ঢাকা শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩

যেসব কারণে মুসলিম ভোটব্যাংক ঝুঁকে পড়েছে ট্রাম্পের দিকে 

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৫ নভেম্বর ২০২৪, ১১:৩০ এএম
আপডেট : ০৫ নভেম্বর ২০২৪, ০১:০৯ পিএম
ফাইল ছবি

আর মাত্র কয়েক প্রহর পরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। শেষদিনের প্রচারণা শেষ ইতোমধ্যে। অপেক্ষা শুধু ব্যালটযুদ্ধের। অবশ্য ইতোমধ্যে ৭৭ মিলিয়নের বেশি নাগরিক আগাম ভোট দিয়ে দিয়েছেন তাদের। জনমত জরিপগুলো বলছে, মার্কিন ইতিহাসের অন্যতম হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হতে যাচ্ছে এবারের নির্বাচনে; যেখানে প্রত্যাবর্তনের অনন্য এক লিখতে মুখিয়ে আছে সাবেক প্রেসিডেন্ট ও রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। ডেমোক্র্যাট প্রার্থী কমলা হ্যারিসও আশায় বুক বেঁধে আছেন প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হিসেবে মার্কিন ইতিহাসে নাম লেখাতে।

মার্কিন নির্বাচনে বড় একটি ভোটব্যাংক সুইং স্টেট হিসেবে খ্যাত মিশিগানের আরব মুসলিমরা। ১৫টি ইলেকটোরাল ভোট আছে এ স্টেটটিতে, যা ব্যবধান গড়ে দিতে পারে হোয়াইট হাউসের দৌড়ে থাকা দুই প্রতিযোগীর মধ্যে। চলমান মধ্যপ্রাচ্য অস্থিরতার কথা মাথায় রেখে তাই ট্রাম্প-কমলা দুজনই কয়েক দফায় জোর প্রচারণা চালিয়েছেন মিশিগানে।

তবে, জনমত জরিপগুলো দেখাচ্ছে, গাজা-লেবাননে চলমান যুদ্ধে বাইডেন প্রশাসনের নীতির পাশাপাশি বেশ কয়েকটি ইস্যুতে আমেরিকান মুসলিমদের আস্থা হারিয়েছে ডেমোক্র্যাটরা। তাদের বিকল্প হিসেবে তাই রিপাবলিকান প্রার্থী ট্রাম্পের দিকেই অনেকটা ঝুঁকে পড়েছেন মুসলিম ভোটাররা।

যদিও কমলা তার নির্বাচনী প্রচারণায় বেশ জোর গলায় উচ্চারণ করেছেন, গাজা যুদ্ধ বন্ধে নিজের সাধ্যের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করবেন তিনি; তবুও যুক্তরাষ্ট্রের আরব মুসলিম নাগরিকদের বেশিরভাগই বিশ্বাস করেন, প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি হিসেবে বাইডেন প্রশাসনের নীতির ধারাবাহিকতাই বজায় রাখবেন কমলা। অপরদিকে ট্রাম্প ইসরায়েলের প্রতি দুর্বল হলেও মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলি দখলনীতিতে সহায়তার ক্ষেত্রে লাগাম টানবেন তিনি।

আরব মুসলিমদের এখন রিপাবলিকান পার্টিকে সমর্থনের আরও দুটি কারণে—ডেমোক্র্যাটদের ‘লিঙ্গ মতবাদ’ এবং স্কুলে শিশুদের ‘বিপথগামী শিক্ষাদান’।

তুরস্কের সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে কথা বলার সময় অনেক মুসলিম ভোটার জানিয়েছেন, ডেমোক্র্যাটদের ‘অদ্ভুত’ লিঙ্গ মতবাদ তাদের ইসলামিক মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। রিপাবলিকানরা এই মতবাদকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানানোর কারণে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে রিপাবলিকান পার্টির প্রতি তাদের আগ্রহ বাড়ছে।

মার্কিন মুসলিম নাগরিকদের অনেকের অভিযোগ, ডেমোক্র্যাটিক পার্টি মূলধারার মুসলিম ও আরব আমেরিকানদের মূল্যবোধের সঙ্গে আর সামঞ্জস্য ধরে রাখতে পারছে না।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০১৭ সালের নির্বাহী আদেশে মুসলিম-প্রধান ছয়টি দেশের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ সীমিত করা হয়েছিল। এই সিদ্ধান্ত মুসলিমদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছিল, তবে এখন রিপাবলিকান পার্টি ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং পারিবারিক মূল্যবোধ রক্ষার আহ্বান জানিয়ে মুসলিমদের মনোযোগ আকর্ষণ করছে।

ইসলামের বেশিরভাগ প্রচলিত মতবাদে গর্ভপাত বিশেষ পরিস্থিতিতে অনুমোদিত হলেও লিঙ্গ পরিবর্তন পুরোপুরি নিষিদ্ধ। ফলে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির লিঙ্গ ও যৌনতার ওপর মতবাদ মুসলিম সম্প্রদায়ের মাঝে অস্বস্তি সৃষ্টি করেছে।

২০২২ সালে মেরিল্যান্ড ও মিশিগানের মুসলিম অভিভাবকরা জানতে পারেন যে, তাদের স্কুল জেলা পাঠ্যসূচিতে পরিবর্তন এনেছে যাতে ‘লিঙ্গ ও যৌন পরিচয়’ বিষয়ক বই পড়ানো হবে এবং পিতা-মাতাকে এর আগে আর জানানো হবে না। এতে ক্ষুব্ধ মুসলিম অভিভাবকরা বাচ্চাদের এমন শিক্ষাদানের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান এবং ‘অপ্ট-আউট’ অপশন ফিরিয়ে আনার দাবি তোলেন।

এ প্রেক্ষাপটে মিশিগানে এক সমাবেশে গত ২৬ অক্টোবর ট্রাম্প বলেছেন, মুসলিমরা ‘ট্রান্সজেন্ডার অপারেশনকে’ সমর্থন করেন না। তিনি আরও বলেন, আমরা আপনার শিশুদের মনোভাব পরিবর্তনের প্রচেষ্টা প্রতিহত করব।

মিশিগানের ৩০ বছর বয়সী প্রসিকিউটর ওমর শাজিরা বলেন, পিতা-মাতা তাদের সন্তানদের লিঙ্গ মতবাদে প্রভাবিত হতে দিতে চান না এবং তারা তাদের শরীর নিয়ে জীবন-পরিবর্তনকারী সিদ্ধান্ত নিতে চান না। মুসলিম সম্প্রদায় বুঝতে পারছে যে রিপাবলিকানদের রক্ষণশীল মূল্যবোধগুলো তাদের বিশ্বাসের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

ইয়েমেনি-আমেরিকান কর্মী সামরা লুকমান বলেন, গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ডেমোক্র্যাটদের ভূমিকা অনেক মুসলিম আমেরিকানদের মধ্যে রিপাবলিকানদের প্রতি সমর্থন বাড়াচ্ছে, তবে রক্ষণশীল মূল্যবোধ রক্ষার বিষয়টিও একটি কারণ।

লুকমানের মতে, এই পরিবর্তন শুধু একটি বিষয়ভিত্তিক নয়; বরং এটি রক্ষণশীল মূল্যবোধ রক্ষা ও ডেমোক্র্যাটদের শাস্তি দেওয়ার উদ্দেশ্যেই তৈরি হয়েছে।

আরটিভি/এসএইচএম/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দক্ষিণ কোরিয়ার অভিশংসিত প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি
দক্ষিণ কোরিয়ার অভিশংসিত প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) দেশটির সিউল ওয়েস্টার্ন ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। উচ্চ-পদস্থ কর্মকর্তাদের দুর্নীতি তদন্তের দায়িত্বে থাকা দ্য করাপশন ইনভেস্টিগেশন অফিস ফর দ্য হাই-র‌্যাঙ্কিং অফিশিয়ালস (সিআইও) নিশ্চিত করেছে, সামরিক আইন জারিকে কেন্দ্র করে তদন্তকারীদের অনুরোধে প্রেসিডেন্ট ইউনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে সিউল ওয়েস্টার্ন ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট।   স্থানীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, দক্ষিণ কোরিয়ার সাংবিধানিক ইতিহাসে এই প্রথম কোনো প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হলো।   প্রসঙ্গত, ৩ ডিসেম্বর দেশে সামরিক আইন জারি করেছিলেন ইউন। কিন্তু জনগণ এর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানালে সামরিক আইন জারির ছয় ঘণ্টার মাথায় তা প্রত্যাহার করে নিতে বাধ্য হয়েছিলেন তিনি। এর জেরে ১৪ ডিসেম্বর পার্লামেন্টে তিনি অভিশংসিত হন। তাকে বরখাস্ত করা হয়।
দক্ষিণ কোরিয়ার অভিশংসিত প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি
ভারতীয় ভিসা বন্ধে ভ্রমণ খাতে বিরূপ প্রভাব 
বাংলাদেশিদের জন্য ভারতীয় ভিসা বন্ধের জেরে যশোরের বেনাপোল ইমিগ্রেশন দিয়ে দুই দেশের মধ্যে একেবারে কমেছে পাসপোর্টধারী যাত্রীর চলাচল। এর বিরূপ প্রভাব পড়েছে উভয় দেশের ভ্রমণ খাতে। বাংলাদেশের ক্ষতির পাশাপাশি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ব্যবসা-বাণিজ্য ও পর্যটন শিল্পে অচলাবস্থা নেমে এসেছে।   সংশিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) বেনাপোল-পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন ব্যবহার করে ভারতে গেছেন ১৪৭১ জন পাসপোর্টধারী যাত্রী। এর মধ্যে বাংলাদেশি ছিলেন ১ হাজার ১৯৪ জন, ভারতীয় ২৭৪, জাপানের ২ ও একজন নেপালের পাসপোর্টধারী ছিলেন। এছাড়া খুলনা-কলকাতা রুটে ‘বন্ধন’ রেলে যাত্রীসেবা এখনও বন্ধ থাকায় নিরাপদ যাতায়াতে বেড়েছে ভোগান্তি। তবে জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ভিসা সীমিত ও দু’দেশের মধ্যে রেলপথে যাত্রী সেবা বন্ধ করে দেয় ভারত।   সূত্রমতে, যশোরের বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে ভারতে যাওয়া বাংলাদেশিদের একটি বড় অংশ যান চিকিৎসা ও দর্শনীয় স্থান ভ্রমণে। অন্যদিকে, যেসব ভারতীয় নাগরিক বাংলাদেশে আসেন, তাদের একটি বড় অংশ আসেন কম খরচে মেডিকেল শিক্ষার জন্য। বর্তমানে দেশের ১০৮টি মেডিকেল কলেজে ১০ হাজারের বেশি বিদেশি অধ্যয়নরত, যাদের বেশিরভাগ ভারতীয়। এছাড়া ট্যুরিস্ট ও ওয়ার্ক ভিসায় দেশে প্রায় ১০ লাখের মতো ভারতীয় চাকরি করছেন।  বাংলাদেশ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরলেও নানান অজুহাত দেখিয়ে এখনও স্বাভাবিক ভিসা প্রদান ও রেল পথে বেনাপোল-পেট্রাপোল হয়ে যাত্রী সেবা বন্ধ রেখেছে ভারত সরকার। এতে একদিকে ভিসা না পেয়ে যাত্রী যাতায়াত যেমন কমে এসেছে, তেমনি স্বাভাবিক সময়ে বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর ব্যবহার করে দুদেশের মধ্যে ৮ থেকে ১০ হাজার পাসপোর্টধারী যাতায়াত করলেও এখন তা কমে দেড় হাজারের ঘরে নেমেছে।  সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে বেনাপোল আমদানি-রফতানি সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জানান, ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষেত্রে দুই দেশেই ক্ষতির শিকার হচ্ছে। কেবল বেনাপোল রুটে ভ্রমণ খাতে ভিসা ফি বাবদ বাংলাদেশিদের কাছ থেকে বছরে প্রায় ২০০ কোটি টাকা আয় করে থাকে ভারতীয় দূতাবাস। তবে এখনও ‘বন্ধন’ রেল পরিষেবা বন্ধ থাকায় এ পথে যাতায়াতকারী পাসপোর্টধারীদের ভোগান্তি বেড়েছে।  বিষয়টি নিশ্চিত করে বেনাপোল স্থলবন্দর প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের ইনচার্জ আব্দুল হাফিজ জানিয়েছেন, ভিসা স্বাভাবিক না থাকায় যাত্রী একেবারে কমে এসেছে। আরটিভি/কেএইচ
ভারতীয় ভিসা বন্ধে ভ্রমণ খাতে বিরূপ প্রভাব 
হাসপাতালে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। স্থানীয় সময় রোববার (২৯ ডিসেম্বর) তার প্রস্টেট অপসারণের অস্ত্রপচার হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার অস্ত্রপচার সফল হয়েছে এবং তিনি ভালো আছেন। এক বিবৃতিতে ইসরায়েলের হাদাসাহ মেডিক্যাল সেন্টার জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর জ্ঞান ফিরেছে, তিনি ভালো আছেন। শনিবার নেতানিয়াহুর কার্যালয় এক ঘোষণায় জানিয়েছে যে, তিনি মূত্রনালীর সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছেন। গত মার্চে নেতানিয়াহুর হার্নিয়ার অস্ত্রপচার হয়েছিল। এর আগে, গত ২৩ ডিসেম্বর দুর্নীতি মামলায় নিজের বক্তব্য পেশ করতে আদালতে হাজির হয়েছিলেন নেতানিয়াহু। ইসরায়েলের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব পালন অবস্থায় ফৌজদারি অপরাধের মুখোমুখি হয়েছেন। তবে নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করছেন তিনি। এদিকে গাজায় গত ২৪ ঘণ্টায় দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বর হামলায় আরও ৩০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এতে করে গত বছরের অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৫ হাজার ৫১৪ জনে পৌঁছেছে বলে রোববার অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। চলমান এই হামলায় আরও অন্তত এক লাখ ৮ হাজার ১৮৯ জন ব্যক্তি আহত হয়েছেন। গাজা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত আগ্রাসনে ৩০ জন নিহত এবং আরও ৯৯ জন আহত হয়েছেন।   আরটিভি/এস
হাসপাতালে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু
ইসরায়েলি বর্বর হামলায় আরও ৩০ ফিলিস্তিনি নিহত
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বর হামলায় আরও ৩০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। বার্তাসংস্থা আনাদোলু এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত আগ্রাসনে ৩০ জন নিহত এবং আরও ৯৯ জন আহত হয়েছেন। অনেক মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় আটকা পড়ে আছেন। গত ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন হামলার পর থেকে গাজা উপত্যকায় অবিরাম বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। ইসরায়েলের হামলায় এখন পর্যন্ত ৪৫ হাজার ৫০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন অন্তত এক লাখ ৮ হাজার ১৮৯ জন। এ ছাড়া দখলদারদের হামলায় হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। ইসরায়েলি আগ্রাসনে প্রায় ২০ লাখেরও বেশি বাসিন্দা তাদের বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। উল্লেখ্য, ইসরায়েল ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছে। আরটিভি/আরএ
ইসরায়েলি বর্বর হামলায় আরও ৩০ ফিলিস্তিনি নিহত
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার মারা গেছেন
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ১০০ বছর। স্থানীয় সময় রোববার (২৯ ডিসেম্বর) জিমি কার্টার সেন্টার এক বিবৃতি এই তথ্য জানিয়েছে। খবর এনবিসি নিউজের। যুক্তরাষ্ট্রের ৩৯তম প্রেসিডেন্ট ছিলেন কার্টার। কার্টার এক মেয়াদে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তিনি গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে জর্জিয়ায় নিজ শহর প্লেইনসে জীবনের শেষ সময়ের সেবাযত্নে ছিলেন। এনবিসি নিউজের তথ্যমতে, জিমি কার্টারই প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট যিনি তার ১০০তম জন্মদিনে পৌঁছেছিলেন।  যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশিদিন বাঁচা প্রেসিডেন্ট কার্টার। ২০০২ সালে মানবাধিকার নিয়ে কাজ করার জন্য শান্তিতে নোবেল পেয়েছিলেন তিনি। কার্টারের যাত্রা শুরু হয়েছিল জর্জিয়ার প্লেইন্সের ছোট্ট শহরে। তিনি সেখানে ১ অক্টোবর, ১৯২৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন। যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীতে একজন অফিসার হিসেবে তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরের পারমাণবিক সাবমেরিন বহরের উন্নয়নে সহায়তা করেছিলেন। নৌবাহিনীতে একজন অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পরকার্টার পারিবারিক চিনাবাদাম চাষের ব্যবসা চালানোর জন্য ১৯৫৩ সালে তার নিজ শহরে ফিরে আসেন। তিনি ১৯৬০-এর দশকে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন, ১৯৭১ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত রাজ্যের ৭৬তম গভর্নর হওয়ার আগে জর্জিয়ার বিধায়ক হিসাবে দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৬ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কার্টার, একজন ডেমোক্র্যাট, রিপাবলিকান ক্ষমতাসীন জেরাল্ড ফোর্ডের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন, যিনি ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির পরিপ্রেক্ষিতে রিচার্ড নিক্সন পদত্যাগ করার পরে রাষ্ট্রপতির পদে অভিষিক্ত হন। কার্টার ফোর্ডকে পরাজিত করে প্রেসিডেন্ট হন। আরটিভি/একে
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার মারা গেছেন
আরও পড়ুন
ইতিহাস গড়ার লড়াইয়ে শেষ হাসি ট্রাম্পের
এবার ইইউ’র ২৭ দেশের ওপর চড়া শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের 
ভোটের আগে ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করতে চান শলৎস
ভারতীয় পণ্যে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের