পরাজয়ের পরও মৌসুমী সকলের মন কেড়েছেন। স্বয়ং নবনির্বাচিত সভাপতি মিশা সওদাগর মৌসুমীর সাহসের প্রশংসা করেছেন।

মৌসুমী হেরে গেছেন। কিন্তু একটি নতুন পদচিহ্ন রেখে গেছেন। যে পদচিহ্ন ধরে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির এই নির্বাচনে অন্য নারীরাও সভাপতি প্রার্থী হবেন। ভবিষ্যতে হয়তো চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি পাবে নারী নেতৃত্ব। যার সূচনা করেছেন চিরসুবুজ নায়িকা মৌসুমী। এখানেই মৌসুমী নির্বাচনে দৌড়ে হেরেও এক প্রথা ভাঙার নজির স্থাপন করেছেন। এজন্যই মৌসুমী অন্যদের থেকে আলাদা হয়ে থাকবেন।

আরো পড়ুন

জেবি/এম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ইউটিউব ক্রিয়েটর হিসেবে আরটিভির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হলেন ওয়াসিম সিতার
ছোট পর্দার পরিচালক ও অভিনেতা  ওয়াসিম সিতার ইউটিউব ক্রিয়েটর হিসেবে আরটিভির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার বিকেলে ওয়াসিমের সঙ্গে আরটিভির পক্ষ থেকে চুক্তিপত্র করেন চ্যানেলটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আশিক রহমান। রাজধানীর কারওয়ান বাজারে আরটিভির প্রধান কার্যালয়ে চুক্তিপত্র স্বাক্ষরের সময় উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠান বিভাগের প্রধান দেওয়ান শামসুর রকিব ও অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।  এ ব্যাপারে ওয়াসিম সিতার আরটিভি অনলাইনকে বলেন, আমার চ্যানেল 'ককটেল এন্টারটেইনমেন্ট' ইউটিউব চ্যানেলটি আরটিভি ডিজিটালের তত্ত্বাবধানে থাকবে। ইতোমধ্যে এর মাধ্যমে আমি বেশকিছু কন্টেন্ট দর্শকদের উপহার দিয়েছি। এখন থেকে নিয়মিত দর্শকদের ওয়েবসিরিজ ও শটফিল্ম উপহার দেব। এছাড়া তরুণদের নিয়েও কাজ করব। বিশেষ করে যারা মেধাবী শিল্পী কিন্তু কোনো প্লাটফর্ম খুঁজে পাচ্ছেন না তাদের সুযোগ দেব। আমার পক্ষ থেকে জুনাইদ ইরফান তত্ত্বাবধানে থাকবেন।  ধন্যবাদ আরটিভিকে আমাকে সুযোগ দেওয়ার জন্য। ওয়াসিম সিতার বেশকিছু টেলিভিশন নাটক পরিচালনা করেছেন। তার উল্লেখযোগ্য নাটকের মধ্যে আছে সেলফিবাজ, দ্য ডেসটিনেশন ওয়েডিং, রোলিং ইন দ্য ডে, আনমেরিড, আই অ্যাম স্যরি ইত্যাদি। অভিনয়েও বেশ পাকাপোক্ত অবস্থান তার। সবশেষ বাংলা চলচ্চিত্র 'ন ডড়াই'তে লিয়াকত চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মন জয় করেছেন। জিএ 
ইউটিউব ক্রিয়েটর হিসেবে আরটিভির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হলেন ওয়াসিম সিতার
নতুন বছর নিয়ে কী ভাবছেন তারকারা
রাত পোহালেই নতুন বছরের আগমন। বিদায় ২০১৯। স্বাগত ২০২০ সাল। পুরোনো বছরকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছর নিয়ে কী ভাবছেন তারকা। ভক্তদের এ নিয়ে জানার কৌতূহল তো থেকেই যায়। আরটিভি অনলাইন পাঠকদের জন্য তেমনি কয়েকজন জনপ্রিয় তারকার পরিকল্পনার কথা জানাচ্ছে। চলুন পাঠক জেনে নেয়া যাক আপনার প্রিয় তারকার ভাবনা।        আব্দুন নূর সজল গেল বছর কম কাজ করেছি। সব পছন্দনীয় কাজ ছিল। ১২ বছর পর মিউজিক ভিডিওতে কাজ করেছি। এটা ভালো লাগার। বঙ্গবন্ধু বিপিএল টুর্নামেন্টকে ঘিরে ঢাকা প্লাটুনের থিম সং করেছি। এছাড়া জীন মুভিতে কাজ করেছি। ফেব্রুয়ারির কোনও এক সময় মুক্তি পাবে ছবিটি। বছরের শেষে বিগ বাজেটের একটা ওয়েব সিরিজে কাজ করেছি। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বেশ ভালো ছিলাম।  ভক্তদের জন্য বলবো নতুন বছরে কম কাজ করব। বাছাই করে কাজ করব। আসলে বছরের সংখ্যাটা বড় কথা না কাজ, চিন্তাভাবনাটাই আসল।   ব্যক্তিগত জীবন ও বিয়ে নিয়ে তিনি বলেন, জীবনের সঙ্গে এখনও কেউ জড়ায়নি। হুট করে কিছু করব না। কিছু ঘটলে সবাইকে জানিয়ে ঘটাবো। সাদিকা পারভিন পপি গতকাল ফিল্ম ক্লাবের নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছি। ৩৯০ ভোটের মধ্যে প্রায় ৩৫০ পেয়েছি। গেল বছর ফিল্ম-অভিনয় নিয়ে ভালোই কেটেছে। নতুন বছরের ভাবনা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিকে নিয়ে। হলের সংখ্যা কমে গেছে। এছাড়া অনেক ছবি চলছে না কোন্দল ও নোংরা পলিটিক্সের কারণে। গণ্ডগোল না করে চলচ্চিত্র কীভাবে বাঁচবে এদিকে সবাই খেয়াল করব। কাজ নিয়ে তিনি বলেন, ভালো কাজ আসবে, ভালো কাজ করব। আমি আমার ক্যারিয়ারে কম টাকার কাজ ও নিম্ন কাজ করিনি। আশা করি সুস্থ ও সুন্দর বছর পার করব।   সাজু খাদেম গত বছর ২০১৯ সালের মতো কাটল, নতুন বছর ২০২০ সালের মতো কাটবে। ২০১৯ সালে অনেক কাজ করেছি। ২০২০ সালে কিছু চমক নিয়ে আসব। ভক্তদের অপেক্ষা করতে বলবো। আসলে বছর কাউন্ট করে তো কিছু হয় না। আমার মনে হয় প্রতিটা দিন মুহূর্ত গুরুত্বপূর্ণ সেটা যদি আমি কাজে লাগাতে পারি তাহলে দর্শকরা আমাকে আরও ভালোবাসবেন। আর দর্শকরা সময়টা কাজে লাগালে জীবন সমৃদ্ধির দিকে যাবে। সাঈদ বাবু ২০১৯ সালে আমার জন্য সুখের ছিল। নাটক করেছি বেশ কিছু।  ‘ন ডরাই’ সিনেমা ছিল আমার চমক। এই সিনেমায় অনেক পরিশ্রম করেছি। ২০২০ সালে আরও ভালো কাজ উপহার দেবো। ইতোমধ্যে কয়েকটা সিনেমার প্রস্তাব পেয়েছি। সপ্তাহ খানেকের মধ্যে বসবো। তারপর ফলাফল জানাবো। আশা করছি ভক্তরা সুখবর পাবেন। জিএ/এম   
নতুন বছর নিয়ে কী ভাবছেন তারকারা
সৃজিতকে বিয়ের কারণ জানালেন মিথিলা
২০১৯ সালের সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা কলকাতার সৃজিত ও ঢাকার মিথিলার বিয়ে। তাদের বিয়ে নিয়ে গণমাধ্যমে তুমুল আলোচনা হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়াও সরব ছিল। বিয়ের পর সুইজারল্যান্ডে হানিমুন সেরেছেন তারা। এবার সৃজিতকে বিয়ের দুটি কারণ জানালেন মিথিলা। ইনস্টাগ্রামে দুজনের ছবি পোস্ট করে এই এক হওয়া প্রসঙ্গে মিথিলা লিখেছেন, প্রথম কারণ আমরা দুজনই একই রকম পাগলাটে। দ্বিতীয় কারণ হিসেবে লেখেন, আমরা অলস হয়েও সব সময় ব্যস্ত। গেল ৬ ডিসেম্বর কলকাতায় রেজিস্ট্রি বিয়ে করেন সৃজিত-মিথিলা। তাদের পরিচয় গায়ক অর্ণবের একটি মিউজিক ভিডিওতে কাজের মাধ্যমে। সেখানে থেকেই বন্ধুত্ব তারপর প্রেম।   এম
সৃজিতকে বিয়ের কারণ জানালেন মিথিলা
নতুন ছবি ‘সিগন্যাল’
নতুন ছবি ‘সিগন্যাল’র মহরত অনুষ্ঠিত হলো। ৩০ ডিসেম্বর এফডিসির জহির রায়হান কালার ল্যাবে সায়মন তারিক পরিচালিত ছবিটির ঘোষণা দেয়া হয়। এতে প্রথমবারের মতো জুটি বাঁধলেন চিত্রনায়িকা তানিন সুবাহ ও চিত্রনায়ক আসিফ ইমরোজ। মহরতে উপস্থিত ছিলেন- পরিচালক সমিতির মহাসচিব বদিউল আলম খোকন, নির্মাতা মুশফিকুর রহমান, নির্মাতা ছটকু আহমেদ, হেলেনা জাহাঙ্গীর, বড় দা মিঠু, তারিক আনাম খান, গাজী মাজারুল ইসলাম, মুনিরা মিঠুসহ চলচ্চিত্রের অনেকেই। এ সময় গুনী নির্মাতা ছটকু আহমেদ বলেন, আমাদের চলচ্চিত্র এখন একটা খারাপ সময় যাচ্ছে। তবে আমার বিশ্বাস আমরা সবাই মিলে কাজ করলে আবার চলচ্চিত্র ঘুরে দাঁড়াবে। তানিন সুবহা বলেন, চমৎকার একটি গল্প নিয়ে ছবিটি নির্মিত হতে যাচ্ছে। এমন চরিত্রে প্রথম অভিনয় করব। আমার জন্য একটু কষ্টের হবে। তবুও গল্পের প্রয়োজনে এটা আমি করব। নতুন বছরের শুরুতে অর্থাৎ জানুয়ারি মাসে ছবিটির শুটিং শুরু হবে জানান পরিচালক। এম
নতুন ছবি ‘সিগন্যাল’
কাজলের মন ভেঙেছে
বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কাজল। নতুন ছবি তানাজি নিয়ে আসছে ১০ জানুয়ারি দর্শকের সামনে হাজির হচ্ছেন তিনি। সঙ্গে আছেন স্বামী অজয় দেবগণ ও সাইফ আলী খান। এরই মধ্যে মন ভেঙেছে কাজলের। কারণ হিসেবে সাইফকেই দায়ী করলেন তিনি। ধোকাবাজ বলে বসলেন কাজল। টুইটারে যত রাগ প্রকাশ করলেন। কাজল লিখেছেন, তুমি আমার সঙ্গে 'ওমকারা'র সময়ও ধোকাবাজি করেছিলে। আবার করলে। আশা করবো তুমি আমার এই পোস্ট সুইজারল্যান্ড থেকে পড়বে। ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, সাইফের ছবির প্রোমোশনে না আসাই কাজলের রাগের কারণ। ছবির প্রোমোশন না করে সাইফ গিয়েছেন সুইজারল্যান্ডে তৈমুর ও কারিনার সঙ্গে ছুটি কাটাতে। মাথা গরমের কারণেই নাকি কাজল এমন পোস্ট করেছেন। বিষয়টি বন্ধুত্বেরও। তা নিমিষেই ঠিক হয়ে যাবে। তানাজি ছবিতে মারাটা যোদ্ধা হয়েছেন অজয়। কাজল তার স্ত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করছেন। আর ভিলেনের চরিত্রে দেখা যাবে সাইফকে। এম
কাজলের মন ভেঙেছে
আরও পড়ুন
মৌসুমী হামিদের ‘শেষ দেখা’
বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের পাশে সালমা
রেডিওতে ‘মৌসুমী হাওয়া’
মৌসুমীর জন্মদিন কাটছে পরিবারের সঙ্গে