ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

চট্টগ্রামে নান্দীমুখের আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসব শুরু ১৪ নভেম্বর

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০১৯, ০৮:৩৭ পিএম

বাংলাদেশের অন্যতম নাট্য সংগঠন নান্দীমুখ-এর পথচলার ৩০ বছর উপলক্ষে বছরব্যাপী অনুষ্ঠানমালার প্রথম আয়োজন ‘নান্দীমুখ আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসব ২০১৯’ আগামী ১৪ নভেম্বর শুরু হবে। চট্টগ্রাম শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিতব্য এই উৎসব চলবে ২২ নভেম্বর পর্যন্ত।

এবারের উৎসবে ভারত, ইরান, স্পেন ও বাংলাদেশের আটটি নাট্যদল তাদের প্রশংসিত প্রযোজনা মঞ্চস্থ করবে। এছাড়া ‘বাংলা রাজনৈতিক থিয়েটার ও উৎপল দত্ত’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনারও অনুষ্ঠিত হবে। প্রতি বছরের মতো এবারও নান্দীমুখ সারাদেশের চারজন প্রতিশ্রুতিবান নাট্য নির্দেশককে নান্দীমুখ সম্মাননা প্রদান করবে।

১৪ নভেম্বর বিকেল সাড়ে ৫টায় এই উৎসবের উদ্বোধন করবেন বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশান এর সম্মানিত চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক নাট্যজন লিয়াকত আলী লাকী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন দেশবরেণ্য নাট্যব্যক্তিত্ব ও বিশ্ব আইটিআইয়ের সম্মানিক সভাপতি রামেন্দু মজুমদার। অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ভারতীয় দূতাবাস, চট্টগ্রাম এর সহকারী হাইকমিশনার অনিন্দ্য ব্যানার্জি ও বিশিষ্ট নাট্য গবেষক আশীষ গোস্বামী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন নান্দীমুখ এর দলীয় প্রধান অভিজিৎ সেনগুপ্ত।

১৪ নভেম্বর আয়োজক সংগঠক নান্দীমুখ মঞ্চস্থ করবে তাদের বহুল প্রশংসিত প্রযোজনা ‘আমার আমি’। ১৫ নভেম্বর সকাল ১০টায় রয়েছে সেমিনার। সেমিনারের শিরোনাম ‘বাংলা রাজনৈতিক থিয়েটার ও উৎপল দত্ত’। প্রবন্ধটি উপস্থাপন করবেন বিশিষ্ট নাট্য গবেষক আশীষ গোস্বামী। আলোচক হিসেবে থাকবেন কলকাতার ভাবনা থিয়েটার পত্রিকার সম্পাদক অভিক ভট্টাচার্য এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষক ড. কুন্তল বড়ুয়া।

১৬ নভেম্বর তির্যক নাট্যগোষ্ঠী মঞ্চস্থ করবে ‘রোমিও জুলিয়েট’, ১৭ নভেম্বর ভারতের আমতা পরিচয় মঞ্চস্থ করবে ‘সাবিত্রীবাঈ ফুলে’, ১৮ নভেম্বর ভারতের প্রান্তিক মঞ্চস্থ করবে ‘গওহরজান’, ১৯ নভেম্বর স্পেন এর মুন প্যালেস মঞ্চস্থ করবে ‘ডিলেমাস উইথ মাই ফ্লামেনকো টেইলকোট’, ২০ নভেম্বর ভারতের চাকদহ নাট্যজন মঞ্চস্থ করবে ‘বিল্বমঙ্গল’, ২১ নভেম্বর ইরানের ক্রেজি বডি গ্রুপ মঞ্চস্থ করবে ‘মিস্টিরিয়াস গিফ্ট’ এবং ২২ নভেম্বর ভারতের জ্যোতি ডোগরা গ্রুপ মঞ্চস্থ করবে ‘ব্ল্যাক হোল’।

আন্তর্জাতিক এই নাট্যোৎসব প্রসঙ্গে নান্দীমুখ এর দলীয় প্রধান অভিজিৎ সেনগুপ্ত আরটিভি অনলাইনকে বলেন, আমরা এর আগেও এক বছর পর পর আন্তর্জাতিক উৎসব করতাম। কিন্তু এবার যে অভিজ্ঞতা হলো সেটি অনেক কষ্টের। কারণ বিদেশি নাট্যদল আনার ক্ষেত্রে অনুমতির যে নিয়ম সেটি অনেক কঠিন। সেটি ভবিষ্যতে সহজ না করলে এমন উৎসব করা যাবে কিনা, সেটি ভবিতব্যই বলে দেবে। আর একটি বিষয় হচ্ছে অর্থ। আমাদের চেয়ে নিম্নমানের কোনো কোনো অনুষ্ঠান-উৎসবে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় আর্থিক সহযোগিতা করে থাকে। কিন্তু আমরা অনেক চেষ্টা করেও পেলাম না। এটি আরেকটি কষ্টের কারণ। এতোকিছুর পরেও আমাদের মূল লক্ষ্য বিশ্ব নাটকের সঙ্গে বাংলা নাটকের যোগসূত্র এবং নতুন দর্শক তৈরি করা। আশা করি সেটা করতে আমরা সফল হবো।

পি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আজীবন সম্মাননা পেলেন নাট্যব্যক্তিত্ব আতাউর রহমান
আমাদের এই বাংলাদেশের আকাশ থেকে মানবতার সূর্য উদিত হবে। আমরা একদিন পূর্ব আকাশে ধ্রুব তারা হয়ে জ্বল জ্বল করে জ্বলব। বলেছেন বরেণ্য নাট্যব্যক্তিত্ব আতাউর রহমান। শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ছিল রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আরটিভির নবম স্টার অ্যাওয়ার্ড ২০১৯ অনুষ্ঠান। এবারের আয়োজনে আজীবন সম্মননা পেয়েছেন তিনি। সম্মননা নিয়ে অনুভূতির কথা জানান বিশিষ্ট এই অভিনেতা। তিনি বলেন, জীবনটাই উদযাপন। আমি সব সময় বলি জন্মে উদযাপন, মৃত্যুতেও উদযাপন। আমরা উদযাপনই করে চলছি। আরটিভির সঙ্গে আমার সম্পৃক্ততা বহুদিনের, বেশ পুরোনো। আমি খুশি হয়েছি যে তারা আমার পদকটি দিয়েছে। নিজের কানে শুনে যেতে পারলাম। আমি প্রয়াত কোনও পদকে বিশ্বাস করি না। যেদিন আমি একুশে পদক পেয়েছিলাম, সেদিন ঘুমের মধ্যে শূন্যে উড়েছি।  তখনই রবীন্দ্রনাথের কবিতা মনে পড়েছিল 'নিজেরে করিতে গৌরব দান, নিজেরে কেবলি করি অপমান'। তখনই মনে হয়েছিল মোহমুক্তির সাধনায় নিজেকে লিপ্ত করতে পারলে ভালো হতো। সবই আছে আবার সব যেন ছেড়ে যেতে পারি এই মনের জোর থাকুক। আরটিভি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত, বাঙালি সংস্কৃতির প্রতি অনুরক্ত। আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি, রবীন্দ্রনাথ 'ক্রাইসিস অব সিভিলাইজেশন' সভ্যতার সংকটে বলেছেন, 'যত ঝড় ঝঞ্ঝাই হোক মানবতার সূর্য, সম্প্রীতর সূর্য, সৌহার্দের সূর্য পূর্ব আকাশ থেকে উদিত হবে'। আমি বিশ্বাস করি, আমাদের এই বাংলাদেশের আকাশ থেকে মানবতার সূর্য উদিত হবে। আমরা একদিন পূব আকাশে ধ্রুব তারা হয়ে জ্বল জ্বল করে জ্বলব।     অনুষ্ঠানে আতাউর রহমানের হাতে সম্মাননা তুলে দেন আরটিভির চেয়ারম্যান আলহাজ মোরশেদ আলম এমপি, আরটিভির পরিচালক বেগম বিলকিস নাহার ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আশিক রহমান। আতাউর রহমানকে উত্তরীয় পরিয়ে দেন আরটিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমায়ুন কবির বাবলু। আতাউর রহমানের জন্ম ১৯৪১ সালে নোয়াখালীতে। স্কুলজীবন থেকেই সাংস্কৃতিক অঙ্গনে তার পথচলা। ষাটের দশকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালীন ২১ ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল থেকে আব্দুল্লাহ আল মামুনের সঙ্গে প্রথম মঞ্চ নাটক করেন। ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়ের সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হন তিনি। পর্যায়ক্রমে নাট্যাঙ্গনে নিজেকে সমৃদ্ধ করেন তিনি। মঞ্চ নাটকের নির্দেশনার পাশাপাশি আতাউর রহমান রেডিও, টেলিভিশনেও অভিনয় করেছেন। লিখেছেন নাট্য বিষয়ক বই। নাট্যসমালোচক, উপস্থাপক, শিক্ষক, নাট্যকার, প্রবন্ধকার ও বক্তা হিসেবেও তার যথেষ্ট সুনাম রয়েছে। জিএ/এম
আজীবন সম্মাননা পেলেন নাট্যব্যক্তিত্ব আতাউর রহমান
চাইনিজ নিউ ইয়ারে মালয়েশিয়া মাতাবে মনির খান, সালমা ও পপি
চাইনিজ নিউ ইয়ারে মালয়েশিয়া মাতাবে বাংলাদেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী মনির খান, ক্লোজআপ তারকা সালমা ও চিত্র নায়িকা পপিসহ একঝাঁক তারকা। আগামী ২৫ জানুয়ারি যোহর বারুর পারসাদা জোহর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে এবং ২৭ জানুয়ারি কুয়ালালামপুরের টুইন টাওয়ার সংলগ্ন উইসমা এমসিএ হলে বাংলাদেশি কনসার্ট ও মিট দ্য এনআরবি-তে পারফর্ম করবেন তারা। এছাড়া পারফর্ম করবেন শিল্পী ফকির শাহাবুদ্দিন, চিত্রনায়িকা বিন্দিয়া, নাট্য শিল্পী ও মডেল নাজিয়া মৌ, ক্ষুদে গানরাজ খ্যাত শিল্পী শেনিজ ও উপস্ রূম্পা। মিডিয়া রিফ্লেকশন ও টিউলিপ এন্টারটেইনমেন্টের এই যৌথ আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা করবে স্থানীয় ইভেন্ট কোম্পানি ইকার্ল গ্লোবাল। এই উপলক্ষে কুয়ালালামপুরের বুকিত বিন্তাংয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন টিউলিপ এন্টারটেইনমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলমগীর আহমেদ। এসময় মিডিয়া রিফ্লেকশনের পক্ষে বিশ্বাস এ মালেক টিপু বলেন, এখানে বাংলাদেশের কৃষ্টি ও সংস্কৃতি তুলে ধরার পাশাপাশি বৈধ উপায়ে দেশে রেমিটেন্স পাঠাতে প্রবাসীদেরকে উৎসাহিত করতে আমাদের এই আয়োজন। কে
চাইনিজ নিউ ইয়ারে মালয়েশিয়া মাতাবে মনির খান, সালমা ও পপি
বাকশিল্পাচার্য নরেন বিশ্বাস জয়ন্তী উদযাপন করল কণ্ঠশীলন
বাকশিল্পাচার্য অধ্যাপক নরেন বিশ্বাস-এর জন্মদিনে তাঁকে স্মরণ করল সাহিত্যের বাচিক চর্চা ও প্রসার প্রতিষ্ঠান কণ্ঠশীলন। রাজধানীর কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরির শওকত ওসমান স্মৃতি মিলনায়তনে শনিবার সন্ধ্যায় নরেন বিশ্বাস জয়ন্তীর আয়োজন করে আবৃত্তির এই সংগঠনটি। অনুষ্ঠানের শুরুতে নরেন বিশ্বাসকে নিবেদন করে সংগীত পরিবেশন করেন তানজীনা তমা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অধ্যাপক নরেন বিশ্বাসের জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের সংখ্যাতিরিক্ত অধ্যাপক নিরঞ্জন অধিকারী। তিনি অধ্যাপক নরেন বিশ্বাসের বাংলা ভাষা নিয়ে আজীবন কাজ করার যে পরিক্রমা তা বর্ণনা করেন। বাংলা ভাষার প্রমিত উচ্চারিত রূপের জন্য তাঁর আত্মত্যাগ, নিরলস কর্ম পরিচালনা, সকল কিছু ভুলে গিয়ে শুধু ভাষা নিয়েই তাঁর নিবিড় গবেষণার কথা উল্লেখ করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস, প্রতি শুক্রবারের কণ্ঠশীলনের ক্লাস, বিভিন্ন আবৃত্তি ও নাটকের দলের ক্লাসে তার কোনো বিরতি ছিল না। একসময় তিনি চোখের দৃষ্টি হারিয়ে ফেলেন। প্রায় অন্ধ চোখে অন্যের হাত ধরে চট্টগ্রাম পর্যন্ত চলে যেতেন উচ্চারণের ক্লাস নিতে। তাঁর ক্লাসে শিক্ষার্থীরা শিক্ষা ও আনন্দ দুটোই গ্রহণ করতেন। অনুষ্ঠানে আরও আলোচনা করেন কণ্ঠশীলন অধ্যক্ষ মীর বরকত, সভাপতি গোলাম সারোয়ার এবং সাধারণ সম্পাদক রইস উল ইসলাম। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে একক আবৃত্তি পরিবেশন করেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দসৈনিক, আবৃত্তিশিল্পী আশরাফুল আলম, বেলায়েত হোসেন, রূপা চক্রবর্তী, ড. শাহাদাত হোসেন নিপু, রফিকুল ইসলাম, রেজীনা ওয়ালী লীনা, ইকবাল খোরশেদ, কাজী মাহতাব সুমন, ফয়জুল আলম পাপপু, মাসুদুজ্জামান, ফয়জুল্লাহ সাঈদ, আহসান উল্লাহ তমাল, মিজানুর রহমান সজল, খালেক মল্লিক, এসএম লুৎফুল কবির, নায়লা তারান্নুম চৌধুরী কাকলি, মোস্তফা কামাল, বিলকিস আহমদ, তামান্না তিথি, সামসুজ্জামান বাবু, নাজমুল আহসান তরুণ, সুবর্ণা আরফিন, জালাল উদ্দিন হীরা, সুপ্রভা সেবতি ও নাজনীন নাজ। পি
বাকশিল্পাচার্য নরেন বিশ্বাস জয়ন্তী উদযাপন করল কণ্ঠশীলন
মালয়েশিয়ায় শেষ মুখোশ
বাংলাদেশের থিয়েটারের বিস্তারে এবং দক্ষ থিয়েটার কর্মী তৈরিতে কাজ করে চলেছে প্রাচ্যনাট থিয়েটার গ্রুপ। দেশ এবং দেশের বাহিরে নিজেদের কাজের বিস্তৃতি ছড়িয়েছে প্রাচ্যনাট। বিগত দুই বছর যাবত সিঙ্গাপুরে বার্ডস থিয়েটারের উদ্যোগে এশিয়ার বিভিন্ন নাটকের দলগুলোকে নিয়ে আয়োজন করে চলেছে “এশিয়ান ইয়ুথ থিয়েটার ফেস্টিভ্যাল”। এই উৎসবে অংশগ্রহণকারীদের বয়সসীমা ২৫ বছরে নির্ধারণ করা হয়েছে। বিগত দুই বছর প্রাচ্যনাট এই ফেস্টিভ্যালে অংশগ্রহণ করছে। তারই ধারাবাহিকতায় এবারও এই ফেস্টিভ্যালে অংশগ্রহণ করেছে দলটি। ২০১৯ সালের  ফেস্টিভ্যালের ভেন্যু নির্ধারণ করা হয়েছে মালয়েশিয়ার কোটা কিনাবালু সাবাহ’তে। সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, নেপাল, থাইল্যান্ড, লাওস, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, মিয়ানমার এবং বাংলাদেশসহ মোট ১২টি দেশের থিয়েটার গ্রুপ এই ফেস্টিভ্যালে অংশগ্রহণ করছে। এইবারের ফেস্টিভ্যালের থিম নির্ধারণ করা হয়েছে “পরিবেশ”। বিশ্ব পরিবেশের বর্তমান পরিস্থিতি এবং বিপর্যয়ের বিষয় বিবেচনা করে এই বিষয়ের উপর প্রত্যেকটি থিয়েটার গ্রুপ তাদের নাটক পরিবেশন করবে। প্রাচ্যনাট পরিবেশন করবে আজাদ আবুল কালামের লেখা এবং মিতুল রহমানের নির্দেশনায় নাটক শেষ মুখোশ। ১৫ নভেম্বর মালয়েশিয়ার কোটা কিনাবালু সাবাহ’তে মঞ্চায়ন হবে প্রাচ্যনাটের নাটকটি। এম     
মালয়েশিয়ায় শেষ মুখোশ
ইন্ডেমনিটি আইন নিয়ে মঞ্চ নাটক
বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারবর্গের হত্যাকারীদের দায় মুক্তি দিতে জিয়াউর রহমান সরকার করেছিলেন ইন্ডেমনিটি আইন। এই সমালোচিত আইন নিয়ে তৈরি হয়েছে নাটক ইন্ডেমনিটি। মান্নান হীরার রচনায় এ নাটক পরিচালনা করেছেন বরেণ্য অভিনেতা আজিজুল হাকিম। নাটকটি মঞ্চায়ন করছে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট। এর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আছেন সাবেক মন্ত্রী,অভিনেত্রী তারানা হালিম। তারানা হালিম জানান, ‘ইন্ডেমনিটি নাটকটির প্রথম প্রদর্শনী হচ্ছে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে আজ ১২ নভেম্বর বিকেল সাড়ে ৫টায়। নাটকের দ্বিতীয় প্রদর্শনী হবে ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবরে ১৩ নভেম্বর বিকেল সাড়ে ৫টায় ও তৃতীয় প্রদর্শনী হবে জাতীয় শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় সঙ্গীত ও নৃত্যকলা মিলনায়তনে ১৫ নভেম্বর বিকেল সাড়ে ৫টায়।' নাটকটিতে নির্দেশনার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন আজিজুল হাকিম। আরও রয়েছেন ফরিদা ছন্দা, জয়রাজ, আমান পারভেজ মুরাদ, মানস বন্দ্যোপাধ্যায়, শ্যামল জাকারিয়া প্রমুখ। জিয়াউর রহমানের শাসন আমলে পাশ হয় ইন্ডেমনিটি আইন । প্রথমে খন্দকার মোস্তাক আহমেদকে দিয়ে জিয়াউর রহমান এই অধ্যাদেশ জারি করান। এরপর এই আইন সংসদে পাশ করা হয়। সামরিক শাসনের সময় জারি করা কোনও আইন কোনও ট্রাইব্যুনালে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না বলে পঞ্চম সংশোধনী এনে ওই আইনটিকে বৈধতা দেয়া হয়। এই আইনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিচারের পথ বন্ধ করে দেয়া হয়। ১৯৯৬ সালের সপ্তম জাতীয় সংসদে তখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মানবতা ও সভ্যতাবিরোধী ‘ইন্ডেমনিটি অধ্যাদেশ’ আইনটি বাতিল করতে সেই সংসদের আইন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরু ‘দি ইন্ডেমনিটি রিপিল অ্যাক্ট-১৯৯৬’ নামে একটি বিল উত্থাপন করেন। অবশেষে ১৯৯৬ সালের ১২ নভেম্বর কুখ্যাত ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল হয়। পরে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার শুরু হয়। সেই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতেই আজ ১২ নভেম্বর থেকে যাত্রা শুরু করল ‘ইন্ডেমনিটি’ নাটকটি। আয়োজকরা জানান, বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যা করা অনেকেই শাস্তির মুখোমুখি হয়েছেন। তবে মেজর জিয়ার সরকার জাতির পিতার হত্যার বিচার না করে খুনিদের সরকারি ওপর মহলে ও বিদেশের দূতাবাসে চাকরির ব্যবস্থা করে। তারা অনেকে পালিয়ে যায় নানা দেশে। এখনও পালিয়ে আছে। জাতির পিতার খুনিদের মধ্যে এখনও পলাতক রয়েছে খন্দকার আবদুর রশিদ, এ এম রাশেদ চৌধুরী, শরিফুল হক ডালিম, এস এইচ এম বি নূর চৌধুরী, আবদুল মাজেদ ও রিসালদার মোসলেম উদ্দিন খান। এম
ইন্ডেমনিটি আইন নিয়ে মঞ্চ নাটক
আরও পড়ুন
সাত দেশের অংশগ্রহণে চলছে আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসব
বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসবের উদ্বোধন আজ