ঢাকা শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩

\'অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সেকেন্ড ওয়েভ মোকাবিলার প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন\'

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৫ আগস্ট ২০২০, ০৫:৪৪ পিএম

করোনাকে স্বাভাবিক রোগ হিসেবে নিয়ে চিকিৎসার আওতায় আনতে হবে। অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সেকেন্ড ওয়েভ মোকাবিলার প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন। এমন মন্তব্য করেছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। আজ শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টায় স্বাস্থ্য ব্যবস্থা উন্নয়ন ফোরাম আয়োজিত ‘কোভিড-১৯: দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় বাংলাদেশ কি প্রস্তুত’ শীর্ষক ওয়েবিনারে অংশ নিয়ে বিশেষজ্ঞরা এই মত দেন।

এতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাবেক আঞ্চলিক পরামর্শক ডা. এম মুজাহেরুল হক, সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরামর্শক ডা. মো. মুশতাক হোসেন এবং স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. বে-নজির আহমেদ।
ওয়েবিনারটি সঞ্চালনা করেন ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের সিনিয়র হেলথ স্পেশালিস্ট ডা. জিয়াউদ্দিন হায়দার। স্বাস্থ্য ব্যবস্থা উন্নয়ন ফোরাম নিয়মিতভাবে সাপ্তাহিক এই আয়োজন করে আসছে।

দেশের ২২টি জেলায় এখনও করোনার নমুনা পরীক্ষার জন্য পিসিআর টেস্ট ল্যাব নেই এবং সেটা থাকলে টেস্ট করোনা সহজ হতো বলে অধ্যাপক ডা. মুজাহেরুল হক বলেন, তার ওপর ফি ধরে দেওয়া হয়েছে, যাতে জনগণ নিরুৎসাহিত হচ্ছে। যার কারনে ‘ডিজিজ কার্ভ স্লোলি রাইজিং, ডেথ কার্ভ রাইজিং’।

করোনা এখন একটা জায়গায় ওঠানামা করছে নমুনা পরীক্ষা সেভাবে না হবার জন্য, একইসঙ্গে করোনা মোকাবিলায় কোনো কৌশল আমি দেখতে পাইনি বলে জানিয়ে তিনি বলেন, করোনা মোকাবিলায় সমন্বয়হীনতা সবার নজরে পড়েছে। অধ্যাপক মুজাহেরুল হক বলেন, শুরু থেকে আমরা বিভিন্ন মুখ থেকে শুনলাম বাংলাদেশ প্রস্তুত অথচ দীর্ঘদিন পর্যন্ত একটি প্রতিষ্ঠানে পিসিআর মেশিনে টেস্টের সুযোগ ছিল। আবার কতগুলো পিসিআর মেশিন ব্যবহারযোগ্য সেটা পর্যন্ত জানা ছিল না।

‘ফার্স্ট ওয়েভ’ আমাদের চলছে, কতদিন চলবে জানা নেই জানিয়ে তিনি বলেন, জনগণের যেভাবে স্বাস্থ্যবিধি মানা উচিত এবং জনগণকে যেভাবে মানানো উচিত সেই সমন্বয় হচ্ছে না। বাংলাদেশের মানুষ সচেতন কিন্তু মোটিভেটেডে না। তারা জানে মাস্ক না পরলে সমস্যা হবে কিন্তু তারা পরছে না। আইনের প্রয়োগের মাধ্যমে জনগণকে বাধ্য করার চেষ্টা তাতেও সরকার ব্যর্থ হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আবার দেশে একটানা সংক্রমণ হয়ে আসছে বলে জানিয়েছেন অধ্যাপক ডা. বে-নজির আহমেদ। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন তার ফলে একটি করে সমস্যার উদ্ভব হয়েছে,যে ব্যাখ্যা হয়েছে, সেগুলো করোনা মোকাবিলায় ক্ষতিকর হয়েছে। মন্ত্রী যখন একটা কথা বলেন, তখন আমরা ধরে নিতে পারি এটি স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বোচ্চ কথা। আমরা ধরে নিতে পারি, তার বক্তব্যে মন্ত্রণালয় এবং অধিদফতরের সমর্থন আছে।

আইইডিসিআরের উপদেষ্টা ডা. মুশতাক হোসেনবলেন, পরিকল্পনা ছিল যখন মহামারির চতুর্থ স্তরে যাব, কমিউনিটি ট্রান্সমিশন শুরু হবে তখন সোস্যাল ডিসটেন্সিং করা হবে। কিন্তু দ্বিতীয় পর্যায়ে সব কিছু বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে নিয়মিত ব্রিফিং বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতি নিয়ে ব্রিফিং হলেও সাংবাদিকদের প্রশ্নত্তোর বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু সপ্তাহে অন্তত দুবার প্রশ্নত্তোর পর্ব থাকা উচিত, এতে করে জনগণের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব হয়, জবাবদিহিতাও হয়।
তিনি বলেন, যারা কাজ করেছেন জানুয়ারি থেকে তাদের পরিশ্রম ম্লান হয়েছে জেকেজি ও রিজেন্টের দুর্নীতির কারণে। তবে দুর্নীতিই একমাত্র সমস্যা না। লোক বদল হয়েছেন কিন্তু সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধান করা হয়নি।

এসজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দেশে করোনায় আরও ২৮ জনের মৃত্যু
গেল ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আরও ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এনিয়ে করোনায় মোট মৃত্যু হলো সাত হাজার ৫৫৯ জন।  স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনা বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেলে এ তথ্য জানানো হয়।   বিস্তারিত আসছে... 
দেশে করোনায় আরও ২৮ জনের মৃত্যু
মানিকগঞ্জে পথচারীদের ২০ হাজার মাস্ক বিতরণ
করোনা ভাইরাস সংক্রমণরোধে মানিকগঞ্জে পথচারীদের মধ্যে ২০ হাজার মাস্ক বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় জেলা শহরের শহীদ রফিক মঞ্চ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক এস এম ফেরদৌস। জেলা এনজিও সম্বয় কমিটির উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী মাস্ক বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দুর-রে শাহওয়াজ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মনিরুজ্জামান, মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন এবং জেলা এনজিও সমন্বয় কমিটির কর্মকর্তাসহ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের তত্ত্বাবধানে আজ এবং আগামীকাল জেলা শহরের আটটি স্পট থেকে ২০ হাজার মাস্ক বিতরণ করা হবে। জেবি
মানিকগঞ্জে পথচারীদের ২০ হাজার মাস্ক বিতরণ
করোনা শনাক্তের এক বছরের দিনে মৃত্যুর রেকর্ড
করোনাভাইরাস প্রার্দুভাবের এক বছর হলো আজ। ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর চীনের উহানে প্রথমবারের মতো প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের অস্তিস্ত টের পাওয়া যায়। কোভিড-নাইনটিন শনাক্তের বর্ষপূর্তির দিনে বিশ্বে রেকর্ড প্রায় ১৫ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। গেল এক বছরে যা সবচেয়ে বেশি।  বুধবার প্রথমবারের মতো একদিনে প্রায় ৪ হাজার মানুষ মারা গেছে শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ, ১ হাজার দুইশ’র বেশি মৃত্যু হয়েছে ব্রাজিলে।  এদিন এপ্রিলের পর প্রথম হাজারের কাছাকাছি মৃত্যু রেকর্ড করেছে যুক্তরাজ্য। জার্মানিতে এ সংখ্যা সাড়ে ৭০০। প্রায় ৬০০ করে প্রাণহানি ছিল রাশিয়া, ইতালি আর পোল্যান্ডে। পাঁচ শতাধিক মতো দক্ষিণ আফ্রিকায়।  দৈনিক প্রাণহানি কিছুটা কমেছে ফ্রান্স ও ভারতে। যদিও মহামারিতে ভারতে মোট প্রাণহানি দেড় লাখ ছুঁতে যাচ্ছে। করোনার উৎপত্তিস্থল চীনের উহানে প্রায় ৫ শতাংশ মানুষ করোনা সংক্রমিত হয়ে থাকতে পারেন। এমন তথ্য জানালো দেশটির সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল এন্ড প্রিভেনশনের গবেষকরা।  প্রাণঘাতী কোভিডে বিশ্বজুড়ে প্রাণ গেছে ১৮ লাখের বেশি মানুষের। আর শনাক্তের সংখ্যা ৮ কোটি ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে। ওয়াই
করোনা শনাক্তের এক বছরের দিনে মৃত্যুর রেকর্ড
বিশ্বে করোনায় মৃত্যু ১৮ লাখ ছাড়িয়েছে
বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। সর্বশেষ করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ কোটি ৩০ লাখ ৬০ হাজার ২৭৬ জন। আর এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বিশ্বে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮ লাখ ১২ হাজার ৪৬ জনে। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছে ৫ কোটি ৮৮ লাখ ৬১ হাজার ৮০০ জন। করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের সংখ্যা ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটার থেকে এই তথ্য জানা যায়। ওয়ার্ল্ডওমিটারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে ৩ লাখ ৫০ হাজার ৭৭৮ জন এখন পর্যন্ত মারা গেছেন। বিশ্বে সর্বোচ্চ আক্রান্তের সংখ্যাও এই দেশটিতে। এই পর্যন্ত ২ কোটি ২ লাখ ১৬ হাজার ৯৯১ জন এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের পর মৃত্যু বিবেচনায় করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ হচ্ছে ব্রাজিল। আক্রান্তের দিক থেকে তৃতীয় স্থানে থাকলেও মৃত্যু বিবেচনায় দেশটির অবস্থান দ্বিতীয়। লাতিন আমেরিকার দেশটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ৭৬ লাখ ১৯ হাজার ৯৭০ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৯৩ হাজার ৯৪০ জনের। আক্রান্তের দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসা ভারত মৃত্যু বিবেচনায় আছে তৃতীয় স্থানে। এ পর্যন্ত দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ১ কোটি ২ লাখ ৬৭ হাজার ২৮৩ জন। আর মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৭৭৪ জনের। দেশে করোনাভাইরাসের আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। এখন পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৭ হাজার ৫৩১ জনে। এছাড়াও এখন পর্যন্ত দেশে মোট শনাক্তের সংখ্যা ৫ লাখ ১২ হাজার ৪৯৬ জন।  গত বছরের ডিসেম্বরে চীন থেকে সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর বিশ্বব্যাপী এ পর্যন্ত ১৮৮টি দেশে ছড়িয়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। গত ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। জিএম/এসএস
বিশ্বে করোনায় মৃত্যু ১৮ লাখ ছাড়িয়েছে
‘জানুয়ারিতে করোনার ভ্যাকসিন পেতে পারে বাংলাদেশ’
যুক্তরাজ্যে অক্সফোর্ডের অ্যাস্ট্রেজেনেকা ভ্যাকসিনের নীতিগত অনুমোদনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, ‘ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড ভ্যাকসিন আনতে গত ৫ নভেম্বর সরকার চুক্তি করছিল। আজ যুক্তরাজ্য সরকার সেই অক্সফোর্ড ভ্যাকসিন রাষ্ট্রীয়ভাবে অনুমোদন দিয়েছে। এটি অবশ্যই বাংলাদেশের জন্য সুখবর। এরপর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন হওয়া মাত্রই ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশও করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন পাবে। সব মিলে আগামী বছরের জানুয়ারির মাঝামাঝিই করোনা প্রতিরোধী ভ্যাকসিন পেতে পারি।’ আজ বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) মহাখালী বিসিপিএস অডিটরিয়াম হলে ‘যুক্তরাষ্ট্রের প্রখ্যাত ডাটা মিডিয়া ব্লুমবার্গ কর্তৃক বাংলাদেশকে বিশ্বব্যাপি ২০-তম ও দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম স্থানের স্বীকৃতি উপলক্ষে আলোচনা অনুষ্ঠানে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আগামী জুন মাসের মধ্যেই গ্যাভী ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক আরো ৫-৬ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন দেশে চলে আসবে। ভ্যাকসিন ট্রায়ালে অংশ না নেয়ায় ১৮ বছরের নিচে দেশের প্রায় ৪০ শতাংশ এবং গর্ভবতী প্রায় ৩৫ লাখ নারীর ভ্যাকসিন দেয়া না লাগলে ৫-৬ কোটি ভ্যাকসিন প্রয়োগেই দেশ অনেকটা নিরাপদ হবে বলে আশা করেন। ব্লুমবার্গের স্বীকৃতিকে ছোট করে দেখার কোন সুযোগ নেই উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরো জানান, ‘ব্লুমবার্গ কেবল দেশের অর্থনৈতিক সফলতা দেখেই রিপোর্টটি করেনি। প্রতিষ্ঠানটি করোনা মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় জনবল, অবকাঠামো, টিকাদান সক্ষমতা, চলাফেরা নিয়ন্ত্রণের মতো গুরুত্বপূর্ণ অন্তত ১০টি মেট্রিক্স বিবেচনা করে এই ফলাফল ঘোষণা করেছে। কাজেই এই ফলাফল আমাদের জন্য এক বিরাট অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।’  স্বাস্থ্যমন্ত্রী এই ফলাফলে আত্মতুষ্টিতে না ভুগে আরো গতিশীলভাবে কাজে নেমে পড়তে হবে বলে উপস্থিত চিকিৎসকদের জানান। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলমের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন- স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. আবদুল মান্নান, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. আলী নূর, বিএমএ সভাপতি ডাঃ মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, স্বাচিপ-এর মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ এইচ এম এনায়েত হোসেন, বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মুবিন খানসহ অন্যান্য ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ। 
‘জানুয়ারিতে করোনার ভ্যাকসিন পেতে পারে বাংলাদেশ’
আরও পড়ুন
মানিকগঞ্জে পথচারীদের ২০ হাজার মাস্ক বিতরণ
সিনোফার্মের করোনা টিকা অনুমোদন দিলো চীন
কুবিতে ২০২০ সালে যা ঘটেছে
করোনা শনাক্তের এক বছরের দিনে মৃত্যুর রেকর্ড