ঢাকা শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩

জাতে বিড়াল হলেও ডাকে কুকুরের মতো

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৪৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

সাহারা ও এশিয়ার মরুভূমির নিশাচর এই ছোট্ট বিড়ালটি কুকুরের মতো ঘেউ ঘেউ ডাকে। বিজ্ঞানীরা এর নাম দিয়েছেন ফেলিস মার্গারিটা, যা ইংরেজিতে পরিচিত স্যান্ড ক্যাট নামে।

মরুভূমির নির্জন বালিয়াড়ি ও রুক্ষ পরিবেশে এই বিড়ালটি নিজেদের অসাধারণ অভিযোজন ক্ষমতা দিয়ে বেঁচে থাকে। দৈর্ঘ্যে মাত্র ৪৫–৫৭ সেন্টিমিটার হলেও লেজ প্রায় ২৮-৩৫ সেন্টিমিটার লম্বা। ওজন মাত্র ১-৩ কেজি হলেও শিকার করার ক্ষেত্রে তারা দারুণ দক্ষ।

এরা মূলত নিশাচর। দিনের তপ্ত রোদ এড়িয়ে রাতের অন্ধকারে শিকারে বের হয়। প্রধান খাদ্য হচ্ছে ছোট ইঁদুর, স্পাইনি মাউস, জারবিল, খরগোশের ছানা, ছোট পাখি এবং মাঝে মাঝে সরীসৃপ। সাহারা মরুভূমিতে দেখা গেছে, তারা বিষাক্ত স্যান্ড ভাইপার সাপকেও অনায়াসে শিকার করতে পারে। শিকার করার পর খাদ্য না খেলে বালুর নিচে তা সংরক্ষণ করে রাখে।

আরও পড়ুন

স্যান্ড ক্যাট সাধারণত একা একা জীবনযাপন করে। প্রজননের মৌসুমে তারা একে অপরকে খুঁজতে কুকুরের মতো ডাক ব্যবহার করে। বিস্তীর্ণ মরুভূমিতে তাদের এই জোরালো ডাক এবং তীক্ষ্ণ শ্রবণশক্তি তাদের সঙ্গীকে বহু দূর থেকে খুঁজে পেতে সাহায্য করে।

বিড়াল পরিবারে ছোট ও দুর্লভ এই প্রজাতি তাদের আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য এবং অদ্ভুত আওয়াজের কারণে বিশ্বজুড়ে প্রাণীপ্রেমীদের কৌতূহল জন্মায়।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
২৮০০ বছর আগেও নেশার উপকরণ ছিল গাঁজা
সাইবেরিয়ার প্রাচীন যাযাবর জনগোষ্ঠী সিথীয়রা প্রায় ২ হাজার ৮০০ বছর আগে নেশার জন্য গাঁজা ব্যবহার করত। রাশিয়ার সাইবেরিয়ায় অবস্থিত একটি সমাধিসৌধে গাঁজার ১ হাজার ৪০০টির বেশি বীজ এবং মানুষের চুলে গাঁজার নেশা সৃষ্টিকারী উপাদানের রাসায়নিক চিহ্ন পেয়েছেন গবেষকেরা। তাদের দাবি, নেশার উদ্দেশ্যে গাঁজা ব্যবহারের এটিই এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত সবচেয়ে প্রাচীন প্রমাণ। গবেষকেরা জানান, রাশিয়ার প্রত্যন্ত তুভা প্রজাতন্ত্রের উয়ুক উপত্যকায় বিশাল এক সমাধিসৌধে এসব নিদর্শনের সন্ধান মিলেছে। প্রায় ১৪০ মিটার ব্যাসের এই সমাধিসৌধটি দক্ষিণ সাইবেরিয়ায় অবস্থিত। সিথীয় সমাজের উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের সমাহিত করতে এটি ব্যবহার করা হতো। ঘোড়ায় চড়ে যুদ্ধ করা এবং সোনার অলংকার ও সামগ্রী তৈরিতে দক্ষতার জন্য পরিচিত ছিল সিথীয়রা। ইউরেশিয়ার তৃণভূমিজুড়ে তুলনামূলক যাযাবর জীবনযাপন করত তারা। গাঁজা বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত সাইকোঅ্যাক্টিভ (মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব বিস্তারকারী) উদ্ভিদগুলোর মধ্যে অন্যতম। তবে প্রাগৈতিহাসিক যুগে গাঁজা কীভাবে ব্যবহৃত হতো, তা প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমাণের ভিত্তিতে নির্ণয় করা বেশ কঠিন। উদ্ভিদটির বিভিন্ন অংশ—যেমন ফুল, পাতা ও রজন—সহজেই নষ্ট হয়ে যায়। ফলে সেগুলো খুব কমই টিকে থাকে। জানা যায়, গাঁজা বিভিন্ন প্রয়োজনে ব্যবহৃত হতো। যেমন—তেল ও তন্তু (আঁশ) উৎপাদনে। অর্থাৎ, এটি কেবল ওষুধ বা নেশাজাতীয় দ্রব্য হিসেবেই ব্যবহৃত হতো না। বার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব আর্কিওলজিক্যাল সায়েন্সেস এবং ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক ইনস্টিটিউট অব জিওঅ্যানথ্রোপলজির ড. জিনো কাসপারির নেতৃত্বে একটি আন্তর্জাতিক গবেষক দল দক্ষিণ সাইবেরিয়ার তুভা প্রজাতন্ত্রে অবস্থিত একটি রাজকীয় সমাধি নিয়ে গবেষণা করেছে। এ গবেষণায় বিভিন্ন বিশ্লেষণাত্মক পদ্ধতির সমন্বয় ঘটানো হয়েছে। সমাধিটি ইউরেশীয় স্তেপ অঞ্চলের অশ্বারোহী সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত সিথীয় সমাজের উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের। সেখান থেকে প্রায় ১ হাজার ৪০০টি গাঁজার বীজ পাওয়া গেছে। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বয়স নির্ধারণ করে গবেষকেরা জানতে পেরেছেন, বীজগুলো খ্রিষ্টপূর্ব অষ্টম শতকের শুরুর দিকের। অর্থাৎ, এগুলোর বয়স প্রায় ২ হাজার ৮০০ বছর। প্রত্নতাত্ত্বিক ও গবেষণাটির প্রধান লেখক কাসপারি বলেন, বীজগুলো প্রমাণ করে যে, অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আচার-অনুষ্ঠানে গাঁজার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। গবেষক দলটি কেন্দ্রীয় সমাধি কক্ষ থেকে পাওয়া সংরক্ষিত মানবচুলও পরীক্ষা করেছে। এসব নমুনার বিশ্লেষণে গাঁজা ব্যবহারের রাসায়নিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। কাসপারি বলেন, এই গবেষণাটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এতে উদ্ভিদের অবশেষ বিশ্লেষণের সঙ্গে মানবদেহে থাকা আণবিক চিহ্নের সমন্বয় ঘটানো হয়েছে। তার ভাষ্য, মানুষের চুল গাঁজার টিএইচসি ও সিবিডির মতো উপাদান শোষণ করে। এ কারণেই চুলের নমুনা পরীক্ষা করে মাদক গ্রহণের প্রমাণ খোঁজা সম্ভব হয়। তবে চুলের রাসায়নিক চিহ্ন থেকে গাঁজা কীভাবে গ্রহণ করা হয়েছিল, তা জানা যায় না। পরবর্তী সময়ের আঞ্চলিক নিদর্শনগুলো থেকে ধারণা করা হয়, গাঁজা পুড়িয়ে এর ধোঁয়া শ্বাসের সঙ্গে গ্রহণ করা হতো। গবেষকদের মতে, সমাধিসৌধে গাঁজার উপস্থিতি থেকে বোঝা যায়, ধর্মীয় বা আনুষ্ঠানিক আচার-অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবেই এটি ব্যবহার করা হতো। সমাধিসৌধটি তৈরি করা হয়েছিল লার্চগাছের গুঁড়ি ও কাদামাটি দিয়ে। পুরো স্থাপনাটি ঢেকে রাখা হয়েছিল হাজার হাজার টন পাথর দিয়ে। এর ভেতরে সিথীয়দের প্রাণীর অবয়বভিত্তিক শিল্পরীতিতে তৈরি বিভিন্ন সামগ্রী এবং বেশ কিছু ব্যতিক্রমী সোনার বস্তু পাওয়া গেছে। ক্যাসপারী জানান, সমাধিসৌধের ওপরের অংশে সিথীয়রা পশু বলি দিত। সেখানে কয়েক ডজন ঘোড়ার বলি দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে। ছড়িয়ে থাকা মানুষের হাড় দেখে ধারণা করা হচ্ছে, মানুষেরও বলি দেওয়া হয়ে থাকতে পারে। তিনি বলেন, বড় একটি সমাধিতে গাঁজা পাওয়া যাওয়ার অর্থ, বিষয়টিকে অবশ্যই আচার-অনুষ্ঠানের প্রেক্ষাপটে দেখতে হবে। আমাদের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সমাধিসৌধের ওপরের অংশে পশু ও মানুষ বলি দিয়ে একধরনের প্রতীকী অশ্বারোহী শোভাযাত্রা তৈরি করা হয়ে থাকতে পারে। খুঁটির ওপর দাঁড় করিয়ে রাখা ঘোড়া ও মৃত অশ্বারোহীদের এভাবে প্রদর্শন করা হতো। তৃণভূমির সমাজে এটি ছিল চরম সামাজিক ক্ষমতা প্রদর্শনের একটি উপায়। আরটিভি/টিআর
২৮০০ বছর আগেও নেশার উপকরণ ছিল গাঁজা
এশিয়ার ছোট্ট যে দেশে রয়েছে পাঁচ শতাধিক প্রজাতির পাখি
এশিয়ার অন্যতম ক্ষুদ্র দেশ ব্রুনেই দারুসসালাম। ‘শান্তির আবাস’ নামে পরিচিত দেশটির জনসংখ্যা পাঁচ লাখেরও কম। আয়তনে ছোট হলেও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্য, ইতিহাস ও ঐতিহ্যের বৈচিত্র্যে দেশটি বেশ সমৃদ্ধ। দেশটির প্রায় ৭০ শতাংশজুড়ে রয়েছে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় বনভূমি। নদীর ওপর গড়ে ওঠা শতবর্ষী জনপদ থেকে শুরু করে প্রবালপ্রাচীর ও ঘন বৃষ্টিবন- সব মিলিয়ে ভ্রমণপিপাসুদের জন্য রয়েছে নানা রকমের আকর্ষণ। ব্রুনেই ভ্রমণের সূচনা হতে পারে রাজধানী বন্দর সেরি বেগাওয়ান থেকে। শহরের অন্যতম প্রধান স্থাপনা ওমর আলী সাইফুদ্দিন মসজিদ। সোনালি গম্বুজ ও মার্বেলের স্তম্ভে সাজানো মসজিদটি দেশটির স্থাপত্যশৈলীর অনন্য নিদর্শন। এছাড়া রয়েছে বালাই খাজানাহ ইসলাম সুলতান হাজি হাসানাল বলকিয়াহ। ইসলামি জ্ঞান ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং গবেষণার জন্য প্রতিষ্ঠিত এ সংগ্রহশালায় রয়েছে কোরআনের প্রাচীন পাণ্ডুলিপি, ইসলামি নিদর্শন, জ্যোতির্বিজ্ঞানের যন্ত্রপাতি এবং মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পবিত্র চুলের নিদর্শন। রাজধানীর কাছেই ব্রুনেই নদীর ওপর গড়ে উঠেছে কাম্পং আয়ার। প্রায় ৩০টি গ্রাম নিয়ে গঠিত এ জলপল্লির ইতিহাস অন্তত ৬০০ বছরের পুরোনো। কাঠের খুঁটির ওপর নির্মিত বাড়িগুলো প্রায় ৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ কাঠের সেতু ও হাঁটাপথে যুক্ত। নৌকায় কিংবা হেঁটে ঘুরে দেখা যায় রঙিন বাড়িঘর, স্থানীয় খাবারের দোকান ও নদীকেন্দ্রিক জনজীবন। ব্রুনেই নদীতে নৌভ্রমণের সময় দেখা মিলতে পারে বোর্নিও দ্বীপের স্থানীয় প্রাণী নাকওয়ালা বানরের। পাশাপাশি রয়েছে ম্যাকাক বানর, গুইসাপ, মাছরাঙা ও বিভিন্ন প্রজাতির পাখি। দেশটির বাজারগুলোতেও রয়েছে স্থানীয় জীবনযাত্রার পরিচয়। ব্রুনেইয়ের ঐতিহ্যবাহী খাবার আম্বুয়াত সাগু দিয়ে তৈরি আঠালো খাবার, যা বাঁশের বিশেষ চামচ দিয়ে টক ও ঝাল সসের সঙ্গে খাওয়া হয়। ধর্মীয় উৎসব ও জাতীয় দিবসেও দেশটির সংস্কৃতি ফুটে ওঠে। রমজান শেষে ঈদুল ফিতরে পরিবারগুলো অতিথিদের জন্য ঘরের দরজা খুলে দেয়। ২৩ ফেব্রুয়ারি জাতীয় দিবসে রাজধানীতে আয়োজন করা হয় শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। উৎসব ও আনুষ্ঠানিকতায় ব্যবহৃত সোনালি-রুপালি সুতা দিয়ে বোনা ঐতিহ্যবাহী কাপড় ‘কাইন তেনুনান’ও দেশটির সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। রাজধানী থেকে উপকূলের দিকে গেলে পাওয়া যাবে মুয়ারা ও মেরাগাংয়ের মতো সমুদ্রসৈকত। দেশটির জলসীমায় রয়েছে প্রবালপ্রাচীর, বৈচিত্র্যময় সামুদ্রিক প্রাণী এবং ডুব দেওয়ার জন্য প্রায় ৩০টি জাহাজডুবির স্থান। আরও পূর্বে তেমবুরং জেলায় রয়েছে উলু তেমবুরং জাতীয় উদ্যান। ঘন বৃষ্টিবনে ঘেরা এ উদ্যানের দীর্ঘ বৃক্ষশীর্ষ সেতু থেকে দেখা যায় দিগন্তজোড়া সবুজ বনভূমি। রয়েছে নদী, জলপ্রপাত, কায়াকিং ও নদীতে ভেসে চলার সুযোগ।  ব্রুনেইয়ে ৫০০টির বেশি প্রজাতির পাখি, ১৭০ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী এবং ৮০ প্রজাতির উভচর প্রাণীর বসবাস। দেশটির এই সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আলোকচিত্রীরাও তুলে ধরছেন তাদের কাজে।  সূত্র: সিএনএন আরটিভি/এসআর  
এশিয়ার ছোট্ট যে দেশে রয়েছে পাঁচ শতাধিক প্রজাতির পাখি
নায়িকার গোসলের পানি দিয়ে তৈরি সাবান, লাখ টাকায় কিনেছিল ভক্তরা
নায়ক-নায়িকা কিংবা সেলিব্রেটিদের নিয়ে মানুষের আগ্রহের শেষ নেই। পর্দায় তাদের অভিনয়, পোশাক, সৌন্দর্য থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত জীবন-সবকিছু নিয়েই ভক্তদের কৌতূহল। কখনো সেই ভালো লাগা সীমা ছাড়িয়ে পরিণত হয় অদ্ভুত আকাঙ্ক্ষায়। তবে মানুষের কল্পনা কত দূর যেতে পারে, তারই এক অদ্ভুত উদাহরণ নায়িকার গোসলের পানি দিয়ে তৈরি সাবান। শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও, ২০২৫ সালে সত্যিই বাজারে এসেছিল এমন একটি সাবান। হলিউড অভিনেত্রী সিডনি সুইনির গোসলের পানি সত্যি সত্যিই সেই সাবানে ব্যবহার করা হয়েছিল। কিন্তু কেন তৈরি হলো এই সাবান? কে এই অভিনেত্রী? আর একজন তারকার ব্যবহৃত গোসলের পানি পেতে ভক্তদের এমন আগ্রহের পেছনে কি কাজ করে কোনো মনস্তাত্ত্বিক প্রবণতা? সিডনি সুইনি মার্কিন অভিনেত্রী। ১৯৯৭ সালের ১২ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যে তার জন্ম। অল্প বয়স থেকেই অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত তিনি। তবে জনপ্রিয়তা বাড়ে এইচবিওর আলোচিত সিরিজ ‘ইউফোরিয়া’তে ক্যাসি হাওয়ার্ড চরিত্রে অভিনয়ের পর।  ‘দ্য হোয়াইট লোটাস’, ‘অ্যানিওয়ান বাট ইউ’সহ বেশ কিছু কাজের মাধ্যমে হলিউডে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন তিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি সিডনির সৌন্দর্য ও শারীরিক গঠন নিয়েও সামাজিক মাধ্যমে নিয়মিত আলোচনা হয়। কখনো প্রশংসা, কখনো অশালীন মন্তব্য তারকার ব্যক্তিগত পরিচয়ের চেয়ে শারীরিক উপস্থিতিই যেন অনেকের কাছে বড় হয়ে ওঠে। বিষয়টি নিয়ে সিডনি নিজেও বিভিন্ন সময়ে অস্বস্তির কথা জানিয়েছেন। কিন্তু কীভাবে এলো গোসলের পানি দিয়ে সাবান তৈরির ভাবনা? ঘটনার শুরু ২০২৪ সালে। পুরুষদের পরিচর্যাপণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ড. স্কোয়াচ-এর একটি বিজ্ঞাপনে অংশ নেন সিডনি। বিজ্ঞাপনে তাকে বাথটাবে বসে সংস্থার বডি ওয়াশের প্রচার করতে দেখা যায়। বিজ্ঞাপনের উপস্থাপনা ছিল কিছুটা ইঙ্গিতপূর্ণ ও রসিকতাপূর্ণ। সেখানে সিডনিকে ‘বডি ওয়াশ জিনি’ হিসেবে দেখানো হয়েছিল। বিজ্ঞাপনটি প্রকাশের পর সামাজিক মাধ্যমে অনেক ভক্ত মজা করে তার গোসলের পানি চেয়ে মন্তব্য করতে থাকেন। প্রথমে বিষয়টি ছিল ইন্টারনেটের রসিকতা। কিন্তু সেই রসিকতাকেই বিপণনের সুযোগ হিসেবে দেখল সংস্থাটি।  ২০২৫ সালের মে মাসে ঘোষণা করা হয়, সিডনির গোসলের পানির সামান্য অংশ ব্যবহার করে তৈরি হচ্ছে বিশেষ সাবান। সাবানটির নাম দেওয়া হয় ‘সিডনিস বাথওয়াটার ব্লিস’।  সিডনি নিজেই জানিয়েছেন, বিজ্ঞাপনের শুটিংয়ের সময় তিনি বাথটাবে গোসল করেছিলেন এবং সেখানকার পানি সংগ্রহ করা হয়েছিল। অর্থাৎ সাবানটি শুধু প্রচারণার জন্য দেওয়া কোনো কাল্পনিক নাম ছিল না; এতে সত্যিই তার গোসলের পানির কিছু ফোঁটা ব্যবহার করা হয়েছিল। সাবানটিতে গোসলের পানির পাশাপাশি ছিল বালুকণার মতো এক্সফোলিয়েটিং উপাদান ও পাইন বার্ক এক্সট্র্যাক্ট। এর সুগন্ধে রাখা হয়েছিল পাইন, ডগলাস ফার ও মাটির সোঁদা ঘ্রাণ। সিডনির বেড়ে ওঠার অঞ্চল প্রশান্ত মহাসাগরীয় উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের প্রকৃতির ঘ্রাণ ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছিল। ২০২৫ সালের ৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রে সাবানটি বিক্রির জন্য উন্মুক্ত করা হয়। প্রতিটির দাম ছিল ৮ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ১ হাজার টাকার মতো। তৈরি হয়েছিল মাত্র ৫ হাজার সাবান। সীমিত সংস্করণের এই পণ্য দ্রুত আলোচনায় আসে এবং বিক্রির পরপরই শেষ হয়ে যায় বলে প্রচারণার সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়। এরপর রিসেল মার্কেটে এই সাবান বিক্রি হয়েছিল ২ লাখ টাকায়।  সূত্র: গলফ নিউজ, লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস আরটিভি/এসআর  
নায়িকার গোসলের পানি দিয়ে তৈরি সাবান, লাখ টাকায় কিনেছিল ভক্তরা
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর)  এক নজরে দেখে নেওয়া যাক তেমনই কিছু ঘটনা।
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
যে কারণে বিয়ারের স্রোতে ভেসে গিয়েছিল লন্ডনের রাস্তা, প্রাণ হারান ৮ জন
ইতিহাসের পাতায় অদ্ভুত এক শিল্পদুর্ঘটনা ‘লন্ডন বিয়ার ফ্লাড’। ১৮১৪ সালের ১৭ অক্টোবর। হঠাৎ বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে লন্ডনের সেন্ট জাইলস এলাকা।
যে কারণে বিয়ারের স্রোতে ভেসে গিয়েছিল লন্ডনের রাস্তা, প্রাণ হারান ৮ জন
আরও পড়ুন
ক্যাম্পাসে কুকুরের উৎপাতে আতঙ্ক, আহত রুয়েট শিক্ষার্থী
শেরপুরে ‘পাগলা’ কুকুরের কামড়ে নারী-পুরুষ-শিশুসহ আহত ৮০
কুকুরের কামড়ে ক্ষতবিক্ষত সাবেক লিভারপুল তারকা, পায়ে ৫০ সেলাই
আগুন লাগতেই মালিকের কুকুর-বিড়াল নিয়ে বেরিয়ে যান টুপটুপের কর্মীরা