ঢাকা শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

চীন-পাকিস্তান আমাদের চিকিৎসকদের জন্য দুয়ার খুলে দিয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৭ পিএম
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন : ছবি সংগৃহীত

বাংলাদেশি চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ ও ফেলোশিপের সুযোগ দিতে চীন ও পাকিস্তান তাদের দুয়ার খুলে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

তিনি বলেন, চীন বাংলাদেশি চিকিৎসকদের ফেলোশিপে নেওয়ার পাশাপাশি দেশটির হাসপাতালগুলোতে তাদের প্রবেশের সুযোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছে। একইসঙ্গে বাংলাদেশে এসে চিকিৎসকদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনে চীনে নিয়ে গিয়েও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর জাতীয় নাক, কান ও গলা ইনস্টিটিউটের ১৩৫ থেকে ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশি চিকিৎসকদের ফেলোশিপে নেওয়ার পাশাপাশি চীনের হাসপাতালগুলোতে তাদের প্রবেশের সুযোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছে দেশটি। চীনা চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশে এসে চিকিৎসকদের ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ দেবেন। পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী বাংলাদেশি চিকিৎসকদের চীনে নিয়ে গিয়েও হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।

পাকিস্তানের সহযোগিতার বিষয়ে তিনি বলেন, পাকিস্তান বাংলাদেশ থেকে ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীদের নিয়ে গিয়ে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। একইসঙ্গে পাকিস্তানি চিকিৎসকরাও বাংলাদেশে এসে চিকিৎসকদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেবেন বলে জানিয়েছেন। দুই দেশের এ ধরনের সহযোগিতা বাংলাদেশের চিকিৎসকদের দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবার সুযোগ সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখবে বলে জানান তিনি।

থ্যালাসেমিয়া ও এইচআইভিসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে চিকিৎসকদের চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি জনসচেতনতা তৈরিতে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। সাখাওয়াত হোসেন বলেন, শুধু রোগীর চিকিৎসা করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না; রোগ প্রতিরোধে মানুষকে সচেতন করাও চিকিৎসকদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে গিয়ে সাধারণ মানুষকে রোগের কারণ, প্রতিরোধ ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা সম্পর্কে জানাতে হবে।

বিয়ের আগে বর-কনের থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা করার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, স্বামী ও স্ত্রী দুজনই থ্যালাসেমিয়ার বাহক হলে তাদের সন্তানের থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই বিয়ের আগে ছেলে ও মেয়ের রক্ত পরীক্ষা করানো উচিত। তিনি বলেন, আপনারা দয়া করে এখন বিয়ের আগে মেয়ে ও ছেলের ব্লাড টেস্ট করাবেন থ্যালাসেমিয়ার জন্য। এটা রক্তের মধ্যে পাওয়া যায়।

চিকিৎসকদের উদ্দেশে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, শুধু চিকিৎসার মাধ্যমে সব রোগ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়; জনগণের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে হবে। সন্তানদের স্বাস্থ্যের বিষয়ে অভিভাবকদের সচেতন করার পাশাপাশি চিকিৎসকেরা যেখানে যাবেন, সেখানেই মানুষকে থ্যালাসেমিয়া, এইচআইভি ও ছোঁয়াচে রোগ সম্পর্কে সচেতন করতে হবে। হাত ধোয়া ও পরিচ্ছন্নতার মতো বিষয়েও জনসচেতনতা তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে নতুন ভর্তি ১৫১২
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও চারজন মারা গেছেন। একই সময়ে হাসপাতালে নতুন ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৫১২ জন।
ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে নতুন ভর্তি ১৫১২
ছয় মাসে হাম ও উপসর্গ নিয়ে শিশুমৃত্যু ১২০৭
দেশজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এতে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গে মোট প্রাণহানি ১ হাজার ২০৭ জনে দাঁড়াল। এ ছাড়া গত একদিনে নতুন করে ১ হাজার ৩১ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ দেখা গেছে। 
ছয় মাসে হাম ও উপসর্গ নিয়ে শিশুমৃত্যু ১২০৭
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত উদ্যোগ, প্রজননস্থল ধ্বংসে জোর বিশেষজ্ঞদের
অক্টোবর ও নভেম্বর মাসেও ডেঙ্গুর পরিস্থিতি উদ্বেগজনক থাকতে পারে। নভেম্বর মাসে প্রকোপ কিছুটা কমলেও উল্লেখযোগ্য উন্নতির জন্য ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে।
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত উদ্যোগ, প্রজননস্থল ধ্বংসে জোর বিশেষজ্ঞদের
আন্তর্জাতিক তোতলামি সচেতনতা দিবস আজ
তোতলামি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে আজ ২২ অক্টোবর পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক তোতলামি সচেতনতা দিবস।
আন্তর্জাতিক তোতলামি সচেতনতা দিবস আজ
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১ জনের মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১২০৫
হাম উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ১৫ মার্চ থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত নিশ্চিত হাম ও হাম উপসর্গে মৃত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২০৫ জন। বুধবার (২১ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯৯৭ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ২ লাখ ১৬ হাজার ৭৬৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৩ জন। গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২৩ হাজার ২১২ জন। গত ১৫ মার্চ থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৯২ হাজার ৬৯৫ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ লাখ ৮৫ হাজার ১১০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় একজনসহ গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট ১ হাজার ১০১ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারো মৃত্যু হয়নি। গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ১০৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। আরটিভি/টিআর
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১ জনের মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১২০৫
আরও পড়ুন
রামেক হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি স্থগিত
ফিলাডেলফিয়া ম্যাগাজিনের ‘সেরা চিকিৎসক’ সম্মাননা পেলেন বাংলাদেশি ডা. জিয়াউদ্দিন
দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় সরকার প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ক্যানসার হাসপাতালগুলোতে রেডিওথেরাপি মেশিন স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী