ঢাকা বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩

বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস পালিত হচ্ছে আজ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

‘আত্মহত্যা সম্পর্কিত ধারণার পরিবর্তন’ এ প্রতিপাদ্য তুলে ধরার মধ্য দিয়ে আজ পালিত হচ্ছে বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস।

বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস-২০২৬ এর প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘আত্মহত্যা সম্পর্কিত ধারণার পরিবর্তন’। এর সঙ্গে যুক্ত স্লোগান বা আহ্বান হলো- ‘আত্মহত্যা নিয়ে নীরবতা ও কলঙ্ক ভেঙে কথোপকথন শুরু করা।’

দিবসটি উপলক্ষ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বলেছে, আত্মহত্যা প্রতিরোধযোগ্য হলেও বিশ্বে প্রতিবছর ৭ লাখ ২৭ হাজার মানুষ আত্মহত্যায় মারা যান। ১৫ থেকে ২৯ বছর বয়সিদের মধ্যে আত্মহত্যা বিশ্বব্যাপী মৃত্যুর তৃতীয় প্রধান কারণ। এসব মৃত্যুর প্রায় ৭৩ শতাংশ নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে ঘটে।

দিবসটি সামনে রেখে গতকাল রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘নীরবতা থেকে পদক্ষেপ : তরুণদের আত্মহত্যা বিষয়ে দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন’ শীর্ষক সচেতনতামূলক আলোচনা সভা হয়। আঁচল ফাউন্ডেশন ও হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (এইচআরডিসি) যৌথভাবে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এমএ মুহিত বলেন, আত্মহত্যার চেষ্টা করাকে আইনে অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করার যে বিধান রাখা আছে, সেটি মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সামাজিক স্টিগমা (কলঙ্ক বা নেতিবাচক ধারণা) আরও বাড়াচ্ছে। তিনি বলেন, আত্মহত্যা প্রতিরোধে শুধু সরকারি উদ্যোগ যথেষ্ট নয়, এ বিষয়ে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে আত্মহত্যার চেষ্টা করা ব্যক্তিদের অপরাধী হিসেবে না দেখে মানসিক স্বাস্থ্যসহায়তার আওতায় আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে মানুষের আত্মহত্যার চিন্তা আসতে পারে। এ সময়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা না পেলে ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে। তিনি বলেন, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণে সরকার পাবনা মানসিক হাসপাতালের আধুনিকায়ন, ঢাকার মানসিক স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালীকরণ এবং কমিউনিটিভিত্তিক মানসিক স্বাস্থ্যসেবার কাঠামো তৈরিতে কাজ করছে।

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে সেবা পৌঁছে দিতে টেলি-কাউন্সেলিং ও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রতিমন্ত্রী মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে ‘ইটস গুড টু টক’ নামে একটি প্রচারণার উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আত্মহত্যা মোকাবিলায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলাসহ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ সমাজের সব পর্যায়ে সমন্বিত পদক্ষেপ প্রয়োজন। মানসিক স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণে সরকার পাবনা মানসিক হাসপাতালগুলো শক্তিশালীকরণ এবং কমিউনিটিভিত্তিক মানসিক স্বাস্থ্যসেবার কাঠামো তৈরি এবং জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও মানসিক স্বাস্থ্যসেবার কাঠামো গড়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. সাইফুন নাহার বলেন, আত্মহত্যার প্রবণতা রয়েছে এমন ব্যক্তিকে দূরে সরিয়ে না দিয়ে পাশে দাঁড়াতে হবে। কোনোভাবেই তাকে অপরাধী হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না। সংকটের সময়ে তাকে একা না রেখে পাশে থাকা জরুরি।

ডব্লিউএইচও’র বাংলাদেশ প্রতিনিধি ডা. আহমেদ জামশিদ মোহাম্মদ বলেন, ঝুঁকি কমানো, সামাজিক সহায়তা জোরদার এবং সংকটে থাকা ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন খাত ও সম্প্রদায়ের মধ্যে সমন্বিত পদক্ষেপ প্রয়োজন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের অধ্যাপক মো. কামাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী বলেন, আত্মহত্যার চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর চিকিৎসা নিতে গিয়ে যেন কেউ বাধার মুখে না পড়েন, সে জন্য বর্তমান আইন পরিবর্তনের বিষয়টি ভাবার সময় এসেছে।

প্রতি বছর ১০ সেপ্টেম্বর আত্মহত্যা প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে বিশ্বের অনেক দেশে ২০০৩ সাল থেকে দিবসটি পালন করা হয়।

দিবসটি পালন করতে আন্তর্জাতিক আত্মহত্যা প্রতিরোধ সংস্থার সঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও বৈশ্বিক মানসিক স্বাস্থ্য ফেডারেশন একসঙ্গে কাজ করে।

তরুণদের মধ্যে আত্মহত্যা করার প্রবণতা প্রতিরোধে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে উন্মুক্ত আলোচনা, সমাজে বিদ্যমান নেতিবাচক ধারণা দূর করা এবং ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের সহায়তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। একই সঙ্গে আত্মহত্যার চেষ্টাকে অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করার প্রচলিত আইন পুনর্বিবেচনার দাবি জানানো হয়েছে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
অনলাইনে টিন সার্টিফিকেট বাতিল করবেন যেভাবে
অনেকেই নানান কারণে টিন সার্টিফিকেট করেছেন। কিন্তু তা আর কাজে আসছে না। তাই জেনে নিন যেভাবে অনলাইনে টিন সার্টিফিকেট চাইলেই বাতিল করা যায়।
অনলাইনে টিন সার্টিফিকেট বাতিল করবেন যেভাবে
জাতীয় কন্যা শিশু দিবস আজ 
আজ ৩০ সেপ্টেম্বর, জাতীয় কন্যাশিশু দিবস।
জাতীয় কন্যা শিশু দিবস আজ 
রাবির মনোমুগ্ধকর প্যারিস রোড; যেখানে প্রতিদিনই লেখা হয় নতুন গল্প
সকাল গড়িয়ে দুপুর, দুপুর পেরিয়ে বিকেল, সময় বদলের সঙ্গে বদলে যায় দৃশ্যপট। সকালের নরম আলোয় গাছের পাতার ফাঁক দিয়ে রোদ এসে পড়ে পথের ওপর। ব্যস্ত পায়ে শিক্ষার্থীরা ছুটে যায় ক্লাসে। কেউ বন্ধুদের সঙ্গে হাঁটতে হাঁটতে গল্পে মেতে ওঠে, কেউ আবার প্রিয়জন কিংবা ভালোবাসার মানুষের সঙ্গে সময় কাটায়।  প্যারিস রোড রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সড়ক। বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজলা গেট থেকে শেরে বাংলা ফজলুল হল পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার প্রলম্বিত এ রাস্তা। দৈর্ঘ্যে খুব বেশি না হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের শত স্মৃতির সাক্ষী এই প্যারিস রোড। ভালোবাসা-বন্ধুত্ব, জীবন-মৃত্যু, হাসি-কান্না, একাকিত্ব-নিঃসঙ্গতায় যুগের পর যুগ ধরে বিচিত্র সব অভিজ্ঞতার সাক্ষী রাস্তাটি।  সবুজের বিস্তীর্ণ প্রান্তর, ছায়াঘেরা পথ আর তারুণ্যের উচ্ছ্বাস। দুই পাশে সারি সারি গাছ, প্রশস্ত পথ, নির্মল পরিবেশ আর শিক্ষার্থীদের প্রাণচাঞ্চল্যে প্রতিদিনই যেন নতুন রূপে ধরা দেয় এই সড়ক। এখানে পথ শুধু গন্তব্যে পৌঁছে দেয় না, বরং তৈরি করে অসংখ্য স্মৃতি ও গল্প। বিকেল নামতেই প্যারিস রোড যেন আরও প্রাণ ফিরে পায়। ক্লাস শেষে শিক্ষার্থীদের আড্ডা, বন্ধুদের হাসি-ঠাট্টা, ছবি তোলা কিংবা নিছক হাঁটাহাঁটিতে মুখর হয়ে ওঠে চারপাশ। কেউ আসে মনের কথা বলতে, কেউ আসে দিনের ক্লান্তি দূর করতে। আবার কারও কাছে এই পথ একান্তই নিজের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটানোর জায়গা। বর্ষার বৃষ্টিতে প্যারিস পায় নতুন আবহ। কেউ বন্ধুদের সঙ্গে বৃষ্টিতে ভেজার আনন্দে মেতে ওঠেন, কেউ আবার দাঁড়িয়ে উপভোগ করেন বৃষ্টির সৌন্দর্য। কখনো হঠাৎ নেমে আসা বৃষ্টিতে পথচারীদের ছোটাছুটি, আবার কখনো ইচ্ছা করেই বৃষ্টিতে ভিজে চলা—সব মিলিয়ে বর্ষায় প্যারিস রোড হয়ে ওঠে শিক্ষার্থীদের বৃষ্টিবিলাসের অন্যতম ঠিকানা। শুধু শিক্ষার্থীরাই নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ নানা বয়সী মানুষের পদচারণায় প্রতিদিন সরব থাকে প্যারিস রোড। বিশ্ববিদ্যালয়ে আসা অনেকের কাছেই এটি ক্যাম্পাসের অন্যতম আকর্ষণ। অতিথিরা যেমন এর সৌন্দর্যে মুগ্ধ হন, তেমনি শিক্ষার্থীদের কাছেও এটি হয়ে ওঠে স্মৃতি জমিয়ে রাখার একটি বিশেষ জায়গা। প্যারিস রোডের সৌন্দর্যের বড় অংশজুড়ে রয়েছে এর সবুজ আবহ। ঋতু বদলের সঙ্গে গাছপালার রং ও প্রকৃতির বৈচিত্র্যও বদলে যায়। বর্ষায় ভেজা পাতার সবুজ, শরতে নির্মল আকাশ, শীতে কুয়াশার আবরণ কিংবা বসন্তে ফুলের রঙ—প্রতিটি ঋতুতেই প্যারিস রোড যেন নতুন কোনো গল্প নিয়ে হাজির হয়। ক্যাম্পাসের অনেক শিক্ষার্থীর কাছে এই পথের সঙ্গে জড়িয়ে আছে অসংখ্য ব্যক্তিগত স্মৃতি। প্রথমবার বন্ধুর সঙ্গে হাঁটা, ক্লাস শেষে দীর্ঘ আড্ডা, কোনো বিশেষ দিনের ছবি কিংবা নিছক বিকেলের হাঁটাহাঁটি, ছোট ছোট এসব মুহূর্তই সময়ের সঙ্গে হয়ে ওঠে মূল্যবান স্মৃতি। বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবন শেষ হয়ে গেলেও প্যারিস রোডের কথা তাই সহজে ভুলে যাওয়ার নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আরাফাত হোসেন বলেন, প্যারিস রোডে হাঁটলে মনে হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যস্ততার মাঝেও একটু নিজের মতো করে সময় কাটানো যায়। বন্ধুদের সঙ্গে এখানে কাটানো সময়গুলো পরে হয়তো সবচেয়ে বেশি মনে পড়বে।  রাজশাহীর রাজপাড়া থেকে ঘুরতে আসা এক দর্শনার্থী বলেন, প্যারিস রোড শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নয়, বাইরের দর্শনার্থীদের জন্যও আকর্ষণীয় একটি জায়গা। বিশেষ করে বৃষ্টির দিনে গাছপালা আর ভেজা রাস্তার দৃশ্যটা অসাধারণ লাগে। এখানে কিছু সময় কাটালে শহরের ব্যস্ততা থেকে দূরে প্রকৃতির খুব কাছাকাছি থাকার অনুভূতি পাওয়া যায়।  দিন শেষে যখন ক্যাম্পাসের ব্যস্ততা ধীরে ধীরে কমে আসে, তখনও প্যারিস রোড তার নিজস্ব সৌন্দর্যে দাঁড়িয়ে থাকে। গাছের পাতার ফাঁক দিয়ে আসা শেষ বিকেলের আলো, পথের ওপর দীর্ঘ ছায়া আর নীরবতার মধ্যে হেঁটে যাওয়া কয়েকজন মানুষ, সব মিলিয়ে তখন তৈরি হয় অন্যরকম এক আবহ। এত বিশেষত্ব থাকলেও প্যারিস রোডের জন্মের ইতিহাস কিন্তু অনেকটা সাদামাটা। ১৯৬৬ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্য বৃদ্ধিকরণের লক্ষ্যে ক্যাম্পাসের এই গগন শিরীষ গাছ লাগানো হয়। তৎকালীন উপাচার্য এম শামসুল হক ফিলিপাইন থেকে কিছু গাছ নিয়ে আসেন। তিনি এ গাছগুলো রোপণের দায়িত্ব দেন উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের তৎকালীন সভাপতি অধ্যাপক ড. আলী মোহাম্মাদ ইউনুসকে। তার হাত ধরেই লাগানো হয় গাছগুলো। তখন এটি ছিল নেহাৎ বৃক্ষরোপণের একটি উদ্যোগ। জনশ্রুতি আছে, একবার বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসের কিছু ছবি তুলে তার এক বন্ধুর কাছে পাঠায়। বন্ধু দেখে বিস্মিত হয়ে বলে এটি কোন দেশের ছবি। সেই শিক্ষার্থী তখন বলে দেয় এটা আমাদের ক্যাম্পাসের। তার মধ্যে অন্যতম ছিল প্যারিস রোডের ছবিটিও। এরকম আরও অনেক গল্প রয়েছে।  এছাড়াও জনশ্রুতি আছে ১৯৮০-র দশকে ‘রোড টু সোয়াদ’ কিংবা ‘রোড টু প্যারিস’ নামের চলচ্চিত্রগুলোতে যে রাস্তা দেখানো হয়, সেসব রাস্তার সঙ্গে এই রাস্তাটির মিল থাকায় এর নাম হয় প্যারিস রোড। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অসংখ্য স্থাপনা ও দর্শনীয় স্থানের মধ্যে প্যারিস শুধু একটি রাস্তা নয়। এটি ক্যাম্পাস জীবনের এক নীরব সাক্ষী। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ এর ওপর দিয়ে হেঁটে যায়, কিন্তু প্রত্যেকের গল্প আলাদা। কারও কাছে এটি বন্ধুত্বের স্মৃতি, কারও কাছে ভালো লাগার জায়গা, আবার কারও কাছে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের সবচেয়ে সুন্দর বিকেলগুলোর ঠিকানা। সময় এগিয়ে যায়, শিক্ষার্থীরা আসে-যায়, প্রজন্ম বদলায়। কিন্তু প্যারিস রোড থেকে যায় একইভাবে নতুন মানুষকে স্বাগত জানিয়ে, নতুন গল্পের অপেক্ষায়। হয়তো এ কারণেই রাবির প্যারিস রোড শুধু একটি পথ নয়; এটি এমন এক ক্যানভাস, যেখানে প্রতিদিনই লেখা হয় নতুন নতুন গল্প।  লেখক : ইসমাইল হোসেন সায়েম  শিক্ষার্থী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় আরটিভি/ এসকেডি
রাবির মনোমুগ্ধকর প্যারিস রোড; যেখানে প্রতিদিনই লেখা হয় নতুন গল্প
এবার নতুন ট্রেন্ড: পারফিউম নয়, ঘামের গন্ধেই প্রেমে পড়বেন নারীরা
ডেটে যাওয়ার আগে পরিচ্ছন্ন পোশাক, গোসল এবং সুগন্ধি এতদিন এটাই ছিল প্রচলিত প্রস্তুতি। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নতুন এক প্রবণতা যেন সেই ধারণাকেই উল্টে দিয়েছে।
এবার নতুন ট্রেন্ড: পারফিউম নয়, ঘামের গন্ধেই প্রেমে পড়বেন নারীরা
জন্মের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ছেলে-মেয়ের আচরণে পার্থক্য, নতুন গবেষণায় চমক
জন্মের মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ছেলে ও মেয়েশিশুর আচরণে সূক্ষ্ম পার্থক্য দেখা দিতে পারে এমনই ইঙ্গিত মিলেছে নতুন এক গবেষণায়। গবেষণায় দেখা গেছে, খেলনার তুলনায় মানুষের মুখের দিকে মেয়েশিশুরা ছেলেশিশুদের চেয়ে গড়ে বেশি সময় তাকিয়ে থাকে।
জন্মের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ছেলে-মেয়ের আচরণে পার্থক্য, নতুন গবেষণায় চমক