
যুক্তরাষ্ট্রে প্রশাসনিক পরোয়ানা ছাড়াই অবৈধ অভিবাসীদের গ্রেপ্তারের ক্ষমতা ও সুযোগ বৃদ্ধি করেছে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই)। সংস্থাটির এক অভ্যন্তরীণ নীতিমালার নতুন ব্যাখ্যার মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের এ অতিরিক্ত এখতিয়ার প্রদান করা হয়েছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) প্রকাশিত নথি অনুযায়ী, আইসিইর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক টড লায়ন্স এক মেমোর মাধ্যমে পরোয়ানা ছাড়া গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে অভিবাসন আইনের “likely to escape” বা সটে পড়ার সম্ভাবনার আইনি অনুচ্ছেদটির নতুন ব্যাখ্যা দিয়েছেন। আগের নিয়মে আদালতে হাজির না হওয়ার ঝুঁকি বিবেচনা করা হলেও, নতুন নীতিতে বলা হয়েছে—কোনো কর্মকর্তার প্রশাসনিক ওয়ারেন্ট সংগ্রহ করতে যে সময় লাগবে, তার মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি স্থান ত্যাগ করতে পারেন কি না, তার ওপর ভিত্তি করেই সঙ্গে সঙ্গে পরোয়ানা ছাড়া গ্রেপ্তার করা যাবে।
এই নতুন ব্যাখ্যার ফলে মাঠপর্যায়ে অভিযানের সময় মূল লক্ষ্যবস্তুর বাইরে থাকা অন্য কোনো অবৈধ অভিবাসীর মুখোমুখি হলে আইসিই কর্মকর্তারা দ্রুত তাদের পরোয়ানা ছাড়াই গ্রেপ্তার বা ‘কোল্যাটারাল অ্যারেস্ট’ করার বাড়তি আইনি সুবিধা পাচ্ছেন।
তবে এই ক্ষমতার অপব্যবহার রোধে কলোরাডোর একটি ফেডারেল আদালত ইতোমধ্যেই আইসিইকে সতর্ক করে জানিয়েছে, কেবল অবৈধ অবস্থানের সন্দেহই পরোয়ানা ছাড়া গ্রেপ্তারের জন্য যথেষ্ট হতে পারে না। প্রতিটি ঘটনার পেছনে নির্দিষ্ট ও যৌক্তিক আইনি ভিত্তি থাকতে হবে।
আইসিইর এই নজিরবিহীন ক্ষমতা বৃদ্ধির ঘোষণার পরপরই যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্র্যান্ট রাইটস সংস্থা ও মানবাধিকারকর্মীদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
আরটিভি/এআর




