ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

যুক্তরাষ্ট্রে ইমিগ্রেন্ট ভিসাপ্রার্থীদের জন্য নতুন শর্ত 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৫ আগস্ট ২০২৬, ০২:২৫ পিএম
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী (ইমিগ্রেন্ট) ভিসার কিছু আবেদনকারীর জন্য পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয়েছে সরকারি ব্যয়ের জামানত দেওয়ার ব্যবস্থা। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী (ইমিগ্রেন্ট) ভিসা পেতে আবেদনকারীদের জন্য নতুনভাবে চালু করা হয়েছে সরকারি ব্যয়ের জামানত (পাবলিক চার্জ বন্ড) দেওয়ার প্রক্রিয়া। তবে এটি সবার জন্য নয়। বর্তমানে নির্বাচিত কিছু অভিবাসী ভিসা আবেদনকারীর ক্ষেত্রে পরীক্ষামূলকভাবে এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, যেসব অভিবাসী ভিসা আবেদনকারীকে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হওয়ার ঝুঁকিতে মনে করা হবে, তাদের নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে সরকারি ব্যয়ের জামানত জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হতে পারে।

তবে আবেদনকারীরা পর্যাপ্ত প্রমাণ দেখিয়ে এটিও প্রমাণ করতে পারবেন যে, যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের পর তাদের সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হওয়ার সম্ভাবনা নেই। এমন প্রমাণের মাধ্যমে সরকারি ব্যয়ের কারণে ভিসা প্রত্যাখ্যানের সিদ্ধান্ত কাটিয়ে ওঠার সুযোগ থাকতে পারে।

বর্তমানে এই ব্যবস্থা পরীক্ষামূলক প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত হচ্ছে। ফলে কোনো আবেদনকারী নিজে থেকে ইচ্ছামতো এই জামানতের জন্য আবেদন করতে পারবেন না। যাদের ক্ষেত্রে এটি প্রয়োজন হবে, তাদের কনস্যুলার কর্মকর্তা বিষয়টি জানাবেন।

আরও পড়ুন

জামানতের পরিমাণও সবার জন্য এক নয়। প্রতিটি আবেদনকারীর ব্যক্তিগত পরিস্থিতি ও মামলার সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে কনস্যুলার কর্মকর্তা জামানতের অর্থ নির্ধারণ করবেন।

জামানত জমা দেওয়ার আবেদন অনুমোদিত হলে এবং আবেদনকারী অন্য সব শর্ত পূরণ করলে, সরকারি ব্যয়ের আশঙ্কায় আগে প্রত্যাখ্যাত অভিবাসী ভিসা পুনরায় দেওয়ার সুযোগ থাকতে পারে।

এদিকে এই নতুন প্রক্রিয়া বর্তমানে বৈধ কোনো ভিসার ওপর প্রভাব ফেলবে না বলেও জানানো হয়েছে।

যিনি আবেদনকারীর জন্য সরকারি ব্যয়ের জামানত জমা দেবেন, নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ সাপেক্ষে তিনি সেই অর্থ ফেরত পাওয়ার সুযোগও রাখবেন।

অর্থাৎ, যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী ভিসার আবেদনকারীদের একটি অংশের জন্য সরকারি সহায়তার ওপর ভবিষ্যতে নির্ভরশীল না হওয়ার বিষয়টি এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে এই জামানত ব্যবস্থা বর্তমানে সীমিত পরিসরে এবং নির্বাচিত আবেদনকারীদের ক্ষেত্রেই কার্যকর করা হচ্ছে।

আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
যুক্তরাষ্ট্রে ২০৩২ সালেই শেষ হতে পারে সোশ্যাল সিকিউরিটির ট্রাস্টের ফান্ড
যুক্তরাষ্ট্রের সোশ্যাল সিকিউরিটির অবসর ও সারভাইভার সুবিধার জন্য গঠিত ট্রাস্ট ফান্ডের রিজার্ভ দ্রুত কমে আসছে।
যুক্তরাষ্ট্রে ২০৩২ সালেই শেষ হতে পারে সোশ্যাল সিকিউরিটির ট্রাস্টের ফান্ড
পরিবারের সদস্যকে যুক্তরাষ্ট্রে আনতে আয় কত লাগবে, জানাল ইউএসসিআইএস
পরিবারভিত্তিক অভিবাসনের মাধ্যমে স্বজনদের যুক্তরাষ্ট্রে এনে গ্রিন কার্ড প্রসেস করার ক্ষেত্রে স্পনসরদের জন্য ২০২৬ সালের নতুন সর্বনিম্ন আয়সীমা ঘোষণা করেছে ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস (ইউএসসিআইএস)। মূলত ফর্ম আই-৮৬৪ বা ‘অ্যাফিডেভিট অব সাপোর্ট’-এর আওতায় ফেডারেল দারিদ্র্যসীমার অন্তত ১২৫ শতাংশ আয় প্রদর্শনের বাধ্যবাধকতা থেকে নতুন এই আয়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের ৪৮টি স্টেটসহ ওয়াশিংটন ডিসি, পুয়ের্তো রিকো, গুয়াম ও নর্দার্ন মারিয়ানা আইল্যান্ডসের জন্য দুই সদস্যের পরিবারের ক্ষেত্রে স্পনসরের ন্যূনতম বার্ষিক আয় ধরা হয়েছে ২৭ হাজার ৫০ ডলার। এ ছাড়া পরিবারের সদস্যসংখ্যা তিনজন হলে ৩৪ হাজার ১৫০ ডলার, চারজন হলে ৪১ হাজার ২৫০ ডলার এবং পাঁচজনের পরিবারের ক্ষেত্রে ৪৮ হাজার ৩৫০ ডলার আয় দেখাতে হবে। একই অঞ্চলে ৬, ৭ ও ৮ সদস্যের পরিবারের জন্য স্পনসরের বাৎসরিক আয় যথাক্রমে ৫৫ হাজার ৪৫০, ৬২ হাজার ৫৫০ এবং ৬৯ হাজার ৬৫০ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যসংখ্যা আটজনের বেশি হলে প্রতি অতিরিক্ত সদস্যের জন্য আরও ৭ হাজার ১০০ ডলার করে বাড়তি আয় যুক্ত করতে হবে। অন্যান্য স্টেটের তুলনায় হাওয়াই অঙ্গরাজ্যে এই আয়সীমা কিছুটা বেশি রাখা হয়েছে। সেখানে দুই সদস্যের পরিবারের ক্ষেত্রে ন্যূনতম আয় ৩১ হাজার ১১৩ ডলার ও আট সদস্যের পরিবারের জন্য ৮০ হাজার ৮৮ ডলার আয় দেখাতে হবে। এই অঞ্চলে আটজনের পর প্রতি অতিরিক্ত সদস্যের জন্য ৮ হাজার ১৬৩ ডলার করে যুক্ত হবে। ইউএসসিআইএস আরও জানিয়েছে, সামরিক বাহিনীর সক্রিয় সদস্য যারা নিজ স্বামী বা স্ত্রী কিংবা অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের স্পনসর করবেন, তাদের ক্ষেত্রে সাধারণ ১২৫ শতাংশের বদলে ১০০ শতাংশ দারিদ্র্যসীমার আয় প্রযোজ্য হবে। এ ছাড়া মূল স্পনসরের প্রয়োজনীয় আয় না থাকলে নির্দিষ্ট নিয়মে জয়েন্ট স্পনসর যুক্ত করা কিংবা নিজস্ব সম্পদ দেখিয়েও গ্রিন কার্ডের আবেদন সম্পন্ন করার সুযোগ রাখা হয়েছে। আরটিভি/এআর 
পরিবারের সদস্যকে যুক্তরাষ্ট্রে আনতে আয় কত লাগবে, জানাল ইউএসসিআইএস
কাজীদের ক্ষমতা শেষ, ভারতে মুসলিমদের বিয়ে নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত!
আসামে মুসলিম বিয়ে নথিভুক্তির নিয়মে বড় পরিবর্তন আনল রাজ্য সরকার। এখন থেকে মুসলিমদের বিয়ে সরকারি রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে নথিভুক্ত করা বাধ্যতামূলক হচ্ছে।  বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে আসাম মুসলিম বিবাহ নথিভুক্তি বাধ্যতামূলক বিধিমালা ২০২৬ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর ফলে মুসলিম বিয়ে নথিভুক্তির ক্ষেত্রে কাজীদের পুরোনো ভূমিকা পুরোপুরি শেষ হয়ে সরকারি ব্যবস্থার আওতায় আসছে পুরো প্রক্রিয়া।  মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা জানান, রাজ্যজুড়ে মুসলিম বিয়ে নথিভুক্তির জন্য একই ধরনের সরকারি ব্যবস্থা চালু করা হবে। সরকারি রেজিস্ট্রাররাই এই দায়িত্ব পালন করবেন। বিয়ের নথিভুক্তির আবেদন বাড়লে প্রয়োজন অনুযায়ী আরও রেজিস্ট্রার নিয়োগ করা হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।  আসাম সরকার ২০২৪ সালে মুসলিম বিবাহ ও বিচ্ছেদ বাধ্যতামূলক নথিভুক্তি আইন চালু করেছিল। সেই আইনের মাধ্যমে কাজীদের হাতে থাকা মুসলিম বিয়ে নথিভুক্ত করার ক্ষমতা তুলে নেওয়া হয়।  তবে নতুন করে দায়িত্ব কার হাতে থাকবে, সে বিষয়ে তখন বিস্তারিত ব্যবস্থা নির্ধারণ করা হয়নি।  এবার ২০২৬ সালের বিধিমালা অনুমোদনের মাধ্যমে সেই দায়িত্ব সরকারি রেজিস্ট্রারদের হাতে দেওয়া হলো। নতুন ব্যবস্থার অন্যতম উদ্দেশ্য মুসলিম বিয়েকে সরকারি নথির আওতায় আনা এবং বাল্য বিয়ে বিবাহ করা। ২০২৪ সালের আইনে মুসলিম বিয়ের ক্ষেত্রে মেয়েদের বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর এবং ছেলেদের বয়স অন্তত ২১ বছর নির্ধারণ করা হয়েছিল। বিয়ে নথিভুক্তির সময় বয়স, পরিচয় ও ঠিকানার প্রমাণসহ প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে হবে। পাশাপাশি ছেলে ও মেয়ের স্বেচ্ছায় বিয়েতে সম্মতির ঘোষণাপত্রও প্রয়োজন হবে।     আসামে মুসলিম বিয়ে নথিভুক্তির ইতিহাস অবশ্য আরও পুরোনো। ১৯৩৫ সালের আসাম মুসলিম বিবাহ ও বিচ্ছেদ নথিভুক্তি আইনে মুসলিম বিয়ে নথিভুক্ত করা বাধ্যতামূলক ছিল না। পরে ২০১০ সালে সেই আইনে পরিবর্তন এনে মুসলিম বিয়ে নথিভুক্তি বাধ্যতামূলক করা হয়। তবে তখনও নথিভুক্তির দায়িত্ব কাজীদের হাতেই ছিল।  ২০২৪ সালের নতুন আইনে কাজীদের সেই ক্ষমতা তুলে নেওয়া হলেও সরকারি ব্যবস্থায় কীভাবে নথিভুক্তি হবে, তা নিয়ে একটি শূন্যতা তৈরি হয়েছিল। এবার মন্ত্রিসভার অনুমোদিত নতুন বিধিমালায় সেই ব্যবস্থাই স্পষ্ট করা হয়েছে।  মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার বক্তব্য অনুযায়ী, নতুন ব্যবস্থায় মুসলিম বিয়ের সরকারি নথি আরও সুশৃঙ্খল হবে। একই সঙ্গে বয়স যাচাই এবং পরিচয় নিশ্চিত করার মাধ্যমে নাবালিকা বিয়ে ঠেকাতেও প্রশাসনের পক্ষে নজরদারি সহজ হবে। সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে এখন থেকে মুসলিম বিয়ের ক্ষেত্রে ধর্মীয়ভাবে প্রচলিত প্রথার পাশাপাশি সরকারি নথিভুক্তির বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠল।  বিয়ে নথিভুক্তির জন্য সরকারি রেজিস্ট্রারের কাছে আবেদন করতে হবে এবং নির্ধারিত নথি ও বয়সের শর্ত পূরণ করতে হবে। আসাম সরকারের নতুন বিধিমালা কার্যকর হওয়ার পর রাজ্যের মুসলিম সমাজে বিয়ে নথিভুক্তির পুরো প্রক্রিয়াই সরকারি প্রশাসনের সরাসরি তত্ত্বাবধানে চলে যাবে। কাজীদের মাধ্যমে নথিভুক্তির পুরোনো ব্যবস্থা আর থাকবে না। আরটিভি/এসআর
কাজীদের ক্ষমতা শেষ, ভারতে মুসলিমদের বিয়ে নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত!
কম সিজিপিএ নিয়েও যুক্তরাষ্ট্রে মাস্টার্সের সুযোগ
উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ভর্তির ক্ষেত্রে কম সিজিপিএ থাকলেও গ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে আবেদনের সুযোগ থাকে।
কম সিজিপিএ নিয়েও যুক্তরাষ্ট্রে মাস্টার্সের সুযোগ
মার্কিন গ্রিড সংস্কারে ২ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ দিল জ্বালানি বিভাগ
যুক্তরাষ্ট্রে বিদ্যুতের চাহিদা দ্রুত বাড়তে থাকায় তা পুরোনো পাওয়ার গ্রিডের সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে জ্বালানি বিভাগ।
মার্কিন গ্রিড সংস্কারে ২ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ দিল জ্বালানি বিভাগ
আরও পড়ুন
দক্ষ বিদেশি কর্মী নিয়োগের ভিসায় আবারও বড় পরিবর্তন ট্রাম্পের
ইরানের প্রেসিডেন্ট-পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ জ্যেষ্ঠ কয়েক কর্মকর্তা পেলেন যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা
ভিসা ছাড়াই জার্মানিতে যেতে পারবেন যে ৮ দেশের নাগরিকরা
যুক্তরাষ্ট্রের কর্মী ভিসায় আসছে বড় পরিবর্তন!