ঢাকা শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

আমার ‘ভালো ছেলে’-র মগজ ধোলাই করা হয়েছিল: ওসামার মা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ০৪ আগস্ট ২০১৮, ১০:০৫ এএম

ওসামা একজন `ভালো ছেলে' ছিলেন কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকার সময় মগজ ধোলাইয়ের শিকার হয়ে উগ্রপন্থায় দীক্ষিত হয়েছিলেন। নিহত আল-কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেনের মা আলিয়া ঘানেম কোনও সংবাদপত্রে দেয়া তার প্রথম সাক্ষাৎকারে এমন মন্তব্য করেছেন। খবর বিবিসি বাংলার।

ব্রিটিশ সংবাদপত্র গার্ডিয়ানকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সৌদি আরবের জেদ্দায় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় তার ভাষায় এক ‘কাল্ট’ বা ধর্মীয় গোষ্ঠীর পাল্লায় পড়েন ওসামা। এরপরই পুরোপুরি বদলে যায় সে।

ঘানেম বলেন, ওই গ্রুপটি থেকে দূরে থাকার জন্য তিনি তার ছেলেকে বারবার সাবধান করেছিলেন।
--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : ভারতে পাথর খনিতে বিস্ফোরণ, নিহত ১১
-------------------------------------------------------

গার্ডিয়ানের সাংবাদিক মার্টিন চুলোভের নেয়া সাক্ষাৎকারে ঘানেম বলেন, কিং আবদুল আজিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি নিয়ে পড়ার সময় ওসামা বিন লাদেন কিছু লোকের সংস্পর্শে আসেন। ওইসময় ওসামার বয়স ২০-এর কোঠায় ছিল। তারাই তার ছেলের মগজ ধোলাই করে।

আলিয়া ঘানেমের কথায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই লোকগুলোই ওসামাকে বদলে দেয়। সে একেবারে অন্যরকম মানুষ হয়ে যায়। আপনি বলতে পারেন এটা ছিল একটা কাল্ট। আমি তাকে সবসময়ই বলতাম ওদের থেকে দূরে থাকতে। কিন্তু সে কখনও স্বীকার করেনি সে কী করছে, কারণ আমাকে সে খুবই ভালোবাসতো।

গার্ডিয়ানের সাক্ষাৎকারের সময় উপস্থিত ছিলেন ওসামার ভাই হাসান। তিনি বলেন, আফগানিস্তানে রুশ দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে লড়াই করতে ১৯৮০-র দশকে দেশটিতে যান ওসামা। প্রথমদিকে সবাই তাকে সম্মান করেছে। শুরুর দিকে আমরাও তাকে নিয়ে গর্বিত ছিলাম। এমনকি সৌদি সরকারও তাকে সম্মান ও মর্যাদার চোখে দেখতো। তারপরই সে হয়ে উঠলো মুজাহিদ ওসামা।

তার মা ঘানেম বলছিলেন, ওসামা স্কুলে ভালো ছাত্র ছিল, পড়াশোনা ভালোবাসতো। সে তার সব টাকা-পয়সা আফগানিস্তানের পেছনে ব্যয় করেছে। পারিবারিক ব্যবসার ছুতো করে সে গোপনে কোথায় কোথায় চলে যেত।

দ্য গার্ডিয়ানে ওসামা বিন লাদেনের মা আলিয়া ঘানেমের সাক্ষাৎকার

তিনি কী কখনও সন্দেহ করেছিলেন যে তার ছেলে জিহাদি হয়ে উঠতে পারে? আমার মনে কখনও এমন ভাবনা আসেনি। যখন জানতে পারলেন তখন কেমন লেগেছিল? এমন প্রশ্নের জবাবে ঘানেম বলেন, আমরা খুব ভেঙে পড়েছিলাম, এমনটা হোক আমি চাইনি। কেন সে এভাবে সবকিছু ত্যাগ করতে যাবে?

বিন লাদেনের পরিবার বলছে, তারা সবশেষ ১৯৯৯ সালে আফগানিস্তানে ওসামাকে দেখেছেন। কান্দাহার শহরের বাইরে তাদের ঘাঁটিতে দুবার তারা দেখা করতে গিয়েছিলেন।

জায়গাটা ছিল বিমানবন্দরের কাছে, যা তারা রুশদের হাত থেকে দখল করেছিল, বলছিলেন ঘানেম। তিনি বলেন, আমাদের পেয়ে সে খুব খুশি হয়েছিল, আমাদের প্রতিদিন ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে সব দেখাতো। একটা পশু জবাই করে ভোজ দেয়া হলো। সবাইকে দাওয়াত দেয়া হলো।

ওসামা বিন লাদেনের বাবা ইয়েমেনি হলেও তার মা আলিয়া ঘানেমের জন্ম এক সিরিয়ান আলাওয়াইট শিয়া পরিবারে। তিনি সৌদি আরবে আসেন ১৯৫০-এর দশকের মাঝামাঝি। আর ওসামার জন্ম ১৯৫৭ সালে। তিন বছর পর ওসামার বাবাকে তালাক দেন ঘানেম। এরপর তিনি বিয়ে করেন আল-আত্তাসকে। তিনি বিন লাদেনদের অর্থনৈতিক সাম্রাজ্যেরই একজন প্রশাসক ছিলেন।

ওসামার বাবা কমপক্ষে ১১ জন স্ত্রীর গর্ভে ৫৪টি ছেলেমেয়ের জন্ম দেন। ওসামার আরেক ভাই আহমদ গার্ডিয়ানকে বলেন, নাইন ইলেভেনের ১৭ বছর পরও তাদের মা ওই ঘটনার জন্য ওসামাকে দোষ দিতে চান না। তিনি দোষ দেন তার চারপাশের লোকদেরকে।

আহমদ বলছিলেন, তাদের মা শুধু ওসামাকে ‘ভালো ছেলে’ হিসেবেই জানেন। জিহাদি ওসামাকে তার কখনও জানা হয়নি।

পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে ওসামা বিন লাদেন যখন মার্কিন বিশেষ বাহিনীর হাতে নিহত হন- তখন তার যে স্ত্রী-সন্তানরা ছিলেন, তারা এখন জেদ্দায় থাকেন। তাদের শহরের মধ্যে চলাফেরার অধিকার আছে তবে দেশের বাইরে যাবার অনুমতি নেই।

আলিয়া ঘানেম বলছেন, আমি ওসামার হারেমের সঙ্গে প্রায় সপ্তাহেই কথা বলি। তারা কাছেই থাকে।

ওসামা বিন লাদেন ও আয়মান আল-জাওয়াহিরি

ওসামা বিন লাদেনের সর্বকনিষ্ঠ ছেলে ২৯ বছর বয়স্ক হামজার কথা বিন লাদেন পরিবারকে জিজ্ঞেস করেছিলেন গার্ডিয়ানের সাংবাদিক। হামজা এখন আফগানিস্তানে আছে বলে ধারণা করা হয়।

গত বছর তাকে একজন বৈশ্বিক সন্ত্রাসী হিসেবে ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র। হামজাকে আল-কায়েদার বর্তমান নেতা আয়মান আল-জাওয়াহিরির ছত্রছায়ায় তার পিতার ‘উত্তরসূরি’ বলে মনে করা হয়।

হাসান বলছিলেন, হামজা বলেছিল, সে তার পিতার হত্যার প্রতিশোধ নেবে। আমি তার কথা আর শুনতে চাই না। তিনি বলেন, তার সঙ্গে দেখা হলে আমি বলতাম আল্লাহ যেন তোমাকে পথ দেখান। তুমি যা করছো তা নিয়ে দুইবার ভাবো। তুমি তোমার আত্মার এক ভয়ঙ্কর অংশে পা ফেলছো। তোমার পিতার পথ নিও না।

ধারণা করা হয়, ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে চারটি ছিনতাই করা বিমান দিয়ে সন্ত্রাসী হামলা ওসামা বিন লাদেনের আদেশেই হয়েছিল। ওই হামলায় নিউ ইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের টুইন টাওয়ার ও ওয়াশিংটনে পেন্টাগন ভবন আক্রান্ত হয় এবং দুই হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়। পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে মার্কিন বিশেষ বাহিনীর এক অভিযানে ২০১২ সালে ওসামা বিন লাদেন নিহত হন।

আরও পড়ুন :

এ/ এমকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মাহাথির মোহাম্মদ, দ্য মুসলিম ম্যান অব দ্য ইয়ার
দ্য মুসলিম ম্যান অব দ্য ইয়ার নির্বাচিত হয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ। জর্ডান-ভিত্তিক আন্তর্জাতিক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান দ্য রয়্যাল অল আল-বাইত ইনস্টিটিউট ফর ইসলামি থট’র শাখা দ্য রয়্যাল ইসলামিক স্টাডিজ সেন্টারের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিশ্বের সবচেয়ে বেশি প্রভাবশালী ৫০০ মুসলিমের তালিকায় শীর্ষস্থান অধিকার করেছেন তিনি। ‘দ্য মুসলিম ৫০০’ নামের এই ওয়েবসাইটে  প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে ৯৩ বছর বয়সে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বয়স্ক সরকার প্রধান হিসেবে দ্বিতীয় বারের মতো মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হওয়া মাহাথিরের অর্জনগুলো তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়, এই সম্পূর্ণ অসাধারণ মানুষের আছে ৭০ বছরের একটি গতিশীল রাজনৈতিক ক্যারিয়ার। পাশাপাশি তিনি ১৭টি বই প্রকাশ করেছেন। এগুলোর মধ্যে মাত্র দুটি স্মৃতিচারণমূলক। বাকি বইগুলো মালয়েশিয়ার শাসনপদ্ধতি এবং অর্থনৈতিক সমস্যাগুলোর তাৎক্ষণিক সমাধান সংক্রান্ত। প্রতিবেদনটিতে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মাহাথিরের প্রথম মেয়াদটাকেই বেশি হাইলাইট করা হয়েছে, যা ২২ বছর ধরে স্থায়ী ছিল। এই দীর্ঘ সময়ে তিনি দেশের অর্থনীতি ও শিক্ষা খাতে ব্যাপক ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছেন। এটির শেষে বলা হয়, ৯৩ বছর বয়সী এই রাজনীতিকের আছে দুটি হার্ট অ্যাটাক এবং একটি বাইপাস সার্জারির ইতিহাসও, যেগুলো মোটেও তাকে দমাতে পারেনি। দ্য রয়্যাল ইসলামিক স্টাডিজ সেন্টারের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে ইসরায়েলি সৈন্যের গালে চড় মারা ফিলিস্তিনি কিশোরী আহেদ তামিমিকে মুসলিম ৫০০ উইম্যান অব দ্য ইয়ার তালিকার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। গত ডিসেম্বরে ইসরায়েলি সেনারা বাড়ি থেকে তামিমির ভাইকে ধরে নিতে এলে সে তাদের বাধা দেয়। একপর্যায়ে এক সেনাকে চড় মারে তামিমি। এজন্য তাকে তখন গ্রেপ্তার করা হয়। চলতি বছরের মার্চে বিচার শেষে তামিমিকে আট মাসের কারাদণ্ড দেন ইসরায়েলি আদালত। জুলাই মাসে তাকে মুক্তি দেয়া হয়। আরো পড়ুন :  রাশিয়ায় ভবনে গ্যাস বিস্ফোরণে নিহত চার, নিখোঁজ ৬৮ কে/ এমকে
মাহাথির মোহাম্মদ, দ্য মুসলিম ম্যান অব দ্য ইয়ার
রাশিয়ায় ভবনে গ্যাস বিস্ফোরণে নিহত চার, নিখোঁজ ৬৮
পশ্চিম-মধ্য রাশিয়ার চেলিয়াবিনস্ক অঞ্চলের ম্যাগনিটোগোর্স্ক শহরের একটি ভবনে গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় কমপক্ষে চারজন নিহত হয়েছে। এছাড়া ভবনটির ১২০ বাসিন্দার মধ্যে ৬৮ জন এখনও নিখোঁজ আছেন। স্থানীয় সময় সোমবার চেলিয়াবিনস্ক গভর্নর বোরিস দুব্রোভস্কি এই তথ্য জানান বলে জানিয়েছে রুশ বার্তা সংস্থা তাস। তিনি তার টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টে আরও লিখেছেন, বিধ্বস্ত ভবনটি থেকে সবশেষ সাতটি শিশুসহ ১৬ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে বিস্ফোরণের শিকার দুই শিশুসহ চারজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অন্যদিকে এ পর্যন্ত ২৮ জন জীবিত বাসিন্দা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। এর আগে এই গভর্নর বলেন, ৫০ জনের মতো বিধ্বস্ত ভবনটিতে আটকে থাকতে পারেন। এদিন সকালে ম্যাগনিটোগোর্স্কের কেন্দ্রে অবস্থিত এই ভবনের গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে ভবনটির প্রবেশপথ বিধ্বস্ত হয়ে যায়। উদ্ধার ও অনুসন্ধান প্রচেষ্টা চলমান রয়েছে। ৬৬টি উদ্ধারযন্ত্র নিয়ে ৪৬৯ জন কর্মকর্তা এই কাজে নিয়োজিত আছেন। এছাড়া দেশটির জরুরি সেবাদান মন্ত্রণালয়ের ১০০ জনেরও বেশি উদ্ধারকর্মী দ্রুতই ভবনটিতে চলমান উদ্ধারকাজে যোগ দেবেন। ইয়েকাটেরিনবার্গ থেকে একটি মি-৮ হেলিকপ্টার এবং দুটি প্রশিক্ষিত কুকুর নিয়ে তারা ঘটনাস্থলের দিকে রওনা হয়েছেন। নগর প্রশাসন জানিয়েছে, ভবনটির আরও দুটি প্রবেশপথ বিধ্বস্ত হওয়ার ঝুঁকিতে আছে।এই ঘটনায় ম্যাগনিটোগোর্স্কে শোক ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছে রুশ বার্তা সংস্থাটি। কে/পি
রাশিয়ায় ভবনে গ্যাস বিস্ফোরণে নিহত চার, নিখোঁজ ৬৮
ফিলিপিন্সে মলে বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহত দুই, আহত ৩২
ফিলিপিন্সের একটি মলে ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস(আইডি) বিস্ফোরণের ঘটনায় দুজন নিহত এবং শিশুসহ ৩২ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় সোমবার দুপুর একটা ৫০ মিনিটে দেশটির মাগুইনদানাও প্রদেশের কোতাবাতো শহরে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যম জিএমএ নিউজ। ফিলিপিন ন্যাশনাল পুলিশ (পিএনপি) বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহত দুজনকে শনাক্ত করেছে। নিহতরা হলেন মাইলাভ নাতারা এবং সিদিক কুতিন। আহতাবস্থায় তাদেরকে হাসপাতালে নেয়ার পর মারা যান তারা। আহতদেরকে স্থানীয় হাসপাতালগুলো ভর্তি করা হয়েছে। আর্মির ষষ্ঠ ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনের কমান্ডার মেজর জেনারেল সিরিলিতো সবেজানা বলেন, আতশবাজি বিক্রির দোকান সংলগ্ন সাউথ সিস মলের প্রবেশমুখে এই আইইডি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পুলিশের রিপোর্টে বিস্ফোরক দ্রব্যটি একটি বাক্সে মোড়ানো ছিল বলে ইঙ্গিত করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে একজন অপরিচিত পুরুষ বাক্সটি এখানে রাখার কিছুক্ষণের মধ্যে, তা বিস্ফোরিত হয়। আরও বলা হয়েছে, বিস্ফোরণ ঘটাতে কী ধরনের উপাদান ব্যবহৃত হয়েছে তা এখনও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। ইতোমধ্যে পুলিশের এক্সপ্লোসিভ অর্ডিন্যান্স ডিসপোজাল (ইওডি) এবং সিন অব দ্য ক্রাইম অপারেটিভস(এসওসিও) ইউনিট ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এদিকে স্থানীয় আরেকটি গণমাধ্যম বালিতা পিলিপিনাসের খবরে বলা হয়, একটি তিন চাকার সাইকেলে আইইডি’টি মলের সামনে আনা হয় এবং একটি মোবাইল ফোনের সাহায্যে এতে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। ঘটনাস্থলে অবিস্ফোরিত আরও একটি আইইডি পাওয়া যায়। বিস্ফোরণের আগেই কর্তৃপক্ষ সেটি নিষ্ক্রিয় করে ফেলে। ফলে আর কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। বিস্ফোরণের পর এই এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। কে/পি
ফিলিপিন্সে মলে বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহত দুই, আহত ৩২
যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি সংবাদপত্রে সাইবার হামলা
সাইবার হামলার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি সংবাদপত্র বড় ধরনের প্রিন্টিং ও বিতরণ বিঘ্নতার শিকার হয়েছে। স্থানীয় সময় শনিবারের এই হামলার কারণে লস অ্যাঞ্জেলস টাইমস, শিকাগো ট্রিবিউন, বাল্টিমোর সান এবং ট্রিবিউন পাবলিশিংয়ের মালিকানাধীন আরও কিছু পত্রিকা বিতরণ বিলম্বিত হয়েছে। কোম্পানিটি বলছে, শুক্রবার তারা প্রথম ম্যালওয়ারটি শনাক্ত করে। লস অ্যাঞ্জেলসের এই প্রোডাকশন প্ল্যাটফর্ম থেকে প্রকাশিত ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল ও দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের পশ্চিম উপকূলীয় সংস্করণও এই হামলায় বিলম্বিত হয়। লস অ্যাঞ্জেলস টাইমসের বরাত দিয়ে যুক্তরাজ্যের গণমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে থেকে এই হামলা চালানো হয়েছে। এই হামলা সম্পর্কে অবহিত একটি অজ্ঞাত সূত্র লস অ্যাঞ্জেলস টাইমসকে বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি অবকাঠামো বিশেষ করে সার্ভারগুলো অকার্যকর করার লক্ষ্যেই এই হামলা চালানো হয়েছে, তথ্য চুরির জন্য নয়। ট্রিবিউন পাবলিশিংয়ের মুখপাত্র মারিসা কোলিয়াস এক বিবৃতিতে বলেন, আমাদের সংবাদপত্র প্রকাশে ব্যবহৃত অফিসিয়াল সিস্টেমে আঘাত হানে এই ভাইরাস। লস অ্যাঞ্জেলস টাইমসের মতে, তিনি বলেন যে কোম্পানিটির সব মার্কেটে এর প্রভাব পড়েছে। তবে নির্দিষ্ট করে কিছু বলতে তিনি আপত্তি জানান। দেশটির ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি’র একজন কর্মকর্তা বিবৃতিতে বলেন, কিছু গণমাধ্যম সাইবার হামলা শিকার হওয়ার বিষয়টি সম্পর্কে আমরা অবগত আছি। পরিস্থিতিটি ভালোভাবে বুঝতে আমাদের সরকার ও সংশ্লিষ্টরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এই বিষয়ে তাৎক্ষণিক ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (এফবিআই) তদন্ত কর্মকর্তাদের মন্তব্য পাওয়া যায়নি। এর আগে চলতি বছরের শুরুতে নিউ ইয়র্ক ডেইলি নিউজ, অর্ল্যান্ডো সেন্টিনেল এবং অ্যানাপোলিস ক্যাপিটাল-গেজেটসহ কোম্পানিটির অন্যান্য পাবলিকেশনের কর্মীর ওপর বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটে। কে/পি
যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি সংবাদপত্রে সাইবার হামলা
ভারতে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ১০ জন নিহত
ভারতের গুজরাটে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ১০ জন নিহত হয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, রোববার এই সড়ক দুর্ঘটনায় ওই ব্যক্তিরা নিহত হন। তারা জানিয়েছে, গুজরাটের কুটচ জেলার বাচাওয়ের কাছে দুটি চলন্ত ট্রাকের মাঝে একটি এসইউভি পিষ্ট হলে ওই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। খবর ইন্ডিয়া টুডের। পুলিশ জানিয়েছে, রোববার সন্ধ্যায় বাচাও মহাড়কে ওই দুর্ঘটনা ঘটে। একটি লবণবাহী ট্রেইলার ট্রাক ডিভাইডার পেরিয়ে আরেকটি লেনে চলতে থাকা স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিক্যাল (এসইউভি)কে ধাক্কা দেয়। গাড়িটিতে ওই সময় ১১ জন আরোহী ছিলেন বলে জানাচ্ছে পুলিশ। একজন পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, একইসময় একটি চলন্ত ট্রাক ওই এসইউভি পেছন থেকে ধাক্কা দিলে ১০ জনের মৃত্যু হয়। পুলিশ বলছে, ওই ব্যক্তিরা বাচাও থেকে থেকে তাদের নিজ শহর ভুজে যাওয়ার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। সরকারি এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনার পর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রুপানি শোক জানিয়েছেন। এসময় তিনি ‍ভুক্তভোগীদের সব ধরনের সহায়তা প্রদান করতে জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন। এ
ভারতে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ১০ জন নিহত
আরও পড়ুন
নির্বাচনে ১২টি পর্যবেক্ষক দল পাঠাবে যুক্তরাষ্ট্র
আ.লীগের প্রতিটি কর্মীর ঘরই আমার ঘর: তন্ময়
ইসলামিক স্টেটের চেয়েও ‘বড় হুমকি’ রাশিয়া: ব্রিটিশ সেনাপ্রধান
নুহাশ হুমায়ূনের ‘পিৎজা ভাই’