ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

কিছু মাছ স্রোতের বিপরীতে কেন সাঁতার কাটে

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:৪১ এএম
ছবি: সংগৃহীত

নদী বা সমুদ্রের স্রোত অনুযায়ী সাঁতার কাটতে সুবিধা হলেও কিছু মাছ সচেতনভাবে বিপরীত পথে সাঁতার কাটে। এই আচরণের সবচেয়ে পরিচিত উদাহরণ আমাদের দেশের ইলিশ মাছ। ডিম পাড়ার সময় ইলিশ সমুদ্র থেকে দলবেঁধে নদীর মিঠাপানিতে আসে, যেখানে তাদের পোনা নিরাপদে বেড়ে উঠতে পারে।

বিশ্বজুড়ে যেসব মাছ জন্মের একটি বিশেষ সময়ে সমুদ্র ছেড়ে নদীর মিঠাপানিতে যায়, তাদের “অ্যানাড্রোমাস” মাছ বলা হয়। এর মধ্যে স্যামন, স্টার্জন, স্ট্রাইপড ব্যাস, স্পটেড সি ট্রাউট এবং বিশেষ প্রজাতির অ্যালোসা মাছও রয়েছে।

MM9861

বিজ্ঞানীরা এই মাছগুলোর অবাক করা স্মৃতিশক্তি দেখেছেন। ছোট অবস্থায় জন্মস্থানের পানির ঘ্রাণ মস্তিষ্কে স্থায়ীভাবে গেঁথে যায়। বড় হলে ডিম পাড়ার সময় এরা সেই ঘ্রাণ অনুসরণ করে জন্মস্থানে ফিরে আসে। এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় ‘অলফ্যাক্টরি ইমপ্রিন্টিং’ বা ঘ্রাণজ স্মৃতি।

এই বিপরীত স্রোতের যাত্রা সহজ নয়। মাছগুলোকে শক্তিশালী স্রোত, জলপ্রপাত, এবং শিকারিদের থেকে বাঁচতে হয়। কিছু প্রজাতি দীর্ঘ যাত্রায় খাবারও খায় না, শরীরের জমানো চর্বি ব্যবহার করে শক্তি যোগায়। সমুদ্র থেকে নদীতে ঢোকার সময় এদের রং এবং শরীরের ভেতরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গও মিঠাপানির জন্য মানিয়ে যায়।

বিজ্ঞানীদের মতে, এই বিপরীত স্রোতের যাত্রা শুধুমাত্র জীবনের চ্যালেঞ্জ নয়, বরং পরবর্তী প্রজন্মের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি প্রক্রিয়া। এভাবে স্রোতের বিপরীতে সাঁতার কাটার মাধ্যমে অ্যানাড্রোমাস মাছগুলো প্রজাতির টিকে থাকার লড়াই চালিয়ে যায়।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রয়াত আত্মাদের স্মরণে আজ ‘অল সোলস ডে’
মৃত্যুর পরও প্রিয়জনের স্মৃতি বেঁচে থাকে হৃদয়ে। তাদের সঙ্গে কাটানো মুহূর্ত, ভালোবাসা ও জীবনের নানা গল্প স্মরণ করেই দিন কাটে স্বজনদের।
প্রয়াত আত্মাদের স্মরণে আজ ‘অল সোলস ডে’
জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস আজ
জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস আগামীকাল। প্রতিবছর ২ নভেম্বর জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস পালিত হয়।
জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস আজ
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
সোমবার (২ নভেম্বর) এক নজরে দেখে নেওয়া যাক তেমনই কিছু ঘটনা।
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
প্রাণের মাঝে আয়
নস্টালজিয়া খুব খারাপ জিনিস। না চাইতেও এমন সব স্মৃতি মনে পড়ে, যা কখনও আমাদের হাসায়, আবার কখনও বা কাঁদায়। মনে হচ্ছে এইতো সেদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডিতে পা রাখলাম। প্রথম ক্লাসে অনেকের দেখেছি দাড়ি-গোঁফ ওঠেনি। আবার কেউতো পরিচিতি পর্বে নিজের নাম বলতেও থরথর করে কাঁপছিল। এরপর কতশত দিন একসঙ্গে। কত স্মৃতি বুকের সঞ্চয়ী হিসাবে জমা।
প্রাণের মাঝে আয়
কাজহীন দিবস আজ
সারাদিন কাজের ব্যস্ততা, একের পর এক দায়িত্ব, আর হাতে লম্বা কাজের তালিকা। এই ব্যস্ততার মাঝেই নিজের জন্য একটু সময় বের করার কথা মনে করিয়ে দেয় ‘জিরো টাস্কিং ডে’ বা কাজহীন দিবস। প্রতি বছর নভেম্বর মাসের প্রথম রোববার পালিত হয় দিনটি। এ বছর ১ নভেম্বর এই বিশেষ দিন। দিনটির মূল ভাবনা খুব সহজ- অন্তত একটি দিন নিজের উপর কাজের চাপ না রেখে বিশ্রাম নেওয়া, পছন্দের কাজ করা কিংবা একেবারেই কিছু না করা। বিশেষ করে যেসব দেশে ডে-লাইট সেভিং টাইম বা দিবালোক সাশ্রয়ী সময়ের নিয়ম চালু রয়েছে, সেখানে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে দেওয়ার ফলে পাওয়া অতিরিক্ত সময়টিকে নিজের জন্য কাজে লাগানোর ধারণা থেকেই এই দিনের প্রচলন। ‘জিরো টাস্কিং ডে’-র ধারণাটি সামনে আনেন লেখক ও জীবনযাপনবিষয়ক পরামর্শদাতা ন্যান্সি ক্রিস্টি। তার উদ্দেশ্য ছিল, মানুষ যেন কাজের তালিকা থেকে একের পর এক দায়িত্ব মেটানোর বাইরে নিজের সঙ্গে সময় কাটানোর গুরুত্বও বোঝে। মানসিক সুস্থতার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে মেন্টাল হেলথ আমেরিকাও দিনটির প্রচারে ভূমিকা রেখেছে। বর্তমান সময়ে একসঙ্গে একাধিক কাজ সামলানো যেন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। কাজের চাপ, সময়ের অভাব এবং প্রতিনিয়ত উৎপাদনশীল থাকার তাগিদে অনেকেই বিশ্রাম নিতে অপরাধবোধ করেন। অথচ প্রয়োজনীয় বিরতি মানসিক চাপ কমাতে, সৃজনশীলতা বাড়াতে এবং কাজে মনোযোগ ফেরাতে সাহায্য করতে পারে। পর্যাপ্ত বিশ্রাম শরীর ও মনকে নতুন করে চাঙা করে। দিনটি পালনের জন্য বিশেষ কোনও আয়োজনের প্রয়োজন নেই। সকালে একটু দেরি করে ঘুম থেকে ওঠা, পছন্দের বই পড়া, নিরিবিলি হাঁটতে বেরোনো কিংবা কিছুক্ষণ ধ্যান করাসহ যা ভালো লাগে, তা-ই করতে পারেন।  চাইলে বারান্দায় বসে আকাশ দেখতে পারেন, মনের মতো কোনও রান্না করতে পারেন, ছবি আঁকতে পারেন অথবা দুপুরে একটু ঘুমিয়ে নিতে পারেন। এমনকি ফোন ও কাজের বার্তা থেকে দূরে থেকে নিজের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটানোও হতে পারে উদ্‌যাপনের অংশ। ‘জিরো টাস্কিং ডে’-র আসল শিক্ষা অবশ্য সারাদিন অলসভাবে কাটানো নয়। বরং প্রতিদিনের দায়িত্বের পাশাপাশি বিশ্রাম ও নিজের যত্নের জন্যও সময় রাখা জরুরি সেই কথাই মনে করিয়ে দেয় দিনটি। কারণ, সব সময় কাজের মধ্যে ডুবে থাকাই জীবনের একমাত্র লক্ষ্য হতে পারে না। কখনও কখনও কিছু না করাও নিজের জন্য প্রয়োজনীয়। আরটিভি/এসআর
কাজহীন দিবস আজ
আরও পড়ুন
মৌমাছির চাকে বাজপাখির হানা, প্রাণ গেল বৃদ্ধের
জাতীয় সাঁতারে পদকজয়ীদের প্রাইজমানি উধাও 
বুড়ির বাঁধে মাছ শিকারের উৎসবে মেতেছে ঠাকুরগাঁওবাসী
এবার পুকুরের মাছেও মাইক্রোপ্লাস্টিক