
ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত্ব বিমান পরিবহন সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়া। ঋণে জর্জরিত এয়ার ইন্ডিয়া বিক্রি করতে পারছে না মোদি সরকার। ক্রেতাই পাওয়া যাচ্ছে না। হাজার কোটি টাকারও বেশি ঋণে জর্জরিত এয়ার ইন্ডিয়ার শেয়ার কেনার নেই কোনো ক্রেতা। বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় নির্দিষ্ট সময়সীমা শেষ হওয়া পর্যন্ত এয়ার ইন্ডিয়া কেনার ব্যাপারে কেউ উৎসাহ দেখায়নি। জমা পড়েনি কোনো ‘এক্সপ্রেশন অফ ইন্টারেস্ট’(ইওএল)। খবর সিএনএন, টাইমস অব ইন্ডিয়া।
এয়ার ইন্ডিয়ার ৭৬ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করতে চায় মোদি সরকার। কিন্তু ৩১ মে বৃহস্পতিবার দরপত্র জমা দেয়ার শেষ তারিখ থাকলেও দরপত্র জমা দেয়নি কেউই।
এ বিষয়ে মোদি সরকারের বেসামরিক বিমান পরিবহন দপ্তরের সচিব আর.এন.চৌবে জানান, এখন পর্যন্ত কেউ বিড জমা দেননি৷ বিড করার সময় আরও বাড়ানো হবে না বলেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
হাজার কোটি টাকারও বেশি ঋণ রয়েছে এয়ার ইন্ডিয়ার মাথায়। এর আগে দরপত্র জমা দেয়ার শেষ দিন ছিল ১৪ মে। পরে তা বাড়িয়ে করা হয় ৩১ শে মে। কেন্দ্রীয় সরকার ঠিক করেছিল, কারা কারা শেয়ার কিনবে তাদের নাম ঘোষণা করা হবে আগামী ১৫ ই জুন৷ তবে এখন এর কোনটাই করতে হচ্ছে না সরকারকে। কারণ এয়ার ইন্ডিয়ার শেয়ার কেনার ক্রেতা নেই।
ইন্ডিগো, জেট এয়ারওয়েজ, এমিরেটস, কাতার এয়ারওয়েজ এর মত বড় এয়ারলাইন্সগুলি এই বিডে অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী নয় বলেই জানা গেছে।
রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টাটা গ্রুপও এই বিডে অংশ গ্রহণ করতে উৎসাহী নয়। এছাড়াও অনেক এয়ারলাইন্স সংস্থা প্রথমে উৎসাহী হলেও পরে এয়ার ইন্ডিয়ার শেয়ার কিনতে উৎসাহ দেখায়নি।
এয়ার ইন্ডিয়ার ৭৬ শতাংশ শেয়ারের পাশাপাশি এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস লিমিটেডের ১০০ শতাংশ শেয়ার বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছিল মোদি সরকার।
শুরুতে ইন্ডিগো ও জেট এয়ারওয়েজে এই বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করলেও পরে তারা সেখান থেকে পিছিয়ে আসে।
উল্লেখ্য, ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত্ব বিমান পরিবহন সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়া ১৯৩২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে এই বিমান পরিবহন সংস্থার কাছে ১০৭ টি বিমান রয়েছে। এটি দেশ ও দেশের বাইরে ৮৫ টি বিমানবন্দরে বিমান পরিচালনা করে।
এপি/জেএইচ




