
পাকিস্তানের সরকার গাঁজা (ক্যানাবিস) চাষ এবং প্রক্রিয়াজাতকরণের লাইসেন্স ফি কমানোর অনুমোদন দিয়েছে। বিশেষ করে খাইবার পাখতুনখোয়া এলাকায় এই পরিবর্তন কার্যকর হবে বলে জানা গেছে। এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্যানাবিস রেগুলেটরি অথরিটি (সিআরএ)।
দ্য ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাঁজা চাষের লাইসেন্স ফি ৬ লাখ রুপি থেকে কমিয়ে ৫ লাখ রুপি এবং গাঁজা প্রক্রিয়াকরণের লাইসেন্স ফি ১৫ লাখ রুপি থেকে কমিয়ে ১০ লাখ রুপি নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে, হেম্প প্রক্রিয়াকরণের লাইসেন্স ফি ৭ লাখ রুপি থেকে কমিয়ে ৫ লাখ রুপি করা হয়েছে।
তবে ফুল-স্পেকট্রাম ক্যানাবিডিওল (CBD) এবং টেট্রাহাইড্রোক্যানাবিনল (THC)-এর ওপর আবগারি শুল্ক প্রতি কেজিতে ৩ হাজার রুপি থেকে বাড়িয়ে ৫ হাজার রুপি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
২২ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় আবগারি, কর ও মাদকদ্রব্য বিষয়ক মন্ত্রীর সভাপতিত্বে। এটি ছিল ৪ ডিসেম্বরের উপ-কমিটির বৈঠকের ধারাবাহিকতা, যেখানে এসব পরিবর্তনের সুপারিশ করা হয়েছিল।
বৈঠকে খাইবার পাখতুনখোয়ায় হেম্প মডেল কমিটির সামনে প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয় এবং ব্যবসা সহজীকরণ ও বিনিয়োগকারীদের সুবিধার জন্য মডেলটি আরও সরল করার প্রস্তাব গৃহীত হয়। উল্লেখ্য, খাইবার পাখতুনখোয়ায় স্বনামধন্য শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে পরীক্ষামূলকভাবে হেম্প চাষের লাইসেন্স দেওয়া হবে এবং তারা কৃষকদের সঙ্গে অংশীদারিত্বে কাজ করবে।
লাইসেন্স আবেদন ফরম, টিএইচসি নমুনা সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ ফরম, পর্যায়ক্রমিক পরিদর্শন ফরমসহ অন্যান্য বাধ্যতামূলক নথি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বোর্ড অব ইনভেস্টমেন্ট (বিওআই) এবং শিল্প বিভাগ কৃষক ও শিল্পের যৌথ উদ্যোগে সহায়তা প্রদান করবে।
বর্তমানে গাঁজা চাষ ও প্রক্রিয়াকরণ স্থগিত রাখা হয়েছে এবং ওষুধ শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় গাঁজার নিয়ন্ত্রণ পাকিস্তানের ড্রাগ রেগুলেটরি অথরিটি (ডিআরএপি)-এর মানদণ্ড অনুসারে পর্যালোচনা করা হবে।
পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে ক্যানাবিস মডেল প্রণয়ন ও সংশ্লিষ্ট বিধিমালা পুনর্বিবেচনার জন্য একটি উপ-কমিটি গঠন করা হবে।
আরটিভি/এসকে




