ঢাকা শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

মার্কিন গোয়েন্দা ব্যবস্থাকে খাদের কিনারে ঠেলে দেওয়া সেই গুপ্তচরের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:০৩ পিএম
‘ডাবল এজেন্ট’ অলড্রিখ এইমস। সংগৃহীত ছবি

মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর ইতিহাসের অন্যতম কুখ্যাত এবং ধ্বংসাত্মক ‘ডাবল এজেন্ট’ অলড্রিখ এইমস আর নেই। সোমবার (৫ জানুয়ারি) মেরিল্যান্ডের কম্বারল্যান্ড ফেডারেল কারাগারে বন্দি অবস্থায় ৮৪ বছর বয়সে তার মৃত্যু হয়। প্যারোলবিহীন আজীবন কারাদণ্ড ভোগ করা এই গোয়েন্দা কর্মকর্তা দীর্ঘ ৯ বছর সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের অতি গোপনীয় তথ্য বিক্রি করে মার্কিন নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে খাদের কিনারে ঠেলে দিয়েছিলেন।

১৯৯৪ সালে গ্রেফতার হওয়া এইমস আদালতে স্বীকার করেছিলেন যে, ব্যক্তিগত ঋণ পরিশোধের তাড়নায় তিনি ১৯৮৫ সাল থেকে সোভিয়েত গোয়েন্দা সংস্থা কেজিবির হয়ে কাজ শুরু করেন। কেজিবিতে তার সাংকেতিক নাম ছিল ‘কোলোকল’ বা ‘দ্য বেল’। সিআইএর হয়ে কাজ করা প্রায় ৩০ জন এজেন্টের পরিচয় ফাঁস করে দেওয়ার পাশাপাশি তার কারণে অন্তত ১০ জন তুখোড় গোয়েন্দা কর্মকর্তা প্রাণ হারান। তার তথ্য ফাঁসের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় এক শটির বেশি গোপন অভিযান ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছিল।

আরও পড়ুন

সিআইএতে ৩১ বছর কর্মরত থাকা এইমসের বার্ষিক বেতন ছিল মাত্র ৭০ হাজার ডলার। অথচ গোয়েন্দা সংস্থাটির নাকের ডগায় তিনি জাগুয়ার গাড়ি ও সাড়ে পাঁচ লাখ ডলারের বিলাসবহুল বাড়িতে বসবাস করতেন। এই প্রাচুর্যের উৎস ছিল কেজিবির দেওয়া প্রায় ২৫ লাখ ডলার। আদালতে এইমস জানিয়েছিলেন, প্রথম দফায় মাত্র ৫০ হাজার ডলারের বিনিময়ে তিনি বিশ্বাসঘাতকতা শুরু করলেও পরে কেজিবি তার জন্য বিপুল অর্থ বরাদ্দ রাখে, যা তার নিজের কাছেও ছিল এক বিস্ময়।

১৯৬২ সালে নিজের বাবার মাধ্যমেই সিআইএতে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন এইমস। ১৯৮৫ সাল থেকে যখন সিআইএর হয়ে কাজ করা সোভিয়েত এজেন্টরা রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হতে শুরু করেন, তখন থেকেই সন্দেহের তালিকায় ছিলেন তিনি। দীর্ঘ তদন্ত শেষে ১৯৯৪ সালে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। শীতকালীন যুদ্ধের সময়কার সবচেয়ে বড় এই বিশ্বাসঘাতকতার ক্ষত সিআইএ আজও বয়ে বেড়াচ্ছে। মেরিল্যান্ডের এই কারাগারেই নিঃসঙ্গ অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগের মাধ্যমে অবসান হলো মার্কিন গোয়েন্দা ইতিহাসের এক কলঙ্কিত অধ্যায়ের।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কঙ্গোতে সামরিক বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ১৪
গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে (ডিআর কঙ্গো) একটি সামরিক বিমান বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দেশটির সামরিক বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও রয়েছেন।
কঙ্গোতে সামরিক বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ১৪
ফ্লাইটের আগে মদ্যপ অবস্থায় এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলট আটক
জুরিখ থেকে দিল্লিগামী ফ্লাইট পরিচালনার আগে মদ্যপ অবস্থায় থাকায় এয়ার ইন্ডিয়ার এক পাইলটকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় ৬ সেপ্টেম্বরের জুরিখ-দিল্লি ফ্লাইটের সময়সূচিতে পরিবর্তন আনতে হয়। সুইজারল্যান্ডের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি ভারতের বেসামরিক বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিজিসিএকে (ডিরেক্টরেট জেনারেল অব সিভিল এভিয়েশন) জানালে ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। এয়ার ইন্ডিয়া সূত্রে জানা গেছে, জুরিখ বিমানবন্দরে ওই পাইলটের প্রাথমিক ব্রেথ অ্যানালাইজার পরীক্ষার ফল পজিটিভ আসে। এরপরই তাকে ফ্লাইট পরিচালনার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসা পরীক্ষার জন্য তাকে পাঠানো হয় এবং সাধারণ যাত্রী হিসেবে ভারতে ফেরত পাঠানো হয়। চূড়ান্ত মেডিকেল প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত পাইলটটি সাময়িক বরখাস্ত থাকবেন। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিললে তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এয়ার ইন্ডিয়ার ক্রুদের মদ্যপান ও মাদক পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়ার সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনার পর পাইলট ও ক্রুদের ওপর নজরদারি এবং পরীক্ষার ব্যবস্থা আরও কঠোর করার নির্দেশ দিয়েছে ডিজিসিএ। এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে কানাডার ভ্যাঙ্কুভার বিমানবন্দরে ভারতগামী ফ্লাইট পরিচালনার আগে মদের গন্ধ পাওয়ায় এয়ার ইন্ডিয়ার এক পাইলটকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এছাড়া সম্প্রতি মাদক পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়ায় আরেক পাইলটকে চাকরিচ্যুত করেছে এয়ার ইন্ডিয়া। গত বছরের জুনে আহমেদাবাদে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি উড়োজাহাজ দুর্ঘটনার পর পাইলটদের নিরাপত্তা বিধি ও পেশাগত আচরণ নিয়ে আরও কঠোর নজরদারি শুরু হয়েছে। এয়ার ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার বিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে তাদের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি রয়েছে। দায়িত্ব পালনের আগে অ্যালকোহল বা নিষিদ্ধ মাদক গ্রহণের বিরুদ্ধে সব পাইলটকে কঠোরভাবে সতর্ক করেছে সংস্থাটির ফ্লাইট অপারেশন্স বিভাগ। আরটিভি/এসকে
ফ্লাইটের আগে মদ্যপ অবস্থায় এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলট আটক
সেনেগালের উন্নয়নে ২৫০ কোটি টাকার মেগা প্রকল্প নিয়ে হাজির সাদিও মানে
সেনেগালে ফুটবলের বাইরেও আলোচিত নাম সাদিও মানে। দেশের মানুষের প্রতি নিবেদন তাকে উচ্চ সম্মান প্রদান করেছেন। এবার আরও বড় চমক দেখালেন এই স্ট্রাইকার। সেনেগালের বাম্বালিতে ২৪৬ কোটি টাকার বিশাল কৃষি প্রকল্প নিয়ে হাজির হয়েছেন এই তারকা ফুটবলার। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করেছে সেনেগালের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এপিএস । গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, মানের উদ্যোগে ‘এসএম১০ অ্যাগ্রো’ নামে এই প্রকল্পে বিনিয়োগ করা হচ্ছে ১১৭০ কোটি সিএফএ ফ্রাঁ, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৫০ কোটি টাকার সমান। গত ১৯ সেপ্টেম্বর নিজ গ্রাম বাম্বালিতে প্রকল্পটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন কাজের উদ্বোধন করেছেন সাদিও মানে। সেখানকার ৫০০ হেক্টর জমিতে গড়ে উঠবে আমের বাগান। লাগানো হবে প্রায় ৭৮ হাজার আমগাছ। এ ছাড়া থাকবে আম বাছাই, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের কারখানা, কৃষি প্রশিক্ষণকেন্দ্র এবং গবেষণা ও উন্নয়ন সুবিধা। প্রকল্পটি শুরুতে ১ হাজারের বেশি কর্মসংস্থান তৈরি করবে; দীর্ঘ মেয়াদে এই সংখ্যা আড়াই হাজারে পৌঁছানোর লক্ষ্য রয়েছে। নিজের এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য নিয়ে মানে বলেছেন, আমি চাই আমাদের মাটির সম্পদ আমাদের কাছেই থাকুক। এই সম্পদ থেকে যে আয় হবে, তা সবার আগে আমাদের মানুষের উপকারে আসুক। তিনি আরও বলেন, এই প্রকল্প শুধু সংখ্যার বিষয় নয়। আমি চাই আমাদের অঞ্চলের তরুণ ও নারীরা এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাক। এ কারণেই প্রকল্পের সঙ্গে একটি প্রশিক্ষণকেন্দ্র রাখা হয়েছে, যাতে আধুনিক কৃষিপদ্ধতি শেখানো যায়। এই প্রকল্প আপনাদের। আমি এটি আপনাদের হাতে তুলে দিচ্ছি। নিজেদের প্রকল্প মনে করে এটিকে এগিয়ে নিন। আপনারাই এটি পরিচালনা করবেন। এর আগে বাম্বালিতে স্কুল, মসজিদ, হাসপাতাল ও পেট্রোল স্টেশনসহ বিভিন্ন সামাজিক অবকাঠামোতে টাকা দিয়েছেন সাদিও মানে। এবার তার লক্ষ্য শুধু দান করা নয়, স্থানীয় সম্পদকে কাজে লাগিয়ে দীর্ঘমেয়াদি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আনা। আরটিভি/এসআর
সেনেগালের উন্নয়নে ২৫০ কোটি টাকার মেগা প্রকল্প নিয়ে হাজির সাদিও মানে
জরুরি ভিত্তিতে কৃষি ভিসা দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া
কৃষি খাতের জরুরি প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় নিয়ে বিদেশি শ্রমিকদের ভিসা আবেদনের দ্রুত নিষ্পত্তি করতে সম্মত হয়েছে অস্ট্রেলিয়া সরকার।
জরুরি ভিত্তিতে কৃষি ভিসা দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া
জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর ভাষণ বয়কট বাংলাদেশসহ ৭০ দেশের
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ভাষণ দিতে মঞ্চে ওঠার পরপরই বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা যৌথভাবে অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করে ওয়াকআউট করে।
জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর ভাষণ বয়কট বাংলাদেশসহ ৭০ দেশের
আরও পড়ুন
পুলিশে থাকা ‘গুপ্ত-ফ্যাসিস্টের দোসররা’ বাহিনীর মনোবল ক্ষতিগ্রস্ত করছে
ইরানের ৩ গুপ্তচরের বাহরাইনে কারাদণ্ড
মোসাদের ২ গুপ্তচরকে ভয়ংকর শাস্তি দিলো ইরান
ইসরায়েলি গুপ্তচরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করল ইরান