
মারাত্মক বিষাক্ত ধোঁয়াশার চাদরে মোড়া ভারতের রাজধানী দিল্লি। মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এই তিনদিনে পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপের দিকে যাচ্ছে। এই ধোঁয়া উত্তর ভারত ছাড়া পাকিস্তানের কিছু অংশও ঢেকে রেখেছে। দিল্লির সব স্কুল এরইমধ্যে বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। পাঞ্জাব সরকার জানিয়েছে তারাও রাজ্যের সব স্কুল বন্ধ করে দিয়েছে।
অসহ্য মাথাব্যথা, কফ, সর্দি, কাশির সমস্যায় ভুগছেন দিল্লির বাসিন্দারা। চিকিৎসকরা এই ঘটনাকে জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি হিসেবে ঘোষণা করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জরুরি পদক্ষেপ নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
ধোঁয়াশার তীব্রতায় পথ চিনতে অসুবিধা হচ্ছে গাড়ির চালকদের। ভয়াবহ ধোঁয়াশার হাত থেকে কিছুটা বাঁচতে আগামী সপ্তাহের সোমবার থেকে শুক্রবার জোড়-বিজোড় নীতির ট্রাফিক ব্যবস্থা চালু হচ্ছে রাজধানীতে। নম্বর প্লেটের শেষ নম্বর জোড় ও বিজোড়ের ভিত্তিতে নির্দিষ্ট দিনে গাড়ি চলাচল করবে।
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেছেন, এই ধোঁয়াশার জন্য দায় এড়াতে পারেন না পাঞ্জাব, হরিয়ানার কৃষকরা। তারা ফসলের কাজে না লাগা অংশগুলিকে পোড়ানোর ফলে যে ধোঁয়া হচ্ছে, তা থেকেই জন্ম হচ্ছে এই ধোঁয়াশার।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, এটা যাতে কিছুটা কমানো যায়, তার জন্য তিনি আলোচনায় বসতে চাইলেও পাঞ্জাব, হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রীরা এখনো তাকে সময় দেননি।
পরিবেশমন্ত্রী হর্ষবর্ধন জানিয়েছেন, ধোঁয়াশার কারণে নাগরিকদের আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। সরকার সবধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে।
সমস্যা মেটাতে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদের সঙ্গে দিল্লি, পাঞ্জাব ও হরিয়ানা সরকারের আমলাদের জরুরি বৈঠকে বসতে বলেছে দিল্লি হাইকোর্ট।
কে/এএ




