ঢাকা বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অতিরিক্ত ব্যবহার মানুষকে অসুখী করে তোলে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ মার্চ ২০২৬, ১১:৪০ এএম
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশ হিসেবে টানা নবমবারের মতো শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে ফিনল্যান্ড, ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট ২০২৬ এ এই তথ্য উঠে এসেছে। নাগরিকদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, সামাজিক নিরাপত্তা ও সমান সুযোগ সুবিধার মান নির্ণয়ে এই স্বীকৃতি।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) প্রকাশিত ‘বিশ্ব সুখ প্রতিবেদন ২০২৬’-এ বলা হয়েছে, অতিরিক্ত সোশ্যাল মিডিয়া বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহার বিশ্বজুড়ে তরুণ প্রজন্মের মানসিক প্রশান্তি কমিয়ে দিচ্ছে।

আরও দেখা যায়- যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশে ২৫ বছরের কম বয়সীদের মধ্যে জীবন নিয়ে সন্তুষ্টির হার গত এক দশকে ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, অতিরিক্ত সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার তরুণদের মানসিক প্রশান্তি কমে যাওয়ার সাথে যুক্ত, বিশেষ করে ইংরেজিভাষী এবং পশ্চিম ইউরোপীয় দেশগুলোর কিশোরীদের মধ্যে।

গবেষকরা জানিয়েছেন যে, অতিরিক্ত সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার—বিশেষ করে দিনে সাত ঘণ্টার বেশি সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিম্নমানের জীবনবোধের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। অ্যালগরিদম-নির্ভর এবং ইমেজ-কেন্দ্রিক প্ল্যাটফর্মগুলো এর জন্য প্রধানত দায়ী।

গবেষকরা জানিয়েছেন যে, অতিরিক্ত সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার—বিশেষ করে দিনে সাত ঘণ্টার বেশি সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিম্নমানের জীবনবোধের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। অ্যালগরিদম-নির্ভর এবং ইমেজ-কেন্দ্রিক প্ল্যাটফর্মগুলো এর জন্য প্রধানত দায়ী।

"তারা এগুলো ব্যবহার করে কারণ অন্যরা ব্যবহার করছে, কিন্তু তারা এটাই বেশি পছন্দ করত যদি কেউ এগুলো ব্যবহার না করত,"প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে, যারা দিনে এক ঘণ্টার কম সময় সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করেন, তারা যারা একেবারেই ব্যবহার করেন না তাদের তুলনায় বেশি সুখী বলে জানিয়েছেন।


তালিকায় থাকা শীর্ষ ১০টি দেশের মধ্যে নর্ডিক দেশগুলো আধিপত্য বজায় রয়েছে। নর্ডিক দেশগুলোর এই সাফল্যের পেছনে সম্পদ, সমতা, শক্তিশালী সামাজিক কল্যাণ ব্যবস্থা এবং উচ্চ গড় আয়ুকে কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে।

শক্তিশালী সামাজিক ও পারিবারিক বন্ধনের কারণে কোস্টারিকা চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছে। অন্যদিকে আফগানিস্তান যথারীতি তালিকার সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে, যার সাথে আরও আছে সিয়েরা লিওন এবং মালাউই।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েলবিয়িং রিসার্চ সেন্টার, গ্যালাপ এবং জাতিসংঘের যৌথ উদ্যোগে ১৪০টি দেশের প্রায় ১,০০,০০০ মানুষের জরিপের ভিত্তিতে তৈরি এই গবেষণামূলক প্রতিবেদনে একটি উদ্বেগজনক চিত্রও ফুটে উঠেছে।

২০২৬ সালের বিশ্ব সুখ সূচক তালিকায় থাকা শীর্ষ ১০টি দেশ:
১ ফিনল্যান্ড, ২ আইসল্যান্ড,
৩ ডেনমার্ক,
৪ কোস্টারিকা, ৫ সুইডেন,
৬ নরওয়ে, ৭ নেদারল্যান্ডস,
৮ ইসরায়েল,
৯ লুক্সেমবার্গ,
১০ সুইজারল্যান্ড।

অন্যান্য উল্লেখযোগ্য দেশ:

১৭ জার্মানি
, ২৩ যুক্তরাষ্ট্র,
৬৫ চীন,
৯৭ ইরান
, ১০৪ পাকিস্তান
, ১০৬ নাইজেরিয়া,
১১৬ ভারত

আরও পড়ুন

সর্বনিম্ন সুখী দেশ (তালিকার শেষে):
১৪৭ আফগানিস্তান,
১৪৬ সিয়েরা লিওন,
১৪৫ মালাউই,
১৪৪ জিম্বাবুয়ে,
১৪৩ বতসোয়ানা।

আরটিভি/ এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রকাশ্যে এলো মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির বিস্তারিত
সামনে এসেছে তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির বিস্তারিত। চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের কোনো একটির ওপর বাইরে থেকে সশস্ত্র হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। আক্রান্ত দেশকে অবিলম্বে সহায়তা করবে অন্য দুই দেশ। সামরিক সহযোগিতা, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় এবং অস্ত্র ও জ্বালানি সরবরাহসহ বিভিন্ন বিষয়ে ১৬টি অনুচ্ছেদে বিভিন্ন শর্ত ও বিধান রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির পূর্ণাঙ্গ পাঠ তথা নথি দেশটির পার্লামেন্টে জমা দিয়েছে তুরস্ক সরকার।  চলতি বছরের ৭ আগস্ট শুক্রবার সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কায় এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) চুক্তির নথি পার্লামেন্টে জমা দেওয়া হয়। এই চুক্তির মাধ্যমে তিন দেশ নতুন একটি আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা জোট গড়ে তোলে। এতে এক দেশের ওপর সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করার বিধান রাখা হয়েছে। ন্যাটো জোটের চুক্তির পাঁচ নম্বর অনুচ্ছেদেও একই ধরনের বিধান রয়েছে। মিডল ইস্ট আই একান্তভাবে চুক্তির যে নথি পেয়েছে, তাতে কোনো নির্দিষ্ট দেশ বা অঞ্চলকে হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়নি। তবে কোনো দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব বা ভৌগোলিক অখণ্ডতার ওপর সশস্ত্র হামলা হলে অন্য দেশগুলো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে সহায়তা করবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। চুক্তির প্রথম অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, কোনো সদস্যদেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা, সার্বভৌমত্ব বা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সীমান্ত হুমকির মুখে পড়লে সেই হুমকি বা বিপদ দূর করতে সদস্যদেশগুলো প্রয়োজনীয় সব উপায় অবলম্বন করবে। দ্বিতীয় অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সদস্যদেশগুলোর কোনো একটির ওপর বাইরে থেকে সশস্ত্র হামলা হলে সেটিকে সব সদস্যদেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এতে আরও বলা হয়েছে, কোনো সদস্যদেশ অন্য কোনো দেশ বা একাধিক দেশের সশস্ত্র হামলা কিংবা সামরিক আগ্রাসনের শিকার হলে বাকি সদস্যদেশগুলো অবিলম্বে আক্রান্ত দেশটিকে সহায়তা করবে। এ ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহায়তার জন্য তাদের হাতে থাকা সব উপায় কাজে লাগানো হবে। চুক্তিতে বলা হয়েছে, প্রয়োজনীয় সহায়তার বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়নের ভিত্তিতে সহযোগিতার ধরন ও পরিধি নির্ধারণ করবে সদস্যদেশগুলো। সামরিক উপায় ও সক্ষমতাসহ নিজেদের হাতে থাকা সম্পদের সীমার মধ্যে থেকে তারা একে অপরকে সহায়তা করবে। এ ছাড়া প্রতিরক্ষা শিল্পের উন্নয়ন, সশস্ত্র বাহিনীর প্রশিক্ষণ এবং একে অপরকে সামরিক সরঞ্জাম, জ্বালানি ও অন্যান্য প্রতিরক্ষাসামগ্রী সরবরাহের ক্ষেত্রে সহযোগিতার কথা বলা হয়েছে। গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়ের জন্যও একটি কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। ১৬টি অনুচ্ছেদ নিয়ে গঠিত এই চুক্তির কোনো নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ নেই। তবে চুক্তি কার্যকর হওয়ার ১০ বছর পার হওয়ার পর কোনো সদস্যদেশ এটি থেকে সরে যেতে পারবে। তবে সরে যাওয়ার ইচ্ছার কথা অন্য সদস্যদেশগুলোকে অন্তত তিন মাস আগে লিখিতভাবে জানাতে হবে। এই চুক্তির পক্ষগুলো হলো তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরব। একে অপরের সার্বভৌমত্বের প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধা, জাতিসংঘ সনদের নীতি, আন্তর্জাতিক আইন এবং সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ আইনের প্রাসঙ্গিক নীতিগুলো বিবেচনায় নিয়ে এবং প্রতিরক্ষা অংশীদারত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত বিদ্যমান সহযোগিতা, সমন্বয় ও একীভূতকরণের ব্যবস্থাগুলোকে একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় আনার বিষয়ে সম্মত হয়ে; সশস্ত্র বাহিনীগুলোর পারস্পরিক কার্যক্ষমতা, প্রস্তুতি ও দক্ষতা বাড়াতে সহযোগিতা, সমন্বয় ও একীভূতকরণের ভিত্তিতে নিজেদের অভিন্ন স্বার্থ অনুযায়ী সম্পর্ক আরও উন্নত করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে এবং এর মাধ্যমে পক্ষসমূহ ও তাদের জনগণের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্ব ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় করতে; একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, সার্বভৌম সমতা, ভৌগোলিক অখণ্ডতা এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সীমান্তের অলঙ্ঘনীয়তার নীতির গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করে এবং স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার ওপর সশস্ত্র হামলা হলে পারস্পরিক সহায়তার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণকে অপরিহার্য বলে ঘোষণা করে; আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদ অনুযায়ী বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যৌথ উদ্যোগ ও সমন্বয়ের গুরুত্ব তুলে ধরে; সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় পক্ষসমূহের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলোর বিদ্যমান সহযোগিতা আরও গভীর করার ইচ্ছা প্রকাশ করে; আন্তর্জাতিক বিষয়ে অভিন্ন অবস্থান গ্রহণের লক্ষ্যে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোতে পক্ষসমূহের বিদ্যমান সহযোগিতা জোরদার করার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে; পক্ষসমূহের মধ্যে প্রতিরক্ষা ও প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা আরও উন্নত করার প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় নিয়ে; নিম্নলিখিত বিষয়ে সম্মত হয়েছে: অনুচ্ছেদ ১ চুক্তির পক্ষসমূহ একে অপরের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতা এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সীমান্তের অলঙ্ঘনীয়তা নিশ্চিত ও সুরক্ষিত রাখতে সহযোগিতা করবে। কোনো পক্ষের ভৌগোলিক অখণ্ডতা, সার্বভৌমত্ব বা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সীমান্ত হুমকির মুখে পড়লে বা বিপন্ন হলে সেই হুমকি বা বিপদ দূর করতে পক্ষসমূহ প্রয়োজনীয় সব উপায় অবলম্বন করবে। অনুচ্ছেদ ২ পক্ষসমূহের যেকোনো একটির ওপর বাইরে থেকে সশস্ত্র হামলা হলে সেটিকে সব পক্ষের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। কোনো পক্ষ অন্য কোনো দেশ বা একাধিক দেশের সশস্ত্র হামলা কিংবা সামরিক আগ্রাসনের শিকার হলে বাকি পক্ষগুলো অবিলম্বে আক্রান্ত পক্ষকে সহায়তা করবে। এ ক্ষেত্রে তারা একে অপরকে যে ধরনের পারস্পরিক সহায়তা দিতে সক্ষম, তার সব উপায় কাজে লাগাবে। জাতিসংঘ সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদে স্বীকৃত আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগের সুযোগ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সহায়তার বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়নের ভিত্তিতে সহায়তার ধরন ও পরিধি নির্ধারণ করবে পক্ষসমূহ। সামরিক উপায় ও সক্ষমতাসহ নিজেদের হাতে থাকা সম্পদের সীমার মধ্যে থেকে তারা পারস্পরিক সহযোগিতা করবে। অনুচ্ছেদ ৩ এই চুক্তির দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পক্ষসমূহ প্রতিরক্ষা, প্রতিরক্ষা শিল্প ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা করবে। তারা নিজেদের সশস্ত্র বাহিনীগুলোর মধ্যে সম্পর্ক উন্নত করবে এবং প্রতিরক্ষাক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করতে সম্মত কার্যক্রম পরিচালনা করবে। অনুচ্ছেদ ৪ আন্তর্জাতিক নিরাপত্তাবিষয়ক বিষয়ে পক্ষসমূহ নিয়মিত পরামর্শ করবে। নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ স্বার্থ ও জাতীয় নিরাপত্তা সুরক্ষিত রাখা এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি ও বিপদ দূর করতে অভিন্ন মূল্যায়নের ভিত্তিতে পৃথক ও যৌথ পদক্ষেপ গ্রহণের ক্ষেত্রে তারা একে অপরকে নিয়মিত ও কার্যকরভাবে সহায়তা করবে এবং সহযোগিতা করবে। অনুচ্ছেদ ৫ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা এবং নিরাপত্তার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে—এমন সব ধরনের ও সব রূপের সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় পক্ষসমূহ বিদ্যমান সহযোগিতা ও যৌথ উদ্যোগ জোরদার করবে। এ ক্ষেত্রে কার্যক্রম পরিচালনার পর্যায়েও সহযোগিতা করা হবে। অনুচ্ছেদ ৬ যুদ্ধ ও শান্তিকাল—উভয় সময়েই পক্ষসমূহ প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে পারস্পরিক জনবল বিনিময়, যৌথ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ও মহড়া এবং সশস্ত্র বাহিনীগুলোর পারস্পরিক কার্যক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে মোতায়েন ও অন্যান্য কার্যক্রম উৎসাহিত করবে। এর উদ্দেশ্য হলো তাদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা উন্নত করা। অনুচ্ছেদ ৭ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদার করতে পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে পক্ষসমূহ প্রতিরক্ষা শিল্পের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে প্রযুক্তি বিনিময়, যৌথ প্রযুক্তি উন্নয়ন, যৌথ উৎপাদন এবং প্রতিরক্ষা শিল্পসংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সহযোগিতায় সহায়তা করবে। এ সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো হলো— ক) প্রতিরক্ষা খাতে যৌথ উৎপাদন উৎসাহিত করা; খ) বিশেষায়িত দক্ষতা প্রয়োজন—এমন প্রযুক্তির ক্ষেত্রে যৌথ গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতিরক্ষা খাতে উদ্ভাবন বাস্তবায়ন করা; গ) যেকোনো পক্ষের বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় পক্ষসমূহের ভূখণ্ডে জনবল প্রশিক্ষণ এবং সামরিক শিল্পের বিকাশে সহায়তা করা; ঘ) প্রতিরক্ষা শিল্প, প্রতিরক্ষাবিষয়ক গবেষণা ও উন্নয়ন এবং উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা ও অর্জিত শিক্ষা বিনিময় করা; ঙ) পক্ষসমূহের পারস্পরিক সম্মতিতে নির্ধারিত সহযোগিতার অন্যান্য ক্ষেত্র। অনুচ্ছেদ ৮ ১. মূল পক্ষসমূহ ‘কৌশলগত রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কমিটি’ গঠন করবে। এই কমিটিতে পক্ষসমূহের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সেনাপ্রধানেরা থাকবেন। যৌথ প্রতিরক্ষার কৌশলগত দিকনির্দেশনা দেয়া, পক্ষসমূহের মধ্যে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা উন্নত করা এবং এই চুক্তি বাস্তবায়নের সময় দেখা দেয়া বাধাগুলো মোকাবিলা করা হবে কমিটির কাজ। কমিটি বছরে দুবার বৈঠক করবে। পালাক্রমে বিভিন্ন পক্ষ বৈঠকের আয়োজন করবে। প্রয়োজন মনে করলে পক্ষসমূহের নেতারা বছরে একবার বৈঠক করতে পারবেন। ২. প্রয়োজন মনে করলে কৌশলগত রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কমিটি উপকমিটি গঠন করতে পারবে। ৩. এই চুক্তিতে উল্লেখ করা সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পক্ষসমূহের মধ্যে চুক্তি বা প্রটোকল নিয়ে আলোচনা করা হবে। ৪. মূল পক্ষসমূহের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে এই চুক্তিতে অন্য পক্ষের অন্তর্ভুক্তির পদ্ধতি ও নীতিমালা নির্ধারণ এবং অনুমোদনের ক্ষমতা থাকবে কৌশলগত রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কমিটির। ৫. কৌশলগত রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কমিটিকে সহায়তা করার জন্য সৌদি আরবে সদর দপ্তরসহ একটি সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে। সচিবালয় সৌদি আরবের সঙ্গে সদর দপ্তরসংক্রান্ত একটি চুক্তি করবে। সচিবালয়ের কার্যক্রম, সাংগঠনিক কাঠামো ও প্রতিষ্ঠার পদ্ধতি এবং নীতিমালা পরবর্তী সময়ে মূল পক্ষসমূহের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে নির্ধারণ করা হবে। ৬. মূল পক্ষগুলোর মধ্যে পালাক্রমে তিন বছরের জন্য নিয়োগ পাওয়া একজন মহাসচিব সচিবালয়ের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। প্রথম মহাসচিব হবেন পাকিস্তানের একজন নাগরিক। ৭. এই অনুচ্ছেদের কোনো বিধান পক্ষসমূহের মধ্যে বিদ্যমান সামরিক সহযোগিতা কমিটিগুলোর কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করবে না। অনুচ্ছেদ ৯ গোয়েন্দা সহযোগিতা আরও গভীর করতে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সমন্বয় নিশ্চিত করতে পক্ষসমূহ পারস্পরিক সম্মতিতে নির্ধারিত নিরাপদ যোগাযোগমাধ্যমে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় করবে। এ সময় তথ্যের নিরাপত্তা, উপাত্তের সুরক্ষা ও গোপনীয়তা বজায় রাখা হবে। অনুচ্ছেদ ১০ সরবরাহ ও পরিবহনসহ প্রয়োজনীয় রসদ সহায়তা দেয়ার ব্যবস্থা থাকলে এবং তা পারস্পরিকভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ হলে পক্ষসমূহ শান্তিকাল, যুদ্ধকাল ও অন্যান্য জরুরি পরিস্থিতিতে একে অপরকে রসদ সহায়তা দেবে। এর মধ্যে অস্ত্র, গোলাবারুদ, জ্বালানি, খুচরা যন্ত্রাংশ ও অন্যান্য সরঞ্জাম অন্তর্ভুক্ত থাকবে। অনুচ্ছেদ ১১ আন্তর্জাতিক আইন এবং পক্ষসমূহের সংশ্লিষ্ট অভ্যন্তরীণ আইন অক্ষুণ্ন রেখে এই চুক্তির বিধান বাস্তবায়নের আইনি ভিত্তি হিসেবে পক্ষসমূহ চুক্তিটিকে গ্রহণ করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তাবও দেবে। অনুচ্ছেদ ১২ পক্ষসমূহ আগে যেসব আন্তর্জাতিক চুক্তি করেছে, সেগুলো থেকে উদ্ভূত তাদের অধিকার ও দায়িত্বের ওপর এই চুক্তি কোনো প্রভাব ফেলবে না। অনুচ্ছেদ ১৩ ১. এই চুক্তির আওতায় পাওয়া গোপনীয় তথ্য ও নথির গোপনীয়তা পক্ষসমূহ বজায় রাখবে এবং নিজ নিজ দেশের আইন মেনে চলবে। ২. পক্ষসমূহের বাইরের কোনো রাষ্ট্র, কোম্পানি বা ব্যক্তির সঙ্গে গোপনীয় তথ্য ও নথি বিনিময় করা যাবে না। ৩. গোপনীয় তথ্য ও নথিতে প্রবেশাধিকার কেবল যাদের তা জানা প্রয়োজন, তাদের দেয়া হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের যথাযথ নিরাপত্তা ছাড়পত্র থাকতে হবে। অনুচ্ছেদ ১৪ এই চুক্তির ব্যাখ্যা বা বাস্তবায়ন নিয়ে কোনো বিরোধ দেখা দিলে পক্ষসমূহের মধ্যে পরামর্শ ও আলোচনার মাধ্যমে তা বন্ধুত্বপূর্ণভাবে নিষ্পত্তি করা হবে। অনুচ্ছেদ ১৫ মূল পক্ষসমূহের মধ্যে পরামর্শ এবং সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের মাধ্যমে এই চুক্তি সংশোধন করা যাবে। অনুচ্ছেদ ১৬ ১. প্রতিটি পক্ষের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য পদ্ধতি অনুযায়ী এই চুক্তি অনুমোদন করতে হবে। কৌশলগত রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কমিটির সচিবালয়ে অনুমোদনের সর্বশেষ দলিল জমা দেয়ার তারিখ থেকে চুক্তিটি কার্যকর হবে। ২. এই চুক্তি অনির্দিষ্টকাল কার্যকর থাকবে। ৩. চুক্তি কার্যকর হওয়ার ১০ বছর পার হলে যেকোনো পক্ষ এটি থেকে সরে যেতে পারবে। সে ক্ষেত্রে কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে অন্য পক্ষগুলোকে অন্তত তিন মাস আগে লিখিতভাবে সরে যাওয়ার ইচ্ছার কথা জানাতে হবে। ৪. এই চুক্তির অবসান বা কোনো পক্ষের চুক্তি থেকে সরে যাওয়ার কারণে অবসান বা সরে যাওয়ার তারিখের আগে পক্ষসমূহের সম্মতিতে চলমান কোনো কার্যক্রম বা প্রকল্পের ওপর প্রভাব পড়বে না। ৫. গোপনীয় তথ্য ও নথি সুরক্ষা এবং সেগুলো প্রকাশ ঠেকানোর বিষয়ে পক্ষসমূহের দায়িত্ব চুক্তির অবসান বা কোনো পক্ষের সরে যাওয়ার পরও বহাল থাকবে। এই চুক্তি তুর্কি, আরবি ও ইংরেজি ভাষায় মূল তিনটি কপিতে স্বাক্ষরিত হয়েছে। প্রতিটি ভাষার পাঠ সমানভাবে প্রামাণ্য বলে বিবেচিত হবে। তবে বিভিন্ন ভাষার পাঠের ব্যাখ্যায় কোনো পার্থক্য দেখা দিলে ইংরেজি পাঠ প্রাধান্য পাবে। আরটিভি/এমএ
প্রকাশ্যে এলো মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির বিস্তারিত
রাবণের মুখে মোদি-ট্রাম্প-দোভাল-আম্বানির ছবি লাগিয়ে কুশপুত্তলিকা দাহ 
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহসহ ১০ বিশিষ্ট রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ী ব্যক্তিত্বের মুখাবয়ব সংযুক্ত করে রাবণের প্রতীকী কুশপুত্তলিকা দাহ করেছে কংগ্রেস-সমর্থিত ছাত্র সংগঠন ন্যাশনাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অব ইন্ডিয়া (এনএসইউআই)।
রাবণের মুখে মোদি-ট্রাম্প-দোভাল-আম্বানির ছবি লাগিয়ে কুশপুত্তলিকা দাহ 
দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড নিয়ে ভিডিওটি ‘ভুয়া’: সৌদি
সৌদি আরবের মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবরকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওকে ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছে সৌদি সংবাদমাধ্যম ‘দ্য হলি মস্কস’। সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, কাবা শরিফের হাজরে আসওয়াদের কাছে এক নারী ও পুরুষের ভিডিওটির সঙ্গে ওই দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনার কোনো সম্পর্ক নেই। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ‘দ্য হলি মস্কস’-এর এক্স অ্যাকাউন্টের বরাত দিয়ে এ তথ্য প্রকাশ করে খালিজ টাইমস। প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৪ অক্টোবর মক্কার একটি মসজিদে অশালীন কর্মকাণ্ডের অভিযোগে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে সৌদি আরবের কর্তৃপক্ষ। এ খবর প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হাজরে আসওয়াদের কাছে এক নারী ও পুরুষের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। পরে ভিডিওটিকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই বাংলাদেশির ঘটনার সঙ্গে যুক্ত করে বিভিন্ন ধরনের দাবি প্রচার করা হয়। তবে ‘দ্য হলি মস্কস’ জানিয়েছে, ভিডিওটির সঙ্গে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনার কোনো যোগসূত্র নেই। ভিডিওটি ওই ঘটনার প্রমাণ হিসেবেও ব্যবহার করা যায় না। ফলে ভিডিওটি ঘিরে ছড়িয়ে পড়া সংশ্লিষ্ট দাবিগুলোকে ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর হিসেবে দেখা হচ্ছে। সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশির নাম উল্লেখ করা হয় নজরুল ইসলাম আবদুল বাসির ও সিতি আখতার। তবে তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিস্তারিত বিবরণ, ঘটনার পরিস্থিতি কিংবা সংশ্লিষ্ট মসজিদের নাম প্রকাশ করা হয়নি। এ কারণে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা ও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ভাইরাল ভিডিওটির সঙ্গে ঘটনার সম্পর্ক নিয়ে বিভিন্ন দাবি সামনে এলেও সৌদি সংবাদমাধ্যমের বক্তব্যে স্পষ্ট করা হয়েছে, ভিডিওটি এ ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়। এদিকে, দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে সৌদি আরবের কাছে বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে বাংলাদেশ। তাদের বিরুদ্ধে কী অভিযোগ আনা হয়েছিল, কীভাবে বিচারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে এবং কোন প্রক্রিয়ায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে, সে বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে। এ ছাড়া মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে সৌদি কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ দূতাবাস বা সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক মিশনকে বিষয়টি জানিয়েছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে বাংলাদেশ। ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্য যাচাইয়ের ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন ও সরকারি নথির ওপর গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে কোনো ভিডিওর সঙ্গে ঘটনার যোগসূত্র নিশ্চিত না হয়ে সেটিকে প্রমাণ হিসেবে প্রচার করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে। সূত্র: খালিজ টাইমস আরটিভি/এসকে
দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড নিয়ে ভিডিওটি ‘ভুয়া’: সৌদি
মেডিকেয়ারে বয়স্কদের নিবন্ধন শুরু, নতুন নিয়মে বড় পরিবর্তন
যুক্তরাষ্ট্রে ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সীদের জন্য চালু সরকারি স্বাস্থ্যবিমা কর্মসূচি মেডিকেয়ারের বার্ষিক পরিকল্পনা পরিবর্তনের সময় শুরু হয়েছে।
মেডিকেয়ারে বয়স্কদের নিবন্ধন শুরু, নতুন নিয়মে বড় পরিবর্তন
ধর্ষণের অভিযোগে পাশে পাননি কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধানকে, বললেন ছাত্রী
যুক্তরাষ্ট্রের কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ তোলা সাবেক এক ছাত্রী বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান মাইকেল কটলিকফের কাছ থেকে তিনি কোনো সমর্থন পাননি।
ধর্ষণের অভিযোগে পাশে পাননি কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধানকে, বললেন ছাত্রী
আরও পড়ুন
ক্লিন গার্ল বিউটিতে মজেছে সোশ্যাল মিডিয়া