
গাজামুখী গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’র ওপর ইসরায়েলি নৌবাহিনীর হামলার সময় ২৪ জন তুর্কি নাগরিককে আটক করার ঘটনায় একটি আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে ইস্তাম্বুল চিফ পাবলিক প্রসিকিউটর’স অফিস।
বৃহস্পতিবার(২ অক্টোবর) প্রসিকিউটর অফিস এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছে। খবর টিআরটি ওয়ার্ল্ডের।
বিবৃতিতে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক জলসীমায় মানবিক সহায়তাবাহী নৌবহরে ইসরায়েলি নৌবাহিনীর হামলার পর আটক হওয়া তুর্কি নাগরিকদের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্তটি চলছে জাতিসংঘ সমুদ্র আইন কনভেনশন, ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫ নম্বর ধারা এবং তুর্কি ফৌজদারি আইন কোডের ১২ ও ১৩ ধারার অধীনে।
এই তদন্তে অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে--অবৈধভাবে স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ, নৌযান ছিনতাই বা জবরদখল, অস্ত্রসহ ডাকাতি, সম্পত্তির ক্ষতি ,নির্যাতন এবং ২২৩ আন্তর্জাতিক কর্মী আটক।
ফ্লোটিলার আয়োজকরা জানিয়েছেন, গাজামুখী সাহায্য বহরে থাকা মোট ২২৩ জন আন্তর্জাতিক কর্মীকে ইসরায়েলি বাহিনী আটক করেছে। ফ্লোটিলা কর্তৃপক্ষ সামাজিক মাধ্যমে নিশ্চিত করেছে যে বুধবার রাত থেকে এ পর্যন্ত ১৫টি জাহাজে ইসরায়েলি হামলা হয়েছে এবং আরও আটটি জাহাজ আক্রমণের শিকার হতে পারে। ফ্লোটিলা ট্র্যাকার অনুসারে, ২০টি নৌযান আক্রান্ত হয়েছে, তবে ২৪টি জাহাজ এখনও গাজার দিকে এগিয়ে চলেছে।
প্রসঙ্গত, প্রায় ২৪ লাখ মানুষের বাসস্থান গাজা উপত্যকার ওপর ইসরায়েল প্রায় ১৮ বছর ধরে অবরোধ বজায় রেখেছে। গত অক্টোবর ২০২৩ সাল থেকে ইসরায়েলি বোমা হামলায় ৬৬,০০০ এরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। জাতিসংঘ এবং মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো বারবার সতর্ক করেছে যে গাজায় দুর্ভিক্ষ ও রোগের দ্রুত প্রসারে উপত্যকাটি বাসের অযোগ্য হয়ে উঠেছে।
আরটিভি/আর/এসআর




