
ফিলিপাইনের মধ্যাঞ্চলে টাইফুন কালমায়েগি'র আঘাতে ব্যাপক বন্যা দেখা দিয়েছে, যার ফলে অন্তত দু'জনের মৃত্যু হয়েছে। শক্তিশালী এই ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে বহু এলাকায় পানি ঢুকে যাওয়ায় অনেকে ছাদের উপর আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন। খবর আল জাজিরার।
এএফপি'র প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের ২০তম গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঘূর্ণিঝড় কালমায়েগি সোমবার (৩ নভেম্বর) মধ্যরাতের কিছু আগে আঘাত হানে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে টাইফুনটি সেবু ও নেগরোস দ্বীপ অতিক্রম করে। এই সময় ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার বেগে বাতাস এবং ১৮৫ কিলোমিটার পর্যন্ত দমকা হাওয়া বয়ে যায়।
সেবু দ্বীপের তথ্য কর্মকর্তা রন রামোস এএফপিকে টেলিফোনে জানান, ছাদের উপর আটকে পড়া লোকেরা উদ্ধারের জন্য অনুরোধ করছে। এছাড়া সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে ৬.৯ মাত্রার ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যারা এখনও তাঁবুতে বসবাস করছিলেন, তাদেরও নিরাপত্তার জন্য জোরপূর্বক সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে রামোস জানান।
এদিকে প্রায় ৩ লক্ষ ৮৭ হাজার মানুষকে ঘূর্ণিঝড়ের পথ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিভিল ডিফেন্স অফিসের ডেপুটি অ্যাডমিনিস্ট্রেটর রাফায়েলিতো আলেজান্দ্রো।
রাষ্ট্রীয় আবহাওয়া পরিষেবা বিশেষজ্ঞ শারমাইন ভারিলা জানিয়েছেন, ডিসেম্বরের শেষ হওয়ার আগে কমপক্ষে আরও তিন থেকে পাঁচটি ঝড় আঘাত হানতে পারে। বিজ্ঞানীরা সতর্ক করেছেন যে মানব সৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঘূর্ণিঝড়গুলো আরও ঘন ঘন এবং শক্তিশালী হচ্ছে।
ভারিলা আরও জানান, প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জলবায়ু পরিস্থিতি লা নিনা'র কারণে সাধারণত ঘূর্ণিঝড়ের সংখ্যা বাড়ে।
আরটিভি/এআর




