ঢাকা সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

ঢাকায় হাসপাতালে হাসপাতালে বসানো হচ্ছে ‘পাগলা ঘণ্টা’, ঘটনা কী

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৯ মে ২০২৬, ০৬:০৪ পিএম
এআই ছবি

রাজধানীর সরকারি বড় হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য সেন্ট্রাল ইমার্জেন্সি অ্যালার্ম সিস্টেম বা ‘পাগলা ঘণ্টা’ চালুর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল।

মঙ্গলবার (১৯ মে) রাজধানীর তেজগাঁওয়ের কেন্দ্রীয় ঔষধাগারে (সিএমএসডি) অনুদান হিসেবে পাওয়া ভেন্টিলেটর ও অন্যান্য চিকিৎসা যন্ত্রপাতি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, হাসপাতালে জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হলে দ্রুত নিরাপত্তা সহায়তা নিশ্চিত করতে ‘কোড ব্লু’ বা ইমার্জেন্সি অ্যালার্ম সিস্টেম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রথম ধাপে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এই বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু করা হবে। এর পাশাপাশি মহাখালী এলাকায় স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করতে আলাদা পুলিশ ক্যাম্প স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে সরকারের।

আরও পড়ুন

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে নেওয়া নতুন কিছু উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, দেশের ১০টি জেলা সদর হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) জন্য একটি করে শিশু ভেন্টিলেটর দেওয়া হয়েছে। আগামী ঈদুল আজহার ছুটি শেষ হওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যেই এই জরুরি আইসিইউ ইউনিটগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সিএমএসডির প্রতিনিধি ও চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন। তারা মন্ত্রীর এই নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের উদ্যোগকে স্বাগত জানান। উপস্থিত কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেন, এই নতুন অ্যালার্ম সিস্টেম চালুর ফলে সরকারি হাসপাতালে অনাকাঙ্জ্জিত পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব হবে এবং চিকিৎসকেরা আরও নিরাপদ পরিবেশে সাধারণ মানুষকে সেবা দিতে পারবেন।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ডেঙ্গুতে এবার একদিনে ৮ জনের মৃত্যু, নতুন ভর্তি ১৯২৯
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৯২৯ জন।
ডেঙ্গুতে এবার একদিনে ৮ জনের মৃত্যু, নতুন ভর্তি ১৯২৯
হামে আরও দুই শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩৫৩
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে নতুন করে আরও এক হাজার ৩৫০ জন শিশুর শরীরে সন্দেহজনক হাম শনাক্ত হয়েছে।
হামে আরও দুই শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩৫৩
পচা দই-মিষ্টির সিরায় তৈরি হচ্ছে শিশুদের চকলেট-সন্দেশ!
ভেজাল শিশুখাদ্যে সয়লাব দেশের বাজার। পচা মিষ্টির সিরা ও নষ্ট দই দিয়ে তৈরি হচ্ছে শিশুদের চকলেট-সন্দেশ। সম্প্রতি রূপগঞ্জের একটি কারখানায় এই চিত্র দেখা গেছে। পুরো কারখানায় নেই কোনো ফলের অস্তিত্ব। অথচ এখানেই তৈরি হয় আম, লিচু, আনারসসহ বিভিন্ন ফলের জেলি, জুস ও আইস ললি। ক্যামেরায় ধরা পড়ে এসব খাবার তৈরিতে রাসায়নিক উপাদান ও ক্ষতিকর রং ব্যবহারের চিত্র।  কারখানার দায়িত্বে থাকা এক ব্যক্তি জানান, এসব উপাদান দিয়ে আসল ফলের পরিবর্তে কৃত্রিমভাবে শিশুখাদ্য তৈরি করেন তারা। কারখানার ভেতরের আরেকটি কক্ষে গিয়ে দেখা যায় আরও ভয়াবহ চিত্র। সেখানে স্তূপ করে রাখা হয়েছে পচা পণ্য ও ময়লা-আবর্জনা। সেখান থেকেই জেলি বের করছেন কয়েকজন। পরে এসব জেলি আবার প্যাকেটজাত করে বাজারে ছাড়ার প্রস্তুতি চলছে। সাভারের আরেকটি কারখানায় তৈরি হচ্ছে শিশুদের চকলেট ও সন্দেশ। সেখানে অসংখ্য ড্রামে জমিয়ে রাখা হয়েছে পাঁচ থেকে ছয় দিন আগের পচা মিষ্টির সিরা। সেই সিরা দিয়েই তৈরি হচ্ছে শিশুদের জন্য সন্দেশ, যা কয়েক দিনের মধ্যেই বাজারে ছড়িয়ে দেয়ার প্রস্তুতি রয়েছে। প্যাকেটের গায়ে দুধ, চিনি ও বিভিন্ন উপাদানের কথা উল্লেখ থাকলেও ড্রামগুলোতে রয়েছে শুধু মিষ্টির সিরা ও পচা দই। এর মধ্যে মরে পচে আছে মাছি ও বিভিন্ন পোকামাকড়।  এসব উপাদান গরম করেই তৈরি করা হচ্ছে সন্দেশ ও চকলেট। কারখানার পরিবেশও অত্যন্ত নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর। চারদিকে দুর্গন্ধে টেকা দায়। মিষ্টির সিরা ও ফ্লেভার ব্যবহারের বিষয়ে জানতে চাইলে কারখানার এক কর্মচারী জানান, মিষ্টির দোকান থেকে ফেলে দেওয়া মিষ্টির সিরা সংগ্রহ করে আটা দিয়ে জ্বাল দেওয়া হয়। এতে মিষ্টির স্বাদ ও ফ্লেভার পাওয়া যায়। শুধু একটি বা দুটি কারখানা নয়, রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর, কেরানীগঞ্জ, রূপগঞ্জ, সাভার ও আশুলিয়ায় তৈরি হচ্ছে এমন ক্ষতিকর শিশুখাদ্য। এসব কারখানায় তৈরি পণ্যের গন্তব্য পুরান ঢাকার চকবাজার। সেখান থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে এসব খাবার। এ বিষয়ে মুদি দোকানিরা বলছেন, তারা বিক্রি বন্ধ করলেও অন্য দোকানে এসব পণ্য বিক্রি হবে। একজন দোকানি বলেন, আমি যদি না বিক্রি করি, দেখা যাবে আমার পরিবর্তে আরেকটা দোকান বিক্রি করবে। বাংলাদেশে জন্মলগ্ন থেকেই এসব চলছে, এর কী হবে? এসব জিনিস বিক্রি করলেও আমি আমার বাচ্চাকে খাওয়াই না। দেশের শিশুখাদ্যের এমন পরিস্থিতিতে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ কী করছে, তা জানতে সংস্থাটির কর্মকর্তাদের মুখোমুখি হয় সময় সংবাদ। তবে তাদের বক্তব্যে উঠে আসে হতাশার চিত্র। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে নগরবাসীকে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য (খাদ্যশিল্প ও উৎপাদন) অধ্যাপক মোহাম্মদ শোয়েব বলেন, ভেজালবিরোধী বিভিন্ন ধরনের অভিযান পরিচালনা করছি। তারপরও এসব কমছে না। এর মূল কারণ তাদের অসততা। সরকারি প্রতিষ্ঠানে যারা কাজ করি, তাদের পক্ষে এককভাবে এ সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়। সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে এসব নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। আরটিভি/এসআর
পচা দই-মিষ্টির সিরায় তৈরি হচ্ছে শিশুদের চকলেট-সন্দেশ!
ডেঙ্গুতে চলতি বছরে সর্বোচ্চ মৃত্যু অক্টোবরে
ডেঙ্গুতে চলতি বছরের মধ্যে সবচেয়ে প্রাণঘাতী মাস হয়ে উঠেছে অক্টোবর।  শুধু অক্টোবরেই ডেঙ্গুতে ১৭৪ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা এ বছর যেকোনও মাসের চেয়ে সর্বোচ্চ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, চলতি বছর এ নিয়ে ডেঙ্গুতে মোট ৪১৯ জনের প্রাণ গেল। এর মধ্যে অক্টোবর মাসেই প্রাণ গেছে ১৭৪ জনের; যা চলতি বছরে এক মাসের হিসাবে সর্বোচ্চ। এর আগে সেপ্টেম্বরে ১৪৮ জনের মৃত্যু হয়। ডেঙ্গুর বুলেটিনের তথ্য বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে একজন খুলনা বিভাগে মারা গেছেন। শনিবারের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ১ হাজার ৬৩৩ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। যার মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৬০৪ জন ভর্তি হয়েছে। অন্য বিভাগের মধ্যে বরিশালে ২৩৪ জন, চট্টগ্রামে ২৮১ জন, খুলনায় ২২৮ জন, ময়মনসিংহে ৭০, রাজশাহী ১৪৯ ও রংপুরে ৬৭ জন ভর্তি হয়েছে। বুলেটিন অনুসারে, চলতি বছর এ পর্যন্ত মোট ১ লাখ ৩৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, যার মধ্যে ১ লাখ ২৮ হাজার ৩৪৫ জন হাসপাতাল ছেড়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুর তথ্য রাখে ২০০০ সাল থেকে। এর মধ্যে ২০২৩ সালে এ রোগ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়। ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি ১ হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যুও হয় ওই বছর। ২০২৫ সালে ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয় ৪ শতাধিক মানুষের, শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ১ লাখ ২ হাজারের বেশি। আরটিভি/এসআর  
ডেঙ্গুতে চলতি বছরে সর্বোচ্চ মৃত্যু অক্টোবরে
ইনস্টিটিউট অব হেলথ ম্যানেজমেন্ট চালু হচ্ছে কবে, জানালেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেছেন, দীর্ঘদিন অবহেলিত ও পড়ে থাকা সাভারের ‘বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব হেলথ ম্যানেজমেন্ট’ আগামী পহেলা জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে।
ইনস্টিটিউট অব হেলথ ম্যানেজমেন্ট চালু হচ্ছে কবে, জানালেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
আরও পড়ুন
ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে নতুন ভর্তি ১২৬২
ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে নতুন ভর্তি ১৮৮৬
যাত্রাবাড়ীতে পিটিয়ে ও গুলি করে দুইজনকে হত্যা
রামেক হাসপাতালের নতুন পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাইদুর রহমান