
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথমবারের মতো নতুন জাতীয় নিরাপত্তা কৌশল ঘোষণা করেছেন। ‘আমেরিকা ফার্স্ট’নীতির ওপর ভিত্তি করে সোমবার ঘোষিত ট্রাম্পের নতুন এ নিরাপত্তা পরিকল্পনার মাধ্যমে তার পূর্বসূরিদের কৌশলগুলোকে কটাক্ষ করা হয়েছে। নতুন পরিকল্পনায় ট্রাম্প চারটি মূলনীতির কথা উল্লেখ করেছেন। কিন্তু সেখানে মানবাধিকার ও জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যু উল্লেখ নেই। খবর ফক্স নিউজ।
মূলনীতিগুলোর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড, মার্কিন জনগণ ও মার্কিন জীবনধারার সুরক্ষা, যুক্তরাষ্ট্রের সমৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা, শক্তির মাধ্যমে শান্তিরক্ষা এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব আরো বাড়ানো।
দীর্ঘ ১১ মাস ধরে হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা ৬৮ পৃষ্ঠার এ পরিকল্পনা তৈরি করেন।
এতে বলা হয়েছে, এ পরিকল্পনার মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের পথে পা বাড়িয়েছেন। মাতৃভূমি রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চলে সীমান্ত প্রাচীর নির্মাণ ও অভিবাসী ভিসা পদ্ধতিতে সংস্কারের বিষয়ও উল্লেখ করা হয়েছে।
নতুন এ নিরাপত্তা কৌশলকে বাস্তবায়ন করতে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেশটির সব ফেডারেল এজেন্সি এবং মার্কিন মিত্র ও অংশীদারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে।
প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ের বিষয়ে উল্লেখ করে এক ভাষণে ট্রাম্প বলেন, ২০১৬ সালের নির্বাচনে মার্কিনিরা ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’নীতিকে পছন্দ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের আগের নেতারা আমেরিকার মূলনীতি থেকে সরে গেছে এবং আমেরিকার নিয়তির দর্শনকে হারিয়ে ফেলেছে।
ট্রাম্প আরো বলেন, এক বছরেরও কম সময় পরে আমি এটা বলে গর্ব প্রকাশ করছি যে, বিশ্ববাসী খবর শুনেছে এবং এর নিদর্শন দেখেছে। আমেরিকা আবার ফিরছে এবং আমেরিকা পূর্ণাঙ্গ শক্তিরূপে পুনরায় ফিরছে। ট্রাম্পের নতুন নিরাপত্তা কৌশলে অর্থনীতি, বাণিজ্য, সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ও অভিবাসী নীতির বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
এপি/পি




