ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

প্রবল ঝড়ে উপড়ে গেল ৪০ বছরের পুরোনো গাছ, তাতেই ‘পোয়া বারো’ বৃদ্ধের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১১ জুলাই ২০২৬, ০৩:২১ পিএম
প্রতীকী ছবি (এআই দিয়ে তৈরি)

প্রবল ঝড়ে বাড়ির উঠানে থাকা ৪০ বছর বয়সী এক গাছ শিকড়সুদ্ধ উপড়ে যায়। আর এতেই ভাগ্য বদলে গেছে ভারতের বেঙ্গালুরুর এনজি কেশরী (৮৫) নামে এক বৃদ্ধের।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে এনজি কেশরীর বাড়ির উঠানে প্রায় চার দশক ধরে দাঁড়িয়ে থাকা একটি চন্দনগাছ চলতি বছরের জুন মাসে প্রবল বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ায় উপড়ে পড়ে। তবে এই ঘটনায় ক্ষতির মুখে পড়ার বদলে ভাগ্য খুলে যায় এই বৃদ্ধের। উপড়ে পড়া গাছটি তাকে এনে দেয় প্রায় ২৮ লাখ টাকা। পাশাপাশি, বছরের পর বছর ধরে গাছটির যত্ন নেওয়ার স্বীকৃতি হিসেবে একটি মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সম্মানও লাভ করেন তিনি।

প্রায় চল্লিশ বছর আগে কেশরীর উঠোনে প্রাকৃতিক ভাবে একটি চন্দনগাছের চারা গজিয়ে ওঠে। গাছটিকে না সরিয়ে এর যত্ন নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি এবং ধীরে ধীরে সেটি একটি পূর্ণাঙ্গ গাছে পরিণত হয়। গাছটি যত বড় হতে থাকে ততই এর আকর্ষণ বাড়তে থাকে স্থানীয়দের মধ্যে। শুধু প্রকৃতিপ্রেমীদের নয়, চন্দনকাঠ চোরাকারবারি ও কাঠচোরদেরও নজর পড়েছিল এটির উপর। গাছটিকে সুরক্ষিত রাখতে কেশরী এর চারপাশে একটি মজবুত লোহার খাঁচা নির্মাণ করেন। তার এই দূরদর্শিতার ফলেই বছরের পর বছর ধরে মূল্যবান চন্দনগাছটি চুরি হয়নি।

আরও পড়ুন

জুন মাসে প্রবল বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সময় পাশের একটি বড় গাছ ভেঙে পড়ে চন্দনগাছটির উপর। ফলে সেটি উপড়ে যায়। মূল্যবান চন্দনকাঠটি নিজে বিক্রি বা সরিয়ে ফেলার চেষ্টা না করে বৃদ্ধ নিয়মমাফিক সঙ্গে সঙ্গেই বন বিভাগকে বিষয়টি জানান। সরকারি নিয়ম মেনে প্রয়োজনীয় অনুমতি নেওয়ার পর গাছটি মহীশূরের সরকারি চন্দনকাঠের ডিপোতে পাঠানো হয়। সেখানে পরিমাপ করে বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, চন্দনকাঠটির মোট ওজন প্রায় এক টন। পরবর্তী কালে সরকারি নিলামে এর মূল্য নির্ধারিত হয় প্রায় ২৮ লাখ টাকা। বছরের পর বছর ধরে চন্দনগাছ রক্ষা ও সংরক্ষণের স্বীকৃতি স্বরূপ, কেশরীকে ‘চন্দনকাঠ শিরোমণি’ পুরস্কারে ভূষিত করে কর্ণাটক সরকার। সূত্র: আনন্দ বাজার

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মৃতদেহ উঠে আসার ভয়ে গলায় কাস্তে, পায়ে তালা! ভ্যাম্পায়ার-ভীতি নাকি অন্য কিছু?
মৃত্যুর পর দাফন বা সৎকারের রীতি দেশ ও সংস্কৃতিভেদে ভিন্ন। তবে ইউরোপের কিছু অঞ্চলে একসময় প্রচলিত ছিল অদ্ভুত এক বিশ্বাস—কবর দেওয়া মৃত ব্যক্তিও নাকি ফিরে আসতে পারেন জীবিতদের মাঝে!
মৃতদেহ উঠে আসার ভয়ে গলায় কাস্তে, পায়ে তালা! ভ্যাম্পায়ার-ভীতি নাকি অন্য কিছু?
গরু বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় স্ত্রীকে ট্রাকচাপা দিলেন স্বামী
ধারের টাকা পরিশোধের জন্য গোয়ালের গরু বিক্রি করতে চেয়েছিলেন ট্রাকচালক চুন্নিলাল কুমাওয়াত (৫৬)। তবে এতে তার স্ত্রী চুঙ্কি দেবী (৫২) আপত্তি জানান।
গরু বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় স্ত্রীকে ট্রাকচাপা দিলেন স্বামী
হরমুজ প্রণালিতে ভারত-চীনসহ ৪ দেশের জাহাজ চলাচলে ছাড় দিল ইরান
ইরানের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে চলাচলের ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ থেকে ভারত, চীন, ইরাক ও কাতারের জাহাজকে ছাড় দেওয়া হয়েছে।
হরমুজ প্রণালিতে ভারত-চীনসহ ৪ দেশের জাহাজ চলাচলে ছাড় দিল ইরান
ইরানকে ৯০টি অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার দিতে রাজি রাশিয়া
ইরানের কাছে ৯০টি অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা বিক্রিতে সম্মতি দিয়েছে রাশিয়া। হেলিকপ্টার থেকে পরিচালিত এসব লঞ্চারের মাধ্যমে নির্ভুল লক্ষ্যভেদী ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা সম্ভব। ইউক্রেন যুদ্ধে রুশ বাহিনীও এ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের (এফটি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাশিয়ার প্রতিরক্ষা শিল্পের ২০২৪ ও ২০২৫ সালের উৎপাদনসংক্রান্ত নথিতে ‘এপিইউ-এল’ মডেলের ৯০টি লঞ্চার রপ্তানির আদেশের তথ্য রয়েছে। সেখানে ক্রেতার নাম সরাসরি উল্লেখ না করে ‘কে-১০’ সাংকেতিক পরিচয় ব্যবহার করা হয়েছে।  রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় অস্ত্র রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের নথিতে এই সংকেত দিয়ে ইরানকে বোঝানো হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়। তবে এসব সরঞ্জাম ইতোমধ্যে ইরানের কাছে পৌঁছেছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। লঞ্চারগুলো রাশিয়ার এমআই-২৮ মডেলের আক্রমণকারী হেলিকপ্টারে স্থাপন করা যায়। প্রতিটি লঞ্চারে দুটি করে ‘এলএমইউআর’ নির্ভুল লক্ষ্যভেদী ক্ষেপণাস্ত্র বহনের সক্ষমতা রয়েছে। আকাশে উড্ডয়নের সময়ও এসব ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথ পরিবর্তন করা যায়। ফলে চলমান লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার সুযোগ তৈরি হয়। এফটির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইরানের সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতেও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়েছে মস্কো। ‘সি৪৩০এল’ নামের একটি গোপন প্রকল্পের আওতায় রুশ প্রকৌশলীরা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের ইঞ্জিন ও জ্বালানি ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করেছেন। সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি ভবিষ্যতে পারস্য উপসাগরে মোতায়েন করা মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলোর জন্য নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি করতে পারে। ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহারের জন্য এর আগে ইরানের কাছ থেকে শাহেদ ড্রোন সংগ্রহ করেছিল রাশিয়া। পাশাপাশি ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতেও সহযোগিতা করছে মস্কো। বিশ্লেষকদের ধারণা, সামরিক ক্ষেত্রে দুই দেশের সম্পর্ক ক্রমেই ঘনিষ্ঠ হলেও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে সরাসরি অংশ নেওয়ার বিষয়ে সতর্ক রাশিয়া। যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য প্রভাবশালী শক্তির সঙ্গে কূটনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখাই ক্রেমলিনের অন্যতম লক্ষ্য।  এ কারণে রুশ সামরিক সহায়তায় ইরানের সক্ষমতা বাড়ার সম্ভাবনা থাকলেও তা আঞ্চলিক সংঘাতের সামগ্রিক পরিস্থিতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। আরটিভি/এসআর  
ইরানকে ৯০টি অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার দিতে রাজি রাশিয়া
ভুয়া তথ্যে করোনার ১৮ মিলিয়ন ডলারের অনুদান লুট, অভিযুক্ত মার্কিন নারী 
যুক্তরাষ্ট্রে করোনাকালীন সরকারি আর্থিক সহায়তার ১ কোটি ৮০ লাখ ডলার (১৮ মিলিয়ন ডলার) জালিয়াতির মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক নারীর বিরুদ্ধে।
ভুয়া তথ্যে করোনার ১৮ মিলিয়ন ডলারের অনুদান লুট, অভিযুক্ত মার্কিন নারী 
আরও পড়ুন
গরু বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় স্ত্রীকে ট্রাকচাপা দিলেন স্বামী
হরমুজ প্রণালিতে ভারত-চীনসহ ৪ দেশের জাহাজ চলাচলে ছাড় দিল ইরান
ভারতীয় ভিসা আবেদনে নতুন নির্দেশনা
‘ভারতের গণতন্ত্রে ২০ কোটি মুসলিমের জায়গা কোথায়?’