ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

সালমানের লাশে হাত দেওয়ার স্মৃতি ভোলার নয়: ডোম রমেশ

বিনোদন ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৪ অক্টোবর ২০২৫, ১০:৪০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহের রহস্যজনক মৃত্যুর প্রায় তিন দশক পর এবার তা হত্যা মামলার রূপ নিয়েছে। এ মামলায় তার সাবেক স্ত্রী সামিরা হকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি সালমান শাহ হত্যা মামলায় আসামিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এ বিষয়ে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছে রমনা থানা পুলিশ।

সালমান শাহর মৃত্যুর প্রায় ২৯ বছর কেটে গেছে। এতদিন পরও রমেশের চোখ বন্ধ করলে ভেসে ওঠে—ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নিস্তব্ধ ঘরে শুয়ে থাকা নায়ক সালমান শাহর মরদেহ। কেউ বিশ্বাসই করতে পারছে না, তাদের প্রিয় নায়ক আর নেই।

হাসপাতাল মর্গের সেই সময়ের তরুণ ডোম রমেশও বিশ্বাস করতে পারছিলেন না—তারও প্রিয় নায়ক সালমান শাহ মারা গেছেন। প্রিয় নায়কের লাশটা আবার তাকেই কাটতে হবে ময়নাতদন্তের জন্য।

২৯ বছর আগে চিত্রনায়ক সালমান শাহের মৃত্যুর ঘটনায় হত্যা মামলা করতে গত সোমবার (২০ অক্টোবর) আদেশ দিয়েছেন আদালত। মামলাটি তদন্তের জন্য রমনা থানাকে নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক।

২৯ বছর আগে সালমান শাহের মৃত্যুর পর লাশ আনা হয় ঢামেকের মর্গে। ময়নাতদন্তের সময় ডোম ছিলেন ঢামেক হাসপাতালের সরকারি কর্মচারী রমেশ। পরে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন, নাম হয় সেকেন্দার।

বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) সেই রমেশ প্রকাশ সেকেন্দার দেশের একটি গণমাধ্যমকে বলেন, শুনেছি প্রয়াত চিত্রনায়ক সালমান শাহ মৃত্যুর বিষয়ে আবারও লেখালেখি হচ্ছে। আমরা তো অত বুঝি না, তবে শুনেছি এবার পরিবার হত্যা মামলার অনুমতি পেয়েছে।

তিনি বলেন, চিত্রনায়ক সালমান শাহর ভক্ত ছিল এদেশের লাখ লাখ মানুষ, এতে কোনো সন্দেহ নেই। এদের মতো সে সময় আমিও ছিলাম একজন। হঠাৎ শুনতে পেলাম সালমান শাহ মারা গেছেন, লাশ আনা হচ্ছে মর্গে। হয়তো সেদিন বন্ধের দিন ছিল, মানে সরকারি ছুটি শুক্রবার। লাশ নিয়ম অনুযায়ী পুলিশ নিয়ে এলো মর্গে। সে সময় মর্গে হাজার হাজার মানুষের ভিড়। এদের মধ্যে ছিলেন চলচ্চিত্রের তখনকার নামিদামি নায়ক-নায়িকাসহ শোবিজ জগতের প্রায় সব মানুষজন। মর্গের সামনে হাজার হাজার মানুষ—সবাই অঝোরে কাঁদছে তাদের প্রিয় নায়ক সালমান শাহর জন্য। কেউ যেন তখনকার তুখোড় জনপ্রিয় সালমান শাহর মৃত্যুর বিষয়টি মেনে নিতে পারছে না।

আরও পড়ুন

তিনি আরও বলেন, তখন ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গ এত আধুনিক ছিল না। পুরাতন মর্গে লাশটি নেওয়া হলো। চিকিৎসকের নির্দেশে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করি আমি। আমার প্রিয় নায়কের বুকে আমি নিজেই ছুরি চালাই। ফরেনসিক চিকিৎসকে নির্দেশে ময়নাতদন্তের সময় সবকিছুই করতে হয়।

অবসরে যাওয়া এই ডোম বলেন, ৩৫ বছর চাকরি শেষে বর্তমানে অবসর জীবন কাটাচ্ছি। হাজার হাজার লাশ কেটেছি। কিন্তু সালমানের লাশে হাত দেওয়ার স্মৃতি ভোলার নয়।

লাশকাটা ঘরে ডোমদের প্রধান কাজ হলো ফরেনসিক ডাক্তারদের সহকারী হিসেবে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ প্রস্তুত করা এবং তা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সেলাই করা। তাদের দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে মরদেহ পরিষ্কার করা, কাটা-ছেঁড়া করা এবং পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বের করা। এছাড়া তারা লাশ কাটা-ছেঁড়ার পর সেলাই করে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেন।

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সকালে রাজধানীর নিউ ইস্কাটন গার্ডেন এলাকার ভাড়া বাসায় পাওয়া যায় অভিনেতা চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহের লাশ। বাংলা সিনেমায় তার জনপ্রিয়তা ও খ্যাতি তখন আকাশচুম্বী।

সে সময় এ বিষয়ে অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেন তার বাবা প্রয়াত কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী। এরপর ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ এনে মামলাটিকে হত্যা মামলায় রূপান্তরিত করার আবেদন জানান তিনি। ওই সময় অপমৃত্যুর মামলার সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগের বিষয়টি একসঙ্গে তদন্ত করতে থানা পুলিশের পরিবর্তে সিআইডিকে নির্দেশ দেন আদালত।

আরও পড়ুন

এর মাঝে কয়েক দফা তদন্তে সালমানের মৃত্যুকে আত্মহত্যা উল্লেখ করে তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়। তবে তা বরাবরই নাকচ করেছেন সালমানের মা নীলা চৌধুরী।

এ অবস্থায় ২০১৬ সালের শেষ দিকে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নতুন করে এ মামলার তদন্তভার দেওয়া হয়। ২০২০ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি সংবাদ সম্মেলন করে পিবিআইও জানায়, সালমান আত্মহত্যা করেছেন। ২০২১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ৬০০ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেন পিবিআইয়ের পুলিশ পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম।

সেই প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি আবেদন করেন সালমান শাহের মা নীলা চৌধুরীর আইনজীবী ফারুক আহাম্মদ। ২০২১ সালের ৩১ অক্টোবর সেই আবেদন খারিজ করে দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশীদ। এরপর সেই আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন মামলা করেন নীলা চৌধুরী।

গত ২০ অক্টোবর ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক ওই আবেদন মঞ্জুর করেন এবং সালমান শাহের মৃত্যুর ঘটনায় রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) হত্যা মামলা গ্রহণ ও তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

আদালতের আদেশের পর সেদিন রাতে সালমান শাহের মা নীলা চৌধুরীর পক্ষে তার ভাই মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম রমনা মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। এতে সালমান শাহের সাবেক স্ত্রী সামিরা হকসহ মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়। অপর আসামিরা হলেন- সামিরা হকের মা লতিফা হক লুসি, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, খলনায়ক ডন, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, রুবী, আব্দুস ছাত্তার, সাজু, রিজভী আহমেদ ওরফে ফরহাদ।

আরটিভি/এএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘আপসহীন নক্ষত্রের মহাপ্রয়াণ, আপনার প্রতি রইল বিনম্র শ্রদ্ধা’
বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মারা গেছেন। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার প্রয়াণ ঘটে।  আপসহীন এই নেত্রীর বিদায়ে সারাদেশে যেমন শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সামাজিক মাধ্যমে আবেগঘন বার্তা দিয়ে এই নেত্রীকে স্মরণ করছেন। তার মৃত্যুতে শোকের ছায়া মোটা দাগে পড়েছে দেশের সংস্কৃতি অঙ্গনে। শিল্পীদের সোশ্যাল হ্যান্ডেল ভারি হয়েছে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসনকে হারানোর বেদনায়।  নির্মাতা ও প্রযোজক এমডি ইকবাল বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তার ফেসবুকে লিখেছেন, আপসহীন নক্ষত্রের মহাপ্রয়াণ। শোক ও বিনম্র শ্রদ্ধা, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। মহান আল্লাহ তায়ালা যেন আপনাকে জান্নাতুল ফিরদাউসের সর্বোচ্চ স্থানে অধিষ্ঠিত করেন। আমিন। শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি রইলো আমার গভীর  সমবেদনা। খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন জটিলতাসহ নানা রোগে ভুগছিলেন। চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যের লন্ডনে যান খালেদা জিয়া। চিকিৎসা শেষে ৬ মে তিনি দেশে ফেরেন। সে সময় স্বাস্থ্যের কিছুটা উন্নতিও দেখা গিয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘদিনের শারীরিক জটিলতা এবং মানসিক ধকলের কারণে তিনি অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন। গত ২৩ নভেম্বর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে পুনরায় এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানে এক মাসের বেশি সময় চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ ভোরে তিনি চিকিৎসায় সাড়া দেওয়া বন্ধ করে দেন এবং চিরবিদায় নেন। আরও পড়ুন ‘শুধু তার সুন্দর হাসিটির জন্য জীবনের প্রথম ভোট বিএনপিকে দিয়েছিলাম’ বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে নেতৃত্ব দেওয়া খালেদা জিয়া ‘দেশনেত্রী’ হিসেবে জনগণের কাছে সমাদৃত ছিলেন। সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তার অটল ভূমিকার কারণে তাকে ‘আপসহীন’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। এদিকে, খালেদা জিয়ার মরদেহ জাতীয় পতাকায় মোড়ানো একটি গাড়িতে করে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) গুলশান থেকে জানাজার জন্য জাতীয় সংসদ ভবনে নেওয়া হয়েছে। গাড়িবহরে লাল সবুজ রঙের বাসটিও রয়েছে। তারেক রহমান, তার স্ত্রী জুবাইদা রহমান, কন্যা জাইমা রহমান, ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রীসহ পরিবারের সদস্যরা বাসে রয়েছেন। এ ছাড়া বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও খালেদা জিয়ার স্বজনেরাও গাড়িবহরে রয়েছেন। সেখানে জানাজা শেষে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সমাধির পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন বেগম খালেদা জিয়া। আরটিভি/এএ   
‘আপসহীন নক্ষত্রের মহাপ্রয়াণ, আপনার প্রতি রইল বিনম্র শ্রদ্ধা’
মায়ের মৃত্যুবার্ষিকীতে আক্ষেপের কথা জানালেন দীঘি
ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। আজ ২৯ ডিসেম্বর তার মা প্রয়াত অভিনেত্রী দোয়েলের ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী। মাকে স্মরণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন এক স্ট্যাটাস দিয়ে  দীঘি। ফেসবুকে মায়ের সঙ্গে তোলা একটি ছবি শেয়ার করে দীঘি লিখেছেন, মাম্মি, আজ তোমার ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী। কী যে অদ্ভুত লাগে-দেখতে দেখতে ১৪ বছর হয়ে গেল। তোমাকে ছাড়া কিছুই বুঝে উঠতে পারি না। পুরো বছর অনেক শক্ত থাকলেও আজকের দিনটা এলে আমি একদম ভেঙে পড়ি। যত বড় হচ্ছি, ততই আক্ষেপ হচ্ছে কেন তুমি চলে গেলে। অনেক ভালোবাসি তোমাকে, মাম্মি। স্ট্যাটাসে তিনি আরও লেখেন, এই পৃথিবীতে কোনো শক্তিই নেই যা তোমার অভাব পূরণ করতে পারে। সবার কাছে আমার মায়ের জন্য দোয়া চাই। ১৯৮২ সালে চাষী নজরুল ইসলামের ‘চন্দ্রনাথ’ সিনেমায় অভিনয়ের মধ্য দিয়ে বড় পর্দায় পা রাখেন দীঘির মা দোয়েল। তার অভিনীত সর্বশেষ সিনেমা কাজী হায়াতের ‘কাবুলিওয়ালা’। বাবা শাহরুখ ফারদিন সুব্রত চলচ্চিত্র অভিনেতা। গ্রামীণফোনের একটি বিজ্ঞাপনে অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকের নজরে আসেন দীঘি। কাজী হায়াৎ পরিচালিত কাবুলিওয়ালা চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় তার। অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বেশ সক্রিয় এই অভিনেত্রী। আরটিভি/এএ 
মায়ের মৃত্যুবার্ষিকীতে আক্ষেপের কথা জানালেন দীঘি
ফের মা হওয়ার গুঞ্জন, অবশেষে মুখ খুললেন বুবলী
সংবাদপাঠিকা থেকে চলচ্চিত্রে নাম লেখান নায়িকা শবনম বুবলী। ‘বসগিরি’ দিয়ে রুপালি পর্দায় পা রেখে দুই ডজনের মতো চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। চলচ্চিত্রের পাশাপাশি ফটোশুট, শোরুম উদ্বোধন নিয়ে ব্যস্ত সময় যাচ্ছে তার। এসবের মাঝেই ফের শাকিব খান আর বুবলীকে নিয়ে আবার নতুন গুঞ্জন চাউর হয়েছে। বুবলী নাকি অন্তঃসত্ত্বা হয়েছেন।  সম্প্রতি কলকাতার দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকার অনলাইন ভার্সন এ খবরটি প্রকাশ করে। যেখানে বলা হয়, বাংলাদেশের তারকা শাকিব খানকে নিয়ে তার দুই স্ত্রীর ‘দড়ি টানাটানি’ নতুন নয়। শাকিবের প্রথম স্ত্রী অপু বিশ্বাস, দ্বিতীয় স্ত্রী বুবলী। অভিনেতার দাবি, দুজনই তার প্রাক্তন। তবে দুই পুত্রসন্তানের প্রতি কর্তব্য পালনে অবিচল শাকিব। সম্প্রতি দ্বিতীয় স্ত্রী শবনম বুবলী ও পুত্র বীরকে নিয়ে আমেরিকায় লম্বা ছুটি কাটিয়ে আসেন অভিনেতা। তারপর বুবলী প্রকাশ্যে আসতেই সমালোচনা। বুবলী নাকি অন্তঃসত্ত্বা!  এদিকে, সম্প্রতি বাংলাদেশের একটি অনুষ্ঠানে যোগদান করেন বুবলী। সেখানে নৃত্যপরিবেশন করেন অভিনেত্রী। পরনে ছিল ঘাগরা। দর্শকের সঙ্গে বেশ কিছু ছবিও তোলেন। সেই ছবি প্রকাশ্যে আসতেই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল। নেট নাগরিকদের একটা বড় অংশের দাবি, বুবলী নাকি অন্তঃসত্ত্বা। আরও পড়ুন ফের বুবলীর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার গুঞ্জন তবে এ ধরনের খবরে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন শবনম বুবলী। তিনি বলেন, আমার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের গুজব রটেছে। এবারের খবরটিও সম্পূর্ণ গুজব। এর কোনো ভিত্তি নেই। ২০১৮ সালের ২০ জুলাই শাকিব খানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন শবনম বুবলী। এরপর ২০২০ সালের ২১ মার্চ সন্তানের বাবা-মা হন তারা। এ ঘটনার বেশকিছুদিন পর দুজনের আইডি থেকে সন্তানের নামসহ ছবি প্রকাশ করেন। জানান, তাদের ছেলের নাম ‘শেহজাদ খান বীর’। প্রথমবার মা হওয়ার আগেও বুবলীর অন্তঃসত্ত্বা হওয়া নিয়ে নানা আলোচনা হয়েছিল। তখন তিনি স্বামী বা সন্তানের বাবার পরিচয় প্রকাশ করেননি। পরে সন্তানসহ মিডিয়ার সামনে এসে জানান, শাকিব খানই তার স্বামী। এই প্রেক্ষাপটের কারণেই এবারও তার অন্তঃসত্ত্বা হওয়া নিয়ে গুঞ্জন ছড়িয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে। আরটিভি/এএ 
ফের মা হওয়ার গুঞ্জন, অবশেষে মুখ খুললেন বুবলী
তোদের আসল রূপ দেখালি, এনসিপি প্রসঙ্গে সোহেল রানা
চলচ্চিত্র অভিনেতা, পরিচালক ও প্রযোজক মাসুদ পারভেজ ওরফে সোহেল রানা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ‘ওরা ১১ জন’ চলচ্চিত্রের প্রযোজক তিনি। বয়সের ভারে এখন আর ক্যামেরার সামনে নিয়মিত দেখা যায় না এই কিংবদন্তি অভিনেতাকে। বার্ধক্যের কারণে বেশিরভাগ সময় কাটছে বাসাতেই। তবে চলচ্চিত্রের প্রতি টান, সহকর্মীদের প্রতি আবেগ আর দেশবাসীর প্রতি দায়িত্ববোধ এখনো অনুভব করেন তিনি।   সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মাঝে মাঝেই বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে নিজের মতামত জানান সোহেল রানা। সেই ধারাবাহিকতায় এবার তিনি কথা বললেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি)কে নিয়ে।  রাষ্ট্র সংস্কারের লক্ষ্যকে সামনে রেখে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট করার সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে এই সমঝোতার বিষয়টি প্রকাশ্যে এলেও এনসিপি নেতৃত্ব জোর দিয়ে বলছে—এই জোটের কেন্দ্রবিন্দুতে কোনো আদর্শগত আপস নয়, বরং রাষ্ট্র সংস্কারই রয়েছে। এই নিয়ে যখন কথা হচ্ছে তখন অভিনেতা ও মুক্তিযোদ্ধা মাসুদ পারভেজ সোহেল রানাও চুপ থাকলেন না। এনসিপিকে নিয়ে বললেন, সেই তো তোদের আসল রূপ দেখালি, তবে এত দিন জনগণকে কেন বোকা বানালি। এনসিপির নাম না উল্লেখ করলেও পোস্টের কমেন্টে বক্সে সেটা স্পষ্ট হয়।  একজন ছাত্রনেতা হিসেবে রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন এবং মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে রণাঙ্গনে ঝাঁপিয়ে পড়েন সোহেল রানা। যুদ্ধের পর তিনি চলচ্চিত্র জগতে আসেন এবং প্রযোজক হিসেবে ‘ওরা ১১ জন’ (১৯৭২) নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন, যেখানে মুক্তিযোদ্ধাদেরই অভিনয় করানো হয়েছিল। আরটিভি/এএ 
তোদের আসল রূপ দেখালি, এনসিপি প্রসঙ্গে সোহেল রানা
ফের বুবলীর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার গুঞ্জন
সংবাদপাঠিকা থেকে চলচ্চিত্রে নাম লেখান নায়িকা শবনম বুবলী। ‘বসগিরি’ দিয়ে রুপালি পর্দায় পা রেখে দুই ডজনের মতো চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। চলচ্চিত্রের পাশাপাশি ফটোশুট, শোরুম উদ্বোধন নিয়ে ব্যস্ত সময় যাচ্ছে তার। এসবের মাঝেই ফের শাকিব খান আর বুবলীকে নিয়ে আবার নতুন গুঞ্জন চাউর হয়েছে। বুবলী নাকি অন্তঃসত্ত্বা হয়েছেন।  সম্প্রতি কলকাতার দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকার অনলাইন ভার্সন এ খবরটি প্রকাশ করে। যেখানে বলা হয়, বাংলাদেশের তারকা শাকিব খানকে নিয়ে তার দুই স্ত্রীর ‘দড়ি টানাটানি’ নতুন নয়। শাকিবের প্রথম স্ত্রী অপু বিশ্বাস, দ্বিতীয় স্ত্রী বুবলী। অভিনেতার দাবি, দুজনই তার প্রাক্তন। তবে দুই পুত্রসন্তানের প্রতি কর্তব্য পালনে অবিচল শাকিব। সম্প্রতি দ্বিতীয় স্ত্রী শবনম বুবলী ও পুত্র বীরকে নিয়ে আমেরিকায় লম্বা ছুটি কাটিয়ে আসেন অভিনেতা। তারপর বুবলী প্রকাশ্যে আসতেই সমালোচনা। বুবলী নাকি অন্তঃসত্ত্বা!  এদিকে, সম্প্রতি বাংলাদেশের একটি অনুষ্ঠানে যোগদান করেন বুবলী। সেখানে নৃত্যপরিবেশন করেন অভিনেত্রী। পরনে ছিল ঘাগরা। দর্শকের সঙ্গে বেশ কিছু ছবিও তোলেন। সেই ছবি প্রকাশ্যে আসতেই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল। নেট নাগরিকদের একটা বড় অংশের দাবি, বুবলী নাকি অন্তঃসত্ত্বা।  এরআগে, ২০২০ সালে প্রথমবার মা হন বুবলী। যদিও ছেলের জন্মের খবর প্রকাশ্যে এনেছেন প্রায় দুই বছর পরে। সেই সময়ে এ খবরে প্রায় ঝড় ওঠে।  শাকিব খানের সঙ্গে বুবলীর ‘বীর’ ছিল সবশেষ সিনেমা। ছবিটি মুক্তি পায় ২০২০ সালে। এরপর হুট করেই  আমেরিকায় চলে যান বুবলী। সেসময়ই তার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার গুঞ্জন চরমে ওঠে। এমনকি ‘বীর’ ছবি চলাকালীন বেশ গোপনীতাও রক্ষা করে শুটিং করা হয়। তখন কোন গণমাধ্যমের সঙ্গেও কথা বলেননি এই নায়িকা।   পরবর্তীতে  হঠাৎ আমেরিকায় চলে যাওয়া প্রসঙ্গে বুবলী বলেন, বীর মুক্তি পাওয়ার কিছুদিন পরই আমি দেশের বাইরে যাই। ২০১৯ সাল থেকেই আমি পরিকল্পনা করছিলাম, দেশের বাইরে যাওয়ার। অ্যাকচুয়েল কোনো পরিকল্পনা ছিল না। যেহেতু কাজের চাপ নেই, হাতে থাকা ছবির কাজও শেষ করেছি, তাই ভাবলাম দেশের বাইরে যাই। তখন আমি আমেরিকায় যাই। বুবলী জানিয়েছিলে, ফিল্ম রিলেটেড কোর্স করতেই তার নিউইয়র্কে যাওয়া। সেখানে নিউইয়র্ক ফিল্ম একাডেমিতে অ্যাক্টিং ফর ফিল্ম ওয়ার্কশপের ওপর একটি কোর্স করেছেন তিনি।  অন্তঃসত্ত্বা ও সন্তানের মা হওয়ার গুঞ্জনকে উড়িয়ে দিয়ে বুবলী বলেছিলেন, আসলে আমার প্রেম, বিয়ে, সংসার, সন্তান এসব নিয়ে সব সময় নানা ধরনের কথা হয়েছে। আমার কাছে মনে হয়, ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কথা নাই বলি। সময়ের সঙ্গে সবকিছুই পরিষ্কার হবে। আমরা যারা বিনোদন অঙ্গনে কাজ করি, কাজের জন্য সবাই আমাদের ভালোবাসেন। তাই আমিও চাই না, ব্যক্তিগত জীবন কাজের চেয়ে বেশি ফোকাসড হোক। শুরু থেকে আমি এভাবেই চলার চেষ্টা করেছি। একতরফা অনেকে অনেক কিছুই শোনেন, বাছবিচার করে ফেলবেন না যেন। এমনটা করবেন না। সময়টুকুর প্রতি সম্মান দিন। সবকিছু একটা নির্দিষ্ট সময় পর সবার কাছে পরিষ্কার হয়। আমি বলব, গল্পের পেছনেও অনেক গল্প থাকে, তাই আমরা আপাতত ওসবে কান না দিই। নানা নাটকীতার পর হুট করেই অপু বিশ্বাসের ছেলে জয়ের জন্মদিনে নিজের ‘বেবি বাম্প’র পুরোনো ছবি প্রকাশ্যে আনেন বুবলী। নেটমাধ্যমে শোরগোল পড়ে যায়। বুবলীর সন্তানের বাবা কে? জানার আগ্রহ ছিল সবার। যদিও ব্যাপারটা অনুমিতই ছিল। তারপরও অফিসিয়ালি শাকিব-বুবলী ঘোষণা দিলেন, শেহজাদ খান বীরের বাবা-মা তারাই। এরপর থেকেই শাকিব-বুবলীর সম্পর্কের শীতলতা প্রকাশ্যে আসে। বুবলী জানিয়েছিলেন, শাকিব খানের সঙ্গে ধর্মীয় আচার মেনে বিয়ে হয়েছে তার। তাদের সন্তানের জন্ম হয় আমেরিকায়।  এবার ফের অভিনেত্রী অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার গুঞ্জন। মাস কয়েক আগে ছেলে বীরের নাগরিকত্ব-সংক্রান্ত কাজে ফের আমেরিকায় যান দম্পতি। সমাজমাধ্যমে সেই ছবিও দেন। এদিকে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার গুঞ্জনের সত্যতা জানতে একাধিকবার বুবলীকে কল ও এসএমএস দেয়া হলেও কোন উত্তর মেলেনি।  যদিও বিশ্বস্ত সূত্রের খবর, বুবলীর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর ভিত্তিহীন।  আরটিভি/এএ    
ফের বুবলীর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার গুঞ্জন
আরও পড়ুন
না ফেরার দেশে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ ছবির প্রযোজক
সালমান শাহ হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ নিয়ে যা জানা গেল
সালমান হত্যা মামলায় আড়ালে থাকা ডন ফের প্রকাশ্যে
এবার সালমান-শাবনূর ইস্যু নিয়ে নায়িকা লিমার বিস্ফোরক মন্তব্য