ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

বর্ণবিদ্বেষের শিকার অভিনেত্রী, নেট মাধ্যমে কুরুচিকর মন্তব্য

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ : ০৩ জুলাই ২০২১, ০৩:১৩ পিএম
শ্রুতি দাস

বাংলা টেলিভিশনে ‘ত্রিণয়নী’ সিরিয়ালের মাধ্যমে ২০১৯ সালে অভিনয় জগতে পা রাখেন শ্রুতি দাস। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কুরুচিকর ভাষায় বর্ণবিদ্বেষের শিকার হয়েছেন এই অভিনেত্রী। গায়ের রং নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন তিনি।

জানা গেছে, বর্ণবিদ্বেষের অভিযোগ তুলে কলকাতা পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছেন তিনি। গত দুবছর ধরে তাকে এমন কুরুচিকর ভাষায় আক্রমণ করা হচ্ছে তাকে। বিষয়টি প্রতিদিনই ব্যক্তিগত পর্যায়ে সীমা ছাড়াচ্ছে বলে আইনের দ্বারস্থ হতে বাধ্য হয়েছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

২৫ বছরের এই অভিনেত্রী জানিয়েছেন, শুরুর দিকে আশপাশের মানুষ বলতো এসব ট্রোলকে যেন পাত্তা না দেই। আমিও সেটাই করেছি। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা বেড়েই চলছে। আমার প্রথম সিরিয়াল ‘ত্রিনয়নী’র পরিচালকের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রয়েছে। বিষয়টি জানাজানির পর থেকেই আমার চরিত্র ও কাজ নিয়ে ট্রোল করতে থাকে। আমি মনে করি এভাবে চুপ থাকলে বিষয়টি দিন দিন বাড়তেই থাকবে।

এ অভিনেত্রী ফেসবুকে কলকাতা পুলিশকে ট্যাগ করে কুরুচিকর ভাষার মন্তব্যগুলি সম্পর্কে তথ্য দিয়েছেন। পুলিশের পক্ষ থেকে ই-মেইলের মাধ্যমে বিস্তারিত জানানোর জন্য বলা হয়েছে।

কলকাতা পুলিশের দাবি, গায়ের রং কালো হওয়ায় অভিনেত্রী শ্রুতি দাসকে অনলাইনে হেনস্তা করার অভিযোগ পেয়েছি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নোংরা মন্তব্যের স্ক্রিনশটও শেয়ার করেছেন তিনি।

প্রসঙ্গত, বাংলা ইন্ডাস্ট্রির বাইরে বলিউডেও এমন অনেক উদাহরণ রয়েছে। প্রথম প্রথম কাজের সময় বিপাশা বসু, প্রিয়াঙ্কা চোপড়াদেরও গায়ের রং নিয়ে বর্ণবিদ্বেষ নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য শুনতে হয়েছে। সূত্র : নিউজ এইটটিন

এসআর/

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
অবশেষে বিয়েতে রাজি মিমি
কলকাতার জনপ্রিয় নায়িকা ও সংসদ সদস্য মিমি চক্রবর্তী। পর্দার মতো রাজনীতির মাঠেও তার দাপুড়ে বিচরণ। তবে সিনেমা ও রাজনীতি দক্ষ হাতে সামলালেও নিজের সংসার গুছিয়ে উঠতে পারেননি। ৩২ বছর পেরিয়ে এখনো সিঙ্গেল তিনি। প্রেম, বিচ্ছেদের পালা চুকিয়ে অবশেষে বিয়ে করতে রাজি এই অভিনেত্রী। মিমি বলেন, ‘পরিবার থেকে নিয়মিতই বিয়ের জন্য বলা হচ্ছে। মা চায় আমি বিয়ে করি। আমিও বিয়ে করতে চাই। তবে তার জন্য সময়ের অপেক্ষা। চোখের সামনে এত সম্পর্ক ভাঙতে দেখি! জানি না...।’ তিনি আরও বলেন, ‘খারাপ-ভাল মিশিয়ে কেটে গেল বছর। আমি খুশি, সুস্থ আছি। নিজের মতো জীবন কাটাতে পারছি। আমার থালায় খাবার আছে। যদি কাউকে অনিচ্ছায় দুঃখ দিয়ে থাকি, নতুন বছরে চেষ্টা করব সেই দুঃখ না দেওয়ার। নতুন বছর এসে দাঁড়ানো মানেই সময় ফুরিয়ে যাওয়া।’ প্রেমের সম্পর্কে বিচ্ছেদের পর দীর্ঘদিন ধরে একাই আছেন মিমি। বেশ কয়েক বছর তার সঙ্গী ছিল প্রিয় পোষ্য চিকু। বিদায়ী বছরটিতে তাকেও হারিয়েছেন নায়িকা। এটাই মিমির এ বছরের সবচেয়ে বড় কষ্টের ঘটনা। সামনের দিনগুলোতে যাতে আপনজনকে হারাতে না হয়, সেটা নিয়েই তার ভয়। মিমির ভাষ্য, ‘বছরটা শেষ হয়ে আসছে। একটাই ভয়, আমার কাছের মানুষগুলো যেন হারিয়ে না যায়। ভালবাসার মানুষের বড্ড অভাব যে!’ এনএস
অবশেষে বিয়েতে রাজি মিমি
নুসরাতকে বাসার কাজের লোক বানিয়ে ফেলেছেন যশ!
টালিউডের চর্চিত জুটি নুসরাত জাহান ও যশ দাশগুপ্ত। তাদের প্রেম, একসঙ্গে বসবাস, সন্তান গ্রহণ ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা কম হয়নি। তবে এসবের তোয়াক্কা না করে পরিবারের সঙ্গে মধুর সময় কাটাচ্ছেন এই তারকা দম্পতি। বর্তমানে নুসরাত একটি এফএম রেডিওতে ‘ইশক উইথ নুসরাত ভালোবাসা বোল্ড’ শিরোনামের অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করছেন। গত কয়েকটি পর্বে মদন মিত্র, অভিনেত্রী ঋতাভরী চক্রবর্তী অতিথি হিসেবে হাজির হয়ে গোপন কথা শেয়ার করেছেন। এবার তার অতিথি হিসেবে হাজির হয়েছিলেন নায়িকার স্বামী যশ দাশগুপ্ত। আলাপচারিতার শুরুর দিকে ভালোবাসার প্রসঙ্গে যশ বলেন, ‘আমার কাছে ভালোবাসা মানে হলো কেমিক্যাল রিঅ্যাকশন, যা মস্তিষ্কে ঘটে। এর মাধ্যমে মানুষকে দিয়ে বাজে চিন্তা করায়। প্রেমে পড়ার আগে যে মানুষটি কিছু কাজ কোনোভাবেই করতে চাইতো না সেসব অনায়াসে করে বসে।’ ব্যক্তিগত বিষয় সবার কাছে শেয়ার করতে চান না যশ। নুসরাতের শো-তে এসেও তিনি জানান, ‘আমার ব্যক্তিগত জীবনকে আড়ালে রাখতেই পছন্দ করি। এই চিন্তাটি পুরোনো বলা যেতে পারে। ছোটবেলায় মা বলতেন, ভালো জিনিস মানুষকে দেখাতে যাবে না, নজর লাগবে। এখনো আমি এতে বিশ্বাস করি। ব্যক্তিগত জীবনকে ব্যক্তিগত রাখতেই পছন্দ করি।’ ব্যক্তিগত জীবনে সম্পর্কের টানাপড়েন, ভাঙা-গড়া রয়েছে। এসব বিষয়ে যশের ভাষ্য, ‘দুজন মানুষের মধ্যে যখন তৃতীয় ব্যক্তি প্রবেশ করে (বাবা-মা, ভাই-বোন, বন্ধু বা যে কেউ) তখন মূলত এই ইস্যুটা শুরু হয়। এজন্য সম্পর্কের ক্ষেত্রে তৃতীয়পক্ষকে এড়িয়ে যেতে হবে। আমার ছেলের সঙ্গে যে সম্পর্ক সেখানে তার মাকে ঢুকতে দেব না।’ এদিকে সেই অনুষ্ঠানে যশের সঙ্গে পালানোর কথা স্বীকার করে নুসরাত বলেন, ‘আমি তোমার সঙ্গে পালিয়ে গিয়েছিলাম। আর সেটা তুমি বলেছিলে।’ এমনকি আলাপচারিতার এক ফাঁকে নুসরাত বলেন, ‘আমাদের সম্পর্কের ব্যাপারে ভালো ভালো কিছু বলো।’ এ কথা শুনে যশ বলেন, ‘আমাদের ব্যাপারে মানুষ ভালো বলে না, সুতরাং আমি কীভাবে বলব।’ ভালোবাসার এই আড্ডায় উঠে আসে নুসরাত-যশের সংসার জীবনও। যশ নাকি নুসরাতকে বাসার কাজের লোক বানিয়ে ফেলেছেন। নুসরাতকে উদ্দেশ্য করে যশ বলেন, ‘তুমি তো সবসময়ই আমাকে বলো, আমি তোমাকে কাজের লোক বানিয়ে ফেলেছি।’ যশের এ কথা শুনে নুসরাত বলেন, ‘আমি কি করব। আমার মা বলেন, তোমার বাবা আমাকে কাজের লোক বানিয়ে ফেলেছে। ছোটবেলা থেকে শুনে আসছি এ কথা। সেখান থেকেই শব্দটি শিখেছি।’ এনএস
নুসরাতকে বাসার কাজের লোক বানিয়ে ফেলেছেন যশ!
মুখোমুখি দুই নায়িকার লড়াই!
টালিউডের জনপ্রিয় দুই তারকা অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি ও শুভশ্রী গাঙ্গুলি। গ্ল্যামারে, অভিনয়ে কেউ কারও থেকে কম যান না। পর্দার বাইরে ব্যক্তিজীবনেও তাদের বেশ সখ্যতা। সোশ্যাল মিডিয়ায় একে অন্যকে নিয়ে খুনসুটি করতেও দেখা যায় তাদের। এবার মুখোমুখি লড়বেন দুই নায়িকা। একই দিনে মুক্তি পেতে যাচ্ছে শুভশ্রী অভিনীত ‘ধর্মযুদ্ধ’ এবং নুসরাতের ‘সংকেত’। জানুয়ারির ২১ তারিখ বড় পর্দায় আবেশ ছড়াবেন দুই নায়িকা। তাদের বন্ধুত্ব জমাট হলেও বক্স অফিস উত্তেজনা ক্রমশই বাড়ছে। ‘ধর্মযুদ্ধ’র পরিচালক রাজ চক্রবর্তী। শুভশ্রী ছাড়াও এতে রয়েছেন পার্ণো মিত্র, ঋত্বিক চক্রবর্তী, সোহম ও প্রয়াত অভিনেতা স্বাতিলেখা সেনগুপ্ত। নির্মাতা বলেছিলেন, ‘ছবিটি যে সময় তৈরি হয়েছিল সেই সময় দিল্লিতে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার খবর উঠে আসছিল। এই ছবিতে কারও পক্ষে বা বিপক্ষে বলা হয়নি। ধর্ম নিয়ে আজন্ম লালিত যুদ্ধে যে সামগ্রিক ক্ষতি হয় একজন সাধারণ নাগরিকের সে কথাই বলা হয়েছে এই ছবিতে।’ অন্যদিকে ‘সংকেত’ ছবিটির পরিচালক সায়ন্তন ঘোষাল। লেখিকা দেবারতি মুখোপাধ্যায়ের লেখা রুদ্র-প্রিয়ম সিরিজের দ্বিতীয় উপন্যাস ‘নরক সংকেত’-কে অবলম্বন করেই তৈরি হয়েছে এই ছবি। এতে নুসরাত ছাড়াও দেখা যাবে গৌরব চট্টোপাধ্যায়, রুদ্রনীল ঘোষ ও শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়কে। এনএস/টিআই
মুখোমুখি দুই নায়িকার লড়াই!
ছেলেকে নিয়ে যশ-নুসরাতের দ্বন্দ্ব!
টালিউডের সবচেয়ে চর্চিত জুটি নুসরাত জাহান ও যশ দাশগুপ্ত। তাদের প্রেম, একসঙ্গে বসবাস, সন্তান গ্রহণ ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা কম হয়নি। তবে এসবের তোয়াক্কা না করে পরিবারের সঙ্গে মধুর সময় কাটাচ্ছেন এই তারকা জুটি। ছেলে ঈশানকে নিয়েই চলে তাদের দুষ্টু-মিষ্টি ঝগড়া। কিন্তু সেই সুখের ছন্দপতন ঘটেছে। হঠাৎ দুজনের মধ্যে তিক্ততা তৈরি হয়েছে। একে-অন্যকে সহ্য করতে পারছেন না। গত মাসে তাদের দু’জনের ইনস্টাগ্রাম পোস্টে এমনই ইঙ্গিত মিলেছে। গেল ২৬ নভেম্বর নুসরাত তার ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে একটি লেখা পোস্ট করেছেন। সেখানে লেখা, ‘যে ঘরে শান্তি নেই, তা কারাগারের সমান। আর সেরা কারাগার হলো সেই ঘর, যেটা ভালোবাসা দিয়ে তৈরি, যা কি না কেউ ছেড়ে যেতে চায় না!’ নুসরাতের এমন ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তার পর গুঞ্জন শুরু হয় টালিপাড়ায়। ইতোমধ্যেই আগুনে ঘি ঢালেন যশ। তিনি ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে লিখলেন, ‘কেন খাঁচায় বন্দি আছ? খাঁচার দরজা তো খোলাই রয়েছে।’ যদিও ঘটনার দু’দিন পরই ভালোবাসার বার্তা দিয়ে গুঞ্জন উড়িয়ে দেন নুসরাত। এবার ফের একই চিত্র ধরা দিল ইনস্টাগ্রামে। ছেলেকে ঘিরে যশ ও নুসরাতের মধ্যে শুরু দ্বন্দ্ব। তাও আবার বড়দিনের মতো উৎসবে! মা হওয়ার পর নুসরাতের প্রথম বড়দিন। ছোট্ট ঈশানেরও প্রথম বড়দিন। তাই সুন্দর করে ঘর সাজিয়েছেন অভিনেত্রী। ঘরের কোণে বসিয়েছেন ক্রিসমাস ট্রি! ছেলেকে সাজিয়েছেন সান্টার পোশাকে। এরপর ছবি তুলে পোস্ট করেছেন ইনস্টাগ্রামে। অবশ্য ছবিতে ঈশানের মুখ দেখা যাচ্ছে না। ক্যাপশনে নুসরাত লিখেছেন, ‘এটা শুধু একটা বিশেষ ঋতু নয় বরং এটা একটা বিশেষ অনুভূতি। আশা করি, এবারের বড়দিন সবার জীবনে আশা, ভরসা, আনন্দ, সাফল্য, ভালোবাসা নিয়ে আসবে। সবাইকে মেরি ক্রিসমাস।’ তবে নুসরাতের এই কাজ মোটেও পছন্দ হয়নি যশের। তিনি চান না, ছেলের ছবি, পরিবারের সুন্দর মুহূর্তগুলো সবার সামনে আসুক। তাই নুসরাতের পোস্ট দেওয়ার পরপরই তিনি একটি স্টোরি দিয়েছেন। যেখানে লেখা রয়েছে, ‘সামাজিক মাধ্যম আমাদের সবকিছু দেখানো আর বলায় অভ্যস্ত করে তুলেছে। তবে গোপনীয়তারও একটা সৌন্দর্য আছে। সবকিছু দেখানোর জন্য নয়। কিছু জিনিস নিজের মধ্যে রাখাই ঠিক।’ যশের এই পোস্টে স্পষ্ট ইঙ্গিত রয়েছে। এ ছাড়া সন্তান হওয়ার পর নুসরাতও বলেছিলেন, ছেলের বাবা চাইলে তবেই তার ছবি প্রকাশ্যে আনবেন। কিন্তু ইতোমধ্যেই তিনি ছেলেকেসহ ছবি পোস্ট করেছেন। সে কারণেই হয়তো ক্ষোভ ঝেড়েছেন যশ। এনএস/এসকে
ছেলেকে নিয়ে যশ-নুসরাতের দ্বন্দ্ব!
নিজের সম্পর্কে নুসরাতের ঠোঁটকাটা জবাব
টালিউডের সবচেয়ে চর্চিত নায়িকা নুসরাত জাহান। ব্যক্তিজীবনে তার প্রেম, বিয়ে ও সন্তান জন্ম দেওয়া নিয়ে কম সমালোচনা হয়নি। বিভিন্ন কারণে সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রলের শিকার হয়েছেন তিনি। এবার একটি টকশোতে হাজির হয়ে অনুরাগীদের প্রশ্নের সোজাসাপ্টা জবাব দিলেন এই নায়িকা। নুসরাত বলেন, ‘জ্বরের থেকেও বেশি ভাইরাল আমি। বাথরুম ছাড়া আর কোথাও প্রাইভেসি নেই।’ এক ভক্ত নুসরাতকে প্রশ্ন করেন, এ বছরে তার সবচেয়ে বোল্ড স্টেপ কী? অভিনেত্রীর জবাব, তার সব স্টেপই বোল্ড তকমা দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি কোনো বোল্ড স্টেপ নেন না। তার সিদ্ধান্তগুলো সবই স্বাভাবিক। মা হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া বা কে তার বাচ্চার বাবা সেটা সকলকে জানানো এগুলো কিছুই বোল্ড সিদ্ধান্ত নয়। তার কাছে একমাত্র বোল্ড স্টেপ ছিল মা হওয়া। নুসরাত বলেন, মা হতে গেলে অনেক রকমের হরমোনাল চেঞ্জ আসে। সেই হরমোনাল চেঞ্জ প্রভাব ফেলে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যেও। বাড়িতে একটা গাছ মরে গেলেও কান্না পেত, রাত্রি তিনটের সময় কলা খেতে ইচ্ছা করত, যা কোনওদিনই খেতে পছন্দ করতেন না তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় নুসরাতের নাক নিয়ে বারবার ট্রলের শিকার হতে হয়েছে। অনেকেই বলেছিলেন তিনি নাকের সার্জারি করেছেন। নুসরত জানান, তিনি কোনও সার্জারি করাননি। হরমোনাল কারণে তার নাক বেঁকে গিয়েছিল। ত্বকের রং বদলে গিয়েছিল। অন্তঃসত্ত্বা থাকাকালে তিনি এই বিষয়ে কোনো কথা বলেননি কারণ তার মানসিক শান্তি বজায় রাখতে চেয়েছিলেন নায়িকা। তিনি বলেন, ‘আমি চেয়েছিলাম, মা হওয়ার সিদ্ধান্তে আমার পরিবারের পাশাপাশি সবাই আমাকে সাপোর্ট করবে। কিন্তু ফেমিনিস্ট ছাড়া কেউ আমাকে সাহায্য করেনি। আমার সিঙ্গেল মাদারহুড নিয়ে সোচ্চার হয়েছিলেন তারা। কিন্তু আমি সবাইকে জানাতে চাই আমি সিঙ্গেল মাদার নই। আমার সন্তানের আর পাঁচটা বাচ্চার মতোই বাবা-মা আছে।’সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন এনএস/টিআই
নিজের সম্পর্কে নুসরাতের ঠোঁটকাটা জবাব
আরও পড়ুন
ঘুষ দাবি করায় এসআই ক্লোজড
পতেঙ্গা ও পারকি সমুদ্রসৈকতে যেতে নিষেধাজ্ঞা
বাবাকে মেরে লাশ সেপটিক ট্যাংকে, ৭ মাস পর হাড় উদ্ধার
হাতকড়াসহ যুবক পালানোর ঘটনায় দুই পুলিশ প্রত্যাহার