ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত ইলিয়াস কাঞ্চন

বিনোদন ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০১ অক্টোবর ২০২৫, ০৭:১১ পিএম
চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন।

প্রখ্যাত চিত্রনায়ক ও নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ইলিয়াস কাঞ্চন ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘ সাত মাস ধরে অসুস্থ অবস্থায় আছেন। বর্তমানে তিনি লন্ডনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বুধবার (১ অক্টোবর) নিসচা আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ইলিয়াস কাঞ্চনের ছেলে মিরাজুল মইন জয় কানাডা থেকে ভার্চুয়ালি এক বক্তব্যে এই তথ্য জানান।

জয় জানান, এ বছরের শুরুতে তার বাবার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে শুরু করে। কথা বলার সময় আটকে যাওয়া ও স্মৃতিশক্তি হ্রাস পাওয়ার মতো সমস্যার মুখোমুখি হন তিনি। পরে গত ৯ এপ্রিল তাকে ঢাকার ধানমন্ডির আনোয়ার খান মডার্ণ হাসপাতালে নেওয়া হয়, যেখানে দীর্ঘ ৬ ঘণ্টা ধরে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মাথার এমআরআই করানো হয়। দুই দিন পর রিপোর্টে ব্রেন টিউমারের বিষয়টি ধরা পড়ে।

এরপর ১৩ এপ্রিল ইলিয়াস কাঞ্চনকে আগারগাঁওয়ের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসাইন্সে নেওয়া হয়, যেখানে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের একটি বোর্ড গঠন করে জানানো হয়, টিউমারটি মস্তিষ্কের গভীরে গুরুত্বপূর্ণ নার্ভের সংযোগস্থলে অবস্থান করায় অপারেশন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হবে।

ডাক্তারদের পরামর্শ অনুযায়ী, পরিবারের সিদ্ধান্তে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়া হয়। গত ২৬ এপ্রিল তিনি লন্ডনের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন। পরদিন থেকেই লন্ডনের হারলি স্ট্রিট ক্লিনিকে নিউরোসার্জনদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা শুরু হয়।

আরও পড়ুন

দীর্ঘ তিন মাস পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর গত ৫ আগস্ট লন্ডনের উইলিংটন হাসপাতালে প্রখ্যাত নিউরোসার্জন প্রফেসর ডিমিট্রিয়াসের নেতৃত্বে অভিনেতার ব্রেন সার্জারি সম্পন্ন হয়। তবে চিকিৎসকরা পূর্বেই জানিয়ে দেন, পুরো টিউমার অপসারণ করা সম্ভব নয়। এতে মারাত্মক জটিলতা ও জীবনহানির ঝুঁকি রয়েছে। তাই আংশিক টিউমার অপসারণ করা হয়, আর বাকি অংশ রেডিয়েশন ও কেমোথেরাপির মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

আগামী কিছুদিনের মধ্যেই শুরু হবে ছয় সপ্তাহব্যাপী রেডিয়েশন ও কেমোথেরাপির এই ধাপ। সপ্তাহে পাঁচ দিন করে মোট ৩০ দিন এই চিকিৎসা চলবে। এরপর আরও চার সপ্তাহ তিনি ডাক্তারদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকবেন।

আরটিভি/কেআই/এস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘আপসহীন নক্ষত্রের মহাপ্রয়াণ, আপনার প্রতি রইল বিনম্র শ্রদ্ধা’
বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মারা গেছেন। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার প্রয়াণ ঘটে।  আপসহীন এই নেত্রীর বিদায়ে সারাদেশে যেমন শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সামাজিক মাধ্যমে আবেগঘন বার্তা দিয়ে এই নেত্রীকে স্মরণ করছেন। তার মৃত্যুতে শোকের ছায়া মোটা দাগে পড়েছে দেশের সংস্কৃতি অঙ্গনে। শিল্পীদের সোশ্যাল হ্যান্ডেল ভারি হয়েছে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসনকে হারানোর বেদনায়।  নির্মাতা ও প্রযোজক এমডি ইকবাল বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তার ফেসবুকে লিখেছেন, আপসহীন নক্ষত্রের মহাপ্রয়াণ। শোক ও বিনম্র শ্রদ্ধা, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। মহান আল্লাহ তায়ালা যেন আপনাকে জান্নাতুল ফিরদাউসের সর্বোচ্চ স্থানে অধিষ্ঠিত করেন। আমিন। শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি রইলো আমার গভীর  সমবেদনা। খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন জটিলতাসহ নানা রোগে ভুগছিলেন। চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যের লন্ডনে যান খালেদা জিয়া। চিকিৎসা শেষে ৬ মে তিনি দেশে ফেরেন। সে সময় স্বাস্থ্যের কিছুটা উন্নতিও দেখা গিয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘদিনের শারীরিক জটিলতা এবং মানসিক ধকলের কারণে তিনি অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন। গত ২৩ নভেম্বর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে পুনরায় এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানে এক মাসের বেশি সময় চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ ভোরে তিনি চিকিৎসায় সাড়া দেওয়া বন্ধ করে দেন এবং চিরবিদায় নেন। আরও পড়ুন ‘শুধু তার সুন্দর হাসিটির জন্য জীবনের প্রথম ভোট বিএনপিকে দিয়েছিলাম’ বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে নেতৃত্ব দেওয়া খালেদা জিয়া ‘দেশনেত্রী’ হিসেবে জনগণের কাছে সমাদৃত ছিলেন। সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তার অটল ভূমিকার কারণে তাকে ‘আপসহীন’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। এদিকে, খালেদা জিয়ার মরদেহ জাতীয় পতাকায় মোড়ানো একটি গাড়িতে করে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) গুলশান থেকে জানাজার জন্য জাতীয় সংসদ ভবনে নেওয়া হয়েছে। গাড়িবহরে লাল সবুজ রঙের বাসটিও রয়েছে। তারেক রহমান, তার স্ত্রী জুবাইদা রহমান, কন্যা জাইমা রহমান, ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রীসহ পরিবারের সদস্যরা বাসে রয়েছেন। এ ছাড়া বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও খালেদা জিয়ার স্বজনেরাও গাড়িবহরে রয়েছেন। সেখানে জানাজা শেষে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সমাধির পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন বেগম খালেদা জিয়া। আরটিভি/এএ   
‘আপসহীন নক্ষত্রের মহাপ্রয়াণ, আপনার প্রতি রইল বিনম্র শ্রদ্ধা’
‘শুধু তার সুন্দর হাসিটির জন্য জীবনের প্রথম ভোট বিএনপিকে দিয়েছিলাম’
বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মারা গেছেন। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার প্রয়াণ ঘটে।  আপসহীন এই নেত্রীর বিদায়ে সারাদেশে যেমন শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সামাজিক মাধ্যমে আবেগঘন বার্তা দিয়ে এই নেত্রীকে স্মরণ করছেন।  বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোকের ছায়া মোটা দাগে পড়েছে দেশের সংস্কৃতি অঙ্গনে। শিল্পীদের সোশ্যাল হ্যান্ডেল ভারি হয়েছে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসনকে হারানোর বেদনায়।  জনপ্রিয় অভিনেতা নাসির উদ্দিন খানকেও ছুঁয়েছে শোক। তা প্রকাশের পাশাপাশি এ অভিনেতা সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন জীবনের প্রথম ভোট দেওয়ার গল্প। জানিয়েছেন, খালেদা জিয়ার মিষ্টি হাসির জন্য জীবনের প্রথম ভোট তিনি দিয়েছিলেন বিএনপির প্রতীক ধানের শীষে। নিজের ফেসবুকে আজ মঙ্গলবার নিজের ফেসবুকে নাসির উদ্দিন লিখেছেন, আমি রাজনীতি অপছন্দ করা একজন অতি সাধারণ ভোটার, তবে রাজনীতি সচেতন। এরপর লেখেন, ২০২৪ এ ভোট দিতে যাইনি, ‘৮৪০’ এর শুটিংয়ে দেশের বাইরে ছিলাম। ২০১৮ তে ভোট কেন্দ্রে যেতে ইচ্ছে হয়নি। ২০১৪ সালের ভোট দেওয়ার পেছনে গল্প বলেন নাসির। তার কথায়, ২০১৪ তে ভোট কেন্দ্রে গিয়েছিলাম ভোট দিতে নয়, কেন্দ্র পরিদর্শনে। সম্পূর্ণ অপরিচিত একজন প্রার্থীকে মার্কা সুন্দর দেখে ভোট দিয়েছিলাম। আমার ধারণা আমাদের কেন্দ্র থেকে তিনি যদি একটি ভোটও পেয়ে থাকেন, তাহলে সেটি আমার। এর আগের নির্বাচন গুলোতে আওয়ামিলীগ-বিএনপিকে মিলিয়ে-ঝুলিয়ে দিয়েছি। এরপর অভিনেতা বলেন জীবনের প্রথম ভোটের গল্প। নাসির লেখেন, তবে জীবনের প্রথম ভোটটি দিয়েছিলাম ১৯৯১ সালে, বিএনপিকে, তার একমাত্র কারণ বেগম খালেদা জিয়া; শুধু তার সুন্দর হাসিটির জন্যে। সবশেষে এ অভিনেতা লিখেছেন, বিদায় হে সাবেক প্রধানমন্ত্রী, আপনার রুহের মাগফিরাত কামনা করি। খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন জটিলতাসহ নানা রোগে ভুগছিলেন। চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যের লন্ডনে যান খালেদা জিয়া। চিকিৎসা শেষে ৬ মে তিনি দেশে ফেরেন। সে সময় স্বাস্থ্যের কিছুটা উন্নতিও দেখা গিয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘদিনের শারীরিক জটিলতা এবং মানসিক ধকলের কারণে তিনি অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন। গত ২৩ নভেম্বর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে পুনরায় এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানে এক মাসের বেশি সময় চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ ভোরে তিনি চিকিৎসায় সাড়া দেওয়া বন্ধ করে দেন এবং চিরবিদায় নেন। বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে নেতৃত্ব দেওয়া খালেদা জিয়া ‘দেশনেত্রী’ হিসেবে জনগণের কাছে সমাদৃত ছিলেন। সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তার অটল ভূমিকার কারণে তাকে ‘আপসহীন’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। আরটিভি/এএ 
‘শুধু তার সুন্দর হাসিটির জন্য জীবনের প্রথম ভোট বিএনপিকে দিয়েছিলাম’
মায়ের মৃত্যুবার্ষিকীতে আক্ষেপের কথা জানালেন দীঘি
ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। আজ ২৯ ডিসেম্বর তার মা প্রয়াত অভিনেত্রী দোয়েলের ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী। মাকে স্মরণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন এক স্ট্যাটাস দিয়ে  দীঘি। ফেসবুকে মায়ের সঙ্গে তোলা একটি ছবি শেয়ার করে দীঘি লিখেছেন, মাম্মি, আজ তোমার ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী। কী যে অদ্ভুত লাগে-দেখতে দেখতে ১৪ বছর হয়ে গেল। তোমাকে ছাড়া কিছুই বুঝে উঠতে পারি না। পুরো বছর অনেক শক্ত থাকলেও আজকের দিনটা এলে আমি একদম ভেঙে পড়ি। যত বড় হচ্ছি, ততই আক্ষেপ হচ্ছে কেন তুমি চলে গেলে। অনেক ভালোবাসি তোমাকে, মাম্মি। স্ট্যাটাসে তিনি আরও লেখেন, এই পৃথিবীতে কোনো শক্তিই নেই যা তোমার অভাব পূরণ করতে পারে। সবার কাছে আমার মায়ের জন্য দোয়া চাই। ১৯৮২ সালে চাষী নজরুল ইসলামের ‘চন্দ্রনাথ’ সিনেমায় অভিনয়ের মধ্য দিয়ে বড় পর্দায় পা রাখেন দীঘির মা দোয়েল। তার অভিনীত সর্বশেষ সিনেমা কাজী হায়াতের ‘কাবুলিওয়ালা’। বাবা শাহরুখ ফারদিন সুব্রত চলচ্চিত্র অভিনেতা। গ্রামীণফোনের একটি বিজ্ঞাপনে অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকের নজরে আসেন দীঘি। কাজী হায়াৎ পরিচালিত কাবুলিওয়ালা চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় তার। অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বেশ সক্রিয় এই অভিনেত্রী। আরটিভি/এএ 
মায়ের মৃত্যুবার্ষিকীতে আক্ষেপের কথা জানালেন দীঘি
ফের মা হওয়ার গুঞ্জন, অবশেষে মুখ খুললেন বুবলী
সংবাদপাঠিকা থেকে চলচ্চিত্রে নাম লেখান নায়িকা শবনম বুবলী। ‘বসগিরি’ দিয়ে রুপালি পর্দায় পা রেখে দুই ডজনের মতো চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। চলচ্চিত্রের পাশাপাশি ফটোশুট, শোরুম উদ্বোধন নিয়ে ব্যস্ত সময় যাচ্ছে তার। এসবের মাঝেই ফের শাকিব খান আর বুবলীকে নিয়ে আবার নতুন গুঞ্জন চাউর হয়েছে। বুবলী নাকি অন্তঃসত্ত্বা হয়েছেন।  সম্প্রতি কলকাতার দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকার অনলাইন ভার্সন এ খবরটি প্রকাশ করে। যেখানে বলা হয়, বাংলাদেশের তারকা শাকিব খানকে নিয়ে তার দুই স্ত্রীর ‘দড়ি টানাটানি’ নতুন নয়। শাকিবের প্রথম স্ত্রী অপু বিশ্বাস, দ্বিতীয় স্ত্রী বুবলী। অভিনেতার দাবি, দুজনই তার প্রাক্তন। তবে দুই পুত্রসন্তানের প্রতি কর্তব্য পালনে অবিচল শাকিব। সম্প্রতি দ্বিতীয় স্ত্রী শবনম বুবলী ও পুত্র বীরকে নিয়ে আমেরিকায় লম্বা ছুটি কাটিয়ে আসেন অভিনেতা। তারপর বুবলী প্রকাশ্যে আসতেই সমালোচনা। বুবলী নাকি অন্তঃসত্ত্বা!  এদিকে, সম্প্রতি বাংলাদেশের একটি অনুষ্ঠানে যোগদান করেন বুবলী। সেখানে নৃত্যপরিবেশন করেন অভিনেত্রী। পরনে ছিল ঘাগরা। দর্শকের সঙ্গে বেশ কিছু ছবিও তোলেন। সেই ছবি প্রকাশ্যে আসতেই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল। নেট নাগরিকদের একটা বড় অংশের দাবি, বুবলী নাকি অন্তঃসত্ত্বা। আরও পড়ুন ফের বুবলীর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার গুঞ্জন তবে এ ধরনের খবরে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন শবনম বুবলী। তিনি বলেন, আমার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের গুজব রটেছে। এবারের খবরটিও সম্পূর্ণ গুজব। এর কোনো ভিত্তি নেই। ২০১৮ সালের ২০ জুলাই শাকিব খানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন শবনম বুবলী। এরপর ২০২০ সালের ২১ মার্চ সন্তানের বাবা-মা হন তারা। এ ঘটনার বেশকিছুদিন পর দুজনের আইডি থেকে সন্তানের নামসহ ছবি প্রকাশ করেন। জানান, তাদের ছেলের নাম ‘শেহজাদ খান বীর’। প্রথমবার মা হওয়ার আগেও বুবলীর অন্তঃসত্ত্বা হওয়া নিয়ে নানা আলোচনা হয়েছিল। তখন তিনি স্বামী বা সন্তানের বাবার পরিচয় প্রকাশ করেননি। পরে সন্তানসহ মিডিয়ার সামনে এসে জানান, শাকিব খানই তার স্বামী। এই প্রেক্ষাপটের কারণেই এবারও তার অন্তঃসত্ত্বা হওয়া নিয়ে গুঞ্জন ছড়িয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে। আরটিভি/এএ 
ফের মা হওয়ার গুঞ্জন, অবশেষে মুখ খুললেন বুবলী
তোদের আসল রূপ দেখালি, এনসিপি প্রসঙ্গে সোহেল রানা
চলচ্চিত্র অভিনেতা, পরিচালক ও প্রযোজক মাসুদ পারভেজ ওরফে সোহেল রানা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ‘ওরা ১১ জন’ চলচ্চিত্রের প্রযোজক তিনি। বয়সের ভারে এখন আর ক্যামেরার সামনে নিয়মিত দেখা যায় না এই কিংবদন্তি অভিনেতাকে। বার্ধক্যের কারণে বেশিরভাগ সময় কাটছে বাসাতেই। তবে চলচ্চিত্রের প্রতি টান, সহকর্মীদের প্রতি আবেগ আর দেশবাসীর প্রতি দায়িত্ববোধ এখনো অনুভব করেন তিনি।   সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মাঝে মাঝেই বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে নিজের মতামত জানান সোহেল রানা। সেই ধারাবাহিকতায় এবার তিনি কথা বললেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি)কে নিয়ে।  রাষ্ট্র সংস্কারের লক্ষ্যকে সামনে রেখে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট করার সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে এই সমঝোতার বিষয়টি প্রকাশ্যে এলেও এনসিপি নেতৃত্ব জোর দিয়ে বলছে—এই জোটের কেন্দ্রবিন্দুতে কোনো আদর্শগত আপস নয়, বরং রাষ্ট্র সংস্কারই রয়েছে। এই নিয়ে যখন কথা হচ্ছে তখন অভিনেতা ও মুক্তিযোদ্ধা মাসুদ পারভেজ সোহেল রানাও চুপ থাকলেন না। এনসিপিকে নিয়ে বললেন, সেই তো তোদের আসল রূপ দেখালি, তবে এত দিন জনগণকে কেন বোকা বানালি। এনসিপির নাম না উল্লেখ করলেও পোস্টের কমেন্টে বক্সে সেটা স্পষ্ট হয়।  একজন ছাত্রনেতা হিসেবে রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন এবং মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে রণাঙ্গনে ঝাঁপিয়ে পড়েন সোহেল রানা। যুদ্ধের পর তিনি চলচ্চিত্র জগতে আসেন এবং প্রযোজক হিসেবে ‘ওরা ১১ জন’ (১৯৭২) নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন, যেখানে মুক্তিযোদ্ধাদেরই অভিনয় করানো হয়েছিল। আরটিভি/এএ 
তোদের আসল রূপ দেখালি, এনসিপি প্রসঙ্গে সোহেল রানা
আরও পড়ুন
ইলিয়াস কাঞ্চনের সবশেষ অবস্থা নিয়ে যা জানা গেল
ছয় সপ্তাহের রেডিওথেরাপি শেষে যেমন আছেন ইলিয়াস কাঞ্চন 
ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত ইলিয়াস কাঞ্চন, সবশেষ যা জানা গেল
ফের ছড়িয়ে পড়েছে ইলিয়াস কাঞ্চনের মৃত্যুর খবর, যা জানা গেল