ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

‘ঘেটুপুত্র কমলা’র প্রতিদিনের কাজ এখন রড-সিমেন্টের হিসাব মেলানো

বিনোদন ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৪:৩২ পিএম
ছবি:সংগৃহীত

‘ঘেটুপুত্র কমলা’র কমলা চরিত্রে অভিনয় করে দর্শক মনে জায়গা করে নিয়ে ছিলেন অভিনেতা হাসান ফেরদৌস মামুন। শুধু তাই নয় ছবিটিতে দুর্দান্ত অভিনয় করে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জিতে নেন মামুন। তবে ঘেটুপুত্রের পরই কেমন যেন শোবিজ অঙ্গন থেকে হারাতে শুরু করেন মামুন। ধীরে ধীরে তিনি চলে যান অভিনয় জগতের বাইরে।

এখন অভিনয় ছেড়ে ব্যবসায় মনোযোগ দিয়েছেন মামুন। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী এই শিল্পী সাত বছর ধরে আর ক্যামেরার সামনে দাঁড়াননি। এখন তিনি সময় কাটান মোহাম্মদপুরে ভগ্নিপতির সঙ্গে নির্মাণসামগ্রীর ব্যবসা নিয়ে। রড-সিমেন্টের হিসাব মেলানোই এখন তার প্রতিদিনের কাজ, যেখানে এক সময় দিন কাটত লাইট, ক্যামেরা আর অ্যাকশনের ভেতর।

484011477_2875306389308303_8258947333200640988_n

সম্প্রতি দেশের এক সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন মামুন। এখনো সেই অভিজ্ঞতাকে স্বপ্ন হিসেবেই স্মরণ করেন এ অভিনেতা। জানালেন, নিজের শোবিজ অঙ্গনের সোনালি দিনগুলোর কথা। সেইসব দিনের স্মৃতিচারণা করে মামুন বলেন, আমাদের দলে অনেকেই অডিশন দিয়েছিল। এতজনের মধ্যে আমি নির্বাচিত হব, তা ভাবিনি। শেষ পর্যন্ত হুমায়ূন স্যার আমাকেই বেছে নেন।

শুটিংয়ের সময় হুমায়ূন আহমেদের আন্তরিকতা তাকে গভীরভাবে ছুঁয়ে গেছে। মামুন বলেন, স্যার সব সময় খেয়াল রাখতেন আমি খেয়েছি কি না। আমি না খাওয়া পর্যন্ত উনি খেতেন না। ঘেটুপুত্র হয়ে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান মামুন। সেই স্মৃতি স্মরণ করে অভিনেতা বলেন, ‘পুরস্কারটি যখন পেলাম, তখন মা বেঁচে নেই। হুমায়ূন আহমেদ স্যারেরও এর আগে মৃত্যু হয়। সব মিলিয়ে দিনটি আমার জন্য খুব কষ্টের ছিল। অনেক কান্না করেছি সেদিন। তাই এ পুরস্কারটি আমার কাছে হারিয়ে অর্জিত পুরস্কার।

50829552_1145924115579881_7655281147827453952_n

বর্তমানে মামুনের বয়স ২৮। তিন বছর আগে বিয়ে করেছেন শৈশবের থিয়েটার-সঙ্গীকে। এখন স্ত্রী ও পরিবার নিয়ে রাজধানীর মোহাম্মদপুরেই থাকেন। ভগ্নিপতির সঙ্গে পরিচালনা করছেন নির্মাণসামগ্রীর ব্যবসা। ব্যস্ততা এখন ব্যবসায় ঘিরে থাকলেও মাঝেমধ্যে ইউটিউবে পুরনো কাজ দেখে নস্টালজিয়ায় ডুবে যান।

আরও পড়ুন

নিজের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি বলেন, এত গুণী মানুষদের সঙ্গে কাজ করতে পেরেছি, সেটাই আমার জন্য বড় পাওয়া। কোনো আক্ষেপ নেই, আলহামদুলিল্লাহ নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি।

মাত্র চার বছর বয়সে বড় বোনের হাত ধরে ‘টোকাই’ নাট্যদলের হয়ে মঞ্চে ওঠেন মামুন। সেই দলের প্রযোজনাগুলোতেই শুরু হয় তার অভিনয়যাত্রা। ছোট পর্দায় অভিষেক হয় বিটিভির ‘হারমোনিয়াম’ নাটক দিয়ে। এরপর আরও কিছু নাটক ও বিজ্ঞাপনে শিশুশিল্পী হিসেবে পরিচিতি পান তিনি।

বিশেষ করে দেশের জনপ্রিয় একটি মোবাইল সিমের বিজ্ঞাপন ‘দিনবদলের পালা’ তাকে দর্শকদের কাছে বিশেষভাবে পরিচিত করে তোলে। সেই বিজ্ঞাপনের সংলাপ—“কি বাবা, বলছিলাম না আজকে অনেক মাছ উঠব, আমারে কিন্তু মেলায় নিয়া যাইতে হবে”—আজও অনেকের মনে নস্টালজিয়া জাগায়।

486549400_2889298861242389_6048442048577201439_n

তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ার সময় প্রাণ জুসের বিজ্ঞাপন তার ক্যারিয়ারের বড় বাঁক ঘুরিয়ে দেয়। বিজ্ঞাপনে তার মুখের সংলাপ, তাইলে দশ টাকা দেন, ম্যাঙ্গো জুস খামু—তৎকালীন শিশুশিল্পীদের ভিড়ে আলাদা করে তোলে তাকে। বিজ্ঞাপনটির জন্য মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারে মনোনয়নও পান। এরপর ধারাবাহিকভাবে বেশ কিছু বিজ্ঞাপন ও নাটকে অভিনয় করে জনপ্রিয়তা বাড়ান তিনি।

নাটক ও বিজ্ঞাপনে নিয়মিত কাজের পাশাপাশি সিনেমায়ও ডাক পান মামুন। শফিকুল ইসলামের ‘ওপারে আকাশ’ ছিল তার প্রথম ছবি। এরপর মুরাদ পারভেজের ‘চন্দ্রগ্রহণ’ এবং আবু সুফিয়ানের ‘বন্ধু মায়া লাগাইছে’ ও ‘ভাড়াটে প্রেমিক’-এ অভিনয় করেন। তবে তার জীবনের বড় মোড় আসে হুমায়ূন আহমেদের শেষ চলচ্চিত্র ‘ঘেটুপুত্র কমলা’-তে। অসংখ্য শিশুশিল্পীর মধ্যে অডিশন শেষে ‘কমলা’ চরিত্রের জন্য তাকেই বেছে নেন হুমায়ূন আহমেদ।

২০১২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ঘেটুপুত্র কমলা’ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আটটি বিভাগে পুরস্কৃত হয়। মামুন শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পান। এরপর থেকেই শোবিজে মামুনের উপস্থিতি কমতে থাকে। সর্বশেষ ২০১৮ সালে রুবেল আনুশের ‘প্রেমকাহন’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন তিনি। এরপর আর কোনো কাজে দেখা যায়নি তাকে।

তিনি জানান, উপযুক্ত চরিত্র না পাওয়ায় নিজে থেকেই অভিনয় থেকে বিরতি নিয়েছেন। যদিও ভালো কাজের সুযোগ এলে আবার অভিনয়ে ফিরতে চান বলেও জানিয়েছেন মামুন।

আরটিভি/এএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘আপসহীন নক্ষত্রের মহাপ্রয়াণ, আপনার প্রতি রইল বিনম্র শ্রদ্ধা’
বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মারা গেছেন। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার প্রয়াণ ঘটে।  আপসহীন এই নেত্রীর বিদায়ে সারাদেশে যেমন শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সামাজিক মাধ্যমে আবেগঘন বার্তা দিয়ে এই নেত্রীকে স্মরণ করছেন। তার মৃত্যুতে শোকের ছায়া মোটা দাগে পড়েছে দেশের সংস্কৃতি অঙ্গনে। শিল্পীদের সোশ্যাল হ্যান্ডেল ভারি হয়েছে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসনকে হারানোর বেদনায়।  নির্মাতা ও প্রযোজক এমডি ইকবাল বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তার ফেসবুকে লিখেছেন, আপসহীন নক্ষত্রের মহাপ্রয়াণ। শোক ও বিনম্র শ্রদ্ধা, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। মহান আল্লাহ তায়ালা যেন আপনাকে জান্নাতুল ফিরদাউসের সর্বোচ্চ স্থানে অধিষ্ঠিত করেন। আমিন। শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি রইলো আমার গভীর  সমবেদনা। খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন জটিলতাসহ নানা রোগে ভুগছিলেন। চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যের লন্ডনে যান খালেদা জিয়া। চিকিৎসা শেষে ৬ মে তিনি দেশে ফেরেন। সে সময় স্বাস্থ্যের কিছুটা উন্নতিও দেখা গিয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘদিনের শারীরিক জটিলতা এবং মানসিক ধকলের কারণে তিনি অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন। গত ২৩ নভেম্বর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে পুনরায় এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানে এক মাসের বেশি সময় চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ ভোরে তিনি চিকিৎসায় সাড়া দেওয়া বন্ধ করে দেন এবং চিরবিদায় নেন। আরও পড়ুন ‘শুধু তার সুন্দর হাসিটির জন্য জীবনের প্রথম ভোট বিএনপিকে দিয়েছিলাম’ বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে নেতৃত্ব দেওয়া খালেদা জিয়া ‘দেশনেত্রী’ হিসেবে জনগণের কাছে সমাদৃত ছিলেন। সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তার অটল ভূমিকার কারণে তাকে ‘আপসহীন’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। এদিকে, খালেদা জিয়ার মরদেহ জাতীয় পতাকায় মোড়ানো একটি গাড়িতে করে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) গুলশান থেকে জানাজার জন্য জাতীয় সংসদ ভবনে নেওয়া হয়েছে। গাড়িবহরে লাল সবুজ রঙের বাসটিও রয়েছে। তারেক রহমান, তার স্ত্রী জুবাইদা রহমান, কন্যা জাইমা রহমান, ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রীসহ পরিবারের সদস্যরা বাসে রয়েছেন। এ ছাড়া বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও খালেদা জিয়ার স্বজনেরাও গাড়িবহরে রয়েছেন। সেখানে জানাজা শেষে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সমাধির পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন বেগম খালেদা জিয়া। আরটিভি/এএ   
‘আপসহীন নক্ষত্রের মহাপ্রয়াণ, আপনার প্রতি রইল বিনম্র শ্রদ্ধা’
মায়ের মৃত্যুবার্ষিকীতে আক্ষেপের কথা জানালেন দীঘি
ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। আজ ২৯ ডিসেম্বর তার মা প্রয়াত অভিনেত্রী দোয়েলের ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী। মাকে স্মরণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন এক স্ট্যাটাস দিয়ে  দীঘি। ফেসবুকে মায়ের সঙ্গে তোলা একটি ছবি শেয়ার করে দীঘি লিখেছেন, মাম্মি, আজ তোমার ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী। কী যে অদ্ভুত লাগে-দেখতে দেখতে ১৪ বছর হয়ে গেল। তোমাকে ছাড়া কিছুই বুঝে উঠতে পারি না। পুরো বছর অনেক শক্ত থাকলেও আজকের দিনটা এলে আমি একদম ভেঙে পড়ি। যত বড় হচ্ছি, ততই আক্ষেপ হচ্ছে কেন তুমি চলে গেলে। অনেক ভালোবাসি তোমাকে, মাম্মি। স্ট্যাটাসে তিনি আরও লেখেন, এই পৃথিবীতে কোনো শক্তিই নেই যা তোমার অভাব পূরণ করতে পারে। সবার কাছে আমার মায়ের জন্য দোয়া চাই। ১৯৮২ সালে চাষী নজরুল ইসলামের ‘চন্দ্রনাথ’ সিনেমায় অভিনয়ের মধ্য দিয়ে বড় পর্দায় পা রাখেন দীঘির মা দোয়েল। তার অভিনীত সর্বশেষ সিনেমা কাজী হায়াতের ‘কাবুলিওয়ালা’। বাবা শাহরুখ ফারদিন সুব্রত চলচ্চিত্র অভিনেতা। গ্রামীণফোনের একটি বিজ্ঞাপনে অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকের নজরে আসেন দীঘি। কাজী হায়াৎ পরিচালিত কাবুলিওয়ালা চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় তার। অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বেশ সক্রিয় এই অভিনেত্রী। আরটিভি/এএ 
মায়ের মৃত্যুবার্ষিকীতে আক্ষেপের কথা জানালেন দীঘি
ফের মা হওয়ার গুঞ্জন, অবশেষে মুখ খুললেন বুবলী
সংবাদপাঠিকা থেকে চলচ্চিত্রে নাম লেখান নায়িকা শবনম বুবলী। ‘বসগিরি’ দিয়ে রুপালি পর্দায় পা রেখে দুই ডজনের মতো চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। চলচ্চিত্রের পাশাপাশি ফটোশুট, শোরুম উদ্বোধন নিয়ে ব্যস্ত সময় যাচ্ছে তার। এসবের মাঝেই ফের শাকিব খান আর বুবলীকে নিয়ে আবার নতুন গুঞ্জন চাউর হয়েছে। বুবলী নাকি অন্তঃসত্ত্বা হয়েছেন।  সম্প্রতি কলকাতার দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকার অনলাইন ভার্সন এ খবরটি প্রকাশ করে। যেখানে বলা হয়, বাংলাদেশের তারকা শাকিব খানকে নিয়ে তার দুই স্ত্রীর ‘দড়ি টানাটানি’ নতুন নয়। শাকিবের প্রথম স্ত্রী অপু বিশ্বাস, দ্বিতীয় স্ত্রী বুবলী। অভিনেতার দাবি, দুজনই তার প্রাক্তন। তবে দুই পুত্রসন্তানের প্রতি কর্তব্য পালনে অবিচল শাকিব। সম্প্রতি দ্বিতীয় স্ত্রী শবনম বুবলী ও পুত্র বীরকে নিয়ে আমেরিকায় লম্বা ছুটি কাটিয়ে আসেন অভিনেতা। তারপর বুবলী প্রকাশ্যে আসতেই সমালোচনা। বুবলী নাকি অন্তঃসত্ত্বা!  এদিকে, সম্প্রতি বাংলাদেশের একটি অনুষ্ঠানে যোগদান করেন বুবলী। সেখানে নৃত্যপরিবেশন করেন অভিনেত্রী। পরনে ছিল ঘাগরা। দর্শকের সঙ্গে বেশ কিছু ছবিও তোলেন। সেই ছবি প্রকাশ্যে আসতেই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল। নেট নাগরিকদের একটা বড় অংশের দাবি, বুবলী নাকি অন্তঃসত্ত্বা। আরও পড়ুন ফের বুবলীর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার গুঞ্জন তবে এ ধরনের খবরে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন শবনম বুবলী। তিনি বলেন, আমার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের গুজব রটেছে। এবারের খবরটিও সম্পূর্ণ গুজব। এর কোনো ভিত্তি নেই। ২০১৮ সালের ২০ জুলাই শাকিব খানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন শবনম বুবলী। এরপর ২০২০ সালের ২১ মার্চ সন্তানের বাবা-মা হন তারা। এ ঘটনার বেশকিছুদিন পর দুজনের আইডি থেকে সন্তানের নামসহ ছবি প্রকাশ করেন। জানান, তাদের ছেলের নাম ‘শেহজাদ খান বীর’। প্রথমবার মা হওয়ার আগেও বুবলীর অন্তঃসত্ত্বা হওয়া নিয়ে নানা আলোচনা হয়েছিল। তখন তিনি স্বামী বা সন্তানের বাবার পরিচয় প্রকাশ করেননি। পরে সন্তানসহ মিডিয়ার সামনে এসে জানান, শাকিব খানই তার স্বামী। এই প্রেক্ষাপটের কারণেই এবারও তার অন্তঃসত্ত্বা হওয়া নিয়ে গুঞ্জন ছড়িয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে। আরটিভি/এএ 
ফের মা হওয়ার গুঞ্জন, অবশেষে মুখ খুললেন বুবলী
তোদের আসল রূপ দেখালি, এনসিপি প্রসঙ্গে সোহেল রানা
চলচ্চিত্র অভিনেতা, পরিচালক ও প্রযোজক মাসুদ পারভেজ ওরফে সোহেল রানা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ‘ওরা ১১ জন’ চলচ্চিত্রের প্রযোজক তিনি। বয়সের ভারে এখন আর ক্যামেরার সামনে নিয়মিত দেখা যায় না এই কিংবদন্তি অভিনেতাকে। বার্ধক্যের কারণে বেশিরভাগ সময় কাটছে বাসাতেই। তবে চলচ্চিত্রের প্রতি টান, সহকর্মীদের প্রতি আবেগ আর দেশবাসীর প্রতি দায়িত্ববোধ এখনো অনুভব করেন তিনি।   সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মাঝে মাঝেই বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে নিজের মতামত জানান সোহেল রানা। সেই ধারাবাহিকতায় এবার তিনি কথা বললেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি)কে নিয়ে।  রাষ্ট্র সংস্কারের লক্ষ্যকে সামনে রেখে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট করার সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে এই সমঝোতার বিষয়টি প্রকাশ্যে এলেও এনসিপি নেতৃত্ব জোর দিয়ে বলছে—এই জোটের কেন্দ্রবিন্দুতে কোনো আদর্শগত আপস নয়, বরং রাষ্ট্র সংস্কারই রয়েছে। এই নিয়ে যখন কথা হচ্ছে তখন অভিনেতা ও মুক্তিযোদ্ধা মাসুদ পারভেজ সোহেল রানাও চুপ থাকলেন না। এনসিপিকে নিয়ে বললেন, সেই তো তোদের আসল রূপ দেখালি, তবে এত দিন জনগণকে কেন বোকা বানালি। এনসিপির নাম না উল্লেখ করলেও পোস্টের কমেন্টে বক্সে সেটা স্পষ্ট হয়।  একজন ছাত্রনেতা হিসেবে রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন এবং মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে রণাঙ্গনে ঝাঁপিয়ে পড়েন সোহেল রানা। যুদ্ধের পর তিনি চলচ্চিত্র জগতে আসেন এবং প্রযোজক হিসেবে ‘ওরা ১১ জন’ (১৯৭২) নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন, যেখানে মুক্তিযোদ্ধাদেরই অভিনয় করানো হয়েছিল। আরটিভি/এএ 
তোদের আসল রূপ দেখালি, এনসিপি প্রসঙ্গে সোহেল রানা
ফের বুবলীর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার গুঞ্জন
সংবাদপাঠিকা থেকে চলচ্চিত্রে নাম লেখান নায়িকা শবনম বুবলী। ‘বসগিরি’ দিয়ে রুপালি পর্দায় পা রেখে দুই ডজনের মতো চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। চলচ্চিত্রের পাশাপাশি ফটোশুট, শোরুম উদ্বোধন নিয়ে ব্যস্ত সময় যাচ্ছে তার। এসবের মাঝেই ফের শাকিব খান আর বুবলীকে নিয়ে আবার নতুন গুঞ্জন চাউর হয়েছে। বুবলী নাকি অন্তঃসত্ত্বা হয়েছেন।  সম্প্রতি কলকাতার দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকার অনলাইন ভার্সন এ খবরটি প্রকাশ করে। যেখানে বলা হয়, বাংলাদেশের তারকা শাকিব খানকে নিয়ে তার দুই স্ত্রীর ‘দড়ি টানাটানি’ নতুন নয়। শাকিবের প্রথম স্ত্রী অপু বিশ্বাস, দ্বিতীয় স্ত্রী বুবলী। অভিনেতার দাবি, দুজনই তার প্রাক্তন। তবে দুই পুত্রসন্তানের প্রতি কর্তব্য পালনে অবিচল শাকিব। সম্প্রতি দ্বিতীয় স্ত্রী শবনম বুবলী ও পুত্র বীরকে নিয়ে আমেরিকায় লম্বা ছুটি কাটিয়ে আসেন অভিনেতা। তারপর বুবলী প্রকাশ্যে আসতেই সমালোচনা। বুবলী নাকি অন্তঃসত্ত্বা!  এদিকে, সম্প্রতি বাংলাদেশের একটি অনুষ্ঠানে যোগদান করেন বুবলী। সেখানে নৃত্যপরিবেশন করেন অভিনেত্রী। পরনে ছিল ঘাগরা। দর্শকের সঙ্গে বেশ কিছু ছবিও তোলেন। সেই ছবি প্রকাশ্যে আসতেই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল। নেট নাগরিকদের একটা বড় অংশের দাবি, বুবলী নাকি অন্তঃসত্ত্বা।  এরআগে, ২০২০ সালে প্রথমবার মা হন বুবলী। যদিও ছেলের জন্মের খবর প্রকাশ্যে এনেছেন প্রায় দুই বছর পরে। সেই সময়ে এ খবরে প্রায় ঝড় ওঠে।  শাকিব খানের সঙ্গে বুবলীর ‘বীর’ ছিল সবশেষ সিনেমা। ছবিটি মুক্তি পায় ২০২০ সালে। এরপর হুট করেই  আমেরিকায় চলে যান বুবলী। সেসময়ই তার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার গুঞ্জন চরমে ওঠে। এমনকি ‘বীর’ ছবি চলাকালীন বেশ গোপনীতাও রক্ষা করে শুটিং করা হয়। তখন কোন গণমাধ্যমের সঙ্গেও কথা বলেননি এই নায়িকা।   পরবর্তীতে  হঠাৎ আমেরিকায় চলে যাওয়া প্রসঙ্গে বুবলী বলেন, বীর মুক্তি পাওয়ার কিছুদিন পরই আমি দেশের বাইরে যাই। ২০১৯ সাল থেকেই আমি পরিকল্পনা করছিলাম, দেশের বাইরে যাওয়ার। অ্যাকচুয়েল কোনো পরিকল্পনা ছিল না। যেহেতু কাজের চাপ নেই, হাতে থাকা ছবির কাজও শেষ করেছি, তাই ভাবলাম দেশের বাইরে যাই। তখন আমি আমেরিকায় যাই। বুবলী জানিয়েছিলে, ফিল্ম রিলেটেড কোর্স করতেই তার নিউইয়র্কে যাওয়া। সেখানে নিউইয়র্ক ফিল্ম একাডেমিতে অ্যাক্টিং ফর ফিল্ম ওয়ার্কশপের ওপর একটি কোর্স করেছেন তিনি।  অন্তঃসত্ত্বা ও সন্তানের মা হওয়ার গুঞ্জনকে উড়িয়ে দিয়ে বুবলী বলেছিলেন, আসলে আমার প্রেম, বিয়ে, সংসার, সন্তান এসব নিয়ে সব সময় নানা ধরনের কথা হয়েছে। আমার কাছে মনে হয়, ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কথা নাই বলি। সময়ের সঙ্গে সবকিছুই পরিষ্কার হবে। আমরা যারা বিনোদন অঙ্গনে কাজ করি, কাজের জন্য সবাই আমাদের ভালোবাসেন। তাই আমিও চাই না, ব্যক্তিগত জীবন কাজের চেয়ে বেশি ফোকাসড হোক। শুরু থেকে আমি এভাবেই চলার চেষ্টা করেছি। একতরফা অনেকে অনেক কিছুই শোনেন, বাছবিচার করে ফেলবেন না যেন। এমনটা করবেন না। সময়টুকুর প্রতি সম্মান দিন। সবকিছু একটা নির্দিষ্ট সময় পর সবার কাছে পরিষ্কার হয়। আমি বলব, গল্পের পেছনেও অনেক গল্প থাকে, তাই আমরা আপাতত ওসবে কান না দিই। নানা নাটকীতার পর হুট করেই অপু বিশ্বাসের ছেলে জয়ের জন্মদিনে নিজের ‘বেবি বাম্প’র পুরোনো ছবি প্রকাশ্যে আনেন বুবলী। নেটমাধ্যমে শোরগোল পড়ে যায়। বুবলীর সন্তানের বাবা কে? জানার আগ্রহ ছিল সবার। যদিও ব্যাপারটা অনুমিতই ছিল। তারপরও অফিসিয়ালি শাকিব-বুবলী ঘোষণা দিলেন, শেহজাদ খান বীরের বাবা-মা তারাই। এরপর থেকেই শাকিব-বুবলীর সম্পর্কের শীতলতা প্রকাশ্যে আসে। বুবলী জানিয়েছিলেন, শাকিব খানের সঙ্গে ধর্মীয় আচার মেনে বিয়ে হয়েছে তার। তাদের সন্তানের জন্ম হয় আমেরিকায়।  এবার ফের অভিনেত্রী অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার গুঞ্জন। মাস কয়েক আগে ছেলে বীরের নাগরিকত্ব-সংক্রান্ত কাজে ফের আমেরিকায় যান দম্পতি। সমাজমাধ্যমে সেই ছবিও দেন। এদিকে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার গুঞ্জনের সত্যতা জানতে একাধিকবার বুবলীকে কল ও এসএমএস দেয়া হলেও কোন উত্তর মেলেনি।  যদিও বিশ্বস্ত সূত্রের খবর, বুবলীর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর ভিত্তিহীন।  আরটিভি/এএ    
ফের বুবলীর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার গুঞ্জন