
শীতের মৌসুমে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা ও আতঙ্ক পিছু রেখে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত, চট্টগ্রামের পতেঙ্গা, জাতীয় চিড়িয়াখানা, রমনাপার্কসহ দেশের প্রতিটি বিনোদন কেন্দ্রে মানুষের উপচে পড়া ভিড় বাড়ছে। বিনোদন কেন্দ্রে মানুষের ভিড় দেখলে যে কারও মনে হবে সেখানে করোনাভাইরাসকে পাত্তাই দিচ্ছেন না দর্শনার্থীরা। তবে প্রতিটি বিনোদন কেন্দ্রে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার নিদের্শনা ও পরামর্শ দেওয়া আছে। কিন্তু আমাদের দেশে বিনোদন কেন্দ্রেগুলোর আয়তন ও মানুষের ঢলের সঙ্গে কখনই শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা সম্ভব নয়। অর্থাৎ করোনাভাইরাস থেকে নিজেকে রক্ষা করতে বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে যেসব নির্দেশনা ও পরামর্শ লক্ষ্য করা যায় সেটি সঙ্গে বাস্তবে কোনো মিল নেই।
সরেজমিনে দেখা গেছে, শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় রাজধানীর অধিকাংশ বিনোদন কেন্দ্রে মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। শীতের মৌসুমে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার আতঙ্ক তুচ্ছ করে ছুটির দিন বিনোদনকেন্দ্রে ভিড় করেছেন নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। জেলা প্রশাসনের অভিযান, পুলিশের নজরদারি, বিনোদনকেন্দ্র কর্তৃপক্ষের কড়াকড়ির মধ্যেও মাস্কসহ সুরক্ষা সামগ্রী ছাড়াই বিনোদনকেন্দ্রে ঘোরাঘুরি এবং ছবি তুলতে দেখা গেছে অনেক দর্শনার্থীকে।
জাতীয় চিড়িয়াখানায় প্রবেশ পথে দায়িত্বে থাকা আশরাফুজ্জামান বলেন, করোনা মহামারির কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কার্যক্রম পরিচালনা করছি আমরা। প্রবেশ পথে ‘নো-মাস্ক নো এন্ট্রি’ নীতি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। যাদের মাস্ক নেই, তাদের মাস্ক কথা বলা হচ্ছে। চিড়িয়াখানা, শিশু পার্কসহ কয়েকটি বিনোদনকেন্দ্রে স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে কড়াকড়ি আরোপ করা হলেও পতেঙ্গা উন্মুক্ত বিনোদনকেন্দ্রেগুলোতে এসব ব্যবস্থা দেখা যায়নি।
এফএ




