
প্রায় এক দশক পর লেবাননে আজ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ২০০৯ সালে লেবাননে সবশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। দেশটিতে চার বছরের ব্যবধানে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও প্রতিবেশী রাষ্ট্র সিরিয়ায় অস্থিতিশীলতা ও দেশটির নির্বাচনী আইনে সংস্কারের কারণে এতদিন পর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। খবর বিবিসির।
স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ১২৮টি আসনে ভোট গ্রহণ চলবে।
নতুন এই পরিবর্তনের মধ্যে রয়েছে-ভোটিং ব্যবস্থা, জেলার সংখ্যা কমিয়ে আনা ও প্রথমবারের মতো প্রবাসীদের ভোটের সুযোগ। তবে সোমবার বা মঙ্গলবারের আগে ফলাফল পাওয়া যাবে না। যদিও বিশ্লেষকরা বলছেন, রোববার রাতের মধ্যেই প্রাথমিক ফলাফলের একটা ধারণা পাওয়া যাবে।
এর আগে হাজার হাজার প্রবাসী লেবানিজ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। নতুন নির্বাচনী ব্যবস্থার কারণেই তারা এবার ভোট দিতে পারলেন।
--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : চুক্তিভঙ্গ করলে যুক্তরাষ্ট্রকে পস্তাতে হবে: রুহানি
--------------------------------------------------------
ইউরোপীয় ইউনিয়ন জানিয়েছে, তারা লেবাননের বিভিন্ন জেলায় নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করছে।
লেবাননের রাজনৈতিক ব্যবস্থা বিশ্বে অনন্য। দেশটির শীর্ষ তিনটি পদ (প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী ও স্পিকার) ধর্মের ভিত্তিতে ভাগাভাগি করা হয়।
এর আগে গেলো বছরের নভেম্বরে সৌদি আরব গিয়ে পদত্যাগ করেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সাদ আল-হারিরি। তাকে হত্যা করে হতে পারে এমন আশঙ্কা প্রকাশ করে এক টেলিভিশন ভাষণে পদত্যাগ করলে দেশটিতে রাজনৈতিক সংকট দেখা দেয়।
তবে লেবাননের রাজনৈতিক মহলের চাপে শেষপর্যন্ত আল-হারিরি পদত্যাগ ‘স্থগিত’ করেন।
আরও পড়ুন :
এ




