ঢাকা মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

করোনায় স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে দক্ষিণ এশিয়ার ৩৯ লাখ শিশু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৯ জুলাই ২০২০, ০২:৪৩ পিএম
ইউনিসেফ থেকে নেয়া

ইউনিসেফ সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, করোনাভাইরাস মহামারীর আর্থ-সামাজিক প্রভাবের কারণে ২০২০ সালে দক্ষিণ এশিয়ায় পাঁচ বছরের কম বয়সী বাড়তি ৩৯ লাখ শিশু তীব্র রুগ্নতার শিকার হতে পারে, যা অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে পড়তে পারে। দ্য ল্যানসেটে প্রকাশিত এক বিশ্লেষণ অনুসারে, বিশ্বব্যাপী ৬৭ লাখ শিশু তীব্র রুগ্নতার শিকার হতে পারে এবং এর অর্ধেকেরও বেশি (৫৮ শতাংশ বা ৩৯ লাখ) হতে পারে শুধু দক্ষিণ এশিয়াতেই।

তীব্র রুগ্নতা হচ্ছে অপুষ্টির এমন একটি রূপ যা জীবনের জন্য হুমকিস্বরূপ। এটি শিশুদের খুব রুগ্ন ও দুর্বল করে দেয়। এটি তাদের মৃত্যু, সঠিক বৃদ্ধি ও বিকাশ না হওয়া এবং শিক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রে বড় ধরনের ঝুঁকিতে ফেলে। ইউনিসেফের মতে, করোনা মহামারির আগেও ২০১৯ সালে ৪ কোটি ৭০ লাখ শিশু তীব্র রুগ্নতায় ভুগেছে, যাদের মধ্যে ১৭ লাখ শিশুর বসবাস বাংলাদেশে। জরুরি পদক্ষেপ না নিলে এ বছর বিশ্বব্যাপী তীব্র রুগ্নতায় ভোগা শিশুর সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৫ কোটি ৪০ লাখে পৌঁছতে পারে। এতে বৈশ্বিকভাবে শিশুদের তীব্র রুগ্নতায় ভোগার হার এমন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে, যা এই শতাব্দীতে আর দেখা যায়নি।

ল্যানসেটের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, করোনার আর্থ-সামাজিক প্রভাবের কারণে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে এ বছর পাঁচ বছরের কম বয়সের শিশুদের মাঝে তীব্র রুগ্নতার প্রাদুর্ভাব ১৪.৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেতে পারে। অপুষ্টিতে ভোগা শিশুর হার এত উচ্চমাত্রায় বৃদ্ধির অর্থ হচ্ছে- বাংলাদেশে তীব্র রুগ্নতায় আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা ২০১৯ সালের ১৭ লাখ থেকে বেড়ে ২০২০ সালে ১৯ লাখ হবে।

মহামারির আগের সময়ের তুলনায় ২০২০ সালের এপ্রিলে নানাবিধ জটিলতা নিয়ে তীব্র রুগ্নতায় আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালের ভর্তির হার কমে হয়েছিল কেবল ১০ শতাংশ। যদিও অপরিহার্য পুষ্টি সেবাসমূহ পুনরায় চালু হতে শুরু করেছে, তবে এসব সেবা এখনও তাদের যথাযথ সক্ষমতায় ফিরে যায়নি। মহামারি শুরুর আগের সময়ের তুলনায় ২০২০ সালের জুনে হাসপাতালে ভর্তির হার ছিল ৫৬ শতাংশ।

বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি তোমো হোজুমি বলেছেন, অপুষ্টি মা ও শিশুদের মধ্যে করোনার প্রভাব আরও বাড়িয়ে দিতে পারে, যে সংকট পরবর্তী বহু প্রজন্ম পর্যন্ত জারি থাকতে পারে। অপরিহার্য পুষ্টি পরিসেবাগুলো যাতে সম্পূর্ণ সচল থাকে এবং বাবা-মায়েরা যাতে তাদের শিশুদের পরীক্ষা ও চিকিৎসার জন্য স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যেতে নিরাপদ বোধ করে তা নিশ্চিত করতে বৃহত্তর প্রচেষ্টার প্রয়োজন।

বাংলাদেশে অপরিহার্য পুষ্টি সেবাসমূহের ধারাবাহিকতা উন্নয়নের জন্য ভিটামিন ‘এ’ সাপ্লিমেন্ট বাড়াতে, তীব্র রুগ্নতায় আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা দিতে, ছোট শিশুদের উন্নত খাবার পদ্ধতি সম্পর্কে প্রচারণা চালাতে এবং অন্তঃসত্ত্বা নারীদের মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট সাপ্লিমেন্ট সরবরাহ করতে ইউনিসেফ সরকার ও অন্যান্য অংশীদারদের সহযোগিতা দেয়।

ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক হেনরিয়েটা ফোর বলেন, করোনায় আক্রান্তের প্রথম ঘটনাটি জানার পর সাত মাস পেরিয়ে গেছে এবং এটা ক্রমেই অত্যন্ত স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে, এই রোগ শিশুদের যত না ক্ষতি করছে তার চেয়ে বেশি ক্ষতি করছে মহামারিজনিত পরিস্থিতি। পারিবারিক দারিদ্র্য এবং খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার হার বেড়েছে। অপরিহার্য পুষ্টি পরিষেবা এবং সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হয়েছে। খাবারের দাম বেড়েছে। ফলস্বরূপ, শিশুদের খাবারের গুণগত মান হ্রাস পেয়েছে এবং এতে অপুষ্টির হারও বাড়বে।

জাতিসংঘের সংস্থাগুলো সতর্ক করে দিয়ে বলছে, তীব্র রুগ্নতায় শিশুদের হার বৃদ্ধির এই হিসাব বড় সমস্যার একটি ক্ষুদ্র অংশ মাত্র। নিম্নমানের খাবার ও পুষ্টিজনিত সেবাসমূহ বিঘ্নিত হওয়ার কারণে কোভিড-19 শিশু ও নারীদের মাঝে অপুষ্টির অন্যান্য ধরনগুলোরও বৃদ্ধি ঘটাবে, যার মধ্যে রয়েছে খর্বাকৃতি, মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টসের ঘাটতি এবং অতিরিক্ত ওজন ও স্থূলতা। মহামারির প্রাদুর্ভাবের প্রথমদিকের মাসগুলোতে ইউনিসেফের প্রতিবেদনে বৈশ্বিকভাবে অপরিহার্য এবং প্রায়শই জীবন রক্ষাকারী পুষ্টি পরিসেবাগুলোর আওতা সার্বিকভাবে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছিল। কিছু দেশে লকডাউন ব্যবস্থার কারণে এই বিঘ্নের হার ৭৫ শতাংশ থেকে ১০০ শতাংশে পৌঁছেছে।

এ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দেশে করোনায় আরও ২৮ জনের মৃত্যু
গেল ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আরও ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এনিয়ে করোনায় মোট মৃত্যু হলো সাত হাজার ৫৫৯ জন।  স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনা বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেলে এ তথ্য জানানো হয়।   বিস্তারিত আসছে... 
দেশে করোনায় আরও ২৮ জনের মৃত্যু
মানিকগঞ্জে পথচারীদের ২০ হাজার মাস্ক বিতরণ
করোনা ভাইরাস সংক্রমণরোধে মানিকগঞ্জে পথচারীদের মধ্যে ২০ হাজার মাস্ক বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় জেলা শহরের শহীদ রফিক মঞ্চ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক এস এম ফেরদৌস। জেলা এনজিও সম্বয় কমিটির উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী মাস্ক বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দুর-রে শাহওয়াজ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মনিরুজ্জামান, মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন এবং জেলা এনজিও সমন্বয় কমিটির কর্মকর্তাসহ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের তত্ত্বাবধানে আজ এবং আগামীকাল জেলা শহরের আটটি স্পট থেকে ২০ হাজার মাস্ক বিতরণ করা হবে। জেবি
মানিকগঞ্জে পথচারীদের ২০ হাজার মাস্ক বিতরণ
করোনা শনাক্তের এক বছরের দিনে মৃত্যুর রেকর্ড
করোনাভাইরাস প্রার্দুভাবের এক বছর হলো আজ। ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর চীনের উহানে প্রথমবারের মতো প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের অস্তিস্ত টের পাওয়া যায়। কোভিড-নাইনটিন শনাক্তের বর্ষপূর্তির দিনে বিশ্বে রেকর্ড প্রায় ১৫ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। গেল এক বছরে যা সবচেয়ে বেশি।  বুধবার প্রথমবারের মতো একদিনে প্রায় ৪ হাজার মানুষ মারা গেছে শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ, ১ হাজার দুইশ’র বেশি মৃত্যু হয়েছে ব্রাজিলে।  এদিন এপ্রিলের পর প্রথম হাজারের কাছাকাছি মৃত্যু রেকর্ড করেছে যুক্তরাজ্য। জার্মানিতে এ সংখ্যা সাড়ে ৭০০। প্রায় ৬০০ করে প্রাণহানি ছিল রাশিয়া, ইতালি আর পোল্যান্ডে। পাঁচ শতাধিক মতো দক্ষিণ আফ্রিকায়।  দৈনিক প্রাণহানি কিছুটা কমেছে ফ্রান্স ও ভারতে। যদিও মহামারিতে ভারতে মোট প্রাণহানি দেড় লাখ ছুঁতে যাচ্ছে। করোনার উৎপত্তিস্থল চীনের উহানে প্রায় ৫ শতাংশ মানুষ করোনা সংক্রমিত হয়ে থাকতে পারেন। এমন তথ্য জানালো দেশটির সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল এন্ড প্রিভেনশনের গবেষকরা।  প্রাণঘাতী কোভিডে বিশ্বজুড়ে প্রাণ গেছে ১৮ লাখের বেশি মানুষের। আর শনাক্তের সংখ্যা ৮ কোটি ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে। ওয়াই
করোনা শনাক্তের এক বছরের দিনে মৃত্যুর রেকর্ড
বিশ্বে করোনায় মৃত্যু ১৮ লাখ ছাড়িয়েছে
বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। সর্বশেষ করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ কোটি ৩০ লাখ ৬০ হাজার ২৭৬ জন। আর এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বিশ্বে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮ লাখ ১২ হাজার ৪৬ জনে। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছে ৫ কোটি ৮৮ লাখ ৬১ হাজার ৮০০ জন। করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের সংখ্যা ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটার থেকে এই তথ্য জানা যায়। ওয়ার্ল্ডওমিটারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে ৩ লাখ ৫০ হাজার ৭৭৮ জন এখন পর্যন্ত মারা গেছেন। বিশ্বে সর্বোচ্চ আক্রান্তের সংখ্যাও এই দেশটিতে। এই পর্যন্ত ২ কোটি ২ লাখ ১৬ হাজার ৯৯১ জন এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের পর মৃত্যু বিবেচনায় করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ হচ্ছে ব্রাজিল। আক্রান্তের দিক থেকে তৃতীয় স্থানে থাকলেও মৃত্যু বিবেচনায় দেশটির অবস্থান দ্বিতীয়। লাতিন আমেরিকার দেশটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ৭৬ লাখ ১৯ হাজার ৯৭০ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৯৩ হাজার ৯৪০ জনের। আক্রান্তের দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসা ভারত মৃত্যু বিবেচনায় আছে তৃতীয় স্থানে। এ পর্যন্ত দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ১ কোটি ২ লাখ ৬৭ হাজার ২৮৩ জন। আর মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৭৭৪ জনের। দেশে করোনাভাইরাসের আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। এখন পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৭ হাজার ৫৩১ জনে। এছাড়াও এখন পর্যন্ত দেশে মোট শনাক্তের সংখ্যা ৫ লাখ ১২ হাজার ৪৯৬ জন।  গত বছরের ডিসেম্বরে চীন থেকে সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর বিশ্বব্যাপী এ পর্যন্ত ১৮৮টি দেশে ছড়িয়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। গত ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। জিএম/এসএস
বিশ্বে করোনায় মৃত্যু ১৮ লাখ ছাড়িয়েছে
‘জানুয়ারিতে করোনার ভ্যাকসিন পেতে পারে বাংলাদেশ’
যুক্তরাজ্যে অক্সফোর্ডের অ্যাস্ট্রেজেনেকা ভ্যাকসিনের নীতিগত অনুমোদনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, ‘ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড ভ্যাকসিন আনতে গত ৫ নভেম্বর সরকার চুক্তি করছিল। আজ যুক্তরাজ্য সরকার সেই অক্সফোর্ড ভ্যাকসিন রাষ্ট্রীয়ভাবে অনুমোদন দিয়েছে। এটি অবশ্যই বাংলাদেশের জন্য সুখবর। এরপর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন হওয়া মাত্রই ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশও করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন পাবে। সব মিলে আগামী বছরের জানুয়ারির মাঝামাঝিই করোনা প্রতিরোধী ভ্যাকসিন পেতে পারি।’ আজ বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) মহাখালী বিসিপিএস অডিটরিয়াম হলে ‘যুক্তরাষ্ট্রের প্রখ্যাত ডাটা মিডিয়া ব্লুমবার্গ কর্তৃক বাংলাদেশকে বিশ্বব্যাপি ২০-তম ও দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম স্থানের স্বীকৃতি উপলক্ষে আলোচনা অনুষ্ঠানে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আগামী জুন মাসের মধ্যেই গ্যাভী ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক আরো ৫-৬ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন দেশে চলে আসবে। ভ্যাকসিন ট্রায়ালে অংশ না নেয়ায় ১৮ বছরের নিচে দেশের প্রায় ৪০ শতাংশ এবং গর্ভবতী প্রায় ৩৫ লাখ নারীর ভ্যাকসিন দেয়া না লাগলে ৫-৬ কোটি ভ্যাকসিন প্রয়োগেই দেশ অনেকটা নিরাপদ হবে বলে আশা করেন। ব্লুমবার্গের স্বীকৃতিকে ছোট করে দেখার কোন সুযোগ নেই উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরো জানান, ‘ব্লুমবার্গ কেবল দেশের অর্থনৈতিক সফলতা দেখেই রিপোর্টটি করেনি। প্রতিষ্ঠানটি করোনা মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় জনবল, অবকাঠামো, টিকাদান সক্ষমতা, চলাফেরা নিয়ন্ত্রণের মতো গুরুত্বপূর্ণ অন্তত ১০টি মেট্রিক্স বিবেচনা করে এই ফলাফল ঘোষণা করেছে। কাজেই এই ফলাফল আমাদের জন্য এক বিরাট অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।’  স্বাস্থ্যমন্ত্রী এই ফলাফলে আত্মতুষ্টিতে না ভুগে আরো গতিশীলভাবে কাজে নেমে পড়তে হবে বলে উপস্থিত চিকিৎসকদের জানান। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলমের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন- স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. আবদুল মান্নান, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. আলী নূর, বিএমএ সভাপতি ডাঃ মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, স্বাচিপ-এর মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ এইচ এম এনায়েত হোসেন, বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মুবিন খানসহ অন্যান্য ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ। 
‘জানুয়ারিতে করোনার ভ্যাকসিন পেতে পারে বাংলাদেশ’
আরও পড়ুন
মানিকগঞ্জে পথচারীদের ২০ হাজার মাস্ক বিতরণ
সিনোফার্মের করোনা টিকা অনুমোদন দিলো চীন
করোনায় চব্বিশ ঘণ্টায় মৃত্যু কমলো
উহানের ৫ লাখ মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছিল: গবেষণা