
অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগে এখন সরগরম মার্কিন মুলুক। স্থানীয় সময় শুক্রবার দেশটিতে নতুন একটি ব্যয় বাজেট পাসে ব্যর্থ হয় সিনেট। এর ফলে বন্ধ হয়ে যায় দেশটির অনেক সরকারি অফিস। যেটিকে যুক্তরাষ্ট্রে ‘শাটডাউন’ বলা হয়।
এরপরই মূলত শুরু হয় রিপাবলিকান-ডেমোক্রেটদের কাঁদা ছোঁড়াছুড়ির খেলা। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিযোগ করেছেন, ডেমোক্রেটরা মার্কিন জনগণের স্বার্থের চেয়ে নিজেদের রাজনীতি নিয়েই বেশি ব্যস্ত।
এক টুইট বার্তায় তিনি বলেন, আমাদের মহান সামরিক বাহিনী বা দক্ষিণাঞ্চলীয় সীমান্তের নিরাপত্তার চেয়ে অবৈধ অভিবাসী নিয়ে বেশি উদ্বিগ্ন ডেমোক্রেটরা। তারা সহজেই বিলটিতে পাস করাতে পারতো কিন্তু তারা শাটডাউন রাজনীতি খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই জঞ্জাল থেকে বের হতে #উইনিডমোররিপাবলিকানসইনএইটিন।
--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন: কাবুলে হোটেলে হামলা, দুই বন্দুকধারী নিহত
--------------------------------------------------------
অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দ্বিদলীয় বৈঠকে সমঝোতা প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন বলে অভিযোগ করেন ডেমোক্রেট সিনেটররা।
এই অচলাবস্থা দূর করতে কংগ্রেসের উভয় কক্ষেই শনিবারও আলোচনা হয়েছে। এদিকে সিনেটে রিপাবলিকান নেতা মিচ ম্যাককোনেল বলেছেন, অচলাবস্থা দূর করতে রোববার আবারও আলোচনায় বসবেন তারা।
এদিকে সোমবারের মধ্যে ব্যয় বাজেট নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছানোর ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন হোয়াইট হাউজ বাজেটের প্রধান কর্মকর্তা।
যদি সিনেট এ বিষয়ে একমত হতে ব্যর্থ হয়, তাহলে সপ্তাহের শুরুতে কর্মহীন হয়ে পড়বে লাখ লাখ সরকারি চাকরিজীবী।
এর আগে ২০১৩ সালে এ ধরনের শাটডাউনের মুখে পড়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। সেবার ওই শাটডাউন ১৬ দিন স্থায়ী হয়েছিল।
তবে এবারের শাটডাউন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে বিরল। কেননা এই প্রথম কোনো একটি দল কংগ্রেস ও হোয়াইট হাউজ নিয়ন্ত্রণ করা সত্ত্বেও শাটডাউনের মুখে পড়লো যুক্তরাষ্ট্র।
শুক্রবার নতুন ব্যয় বাজেট নিয়ে ভোটাভুটিতে প্রয়োজন ছিল ৬০ ভোট। কিন্তু সেখানে ভোট পড়ে ৫০-৪৯। ফলে সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠ ৫১ আসন নিয়েও বিলটি পাসে ব্যর্থ হয় রিপাবলিকানরা।
আরও পড়ুন:
এ




