ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

ভয়ংকর রূপে ডেঙ্গু, প্রাথমিক লক্ষণ নিয়ে ডব্লিউএইচও’র সতর্কবার্তা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

ক্রমশ ভয়ংকর হয়ে উঠছে বাংলাদেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতি। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এডিস মশাবাহিত এই রোগটিতে আক্রান্তের পাশাপাশি মৃত্যুও বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ যে ডেঙ্গুতে মৃত্যুহীন দিনের দেখা খুব কমই মিলছে। এ অবস্থায় ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে প্রয়োজন টেকসই ব্যবস্থা।

ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ডেঙ্গুর প্রাথমিক লক্ষণগুলো উল্লেখ করে সতর্কবার্তা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

বার্তায় বলা হয়েছে, যদি কেউ ডেঙ্গুর প্রাথমিক লক্ষণগুলোর কোনোটির মুখোমুখি হন, তবে অবিলম্বে ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে।

ডব্লিউএইচও’র উল্লেখিত ডেঙ্গুর প্রাথমিক লক্ষণগুলো হলো তীব্র মাথা ব্যথা; চোখের পেছনের দিকে ব্যথা; হাড়ের জোড়া এবং মাংসের পেশিতে ব্যথা; বমি বমি ভাব; বমি করা এবং চামড়ায় লালচে ছোট ছোট ফুসকুড়ি ওঠা।

এসব লক্ষণের যেকোনোটি দেখা দিলে সময়মতো চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

এদিকে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চলতি বছরে প্রাণহানির সংখ্যা ইতোমধ্যে ২০০ ছাড়িয়ে গেছে। শুধু চলতি সেপ্টেম্বরের ২২ দিনেই মৃত্যু হয়েছে ১০৪ ডেঙ্গু রোগীর। সবশেষ বুধবারের (২৩ সেপ্টেম্বর) আপডেট অনুযায়ী, ৬ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে এডিস মশাবাহিত রোগটি। একইদিন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৮৬৮ জন।

এদিকের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডাটা বলছে, গত ৮ বছরে ভয়ংকর রূপ নিয়েছে ডেঙ্গু। ২০০০ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ডেঙ্গুতে যেখানে ২৯৬ জনের মৃত্যু হয়েছে, সেখানে পরবর্তী ৭ বছর ৯ মাসে মশাবাহিত রোগটিতে ৩ হাজার ৪৬৬ জন মারা গেছে দেশে। সরকারি হিসাবে এই সময়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে ৭ লাখ ৮৬ হাজার ৯১ জন; আগের দেড় যুগে যা ছিল ৫০ হাজার ২০৮।

অর্থাৎ, সবশেষ ৭ বছর ৯ মাসে আগের দেড় যুগের তুলনায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু বেড়েছে ১১ দশমিক ৭১ গুণ এবং আক্রান্ত বেড়েছে ১৫ দশমিক ৬৬ গুণ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এডিস মশার প্রজনন নিয়ন্ত্রণে দুর্বলতা, আক্রান্তের সংখ্যা কম নথিভুক্ত হওয়া, হাসপাতালে ভর্তিতে দেরি করা এবং একই ব্যক্তি বারবার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়া এই ভয়ংকর পরিস্থিতির জন্য দায়ী।

তাদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, বাংলাদেশের পরিবর্তিত পরিবেশের সঙ্গে বেশ ভালোভাবে খাপ খাইয়ে নিয়েছে এডিস মশা । তাই ডেঙ্গুকে এখন আর শুধুমাত্র মৌসুমি রোগ হিসেবে বিবেচনার সুযোগ নেই। অল্প পরিমাণ জমে থাকা পানিতেও এই মশা বংশবিস্তার করতে পারে। এমনকি ফেলে দেওয়া ছোট পাত্রের ভেতরেও এডিস মশার প্রজনন হতে পারে। এর বিস্তার এখন আর কেবল শহরাঞ্চলে সীমাবদ্ধ নেই, এটি ক্রমেই গ্রামাঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়ছে। জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং বারবার সংক্রমণ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। একজন ব্যক্তি একাধিকবার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হতে পারেন। যেসব জনগোষ্ঠীর ভেতরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা কম বা শূন্যের কোটায় ছিল, তারাও এখন এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে টেকসই ব্যবস্থা গড়ে তুলতে স্বল্পমেয়াদি অভিযানের পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদি, সমন্বিত ও জনকেন্দ্রিক জনস্বাস্থ্য কর্মসূচি প্রয়োজন বলে অভিমত বিশেষজ্ঞদের।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
রংপুরে অ্যানথ্রাক্সের নতুন ক্লাস্টারের শঙ্কা
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত হয়ে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত ৩৪ জন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। এ ঘটনায় রংপুর বিভাগ অ্যানথ্রাক্সের নতুন ক্লাস্টারে পরিণত হচ্ছে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিষয়টি অনুসন্ধানে সেখানে দল পাঠিয়েছে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)।
রংপুরে অ্যানথ্রাক্সের নতুন ক্লাস্টারের শঙ্কা
ডিম্বাণু সংরক্ষণের সুযোগ বাংলাদেশেও, তবে চাইলেই কি করা যায়?
নানা কারণে অনেক নারী সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা কিছুটা পিছিয়ে দেন। তবে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে গর্ভধারণের সম্ভাবনা কমতে থাকে। বিশেষ করে মধ্য ত্রিশের পর এ সম্ভাবনা দ্রুত কমে যেতে পারে। একই সঙ্গে বয়স বাড়লে ডিম্বাণুতে ক্রোমোজোমজনিত ত্রুটির ঝুঁকিও বাড়ে। ফলে গর্ভধারণ হলেও কিছু জটিলতার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে ভবিষ্যতের জন্য ডিম্বাণু সংরক্ষণের বিষয়টি নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এখন এ প্রযুক্তির সুযোগ রয়েছে। তবে চাইলেই যে কোনো নারী ডিম্বাণু সংরক্ষণ করলেই ভবিষ্যতে সন্তানধারণ নিশ্চিত হবে বিষয়টি এমন নয়। বয়স কতটা গুরুত্বপূর্ণ? চিকিৎসাবিজ্ঞানের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৩০ বছর বয়সের পর নারীর গর্ভধারণের সম্ভাবনা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে। মধ্য ত্রিশের পর এই হার আরও দ্রুত কমে। ৪৫ বছর বয়সের দিকে স্বাভাবিকভাবে গর্ভধারণের সম্ভাবনা খুবই কমে যায়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ডিম্বাণুর গুণগত মানও কমতে পারে। একই সঙ্গে ডিম্বাণুতে ক্রোমোজোমাল অস্বাভাবিকতার ঝুঁকি বাড়ে। ফলে গর্ভধারণ হলে ভ্রূণের কিছু জিনগত বা জন্মগত ত্রুটির ঝুঁকিও বাড়তে পারে। ডিম্বাণু সংরক্ষণ কীভাবে করা হয়? ডিম্বাশয়ে থাকা ডিম্বাণুগুলো তুলনামূলক ভালো অবস্থায় থাকতেই সেগুলো সংগ্রহ করে সংরক্ষণ করা যায়। এ জন্য প্রথমে হরমোন ইনজেকশনের মাধ্যমে একসঙ্গে একাধিক ডিম্বাণুকে পরিণত করে তোলা হয়। সাধারণত ৮ থেকে ১২ দিন পর নির্দিষ্ট সময়ে ডিম্বাণু সংগ্রহের প্রক্রিয়া করা হয়। এ সময় রোগীকে ঘুমের ওষুধ বা চেতনানাশক দেওয়া হয়। এরপর ট্রান্সভ্যাজাইনাল সনোগ্রাফি বা টিভিএস প্রোবের সাহায্যে বিশেষ সূচের মাধ্যমে ডিম্বাণু সংগ্রহ করা হয়। সংগৃহীত ডিম্বাণু তরল নাইট্রোজেনের অত্যন্ত নিম্ন তাপমাত্রায় ফ্রিজারে সংরক্ষণ করা হয়। প্রয়োজন অনুযায়ী ১০ বছর বা তারও বেশি সময় ডিম্বাণু সংরক্ষণ করা সম্ভব হতে পারে। পরবর্তী সময়ে ওই নারী সন্তান নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে সংরক্ষিত ডিম্বাণু স্বাভাবিক তাপমাত্রায় আনা হয়। এরপর শুক্রাণুর মাধ্যমে ডিম্বাণুর নিষেক ঘটিয়ে ভ্রূণ তৈরি করা হয়। পরে সেই ভ্রূণ জরায়ুতে স্থাপন করা হয়। কারা ডিম্বাণু সংরক্ষণ করতে পারেন? ক্যানসারে আক্রান্ত কোনো নারীর চিকিৎসার কারণে ভবিষ্যতে বন্ধ্যত্বের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এমন ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শে আগেই ডিম্বাণু সংরক্ষণ ভবিষ্যতে সন্তানধারণের একটি সম্ভাবনা ধরে রাখার সুযোগ দিতে পারে। এ ছাড়া সুস্থ কোনো নারী ভবিষ্যতে সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা পিছিয়ে দিতে চাইলে তিনিও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন। তবে ডিম্বাণু সংরক্ষণ তাঁর জন্য উপযুক্ত কি না, তা নির্ভর করবে বয়স, শারীরিক অবস্থা, ডিম্বাণুর মজুত ও গুণগত মানসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর। ডিম্বাণু সংরক্ষণ করলেই কি সন্তানধারণ নিশ্চিত? না। ডিম্বাণু সংরক্ষণ ভবিষ্যতে সন্তানধারণের নিশ্চয়তা দেয় না। বিশেষ করে সংরক্ষিত ডিম্বাণু পরে গলিয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় আনার সময় কিছু ডিম্বাণু নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এরপর নিষেক ও ভ্রূণ তৈরির ক্ষেত্রেও সাফল্য নিশ্চিত নয়। এ ছাড়া বয়স বাড়ার সঙ্গে নারীর অন্যান্য শারীরিক জটিলতার ঝুঁকি বাড়তে পারে। ভ্রূণ জরায়ুতে স্থাপনের পরও গর্ভপাতসহ বিভিন্ন জটিলতার আশঙ্কা থাকতে পারে। ডিম্বাণু সংরক্ষণ করলেও ভবিষ্যৎ সন্তানের জন্মগত ত্রুটি সম্পূর্ণভাবে ঠেকানো সম্ভব এমন নিশ্চয়তাও নেই। ঝুঁকি ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ডিম্বাণু সংগ্রহের আগে দেওয়া হরমোন ইনজেকশনের কারণে কারও কারও ওভারিয়ান হাইপারস্টিমুলেশন সিনড্রোম (OHSS) হতে পারে। এতে ডিম্বাশয় ফুলে যাওয়া, শরীরে পানি জমা, পেটব্যথা, পেট ফাঁপা, বমি বমি ভাব, বমি বা পাতলা পায়খানা হতে পারে। জটিলতা বেশি হলে দ্রুত ওজন বেড়ে যাওয়া, তীব্র পেটব্যথা, অনবরত বমি, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট কিংবা রক্ত জমাট বাঁধার মতো গুরুতর সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ ছাড়া হরমোনের প্রভাবে ডিম্বাশয় বড় ও ভারী হয়ে গেলে সেটি নিজের অক্ষের ওপর মুচড়ে যেতে পারে, যাকে ওভারিয়ান টরশন বলা হয়। এটি জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন হয় এমন একটি পরিস্থিতি। ডিম্বাণু সংগ্রহের সময় যোনিপথ বা ডিম্বাশয়ের রক্তনালিতে আঘাত লাগারও আশঙ্কা থাকে। বিরল ক্ষেত্রে মূত্রথলি, অন্ত্র বা আশপাশের রক্তনালিতেও আঘাত লাগতে পারে। সংক্রমণের ঝুঁকিও পুরোপুরি বাদ যায় না। খরচও কম নয় ডিম্বাণু সংরক্ষণের পুরো প্রক্রিয়া তুলনামূলক ব্যয়বহুল। ডিম্বাণু সংগ্রহ ও সংরক্ষণের পাশাপাশি ফ্রিজারে সংরক্ষিত ডিম্বাণুর জন্য প্রতিবছর অতিরিক্ত খরচ হতে পারে। তাই ডিম্বাণু সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করা জরুরি। একই সঙ্গে যে প্রতিষ্ঠানে প্রক্রিয়াটি করানো হবে, সেখানে ডিম্বাণু সংগ্রহ, সংরক্ষণ, ভবিষ্যতে ব্যবহারের প্রক্রিয়া এবং দীর্ঘমেয়াদি সংরক্ষণ সব মিলিয়ে মোট খরচ সম্পর্কে আগেই বিস্তারিত জেনে নেওয়া উচিত। সব মিলিয়ে, ডিম্বাণু সংরক্ষণ ভবিষ্যতে সন্তানধারণের একটি সুযোগ ধরে রাখার প্রযুক্তি হলেও এটি কোনো নিশ্চয়তা নয়। কার জন্য এটি উপযুক্ত, কখন করা ভালো এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি কতটা এসব সিদ্ধান্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শের ভিত্তিতেই নেওয়া উচিত। আরটিভি/এসকে
ডিম্বাণু সংরক্ষণের সুযোগ বাংলাদেশেও, তবে চাইলেই কি করা যায়?
ভয়ংকর রূপ নিচ্ছে ডেঙ্গু, প্রাণহানি ছাড়াল ২০০
ক্রমশ ভয়ংকর আকার ধারণ করছে ডেঙ্গু পরিস্থিতি। প্রতিদিনিই একের পর এক প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে এডিস মশাবাহিত রোগটি। এরই ধারাবাহিকতায় এবার আরও ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে ডেঙ্গুতে।
ভয়ংকর রূপ নিচ্ছে ডেঙ্গু, প্রাণহানি ছাড়াল ২০০
‘নতুন ক্লিনিক’ তৈরি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
সরকারি হাসপাতালের এক কিলোমিটারের মধ্যে নতুন কোনো ক্লিনিক স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হবে না। একইসঙ্গে ওই সীমানার মধ্যে বিদ্যমান ক্লিনিকে কোনো সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক প্র্যাকটিস করতে পারবেন না।
‘নতুন ক্লিনিক’ তৈরি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
হামের উপসর্গ নিয়ে এবার একদিনে ১১ শিশুর মৃত্যু
সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ২৭০ জন।
হামের উপসর্গ নিয়ে এবার একদিনে ১১ শিশুর মৃত্যু
আরও পড়ুন
ভয়ংকর রূপ নিচ্ছে ডেঙ্গু, প্রাণহানি ছাড়াল ২০০
হিজলায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে স্বেচ্ছাসেবীদের অভিযান
‘আমি কাকে আম্মু বলে ডাকব’
যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন ডেঙ্গু রোগীর অবস্থা ক্রিটিক্যাল কি না