
শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়া ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নিজের নোবেল পুরস্কারের পদক উপহার দিয়েছেন। আর এ ঘটনার পর বিশ্ব মাধ্যমে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। আলোচনার ঝড় উঠেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও। তবে প্রশ্নের বিষয় হলো নোবেল পুরস্কার কি হস্তান্তরযোগ্য?
নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদানকারী সংস্থার ওয়েবসাইট থেকে জানা গেছে, নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রত্যাহার করা সম্ভব নয়। আলফ্রেড নোবেল-এর উইল কিংবা নোবেল ফাউন্ডেশনের বিধিমালার কোথাও এমন কোনো বিধান নেই, যার মাধ্যমে এই পুরস্কার বাতিল বা প্রত্যাহার করা যেতে পারে।
নোবেল ফাউন্ডেশনের বিধিমালার ১০ নম্বর ধারা অনুযায়ী, কোনো পুরস্কার প্রদানের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের আপিল করা যাবে না।
স্টকহোম ও অসলোতে অবস্থিত কোনো পুরস্কার প্রদানকারী কমিটিই আজ পর্যন্ত একবারও পুরস্কার দেওয়ার পর তা প্রত্যাহারের বিষয়টি বিবেচনা করেনি।
নীতিগতভাবে, নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি শান্তি পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা পুরস্কার পাওয়ার পর কী বলছেন বা কী করছেন- সে বিষয়ে কোনো মন্তব্য করে না। কমিটির দায়িত্ব কেবল একটি নির্দিষ্ট বছরের জন্য মনোনীত প্রার্থীদের কাজ ও প্রচেষ্টা মূল্যায়ন করা। একবার ঘোষণা হয়ে গেলে কোনো নোবেল পুরস্কারই বাতিল, ভাগ করা বা অন্য কারও কাছে হস্তান্তর করা যায় না। সিদ্ধান্তটি চিরকালের জন্য বহাল থাকে।
তবে এর অর্থ এই নয় যে কমিটি ভবিষ্যতে পুরস্কারপ্রাপ্তদের কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ করে না। কিন্তু সে ক্ষেত্রেও তারা প্রকাশ্যে কোনো উদ্বেগ বা প্রশংসা জানায় না।
আরটিভি/এমএইচজে


