ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

ইতিহাসে আজকের এই দিনে

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৮ এএম
বইয়ের পাতায় ইতিহাস। ছবি: কাল্পনিক

ঘটনাবহুল এ বিশ্বে প্রতিদিন ঘটে নানান ঘটনা। উদ্ভাবন-উন্মোচন ঘটে অনেক কিছুর। জন্মের পাশাপাশি মৃত্যুও হয় অনেকের। রোজকার এসব ঘটনার মধ্যে বিশেষ কিছু ঘটনা স্থায়ীভাবে দাগ কাটে মানুষের মনে। কিছু উঠে যায় ইতিহাসের পাতায়।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) এক নজরে দেখে নেওয়া যাক তেমনই কিছু ঘটনা।

ঘটনাবলি
১৭৬২ - ফ্রেইবার্গে দ্বিতীয় ফ্রেডেরিকের নেতৃত্বে প্রুশীয়দের কাছে অষ্টয়দের পরাজয় ঘটে।

১৮৫১ - রাধাকান্ত দেব ও দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের উদ্যোগে কলকাতায় ‘ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮৭৬ - কেশবচন্দ্র সেনের উদ্যোগে ইন্ডিয়ান রিফর্ম অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮৮৮ - কনস্টানটিনোপল চুক্তি অনুযায়ী সুয়েজ খাল অবরোধ মুক্ত হয়।

১৮৮৯ - ব্রিটিশ দক্ষিণ আফ্রিকা কোম্পানি কার্যক্রমের সনদপত্র পায়।

১৯২০ - ভারতের জাতীয় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া, আলিগড়ে প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯২৩ - ঐতিহাসিক ওসমানী সাম্রাজ্যের (১২৯৯ - ১৯২৩) বিলুপ্তি ঘটিয়ে মুস্তাফা কামাল আতাতুর্ক ধর্মনিরপেক্ষ প্রজাতন্ত্র হিসেবে ‘তুরস্ক’ রাষ্ট্রের পত্তন ঘটান।

১৯২৫ - সুইজারল্যান্ডের লোকোর্নোয় ১২ দিনব্যাপী বৈঠকে লোর্কোন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৬৪ - টাঙ্গানিকা ও জাঞ্জিবারের একত্রীভূত নাম ঘোষিত হয় তাঞ্জানিয়া।

১৯৭৪ - জর্জ ফোর ম্যানকে পরাজিত করে মোহাম্মাদ আলী ক্লে শ্রেষ্ঠ বিশ্ব মুষ্টিযোদ্ধা খেতাব অর্জন করেন।

২০০৬ - রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ বাংলাদেশের তত্ত্বাবধ্যায়ক সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

জন্ম
১৮৭৭ - উইলফ্রেড রোডস, ইংরেজ ক্রিকেটার ও কোচ।

১৮৭৯ - ফ্রাঞ্জ ভন পাপেন, জার্মান সৈনিক, রাজনীতিবিদ ও চ্যানসেলর।

১৮৮২ - জাঁ গিরাউডউক্স, ফরাসি লেখক ও নাট্যকার।

১৮৯৭ - হিটলারের সহযোগী ও প্রচারক গোয়েবলস।

১৯০৫ - হেনরি গ্রীন, ইংরেজ লেখক।

১৯১১ - অনাথবন্ধু পাঁজা, ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের শহীদ বিপ্লবী।

১৯১৮ - কবি তালিম হোসেন।

১৯২০ - বারুজ বেনাসেরাফ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ভেনেজুয়েলার বংশোদ্ভূত আমেরিকান ঔষধ আবিষ্কারক।

১৯২৬ - নাজমউদ্দিন এরবাকান, তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী।

১৯৩৫ - ইসাও টাকাহাটা, জাপানি পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।

১৯৪১ - মতিউর রহমান (বীরশ্রেষ্ঠ), বাংলাদেশের একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা।

১৯৪৭ - রবার্ট সার্ভিস, ইংরেজ ঐতিহাসিক।

১৯৪৮ - বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী, বাঙালি ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা।

১৯৬৪ - ইয়াসমিন লে বন, ইংরেজ মডেল।

১৯৭১ - ম্যাথু হেডেন, অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার।

১৯৮১ - রিমা সেন, ভারতীয় অভিনেত্রী।

১৯৮৫ - বিজেন্দর সিং, অলিম্পিক পদকজয়ী ভারতীয় বক্সার।

১৯৮৮ - কৃতি খরবন্দা, ভারতীয় অভিনেত্রী।

১৯৯৬ - স্বপ্না বর্মণ, বাঙালি ভারতীয় অ্যাথলেট।

মৃত্যু
১২৬৮ - কনরাডিন, ইতালিয়ান রাজা।

১৭৮৩ - জাঁ লে রন্ড ডি’আলেম্বেরট, ফরাসি গণিতবিদ, পদার্থবিদ ও দার্শনিক।

১৯১০ - কালীপ্রসন্ন ঘোষ, বাঙালি সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও বাগ্মী।

১৯১১ - জোসেফ পুলিৎজার, হাঙ্গেরিয়ান বংশোদ্ভূত আমেরিকান প্রকাশক, আইনজীবী ও রাজনীতিক।

১৯৩৩ - ফ্রান্সের পল পাইনলেভে, ফরাসি গণিতবিদ ও রাজনীতিবিদ; ৮৪তম প্রধানমন্ত্রী।

১৯৪৯ - জর্জ গার্দিজিয়েফ, আর্মেনিয় ফরাসি সন্ন্যাসী, মনোবৈজ্ঞানিক ও দার্শনিক।

১৯৭১ - আর্নে ভিলহেল্ম কাউরিন টিসেলিয়ুস, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সুইডিশ প্রাণরসায়নী।

১৯৮৬ - মিমিস ফোটোপুলোস, গ্রিক অভিনেতা, গায়ক ও অ্যাকাডেমিক।

১৯৮৮ - কমলাদেবী চট্টোপাধ্যায়, ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামী ও সমাজ সংস্কারক।

১৯৯২ - অশোক রুদ্র, বিশিষ্ট বাঙালি অর্থনীতিবিদ।

১৯৯৮ - ব্রিটিশ কবি টেড হিউজ।

১৯৯৯ - বিষ্ণু বসু, ভারতীয় বাঙালি নাট্যকার, নাট্য সমালোচক, প্রাবন্ধিক ও গল্পকার।

১৯৯৯ - গ্রেগ, বেলজিয়ান লেখক ও চিত্রকর।

২০১৩ - শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশি ক্রিকেটার।

২০১৩ - গ্রাহাম স্টার্ক, ইংরেজ অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বছরে ১৬০ রাত বিদ্যুতের ঝলকানি, কোথায় দেখা যায় প্রকৃতির এই বিস্ময়?
রাতের আকাশজুড়ে একের পর এক বিদ্যুতের ঝলকানি। কখনও কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে, কখনও আবার এক মিনিটে কয়েক ডজন বার। প্রকৃতির এমনই এক বিস্ময়কর দৃশ্যের দেখা মেলে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলায়। মারাকাইবো হ্রদের ওপর সংঘটিত এই বিরল প্রাকৃতিক ঘটনাটি পরিচিত ‘কাটাতুম্বো বজ্রপাত’ নামে। বছরে প্রায় ১৪০ থেকে ১৬০ রাত এই অঞ্চলে বজ্রঝড়ের দেখা মেলে বলে গবেষকদের পর্যবেক্ষণ। কোথায় দেখা যায় এই বিরল দৃশ্য? ভেনেজুয়েলার মারাকাইবো হ্রদের পশ্চিম দিকে, কাটাতুম্বো নদী যেখানে হ্রদে মিশেছে, সেই আশপাশের জলাভূমি অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় এই বজ্রপাত। স্থানীয় বারি জনগোষ্ঠীর ভাষায় ‘কাটাতুম্বো’ শব্দের অর্থ ‘বজ্রের ঘর’। নামের সঙ্গে এই অঞ্চলের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের রয়েছে অদ্ভুত মিল। গবেষকদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, কোনও কোনও রাতে প্রায় নয় ঘণ্টা ধরে আকাশে বিদ্যুতের ঝলকানি দেখা যায়। এক মিনিটে ১৬ থেকে ৪০ বার পর্যন্ত বজ্রপাতের ঘটনাও নথিভুক্ত হয়েছে। স্যাটেলাইটভিত্তিক পরিসংখ্যানেও এই অঞ্চলকে বিশ্বের অন্যতম বজ্রপাতপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কেন এত ঘন ঘন বজ্রপাত হয়? এই অস্বাভাবিক ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে অঞ্চলের বিশেষ ভূপ্রকৃতি ও বায়ুমণ্ডলীয় পরিস্থিতি। মারাকাইবো হ্রদ ও সংলগ্ন জলাভূমি থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প বাতাসে মিশে যায়। অন্য দিকে, আন্দিজ়-সহ আশপাশের পর্বতশ্রেণি স্থানীয় বায়ুপ্রবাহকে প্রভাবিত করে। উষ্ণ ও আর্দ্র বাতাসের সঙ্গে তুলনামূলক ঠান্ডা বাতাসের সংঘাতে বায়ুমণ্ডলে অস্থিরতা তৈরি হয়। এর ফলে গড়ে ওঠে শক্তিশালী বজ্রঝড়। ঝড়ের মেঘের মধ্যে বৈদ্যুতিক চার্জ জমতে থাকলে ঘন ঘন বিদ্যুতের ঝলকানি দেখা যায়। এই অঞ্চলে বজ্রপাতের বড় অংশই মেঘের অভ্যন্তরে ঘটে। তবে কাটাতুম্বোতেই কেন এমন ঘটনা এত বেশি ঘটে, তার সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা এখনও মেলেনি। স্থানীয় বায়ুপ্রবাহ, আর্দ্রতা, ঋতু পরিবর্তন এবং এল নিনোর মতো বৃহত্তর জলবায়ুগত প্রভাব এই ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মনে করেন গবেষকেরা। কখন বেশি দেখা যায় এই বজ্রপাত? সারা বছর সমান তীব্রতায় বজ্রপাত হয় না কাটাতুম্বো অঞ্চলে। ঋতু ও আবহাওয়ার পরিবর্তনের সঙ্গে এর ঘনত্বও ওঠানামা করে। ২০১০ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত এই অঞ্চলে বজ্রপাত উল্লেখযোগ্য ভাবে কমে গিয়েছিল। সে সময়ে খরার প্রভাবকে সম্ভাব্য কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এমনকি এই প্রাকৃতিক ঘটনা স্থায়ী ভাবে বন্ধ হয়ে গেল কি না, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছিল। পরে অবশ্য আবার বজ্রপাতের ঘটনা দেখা যায়। গবেষকদের মতে, স্থানীয় বায়ুপ্রবাহ ও বৃহত্তর জলবায়ুগত পরিবর্তন বিশ্লেষণ করে কয়েক মাস আগেও এই অঞ্চলে বজ্রপাতের সম্ভাবনা সম্পর্কে কিছুটা ধারণা পাওয়া সম্ভব। তবে নির্দিষ্ট কোনও রাতে কতটা বজ্রপাত হবে, তা নিশ্চিত করে বলা কঠিন। ‘মারাকাইবোর বাতিঘর’ নাম কেন? কাটাতুম্বো বজ্রপাতের ইতিহাস বহু পুরনো। ঔপনিবেশিক আমলের বিভিন্ন বিবরণেও এই প্রাকৃতিক ঘটনার উল্লেখ রয়েছে। ১৮২৬ সালে প্রুশীয় প্রকৃতিবিদ ও অভিযাত্রী আলেকজান্ডার ভন হামবোল্ট এবং ১৮৪১ সালে ইতালীয় ভূগোলবিদ অগাস্টিন কোডাজ্জিও এই অঞ্চলের বিদ্যুতের ঝলকানির বর্ণনা দেন। রাতের আকাশে বহু দূর থেকেও এই আলো দেখা যেত বলে একসময় একে ‘মারাকাইবোর বাতিঘর’ বলা হত। নাবিকদের কাছে এই দৃশ্য ছিল পরিচিত। ভেনেজুয়েলার জুলিয়া রাজ্যের সংস্কৃতি ও প্রতীকেও এই বজ্রপাতের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। স্থানীয় ওয়ায়ু, ইউকপা ও বারি জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি এবং বিশ্বাসের সঙ্গেও জড়িয়ে রয়েছে এই প্রাকৃতিক ঘটনা। পর্যটকদের কাছে কেন আকর্ষণীয়? রাতের অন্ধকারে হ্রদের জলরাশির ওপর একের পর এক বিদ্যুতের ঝলকানি, দূরের জলাভূমি আর ঝড়ের মেঘ সব মিলিয়ে কাটাতুম্বো অঞ্চলের দৃশ্য অনন্য। প্রকৃতিপ্রেমী ও পর্যটকদের কাছে তাই এই অঞ্চল বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্র। তবে বজ্রঝড়ের সময় সেখানে অবস্থান করা বিপজ্জনক। এই দৃশ্য দেখতে যাওয়ার পরিকল্পনা করলে স্থানীয় আবহাওয়ার পূর্বাভাস, নিরাপত্তা নির্দেশিকা এবং অভিজ্ঞ গাইডের পরামর্শ মেনে চলা জরুরি। প্রকৃতি ও ভূপ্রকৃতির বিশেষ সমন্বয়ে কী ভাবে তৈরি হতে পারে এমন বিস্ময়কর দৃশ্য, তারই এক অনন্য উদাহরণ ভেনেজুয়েলার কাটাতুম্বো বজ্রপাত। বছরের পর বছর ধরে রাতের আকাশে এই বিদ্যুতের খেলা মানুষকে মনে করিয়ে দেয়, পৃথিবীতে এখনও এমন অনেক প্রাকৃতিক রহস্য রয়েছে, যা বিজ্ঞানীদের কাছেও গবেষণার বিষয়। আরটিভি/এসকে
বছরে ১৬০ রাত বিদ্যুতের ঝলকানি, কোথায় দেখা যায় প্রকৃতির এই বিস্ময়?
জমি কিনে দলিল করার আগে যাচাই জরুরি ৭ বিষয়
জমি কেনাকে নিরাপদ একটি বিনিয়োগ মনে করেন অনেকেই। তবে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ছাড়া দলিল তৈরি বা নিবন্ধন করলে এই নিরাপদ বিনিয়োগই ভবিষ্যতে হয়ে ওঠে কান্নার কারণ; আইনি জটিলতার পাশাপাশি সম্মুখীন হতে হয় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির।
জমি কিনে দলিল করার আগে যাচাই জরুরি ৭ বিষয়
নদী থেকে সোনার কণা সংগ্রহ করে প্রেমিকার জন্য আংটি বানালেন যুবক
প্রেমিকাকে বিয়ের প্রস্তাব দিতে বাজার থেকে আংটি না কিনে নিজেই সোনা সংগ্রহ করে ব্যতিক্রমী এক উদ্যোগ নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডোর এক যুবক। কয়েক মাস ধরে বিভিন্ন নদী থেকে সোনার কণা সংগ্রহ করে সেসব দিয়ে তৈরি করেছেন দীর্ঘদিনের প্রেমিকার জন্য বাগদানের আংটি। ভালোবাসার এই অনন্য উপহার পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তার প্রেমিকা জোয়ান। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ‘দ্য পিপল’-এর প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, কলোরাডোর হুইট রিজ এলাকার বাসিন্দা জ্যাক ভলকানি প্রেমিকা জোয়ানকে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন। এ সময় বাজার থেকে আংটি কেনার পরিবর্তে নিজের হাতে তৈরি করার চিন্তা আসে তার মাথায়। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কলোরাডোর বিভিন্ন নদী থেকে সোনার কণা সংগ্রহ শুরু করেন তিনি। ভলকানি জানান, প্রথমে কাজটি শেষ করতে অনেক সময় লাগবে বলে মনে হয়েছিল তার। তবে সেই কঠিন চ্যালেঞ্জই তাকে আরও বেশি অনুপ্রাণিত করে। মাসের পর মাস পরিশ্রম করে একপর্যায়ে প্রয়োজনীয় পরিমাণ সোনা সংগ্রহ করতে সক্ষম হন তিনি। পরে সংগৃহীত সোনা নিয়ে হুইট রিজের গয়না নির্মাতা জ্যাক অ্যালেনের কাছে যান ভলকানি। তার অনুরোধে সোনা গলিয়ে বিশেষভাবে তৈরি করা হয় বাগদানের আংটি। ব্যতিক্রমী এই উদ্যোগে আগ্রহী হয়ে আংটিটি তৈরির কাজ করেন অ্যালেন। আংটি তৈরি হওয়ার পর প্রেমিকাকে চমকে দেওয়ার পরিকল্পনা করেন ভলকানি। একদিন জোয়ানকে নিয়ে পাহাড়ি পথে হাঁটতে বের হন তিনি। সেখানে তাকে নদী থেকে সোনার কণা সংগ্রহের বিভিন্ন মুহূর্ত নিয়ে তৈরি একটি ভিডিও দেখান। প্রথমে ভিডিওটির উদ্দেশ্য বুঝতে পারেননি জোয়ান। তবে ভিডিওর মাঝামাঝি গিয়ে বুঝতে পারেন, প্রেমিকের দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের পেছনে রয়েছে তার জন্য বাগদানের আংটি তৈরির পরিকল্পনা। বিষয়টি উপলব্ধি করেই আবেগাপ্লুত হয়ে কেঁদে ফেলেন তিনি। জোয়ান বলেন, ভিডিওতে প্রেমিককে নদী থেকে সোনা সংগ্রহ করতে দেখে প্রথমে তার কাছে বিষয়টি বেশ আকর্ষণীয় মনে হয়েছিল। কিন্তু কেন তাকে ভিডিওটি দেখানো হচ্ছে, তা বুঝতে পারছিলেন না। পরে যখন উপলব্ধি করেন, এই সোনা দিয়েই তার জন্য আংটি তৈরি করা হয়েছে, তখন আর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি। জোয়ানের মতে, ভলকানির এই উদ্যোগ তাদের সম্পর্কের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত। প্রেমিকের এমন আন্তরিক প্রচেষ্টা তাকে বুঝিয়েছে, জীবনসঙ্গী হিসেবে তিনি সঠিক মানুষটিকেই বেছে নিয়েছেন। এদিকে, আংটি তৈরির পরও কিছু সোনা অবশিষ্ট রয়েছে বলে জানিয়েছেন ভলকানি। সেই সোনা দিয়ে নিজের জন্যও একটি আংটি তৈরির পরিকল্পনা করছেন তিনি। তার বিশ্বাস, দুজনের আঙুলে একই স্মৃতিবিজড়িত আংটি থাকলে দূরে থাকলেও তাদের মধ্যে ভালোবাসার বন্ধন অটুট থাকার অনুভূতি জাগবে। ভলকানির এই উদ্যোগ যেন ভালোবাসার প্রকাশে দামি উপহারের চেয়ে সময়, শ্রম ও আন্তরিকতার গুরুত্বই নতুন করে তুলে ধরেছে। আরটিভি/এসকে
নদী থেকে সোনার কণা সংগ্রহ করে প্রেমিকার জন্য আংটি বানালেন যুবক
যে কারণে দিনে দিনে ছোট হচ্ছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিয়ের আয়োজন
জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক চাপের কারণে জাঁকজমকপূর্ণ বিয়ের বদলে ছোট পরিসরে অনুষ্ঠান করছেন দম্পতিরা।
যে কারণে দিনে দিনে ছোট হচ্ছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিয়ের আয়োজন
৩৫০ বছর আগে বিলুপ্ত ডোডো পাখি পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনছেন বিজ্ঞানীরা!
প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় বিলুপ্ত ডোডো পাখিকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানীরা। তবে জিনগত পরিবর্তন, প্রজনন ও ভ্রূণের বিকাশ নিয়ে রয়েছে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ।
৩৫০ বছর আগে বিলুপ্ত ডোডো পাখি পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনছেন বিজ্ঞানীরা!
আরও পড়ুন
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
ইতিহাসে আজকের এই দিনে