ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৯ মে ২০২৬, ০২:৫৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

দেশে হাম পরিস্থিতির অবনতি অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম এবং হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হাম ও হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৪৩৫ শিশুর শরীরে।

শনিবার (৯ মে) দুপুর আড়াইটার দিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

শুক্রবার (৮ মে) সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ছিল ৯৪৬ জন। এর মধ্যে ৭৬৯ জনের অবস্থা গুরুতর বলে ধারণা করা হচ্ছে। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছে ৪৮৯ জন শিশু।

আরও পড়ুন

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চের পর থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে ৬১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া সন্দেহভাজন শিশুর সংখ্যা ২৯১ জন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে।

তথ্যমতে, গত ১৫ মার্চের পর থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে ৬ হাজার ৯৭৯ শিশু। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৭ হাজার ৬৫৬ জনে। বিপুলসংখ্যক এই আক্রান্ত শিশুর মধ্যে এখন পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৩৩ হাজার ৬৩১ জন। তাদের মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ২৯ হাজার ৭৪৬ জন।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু
দেশে হাম ও হাম-সংশ্লিষ্ট উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে নিশ্চিত হামে ১০৫ শিশু এবং উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ১৬৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৭২ জনে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত নিয়মিত হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে সন্দেহ ও নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৩৯৬ জন। সবচেয়ে বেশি ৫২৭ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন ঢাকা বিভাগে। এ বিভাগে একই সময়ে হাম ও উপসর্গে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগে মারা গেছেন আরও দুইজন। ফলে এক দিনে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ জনে। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ২২০ জন। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ হাজার ২৫৯ জন। গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সব মিলিয়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২ লাখ ১ হাজার ১৫৩ জন রোগী। আরটিভি/টিআর
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু
ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৪৫২
গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে সারাদেশে মোট ৪৫২ জনের প্রাণহানি ঘটেছে।  একই সময়ে সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৫৯৬ জন। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৫২ জনে। এর মধ্যে অক্টোবর মাসে ১৮১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া সেপ্টেম্বরে ১৪৮ জন, আগস্টে ৪৩ জন, জুলাইয়ে ৩৬ জন, জুনে ১৩ জন, মে মাসে একজন এবং জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে দুজন করে মারা গেছেন। বুলেটিনে বলা হয়, মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১ হাজার ৫৯৬ জন ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৩৭৪ জনে। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ৩৮ হাজার ৮০ জন। আরটিভি/টিআর
ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৪৫২
বিশ্বজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহে বাড়ছে গর্ভকালীন জটিলতা, ঝুঁকিতে মা-শিশু
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে বাড়ছে তীব্র তাপপ্রবাহ।
বিশ্বজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহে বাড়ছে গর্ভকালীন জটিলতা, ঝুঁকিতে মা-শিশু
চট্টগ্রামে ডেঙ্গুতে তিন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে দুই শিশুর মৃত্যু
চট্টগ্রামে গত সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে নারী–শিশুসহ তিনজন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যু হয়েছে ৩৯ জনের এবং হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৫০ জনের।
চট্টগ্রামে ডেঙ্গুতে তিন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে দুই শিশুর মৃত্যু
জেলা-উপজেলায় নেই চক্ষু বিশেষজ্ঞ, প্রায় এক কোটি মানুষের ভরসা শেবাচিম
বরিশাল বিভাগের প্রায় এক কোটি মানুষের চোখের চিকিৎসার প্রধান সরকারি ভরসা শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (শেবাচিম)। বিভাগে প্রতিবছর নতুন করে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ ছানি রোগে আক্রান্ত হলেও জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সরকারি হাসপাতালে নেই পর্যাপ্ত চক্ষু বিশেষজ্ঞ। ফলে চিকিৎসার জন্য বিভাগীয় শহরে ছুটতে হচ্ছে রোগীদের। এতে বাড়ছে যাতায়াত ব্যয়, ভোগান্তি ও চিকিৎসার অপেক্ষা।
জেলা-উপজেলায় নেই চক্ষু বিশেষজ্ঞ, প্রায় এক কোটি মানুষের ভরসা শেবাচিম
আরও পড়ুন
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর প্রাণহানি