ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩

২০২৬ সালে ভূমিকম্প নিয়ে বাবা ভাঙ্গার ভয়ংকর ভবিষ্যদ্বাণী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৮:৪৬ পিএম
আপডেট : ০৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৩৬ পিএম
সংগৃহীত ছবি

পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া বিধ্বংসী ভূমিকম্পের স্মৃতি যখন মানুষের মনে এখনো দগদগে, ঠিক তখনই ভবিষ্যতের ভয়াবহতা নিয়ে নতুন করে শঙ্কা জাগাচ্ছে এক ভবিষ্যদ্বাণী। রহস্যময় বুলগেরিয়ান ভবিষ্যদ্বক্তা বাবা ভাঙ্গার অনুসারীরা দাবি করছেন, ২০২৬ সালে পৃথিবীজুড়ে নেমে আসতে পারে এক ‘মেগা-ভূমিকম্প’, যা এক চরম প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সূচনা করবে।

‘বলকানের নস্ট্রাডামুস’ নামে পরিচিত দৃষ্টিহীন এই মহিলা তার জীবদ্দশায় আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ৯/১১-এর হামলা, চেরনোবিল বিপর্যয়, প্রিন্সেস ডায়ানার মৃত্যু এবং ব্রেক্সিটের মতো একাধিক ঘটনার নির্ভুল পূর্বাভাস দিয়েছিলেন বলে দাবি করা হয়। তার এই ভবিষ্যদ্বাণীগুলো জনপ্রিয় সংস্কৃতিতে প্রবল আলোড়ন সৃষ্টি করে।

আরও পড়ুন

ভূমিকম্প নিয়ে বাবার ভয়ঙ্কর গণনা
যদিও বাবা ভাঙ্গার ৫০৭৯ সাল পর্যন্ত করা কোনো ভবিষ্যদ্বাণীর নির্ভরযোগ্য লিখিত দলিল নেই, তবুও তার ভক্ত ও মিডিয়া সূত্রগুলো ২০২৬ সাল নিয়ে বেশ কিছু ভয় ধরানো পূর্বাভাস তুলে ধরেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো ভূমিকম্পের পূর্বাভাস।

বাবা ভাঙ্গার কথিত ভবিষ্যদ্বাণী অনুযায়ী, ২০২৬ সালে পৃথিবী জুড়ে বড় ধরনের প্রাকৃতিক বিপর্যয় নেমে আসবে। এর মধ্যে থাকতে পারে মেগা-ভূমিকম্প এবং বিশাল আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুত্পাত। কিছু ব্যাখ্যা অনুসারে, এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে পৃথিবীর স্থলভাগের প্রায় সাত থেকে আট শতাংশ এলাকা প্রভাবিত হতে পারে। এটি বন্যা, খরা এবং তীব্র আবহাওয়ার সংমিশ্রণে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ করে তুলবে।

বলা হয়, বাবা ভাঙ্গা একবার বজ্রপাতের কবলে পড়ে তার দৃষ্টিশক্তি হারানোর পর প্রকৃতি তাকে ভবিষ্যতের ঘটনা দেখতে পাওয়ার ক্ষমতা দান করেছিল। তার ভবিষ্যদ্বাণীগুলো যেমন ভয় জাগানো, তেমনই তা উত্তেজনায় ভরা।

তবে বিশেষজ্ঞরা বারবার সতর্ক করে বলেন যে, এই ভবিষ্যদ্বাণীগুলো কেবলই জল্পনা এবং এগুলোর কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। মানুষ হিসেবে আমাদের উচিত বিজ্ঞানভিত্তিক পূর্বাভাস ও দুর্যোগ মোকাবিলার প্রস্তুতিতে মনোযোগ দেওয়া।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিশ্ব গণমাধ্যমে খালেদা জিয়ার জানাজার খবর
বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রাষ্ট্রীয় জানাজা বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ও মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে সম্পন্ন হয়েছে। লাখো মানুষের অশ্রুসিক্ত বিদায় শেষে তাকে শেরেবাংলা নগরে স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে সমাহিত করা হয়। বাংলাদেশের রাজনীতির অন্যতম এই মহীয়সী নারীর প্রয়াণ ও বিশাল জানাজার খবরটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোতে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে স্থান পেয়েছে। আরও পড়ুন খালেদা জিয়ার বাসভবনে পাকিস্তানের স্পিকার ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা তাদের প্রতিবেদনে লিখেছে, ‘সাবেক নেত্রীকে বিদায় জানাতে ঢাকায় জনতার ঢল’। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘ লড়াই ও সংগ্রামের প্রতীক খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে রাজধানীর রাজপথ জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছিল। ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, শুধুমাত্র একনজর দেখার জন্য এবং শেষ শ্রদ্ধা জানাতে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে লাখ লাখ মানুষ ঢাকায় ছুটে আসেন। পাকিস্তানের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য ডন এবং জিও নিউজ তাদের বিশেষ প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে পুরো বাংলাদেশ এখন শোকাতুর। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমগুলো তার রাষ্ট্রীয় জানাজায় বিপুল জনসমাগমকে ঐতিহাসিক হিসেবে বর্ণনা করেছে। অন্যদিকে, ভারতের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া খালেদা জিয়াকে বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তার জানাজার বিশাল জমায়েতের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি দীর্ঘ ও সংগ্রামী অধ্যায়ের অবসান ঘটল। তার জানাজায় সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করে যে, সাধারণ জনগণের হৃদয়ে তার অবস্থান কতটা সুদৃঢ় ছিল। সংসদ ভবন এলাকায় জানাজা শেষে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে দাফন করার মাধ্যমে তার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের চিরসমাপ্তি ঘটল। আরটিভি/এআর 
বিশ্ব গণমাধ্যমে খালেদা জিয়ার জানাজার খবর
২০২৬-কে প্রথম স্বাগত জানাল যেসব দেশ
প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে হাজারো কাঁকড়া আর প্রকৃতির নিস্তব্ধতাকে সাক্ষী রেখে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ২০২৬ সালকে বরণ করে নিল দ্বীপরাষ্ট্র কিরিবাতি। কোনো কৃত্রিম আলো বা স্যাটেলাইটের সংকেত ছাড়াই একেবারে আদিম আমেজে নতুন বছরকে স্বাগত জানায় দেশটির একটি প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ। এরপরই বর্ণাঢ্য আতশবাজি আর আলোর মিছিলে মেতে ওঠে নিউজিল্যান্ডসহ প্রশান্ত মহাসাগরীয় অন্যান্য দ্বীপরাষ্ট্রগুলো। বিবিসির খবর অনুযায়ী, কিরিবাতির পর নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ডের স্কাই টাওয়ার থেকে ছিটকে পড়া রঙিন আতশবাজিতে আলোকিত হয়ে ওঠে রাতের আকাশ। গ্রিনিচ মান সময় বেলা ১১টায় শুরু হওয়া এই উৎসবে শামিল হয় সামোয়া, টোঙ্গা ও টোকেলাউ। নাগরিক ব্যস্ততাকে দূরে ঠেলে নিউজিল্যান্ডের চ্যাথাম দ্বীপপুঞ্জের প্রায় ৬০০ বাসিন্দাও মেতে ওঠেন বছরের প্রথম প্রহরে। আরও পড়ুন বিড়ালের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধ ঘোষণা’ করল নিউজিল্যান্ড, কিন্তু কেন? কিউইদের উৎসবের কেন্দ্রবিন্দু ছিল দক্ষিণাঞ্চলীয় ওয়ানাকা শহর। সেখানে আয়োজিত ‘রিদম অ্যান্ড আল্পস’ উৎসবে হাজার হাজার মানুষ সংগীতের মূর্ছনায় ২০২৬ সালকে আলিঙ্গন করেন। উৎসবের আয়োজক হ্যারি গোরিঞ্জ জানান, সংগীতের সুরে বছর শুরু করা মানেই সবার সাথে একাত্ম হয়ে চলার শপথ নেওয়া। প্রকৃতির মাঝে হাজারো কাঁকড়ার উপস্থিতিতে কিরিবাতির উদযাপন যেখানে ছিল এক বিরল অভিজ্ঞতা, নিউজিল্যান্ডের উদযাপন সেখানে ছিল আধুনিকতার পূর্ণ ছোঁয়া। নিউজিল্যান্ডের বিভিন্ন শহরের বার ও হোটেলগুলোতে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, নতুন বছরকে বরণ করতে তাদের কর্মীরা ভোর পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্ন সেবা দেবেন। একদিকে ওশেনিয়া অঞ্চলের এই বর্ণিল সূচনা, অন্যদিকে ধীরে ধীরে এশিয়া, ইউরোপ ও আমেরিকার দেশগুলোও তাদের নিজস্ব আমেজে ২০২৬ সালকে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিশ্বজুড়ে এখন কেবলই নতুন শুরুর আনন্দ আর আগামীর প্রত্যাশা। আরটিভি/এআর 
২০২৬-কে প্রথম স্বাগত জানাল যেসব দেশ
গণবিক্ষোভে উত্তাল ইরান, ঘটনা কী
অর্থনৈতিক ধস এবং মুদ্রার রেকর্ড দরপতনে খাদের কিনারে দাঁড়িয়ে থাকা ইরানে শুরু হয়েছে বিশাল গণবিক্ষোভ। রাজধানী তেহরানের গ্র্যান্ড বাজার থেকে শুরু হওয়া এই আন্দোলন এখন দেশটির কারাজ, শিরাজ, ইসফাহানসহ প্রধান শহরগুলোতে ছড়িয়ে পড়েছে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে ইরানি রিয়ালের নজিরবিহীন পতনে ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ টানা তিন দিন ধরে ধর্মঘট ও সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছে। রাজপথে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারগ্যাস ও লাঠিপেটা করছে পুলিশ, যা পুরো পরিস্থিতিকে আরও ঘোরালো করে তুলেছে। খবর বিবিসির। আরও পড়ুন হরমুজ প্রণালিতে আবারও তেলবাহী ট্যাংকার জব্দ করল ইরান বিক্ষোভের তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরাও রাজপথে নেমে এসেছেন। বিভিন্ন শহরে ‘স্বৈরশাসকের মৃত্যু চাই’ স্লোগান শোনা যাচ্ছে, যা সরাসরি দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেয়ির দিকে ইঙ্গিত বলে মনে করা হচ্ছে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা আঁচ করতে পেরে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরকে সরিয়ে সাবেক অর্থমন্ত্রী আব্দোনাসের হেম্মাতিকে নিয়োগ দিয়েছেন। তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বিক্ষোভকারীদের প্রতিনিধিদের সাথে কথা বলার নির্দেশ দিলেও সাধারণ মানুষের ক্ষোভ এখনো প্রশমিত হয়নি।  ইরানের এই অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার মধ্যেই ফ্লোরিডায় বৈঠকে বসেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। বৈঠক শেষে ট্রাম্প বলেন, ইরানের অর্থনীতি পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে এবং মানুষ মোটেও খুশি নয়। তিনি স্পষ্ট জানান, ইরান যদি পুনরায় পারমাণবিক কর্মসূচি জোরদার করে, তবে তিনি ইসরায়েলের পরবর্তী বিমান হামলায় পূর্ণ সমর্থন দেবেন। এদিকে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের পক্ষ থেকে ইরানি বিক্ষোভকারীদের ‘সাহসের’ প্রশংসা করে তাদের পাশে থাকার বার্তা দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাসিত শাহজাদা রেজা পাহলভি এই আন্দোলনের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে বলেছেন, এই সরকার ক্ষমতায় থাকলে অর্থনৈতিক সংকট কাটবে না, আমাদের জয় সুনিশ্চিত। অন্যদিকে, অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার সুযোগ নিয়ে কোনো বিদেশি আগ্রাসন হলে তার জবাব ‘কঠোর ও অনুতাপজনক’ হবে বলে সতর্ক করেছেন প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান। সর্বোচ্চ নেতা খামেনেয়ি এই বিক্ষোভকে শত্রুর উসকানি হিসেবে বর্ণনা করলেও সাধারণ মানুষের পিঠ দেয়ালে ঠেকে যাওয়ায় এবারের আন্দোলন ভিন্ন রূপ নিচ্ছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। আরটিভি/এআর 
গণবিক্ষোভে উত্তাল ইরান, ঘটনা কী
৩৫ বছরেই চলে গেলেন জন এফ কেনেডির নাতনি তাতিয়ানা
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের সবচেয়ে প্রভাবশালী ও রহস্যঘেরা রাজনৈতিক পরিবার হিসেবে পরিচিত কেনেডি পরিবারে আবারও নেমে এল শোকের ছায়া। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডির নাতনি এবং প্রথিতযশা পরিবেশ সাংবাদিক তাতিয়ানা শ্লোসবার্গ মাত্র ৩৫ বছর বয়সে মারা গেছেন। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে তার মৃত্যু হয় বলে নিশ্চিত করেছে জন এফ কেনেডি লাইব্রেরি ফাউন্ডেশন। দীর্ঘ রোগভোগের পর তার এই অকাল প্রয়াণ কেনেডি পরিবারের পুরনো ক্ষতগুলোকে যেন আবারও সতেজ করে তুলল। খবর বিবিসির।  পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আমাদের প্রিয় তাতিয়ানা আর নেই। সে আমাদের হৃদয়ে চিরকাল বেঁচে থাকবে। তাতিয়ানা ছিলেন বিশিষ্ট ডিজাইনার এডউইন শ্লোসবার্গ এবং বর্তমান মার্কিন কূটনীতিক ক্যারোলিন কেনেডির মেয়ে। তার এই মৃত্যুতে বিশ্বজুড়ে রাজনৈতিক ও সাংবাদিকতা অঙ্গনে শোকের আবহ বিরাজ করছে। আরও পড়ুন ইতিহাসের সবচেয়ে বিধ্বংসী যুদ্ধজাহাজ তৈরির ঘোষণা ট্রাম্পের তাতিয়ানার জীবনের শেষ সময়টা ছিল চরম যন্ত্রণাদায়ক। গত নভেম্বরে তিনি নিজেই এক নিবন্ধে জানিয়েছিলেন যে, তিনি বিরল এক ক্যানসারে আক্রান্ত। ২০২৪ সালের মে মাসে তার দ্বিতীয় সন্তানের জন্মের ঠিক পরেই চিকিৎসকরা তার শরীরে ‘অ্যাকিউট মাইলয়েড লিউকেমিয়া’ শনাক্ত করেন। এটি রক্ত ও অস্থিমজ্জার একটি অত্যন্ত দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ক্যানসার। ‘এ ব্যাটল উইথ মাই ব্লাড’ শীর্ষক এক লেখায় তিনি লিখেছিলেন, চিকিৎসকরা তাকে এক বছরেরও কম সময় দিয়েছিলেন। শ্লোসবার্গের মৃত্যু কেনেডি পরিবারের জন্য এক নতুন ট্র্যাজেডি। এই পরিবারটি দশকের পর দশক ধরে রহস্যময় সব মৃত্যুর শিকার হয়েছে। ১৯৬৩ সালে প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি আততায়ীর গুলিতে নিহত হন। ১৯৯৯ সালে তার নাতনি তাতিয়ানার চাচা জন এফ কেনেডি জুনিয়র বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান। নিজের অকাল মৃত্যুর আগে তাতিয়ানা লিখেছিলেন, তার সবচেয়ে বড় কষ্ট হলো সন্তানদের নিয়ে, কারণ তার ছোট সন্তানরা বড় হয়ে মাকে হয়তো মনেই রাখতে পারবে না। আরটিভি/এআর 
৩৫ বছরেই চলে গেলেন জন এফ কেনেডির নাতনি তাতিয়ানা
খালেদা জিয়ার বাসভবনে পাকিস্তানের স্পিকার ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বাসভবনে বৈঠক করেছেন পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের স্পিকার আইয়াজ সাদিক ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় শরিক হতে ঢাকায় এসে এ বৈঠক করেন তারা। এ বৈঠকটিকে ‘বড় ব্রেকথ্রু’ হিসেবে অভিহিত করেছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও টিভি। এদিন বিকাল ৩টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হয় খালেদা জিয়ার জানাজার নামাজ। এতে অংশ নেন লাখ লাখ মানুষ। খালেদা জিয়াকে শেষ বিদায় জানাতে সেখানে উপস্থিত হন বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা। এর মধ্যে আছেন পাকিস্তানের স্পিকার ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীও। তারা দুজনেই খালেদা জিয়ার বাসভবনে শোক প্রকাশ করতে যান। সেখানেই দেখা হয় তাদের। চলতি বছরের মে মাসে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চারদিনব্যাপী রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়। এ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা চলছে। ওই সংঘর্ষের পর দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের মধ্যে এ প্রথমবার সরাসরি বৈঠক হলো। আরও পড়ুন দেশের প্রয়োজনে বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন অপরিহার্য: নজরুল ইসলাম গত মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বেনজির ভুট্টোর পর মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী। বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত (৩১ ডিসেম্বর এবং ১ ও ২ জানুয়ারি) তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে সরকার। এছাড়া বুধবার সারাদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। আরটিভি/এসএইচএম 
খালেদা জিয়ার বাসভবনে পাকিস্তানের স্পিকার ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক
আরও পড়ুন
৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল তাইওয়ান
ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল আর্জেন্টিনা
ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল সেভেন সিস্টার্সের এক রাজ্য
আবারও ভূমিকম্প অনুভূত, উৎপত্তিস্থল এবং ঘটনা