ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

ভয়ংকর রূপে ডেঙ্গু, অক্টোবরের অর্ধেক না পেরোতেই ৮৬ জনের মৃত্যু

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

ক্রমশ ভয়ংকর হয়ে উঠছে ডেঙ্গু। সেপ্টেম্বরে এডিস মশাবাহিত এই রোগে ১৪৮ জনের প্রাণহানির পর অক্টোবরে এসে আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে পরিস্থিতি। চলতি মাসে দ্বিতীয়বারের মতো একদিনে সর্বোচ্চ ১০ প্রাণ কেড়ে নেওয়ার রেকর্ড ছুঁয়েছে এ ডেঙ্গু। এ নিয়ে অক্টোবরের ১৪ দিনেই এডিস মশাবাহিত রোগটিতে মৃত্যু পৌঁছেছে ৮৬ জনে।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১০ জনের মৃত্যুর পাশাপাশি হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৯৪৩ জন।

সব মিলিয়ে চলতি বছর মোট ৩৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে ডেঙ্গুতে। এর মধ্যে অক্টোবরের প্রথম ১৪ দিনেই মারা গেছে ৮৬ জন। এছাড়া সেপ্টেম্বরে সর্বোচ্চ ১৪৮ জন, আগস্টে ৪৩ জন, জুলাইয়ে ৩৬ জন, জুনে ১৩ জন, মে মাসে একজন এবং জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে দুজন করে ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

বুলেটিনে বলা হয়, বুধবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১ হাজার ৯৪৩ জন ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭ হাজার ২৫৯ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১ হাজার ৮৩০ জন। এ পর্যন্ত মোট ১ লাখ ১ হাজার ৩১ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
চট্টগ্রামে ডেঙ্গুতে তিন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে দুই শিশুর মৃত্যু
চট্টগ্রামে গত সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে নারী–শিশুসহ তিনজন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যু হয়েছে ৩৯ জনের এবং হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৫০ জনের।
চট্টগ্রামে ডেঙ্গুতে তিন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে দুই শিশুর মৃত্যু
জেলা-উপজেলায় নেই চক্ষু বিশেষজ্ঞ, প্রায় এক কোটি মানুষের ভরসা শেবাচিম
বরিশাল বিভাগের প্রায় এক কোটি মানুষের চোখের চিকিৎসার প্রধান সরকারি ভরসা শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (শেবাচিম)। বিভাগে প্রতিবছর নতুন করে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ ছানি রোগে আক্রান্ত হলেও জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সরকারি হাসপাতালে নেই পর্যাপ্ত চক্ষু বিশেষজ্ঞ। ফলে চিকিৎসার জন্য বিভাগীয় শহরে ছুটতে হচ্ছে রোগীদের। এতে বাড়ছে যাতায়াত ব্যয়, ভোগান্তি ও চিকিৎসার অপেক্ষা।
জেলা-উপজেলায় নেই চক্ষু বিশেষজ্ঞ, প্রায় এক কোটি মানুষের ভরসা শেবাচিম
মানহীন মেডিকেল কলেজ কাউকে করতে দেওয়া হবে না: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
রাজনৈতিক চাপ কিংবা প্রভাবশালী মহলের প্রভাব খাটিয়ে মানহীন কোনো মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। বুধবার (৪ নভেম্বর) বুধবার রাজধানীর মহাখালীতে বাংলাদেশ মেডিকেল এডুকেশন অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিল (বিএমইএসি) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ‘অ্যাসেসর ট্রেনিং’ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, চিকিৎসা শিক্ষার আন্তর্জাতিক মান এবং রোগীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত আমরা নতুন কোনো বেসরকারি মেডিকেল কলেজের অনুমোদন দিইনি। এতে প্রভাবশালী বিভিন্ন মহলের পক্ষ থেকে চাপ আসছে। কিন্তু মান ও নির্ধারিত শর্ত পূরণ না করে কাউকে মেডিকেল কলেজ করতে দেওয়া হবে না। হাসপাতাল ছাড়া মেডিকেল কলেজ হবে আর রোগী না দেখে কেউ চিকিৎসক হয়ে যাবে, এমন পরিস্থিতি চলতে পারে না। দেশে চিকিৎসা শিক্ষার বৈষম্য ও ভৌগোলিক অসম বণ্টন তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশের প্রায় ৫০ শতাংশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজই ঢাকা বিভাগে পুঞ্জীভূত। অথচ বাকি সাতটি বিভাগে ভারসাম্যহীনতা স্পষ্ট। সংসদ বা রাজনৈতিক বক্তৃতায় যখন-তখন নিজ জেলা বা উপজেলায় মেডিকেল কলেজ চাওয়ার মতো জনপ্রিয় হওয়ার প্রবণতা পরিহার করে পরিকল্পিতভাবে স্বাস্থ্য কাঠামো গড়ে তুলতে হবে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদিত ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন ফর মেডিকেল এডুকেশনের নিয়ম মেনে অ্যাক্রিডিটেশন অর্জন না করলে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চিকিৎসকদের বৈশ্বিক কর্মক্ষেত্র সংকুচিত হয়ে পড়বে। চিকিৎসকদের পেশাগত মর্যাদা ও আস্থা ফেরাতে আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখা এখন বাধ্যতামূলক। বিদেশ থেকে ডিগ্রি নিয়ে আসা শিক্ষার্থীদের প্রসঙ্গে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি জানান, সম্প্রতি বিদেশ থেকে পাস করে আসা চিকিৎসকদের রেজিস্ট্রেশন পরীক্ষায় মাত্র ৩০ শতাংশ উত্তীর্ণ হয়েছেন। সন্তানদের কষ্টার্জিত অর্থ ব্যয় করে বিদেশে পাঠানোর আগে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান যাচাই করতে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। আরটিভি/টিআর
মানহীন মেডিকেল কলেজ কাউকে করতে দেওয়া হবে না: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
পেছালো মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা
আগামী ৪ ডিসেম্বর নির্ধারিত মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের ২০২৬-২৭ সেশনের এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। আরও কিছুদিন পিছিয়ে পরীক্ষাটি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর। বুধবার (৪ নভেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. রুবীনা ইয়াসমীন। অধ্যাপক রুবীনা ইয়াসমীন বলেন, পূর্বনির্ধারিত তারিখে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তবে এখনও নতুন তারিখ নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। অধিদপ্তরের একটি সূত্র জানিয়েছে, এইচএসসি ও সমমানের পুনঃপরীক্ষায় (সাপ্লিমেন্টারি) অংশ নেওয়া পরীক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত কী হবে, তার ওপর নির্ভর করছে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার নতুন তারিখ। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের এডিজি রুবীনা ইয়াসমীন বলেন, সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা বর্তমানে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সমান সুযোগ পাবে কিনা, এ বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমরা ব্যবস্থা নেব।  এ ছাড়া এখনও ভর্তি নীতিমালা চূড়ান্ত হয়নি। সেটি চূড়ান্ত হলেও আমরা সে অনুযায়ী পরীক্ষা নিতে পারব। উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের সাপ্লিমেন্টারি বা বিশেষ পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দিচ্ছে সরকার। এ বছর পরীক্ষায় প্রায় ৬ লাখ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন। পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ, যা গত ২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।  এমন পরিস্থিতিতে প্রথমবারের মতো ৪ লাখের বেশি শিক্ষার্থীকে সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। প্রাথমিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এ পরীক্ষা নেওয়া এবং একই মাসের শেষে ফল প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা চলতি শিক্ষাবর্ষেই উচ্চশিক্ষায় ভর্তির সুযোগ পাবেন। আরটিভি/টিআর
পেছালো মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা
ডেঙ্গুতে একদিনে ৬ জনের মৃত্যু, নতুন ভর্তি ১৮৬৬
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৮৬৬ জন। বুধবার (৪ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ১ লাখ ৪২ হাজার ৭৭৫ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরে গেছেন ১ লাখ ৩৬ হাজার ৩৯৪ জন রোগী। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ৫ হাজার ৯৩৬ জন ডেঙ্গু রোগী।  এছাড়া চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে সারাদেশে মোট ৪৪৫ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। বিভাগওয়ারি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ডেঙ্গুর প্রকোপ সবচেয়ে বেশি রয়েছে ঢাকা বিভাগে। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ৮৬৮ জন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ঢাকা বিভাগে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৮ হাজার ২৮৪ জনে এবং মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২১২ জনে পৌঁছেছে। এছাড়া খুলনা বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় ২১৫ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছে এবং ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। যার ফলে মোট আক্রান্ত বেড়ে ২১ হাজার ৪৪৭ জনে এবং মোট মৃত্যু ৮২ জনে দাঁড়িয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিভাগে ২৫৬ জন নতুন রোগী ভর্তি হলেও এই সময়ে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। তবে এই বিভাগে এখন পর্যন্ত মোট ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আক্রান্তের সংখ্যা ২০ হাজার ৮৮৬ জন। রাজশাহী বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১৭১ জন (মৃত্যু নেই), মোট আক্রান্ত ১১ হাজার ৫২ জন এবং মোট মৃত্যু ২৯ জন। অন্যদিকে রংপুর বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় ৭১ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন, যেখানে মোট আক্রান্ত ৪ হাজার ৯৮০ জন এবং এ পর্যন্ত ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। বরিশাল বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২০৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, ফলে এই বিভাগে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৭ হাজার ৭১২ জনে এবং মোট মৃত্যু ৩০ জনে দাঁড়িয়েছে। তুলনামূলক কম আক্রান্ত হওয়া সিলেট বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি রোগীর সংখ্যা ছিল মাত্র ১৩ জন, এবং এ পর্যন্ত এই বিভাগে মোট ৯১২ জন আক্রান্ত ও ৪ জনের মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে। আরটিভি/টিআর
ডেঙ্গুতে একদিনে ৬ জনের মৃত্যু, নতুন ভর্তি ১৮৬৬
আরও পড়ুন
ডেঙ্গুতে এবার একদিনে ৮ জনের মৃত্যু, নতুন ভর্তি ১৯২৯
ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে নতুন ভর্তি ২২১৮
ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে নতুন ভর্তি ১২৯৯
ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে নতুন ভর্তি ১৫১২